ঘুমানোর আগে আমরা অনেকেই মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাই। বিষয়টি আমাদের সুস্থাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর।
১। অনেক সময় ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। এক নাগাড়ে পনের মিনিটের বেশি কথা বলা কোনভাবেই উচিৎ নয়।
২। দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে স্পিকারে বা হেডফোনে কথা বলুন।
৩। অন্ধকারে মোবাইল, ল্যাপটপ ব্যবহারে বিরত থাকুন। অন্ধকারে মনিটর থেকে যে রশ্মি নির্গত হয় তা আমাদের চোখের জন্য ক্ষতিকর। কাজেই মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় বাহ্যিক আলো না বন্ধ করাটাই উত্তম।
৪। যানবাহন ( কার, বাস, ট্রেন, প্লেন) এবং লিফটে মোবাইল ফোন ব্যবহারে বিরত থাকুন। কেননা ধাতব বস্তুর নিকটবর্তী থাকলে রেডিয়েশনের মাত্রা বেড়ে যায়।
৫। পকেট বা শরীরের সংস্পর্শে মোবাইল ফোন না রেখে ব্যাগে রাখুন।
৬। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া শিশুদের হাতে মোবাইল ফোন দিবেন না। বিশেষ করে যাদের বয়স আঠারো বছরের কম।
৭। ল্যাপটপ বা ট্যাবে কাজ করার সময় টেবিলে বসে করুন। কোলে বা বুকের ওপর কখনো রাখবেন না।
৮। মোবাইল ফোন চার্জে থাকা অবস্থায় কখনো ব্যবহার করবেন না।
Monday, February 4, 2019
এই শীতে ঘুরে আসুন চায়ের শহর শ্রীমঙ্গলে
দেশের বিখ্যাত পর্যটন নগরী হল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। শহরের চারদিকে সবুজের সমারোহ, পাহাড় আর উঁচু টিলার শেষ নেই। চোখ ঘুরালেই শুধু সবুজ। শহরের বেশির ভাগটা জুড়েই রয়েছে চা-বাগান। দেশে দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, সুন্দরবন, বান্দরবনে ঘুরেছেন।
কিন্তু ভ্রমণ করেননি দেশের অন্যতম প্রাকৃতিক লীলাভূমি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। এখানে আপনি যে দিকে-ই তাকাবেন দু'চোখ জুড়ে দেখবেন চায়ের বাগান। যা দেখলে চোখ জুড়ে খেলে যাবে এক অপরূপ সুন্দর ও সবুজের সমারোহ। তাই হয়তোবা ভাবছেন কিভাবে যাবেন শ্রীমঙ্গলে!
বাংলাদেশে চা-বাগান মানেই শ্রীমঙ্গলে। সাধারণত মে মাস থেকে চাপাতা সংগ্রহের মৌসুম শুরু হয় চলে অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময় বাগানও থাকে সবুজ-সতেজ আর কর্মচঞ্চল। আর এ সময়টাকেই আপনি বেছে নিতে পারেন ভ্রমণের জন্য।
‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য দেখে শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান ভ্রমণ শুরু করতে পারেন। বাগানে চা পাতা তুলছে এক তরুণী শ্রমিক। এই আদলে তৈরি সাদা ভাস্কর্যটি শ্রীমঙ্গলের প্রবেশ পথেই দৃষ্টি কেড়ে নেবে। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন দৃষ্টিনন্দন এ ভাস্কর্যটি তৈরি করেছে সাতগাঁও চা-বাগানের সহযোগিতায় ‘চা-কন্যা’র সামনেই বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সাতগাঁও চা-বাগান।
‘চা-কন্যা’ থেকে শ্রীমঙ্গল শহরের দূরত্ব বেশি নয়। ছোট্ট শহরকে পিছু ফেলে ভানুগাছ সড়কে উঠলেই চোখে পড়বে ফিনলের চা-বাগান।
চা গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিটিআরআই) ভেতর থেকে দক্ষিণামুখী সড়কটি ধরে এগিয়ে গেলে ফিনলের চা-বাগান, এ ছাড়া আছে বিটিআরআইর নিজস্ব বাগান। ভানুগাছ সড়কের টি-রিসোর্ট ফেলে সামনে দুটি বাঁক ঘুরে হাতের ডানের সড়ক ধরে কয়েক কিলোমিটার গেলেই জেরিন টি-এস্টেট।
লাউয়াছড়ার আগে হাতের ডানে জঙ্গলঘেরা পথটি চলে গেছে নূরজাহান টি-এস্টেটের দিকে। এ পথে দেখা মিলবে আরো বেশ কিছু বাগান। শ্রীমঙ্গল থেকে কমলগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। পথের মধ্যেই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। কমলগঞ্জ থেকে আরো পাঁচ কিলোমিটার গেলে পাহাড় ঘেরা চা-বাগানের মধ্যে বিশাল মাধবপুর লেক।
তবে চা-বাগান দেখতে দেখতেও মাধবপুর যাওয়া যায়। এর জন্য ধরতে হবে নূরজাহান টি-এস্টেটের পথ। বাহন হিসেবে অবশ্যই নিতে হবে জিপ। এখান থেকেও চা-বাগান দেখতে দেখতে ভিন্নপথে ফিরতে পারেন। ধলাই সীমান্ত থেকে ফিরতি পথে সামান্য এগিয়ে হাতের বামে বেশ পুরনো চা-বাগানের বাংলোর পাশ ঘেঁষা রাস্তা ধরে চললে, চা-বাগানের বাঁকে বাঁকে ফেরা যাবে শ্রীমঙ্গল শহরে।
শ্রীমঙ্গলে এসে যা দেখতে পারবেন সবুজ চায়ের বাগান, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বধ্যভূমি-৭১, ডিস্ট্রেন সিমেট্রি, ভাড়াউড়া লেক, মিনি চিড়িয়াখানা, বিটিআরআই চা গবেষণা কেন্দ্র, হাইল হাওর, বাইক্কা বিলসহ আরও ভ্রমণ উপযোগী বিভিন্ন স্থান।
Labels:
ভ্রমণ
যেভাবে দূর করবেন খাবারের ফরমালিন
বাংলাদেশে ফরমালিন ছাড়া খাবার জাতীয় কোনো কিছু বাজারে পাওয়া খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।
সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন যদিও সুষম খাদ্য খাওয়া উচিত। তবে ভয়ঙ্ককর ব্যাপার হচ্ছে, মাছ, ফল ও সবজি সুস্বাস্থ্যের পরিবর্তে উল্টো আমাদের স্বাস্থ্যহানি করে। কারণ ফরমালিনযুক্ত খাবার বাজারে সয়লাব।
এছাড়া বাজারের বেশিরভাগ ফল ও শাক-সবজি রাসায়নিকে ভরপুর। আমরা অনিচ্ছা সত্ত্বেও প্রতিদিন বিষ খেয়ে চলেছি। যা থেকে হতে পারে বিভিন্ন রোগ।
জেনে নিন কীভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মাছ, ফল ও সবজি থেকে ফরমালিন দূর করতে পারবেন।
ফল ও সবজি:
* যে কোনও ফল বা সবজি খাওয়ার আগে ১০ মিনিট লবণ মেশানো গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।
* যেসব ফল ও সবজির খোসা ফেলে দেওয়া যায়, সেগুলোর খোসা ফেলে দিন। যেমন: পেঁয়াজ, আলু, অ্যাভাকাডো, আপেল, আদা, আম, গাজর, মূলা ইত্যাদি। প্রথমত এসব ফল ও সবজি ধুয়ে নিন, তারপর খোসা ফেলে দিন। খোসা ছাড়ানোর পর আবারো ধুয়ে নিন।
* পানি দিয়ে ফল ও সবজি ধুয়ে ফেলুন, এরপর একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ফল ও সবজি ভালো করে মুছে ফেলুন। তারপর খান।
মাছ:
* রান্নার আগে ১ ঘণ্টা লবণ মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মাছ। এতে ফরমালিনের পরিমাণ ৯০ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও মাছে থাকা ফরমালিনের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।
* মাছ রান্না করার আগে এক হাঁড়ি পানিতে ৫ চা চামচ ভিনিগার মিশিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। দূর হবে ফরমালিন।
* শুঁটকি মাছ ফরমালিনমুক্ত করতে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এরপর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে আরও এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপরই রান্না করুন।
* যেসব ফল ও সবজির খোসা ফেলে দেওয়া যায়, সেগুলোর খোসা ফেলে দিন। যেমন: পেঁয়াজ, আলু, অ্যাভাকাডো, আপেল, আদা, আম, গাজর, মূলা ইত্যাদি। প্রথমত এসব ফল ও সবজি ধুয়ে নিন, তারপর খোসা ফেলে দিন। খোসা ছাড়ানোর পর আবারো ধুয়ে নিন।
* পানি দিয়ে ফল ও সবজি ধুয়ে ফেলুন, এরপর একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ফল ও সবজি ভালো করে মুছে ফেলুন। তারপর খান।
মাছ:
* রান্নার আগে ১ ঘণ্টা লবণ মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখুন মাছ। এতে ফরমালিনের পরিমাণ ৯০ শতাংশ কমে যায়। এছাড়া প্রথমে চাল ধোয়া পানিতে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও মাছে থাকা ফরমালিনের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।
* মাছ রান্না করার আগে এক হাঁড়ি পানিতে ৫ চা চামচ ভিনিগার মিশিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। দূর হবে ফরমালিন।
* শুঁটকি মাছ ফরমালিনমুক্ত করতে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ১ ঘণ্টা। এরপর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে আরও এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপরই রান্না করুন।
Labels:
লাইফস্টাইল
ব্রাজিলে বাঁধ ধস : নিহত বেড়ে ১১৫; নিখোঁজ ২৪৮
২৫ জানুয়ারী ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস প্রদেশের ব্রুমাদিনহো শহরে একটি বাঁধ ধসে পড়ে। ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ২৪৮ জন।
দেশটির উদ্ধার ও জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ওই বাঁধ ধসের কারণে বহু মানুষ, ভবন ও যানবাহন কাঁদামাটির নিচে চাপা পড়েছে। এখনও উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজে ১২টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ১৭০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, ব্রাজিলের খনি কম্পানি ভ্যালের পক্ষ থেকে ওই বাঁধ ধসের কারণ জানানো হয়নি।
সূত্র : এনডিটিভি, রয়টার্স
Labels:
ব্রাজিল
খাশোগি ইস্যুতে আমেরিকার কড়া সমালোচনায় এরদোগান
সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডে আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপএরদোগান। এসময় তিনি আমেরিকার কড়া সমালোচনা করেন। খবর আল-জাজিরা’র।
খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে কোন কঠিন অবস্থান না নেওয়ায় আমেরিকাকে এক হাত নেন এরদোগান। এরদোগান বলেন, এমন একটা বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে আমেরিকার নিশ্চুপ থাকার কারণ আমি বুঝি না, যেখানে সিআইএ পর্যন্ত খাশোগি হত্যাকাণ্ডের অডিও রেকর্ড শুনেছে।
রবিবার এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন এরদোগান।
তিনি আরো বলেন, এমন হত্যাকাণ্ড সাধারণ কোন ঘটনা না। আমরা এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সকল রহস্য পরিষ্কার করতে চাই।
সাক্ষাৎকারে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় ছিল ২২ জন । এর মধ্যে ১৫ জন ব্যক্তি ২টি প্লেনে করে ইস্তাবুলে আসেন এবং হত্যাকাণ্ডের দিন কনস্যুলেটের ভিতরে প্রবেশ করে।
গত বছরে তুরস্কের সৌদি কনস্যুলেটের ভিতরে খুন হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি।
Labels:
আন্তর্জাতিক
‘বাড়াবাড়ি করলে ট্রাম্পের রক্ত ঝরবে’, হুমকি মাদুরোর
পদত্যাগ করতে বেশি চাপ দিলে ভেনিজুয়েলায় গৃহযুদ্ধ শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে বলে হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। একই যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ট্রাম্প বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাকে রক্তাক্ত হয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়তে হবে।’ বিবিসি।
এক টিভি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি আবারো ভুল করার ঝুঁকি নিচ্ছেন। কোন ভুল করলে মার্কিন সেনাবাহিনীকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পরিণতি ভোগ করতে হবে। আপনাকে রক্তাক্ত হয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়তে হবে।’
‘কী ঘটবে তা নির্ভর করছে উত্তরের শক্তি (যুক্তরাষ্ট্র) কতটা পাগলামি ও আগ্রাসন চালায় তার ওপর। আমাদের দেশ আমরাই রক্ষা করতে পারবো। বাইরের কারও হস্তক্ষেপ করার দরকার নাই’, বলেন মাদুরো। তার অভিযোগ, বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান মাদুরো দেশে অভ্যুত্থান ঘটানোর চেষ্টা করছেন।
এর আগে ভেনিজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জবাবে এমন রণহুঙ্কার ছাড়েন মাদুরো।
মাদুরো ও গুয়াইদো উভয়েই নিজেকে ভেনিজুয়েলার বৈধ শাসক বলে দাবি করছেন। তাদের এই দাবির পক্ষে সামরিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা, বিক্ষোভকারী ও বিদেশি সরকারও জড়িয়ে পড়েছে। ফলে গোটা শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মতো বিদেশি শক্তিগুলো পরস্পরবিরোধী অবস্থান নেয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে।
চরম অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গত মাসে। এক পর্যায়ে বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইদো নিজেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। জনগণের বিপুল সংখ্যক অংশ তাকে সমর্থন দিয়েছেন। সেই সাথে খুব দ্রুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ল্যাটিন আমেরিকান কয়েকটি দেশেরও সমর্থন লাভ করেন তিনি। কিন্তু সেনাবাহিনী এখনো সঙ্গে থাকায় মাদুরো নিজেকে চেয়ার ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ বিপক্ষে গেলেও চীন ও রাশিয়াও মাদুরোর পক্ষে।
Labels:
আন্তর্জাতিক,
লাতিন আমেরিকা
রাঙ্গামাটিতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলি, নিহত দুই
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের রাইখালীর কারিগর পাড়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, জনসংহতি সমিতি সংস্কার গ্রুপের কর্মী মংসিনু মারমা ও তার বন্ধু ছাত্রলীগ কর্মী জাহিদ। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। মংসিনু মারমা ও জাহিদ দোকানে বসে চা খাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা তাদের উপরও গুলি বর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এই সময় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু ঘটে।
চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতাত নিশ্চিত করে জানান, 'আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এ হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত দুই জনের লাশ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকায় বিজিবি ও পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে'।
স্থানীয়রা ব্যবসায়ীরা জানান, জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের কর্মী মংসানু মারমা ও তার বন্ধু জাহিদ কারিগর পাড়ার একটি চায়ের দোকানের সামনে বসে চা খাচ্ছিল। এ সময় কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই মুখোশ পরিহিত দুর্বৃত্তরা তাদের উপর গুলি বর্ষণ করে। এ সময় নিহত মংসানু মারমা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দৌড়ে পালাতে চাইলে তার উপর আবারও গুলি বর্ষণ করা হয়। দুর্বৃত্তরা প্রায় ১৫ থেকে ২০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করে। গুলি শব্দ শুনে স্থাণীয়রা হতভম্ব হয়ে যায়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই ঘটনার পর কারিগরপাড়া বাজারের সব কয়টি দোকান বন্ধ রয়েছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী ও পুলিশী টহল জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয়দের কাছ থকে জানা যায়, জনসংহতি সমিতি সংস্কার গ্রুপের কর্মী মংসিনু মারমা সম্প্রতি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জেএসএস মূল দল থেকে জেএসএম সংস্কার গ্রুপে যোগ দেয়। এরপর থেকে জেএসএস সংস্কার গ্রুপের পক্ষে মংসিনু বিভিন্ন কার্যক্রম চালাতেও দেখা গেছে।
Labels:
বাংলাদেশ
Subscribe to:
Posts (Atom)








