Social Icons

Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

Monday, March 18, 2019

লম্বা স্বামী আর খাটো স্ত্রীদের সংসার সবচেয়ে সুখের হয়ঃগবেষণা


লম্বা পাত্রদের জন্য বিয়ের সময়ে লম্বা পাত্রী খোঁজা হলেও গবেষকরা জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। গবেষকদের মতে, লম্বা ছেলেদের খাটো স্ত্রী থাকলেই নাকি সংসার সুখের হয়।
সিউলের কনকুক ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এবং গবেষক কিটাই সন এর গবেষণাটি করা হয়েছে ৭৮৫০ নারীর উপরে। দেখা গেছে সুখী দাম্পত্যের সঙ্গে স্বামীর উচ্চতার সঙ্গে সম্পর্ক আছে।
গবেষণায় অংশগ্রহণকারী যেই নারীদের স্বামীদের উচ্চতা বেশী, তারা অন্যদের চাইতে নিজেদেরকে বেশী সুখী বলে দাবী করেছেন। সঠিক কারণ কেউ না জানালেও গবেষকের মতে নারীরা সাধারণত পুরুষের প্রতিই বেশি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।
লম্বা পুরুষরা শক্তিশালী হয় এবং স্ত্রীরা তাদের উচ্চতায় মুগ্ধ থাকে এবং নিরাপদ বোধ করে। তবে এই আকর্ষণ বিয়ের পর মাত্র ১৮ বছর থাকে। এরপর উচ্চতার আর কোনো প্রভাব থাকে না সংসারে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে দেখতে স্মার্ট দেখায়। ফলে কর্মক্ষেত্রেও লম্বা পুরুষরা সফলতা পায়। তাদের আত্মবিশ্বাস বেশি থাকায় সঙ্গীকে নিয়ে কখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে না তারা। ফলে দাম্পত্য সম্পর্কে জটিলতা কম থাকে।
পোল্যান্ডের একজন নৃতত্ত্ববিদ তার একটি গবেষণায় বলেছেন, জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অর্থ, সম্মান এবং বিশ্বাস কিছুই না দেখে উচ্চতা দেখা উচিত। তার মতে, একজন নারীর তুলনায় পুরুষের ১.০৯ গুন বেশি লম্বা হওয়া জরুরী। উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হতে পারে। ভিক্টোরিয়া বেকহামের চাইতে ডেভিড বেকহামের উচ্চতা ১.০৯গুন বেশি। -ব্রাইট সাইড

Sunday, March 17, 2019

যত সর্বনাশ পরকীয়ায়


বাংলাদেশে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে তোলার হার অস্বাভাবিক সংখ্যায় বাড়ছে। আর পরকীয়ায় আসক্ত নর-নারীর সংখ্যা  বেড়ে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পরিবার ও সমাজে। এর ফলে পুরো দেশে বিবাহ বিচ্ছেদের হার বেড়েছে। এতে দগ্ধ হচ্ছে পরিবার, ধুঁকছে সমাজ।
এর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ ও পারিবারিক সদস্যদের হত্যা করার মতো অপরাধও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষই পরকীয়ায় জড়াচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের অসুস্থ বিনোদন, নিজ রুচি ও যোগ্যতার সঙ্গে জীবনসঙ্গীর মিল খুঁজে না পাওয়া, স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া, বিয়ের আগে-পরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ম্যারেজ বা ফ্যামিলি কাউন্সিলিং না নেওয়া, স্বামীর অর্থনৈতিক সংকট ও স্ত্রীর উচ্চাভিলাসের কারণেই নর-নারী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে।
জরিপ বলছে, শহরাঞ্চলে ৮ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলে ৭ শতাংশ বিবাহিত পুরুষই বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে  জড়িত। আর নারীদের মধ্যে গড়ে ০.৩ শতাংশ এ ধরনের সম্পর্কে জড়িত। এদের মধ্যে পুরুষরা তাদের মেয়ে বান্ধবী (৩২ শতাংশ) এবং আত্মীয়দের (১৫%) সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়াচ্ছে। আর যেসব পুরুষ বিয়ের আগেই শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন তাদের বিয়ের পর পরকীয়ায় জড়ানোর প্রবণতা বেশি থাকে। ‘বেজলাইন এইচআইভি/এইডস সার্ভে এমোং ইয়ুথ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক গবেষণা থেকে এমনটি জানা যায়।
আবার ঢাকা সিটি করপোরেশনে তালাক নিয়ে কাজ করেন এমন কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, দেশে আগের চেয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ। তারা আরও জানান, যেসব দম্পতি আমাদের কাছে তালাকের জন্য আবেদন করেন এদের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ স্বামী-স্ত্রী নিজেদের সম্পর্ক ভাঙার কারণ হিসেবে পরকীয়াকে দায়ী করেন। বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর আচরণগত বেইজ লাইন সার্ভেতে উল্লেখ করা হয় যে, দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলে ষাটের দশকের তুলনায় বর্তমানে বিবাহ বহির্ভূত ও বিবাহপূর্বক অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার হার তিনগুণ বেশি।
বর্তমানে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৩ জনই অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন। সমাজবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, এই অবস্থা চলতে থাকলে পাশ্চাত্যের মতো বাংলাদেশেও পারিবারিক সম্পর্কগুলোতে ভাঙন ধরবে। তবে এই অবস্থা রোধ করতে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিকতাবিষয়ক শিক্ষা প্রদান, গণমাধ্যমে সুষ্ঠু প্রচারযোগ্য অনুষ্ঠান প্রচার ও পারিবারিক মূল্যবোধ তৈরির ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, পরকীয়ার ঘটনাগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক কারণ জড়িত। তিনি আরও বলেন, দেশের সেসব স্ত্রীর-স্বামী প্রবাসে থাকে তাদের তুলনামূলক বেশি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। দেখা যাচ্ছে যে, কিছু ক্ষেত্রে অভিভাবকরা পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পারিবারিক কলহ থেকে সন্তানকে হত্যা করছে। এ ক্ষেত্রে অবৈধ সম্পর্ক চালিয়ে যেতে কোনো বাধা পেলে ক্রোধের বশবর্তী হয়ে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধে তারা জড়িয়ে পড়ছেন।
সুত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

ব্রেকআপের পরে নতুন সম্পর্কে জড়াচ্ছেন?

বন্ধুমহলে আলোচিত জুটি ছিল সাব্বির-আনিকা। ভালোবাসার উদাহরণ হিসেবে অনেকেই তাদের নাম বলতো। এরপর হঠাৎই একদিন জানা গেল, তারা আর সম্পর্কে নেই। ভালোবাসাবাসির ইতি টেনে যে যার মতো মুক্ত। তবে কেউ কাউকে দোষারোপও করছে না। ব্যক্তিগত বিষয় ভেবে বন্ধুরাও খুব একটা ঘাঁটালো না ওদের। কিন্তু জীবন তো একা কাটানো সম্ভব নয়। তাই নতুন সঙ্গী এসে জোটে তাদের জীবনেও।
গল্পটি কাল্পনিক হলেও এরকমটা হতেই পারে। এমন উদাহরণও অনেক পাওয়া যাবে। কিন্তু দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে নতুন কোনো সম্পর্ক শুরু করার আগে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি-
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করুন
মন চাইলো আর জড়িয়ে গেলাম- এমন মানসিকতা দূরে রাখুন। সম্পর্কের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে তা ভেবেচিন্তে এগোন। প্রেম করার মানসিকতা এখন আর রাখবেন না। কারণ ওই বয়স আপনি পেরিয়ে এসেছেন। এমনটাও ভাববেন না যে পুরনোজনের জায়গায় নতুনজনকে রিপ্লেস করবেন।
তুলনা করবেন না 
প্রত্যেক মানুষই আলাদা। একজনের থেকে অন্যজনের স্বভাব, আচরণও আলাদা হবে এটাই স্বাভাবিক। আগেরজন এত ভালো ছিল, দামি উপহার দিত বা অনেক কথা না বললেই বুঝে যেত এসব ভুল তুলনা টানবেন না। প্রথমেই মাথা থেকে এসব বের করে দিন। এছাড়াও স্যালারি নিয়েও কোনো তুলনা টানবেন না।
সময় দিন 
হুট করে প্রেম নয় বা রাগারাগি নয়। সময় দিন। সময়ে সাথে সাথে অনেককিছু বদলে যায়। একে অপরকে বুঝুন। অতিরিক্ত ঘাঁটাবেন না। নিজেও ভাবার মতো সময় নিন। অন্যকেও দিন।
দুই নৌকায় পা দেবেন না
পুরনোর কাছে ফিরে যাবেন কিনা এই নিয়ে কোনো দোটানা রাখবেন না। মনে রাখবেন স্বেচ্ছায় এবং দুজনের সিদ্ধান্তেই আপনারা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছেন। যেখানে আছেন সেখানেই মন দিন
ইতিবাচক ভাবনা রাখুন 
হতাশা, দুঃখ, কান্না মনখারাপ একদম নয়। নতুনজনের কাছে সবসময় নিজের হতাশার কথা বলবেন না। ভালো সময় কাটান। গল্প করুন। ইতিবাচক ভাবনা বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

Saturday, March 16, 2019

১৪ বছরের আগে সন্তানের হাতে মোবাইল নয়

১৪ বছরের আগে শিশুর হাতে কোনোভাবেই মোবাইল ফোন নয়। বলছেন তথ্য-প্রযুক্তির সম্রাট বিল গেটস! তার মতে, ‘‘মা-বাবার দায়িত্ব পালন খুব সহজ কাজ নয়। অভিভাবকরাই ঠিক করবেন একজন শিশুর বেড়ে ওঠা কেমন হবে। তাই শিশুর হাতে কখন মোবাইল তুলে দেবেন, সে সিদ্ধান্তও অভিভাবকের।’’ 
নিজের সন্তানদের ক্ষেত্রেও এই বিষয়ে যথেষ্ট কঠোর ছিলেন বিল গেটস। তার তিন সন্তানের বয়স যথাক্রমে ২০, ১৭ ও ১৪। এদের কেউই হাইস্কুলে ওঠার আগে মোবাইল হাতে পাননি। এর আগেও সন্তানের হাতে মোবাইল তুলে দেয়া নিয়ে একই কথা জানিয়েছিলেন বিল।  
শিশু কাঁদছে। তাকে ভোলাতে মা হাতে তুলে দিলেন মোবাইল। মা-বাবা ব্যস্ত জরুরি কাজে, শিশুর দৌরাত্ম্য ঠেকাতে হাতে গুঁজে দিচ্ছেন মোবাইল গেম। আমাদের চারপাশে এ ছবি নতুন নয়। যদিও চিকিৎসকরা বরাবরই শিশুদের হাতে মোবাইল তুলে দেয়ার বিরোধিতাই করে এসেছেন।
২০১৬-য় ‘‘কিডস অ্যান্ড টেক: দ্য ইভলিউশন অব টুডে’জ ডিজিটাল নেটিভস’’ শীর্ষক একটি রিপোর্টে প্রকাশ, সারা পৃথিবীতে যে সব শিশু মোবাইল হাতে পায়, তাদের গড় বয়স ১০.৩ বছর। সোশ্যাল সাইট ব্যবহারকারী শিশুদের গড় বয়স ১১.৪ বছর। যে তথ্য যথেষ্ট চিন্তার বলেই জানাচ্ছেন এই শহরের মনোবিদরাও।
চিকিৎসকরা বরাবরই কমবয়সীদের হাতে মোবাইল তুলে দেয়ার বিরোধিতা করে এসেছেন। অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্তি শিশুদের মধ্যে নানা রকম অসুখের জন্ম দেয় বলেই দাবি তাদের।
সুতরাং সন্তানের হাতে মোবাইল দেয়ার আগে দুইবার ভাবুন।

শিশুর ওপর প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব
ডা: হালিমা আক্তার

নিঃসন্দেহে বলা যায়, বিশ্বের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন শীর্ষ অবস্থায় এবং এ উন্নয়নের পরশে মানুষের জীবনযাত্রায় হয়েছে লক্ষণীয় পরিবর্তন; এনেছে গতি ও শৌখিনতা। কিন্তু এর অপব্যবহারে প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের ওপরও নানাভাবে এর কুপ্রভাব পড়ছে।
উন্নত বিশ্বের শিশুদের মতো বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের মধ্যেও প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতি আসক্তি বাড়ছে। আল্ট্রাপ্রযুক্তির বিভিন্ন উপকরণে আসক্তির কারণে শিশু-কিশোরদের প্রযুক্তির প্রতি এ ক্রম-আসক্তি পরিপূর্ণ মানসিক ও শারীরিক বিকাশের অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। পরিবারে মা ও শিশুর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। মায়ের জন্য তারা আলাদা সময় বের করতে পারছে না। যার ফলে পারিবারিক প্রথাগত শিক্ষা, শিষ্টাচার, ভ্যালুজ এডুকেশন তথা ধর্মীয় ও সামাজিক আচরণ অর্জন থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে।
অন্য দিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিতে নিয়মিত অনুপস্থিতির কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দিন দিন শিশু ও কিশোররা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অপরিণত বয়সেই বেশির ভাগের ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ভিডিও গেম, মোবাইল, ল্যাপটপ ও বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা সৃষ্টি হচ্ছে। এই ধারাবাহিক প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে শিশুসহ আবালবৃদ্ধবনিতা প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ বেড়েই চলছে। ফলস্বরূপ পরিবার-পরিজনদের মধ্যে আন্তরিকতা কমে যাচ্ছে। বাবা-মায়ের অজান্তেই সন্তান কাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখছে, তা জানারও সুযোগ থাকছে না।
শিশু-কিশোরদের মধ্যে অধিক মাত্রায় ভিডিও গেম বা ফেসবুকের মতো ভার্চুয়াল লাইফে সংশ্লিষ্টতার কারণে ধীরে ধীরে তা আসক্তিতে পরিণত হয়। বাড়ন্ত বয়সে এ অস্বাভাবিক আকর্ষণ ক্রমান্বয়ে নেশায় পরিণত হয়। রাতের পর রাত জেগে এসব কাজে মগ্ন থাকায় পরদিন সকালে ক্লাসে ভীষণ অমনোযোগী থাকে এবং মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হয়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। বাবা-মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করে না। সে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে নিজেকে পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে।
বিরতিহীনভাবে এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শিশুদের চোখ ও মস্তিষ্কের মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত চাপ পড়ে। রেডিয়েশনের প্রভাবে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। মস্তিষ্ক সঠিকভাবে কাজ করে না। তারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কোনো কিছুতেই আগ্রহ থাকে না। কোনো কায়িক পরিশ্রম কিংবা খেলাধুলা তারা করতে চায় না। সারাক্ষণ আঙুল, চোখ ও মস্তিষ্ক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তাদের মনের চাহিদা পূরণ করতে চায়।
অন্যদিকে বিরামহীনভাবে ভিডিও গেম খেলার কারণে কনভালশন তথা খিঁচুনি কিংবা মৃগীর মতো স্নায়বিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘ সময় শুয়ে অথবা বসে ভিডিও গেমস বা ফেসবুকিং করার ফলে হাঁটু ও কোমরে ব্যথা দেখা দেয়। কায়িক পরিশ্রমের খেলাধুলা না করায় অল্প বয়সে তাদের শরীরে চর্বি জমে যায়। এতে করে লিভার, কিডনিসহ হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশুরা এখন মা-বাবার মনোযোগ পেতে তাদের প্রিয় ডিভাইসগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট শন পার্কার স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলেছেন, এই প্ল্যাটফর্ম আসক্তিপূর্ণ করে বানানো হয়েছে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠার সময় তার কোনো ধারণা ছিল না যে তিনি কী করছেন। তিনি আরো বলেন, শুধু সৃষ্টিকর্তা জানেন, এটি আমাদের শিশুদের মস্তিষ্কের সাথে কী করছে?
ফেসবুক এমন প্রথম অ্যাপ্লিকেশন, যে অ্যাপ্লিকেশনগুলো বানানোর পেছনে পুরো চিন্তাধারা ছিল, আমরা কিভাবে আপনার যতটা বেশি সম্ভব সময় ব্যয় করব এবং সচেতন মনোযোগ আকর্ষণ করব। আর এ জন্যই তিনি নিজে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ব্যবহার থেকে বিরত রয়েছেন। মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এতটা প্রযুক্তিপণ্যের ওপর আসক্তি এক ধরনের মানসিক রোগ। বিকারগ্রস্ত মানসিকতা নিয়ে প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে এই শিশু-কিশোররাই বিভিন্ন সামাজিক অপরাধে যুক্ত হচ্ছে। তাদের কচি মস্তিষ্কে বিভিন্ন ইনোভেটিভ ক্রাইমপ্ল্যান করে নানা ঘটনার সাথে যুক্ত হচ্ছে। যার ফলে আশঙ্কাজনকভাবে সমাজে কিশোর অপরাধীর সংখ্যা বাড়ছে।
আজকের শিশুই আগামীর ভবিষ্যৎ ও জাতির মেরুদণ্ড। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের প্রশ্নেই আমাদের বোধোদয় হওয়া উচিত। মূলত প্রযুক্তিপণ্য ও ফেসবুকই সব সমস্যা নয়, আমরা কিভাবে এগুলো ব্যবহার করছি, সেটাই অন্যতম বিবেচ্য বিষয়। শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতি আসক্তি দূর করতে জনসচেতনতা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে বাবা-মায়ের যেমন দায়দায়িত্ব সন্তানেরা কী করছে সেদিকে নজর রাখা; তাদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সময় কাটানো, সাহচর্য প্রদান; তাদের ভার্চুয়াল প্লেগ্রাউন্ডের পরিবর্তে খেলার মাঠের প্রতি আগ্রহী করে তোলা। যাতে তাদের মানসিক বৃদ্ধির পাশাপাশি দৈহিক গঠন ও সামাজিক জ্ঞানে পরিপূর্ণতা আসে। তাদের বোঝানো যে আপনিই তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও হিতাকাক্সক্ষী। সব কিছু সব বয়সের জন্য নয়- এ বাস্তবতা তাদের নিকট খোলাসা করতে হবে। এ জন্য শিশু ও কিশোরদের সাথে নিয়মিত কাউন্সেলিং জরুরি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও মহান দায়িত্ব রয়েছে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল ও কুফল সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মৌলিক ধারণা দিয়ে সচেতন করে গড়ে তুলতে। সেই সাথে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করে সত্যিকারের মানুষ করে তুলতে হবে।

Tuesday, March 12, 2019

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভারি খাবার খান সকালে


বলা হয় দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাত্যহিক খাবার ব্রেকফাস্ট। পুষ্টিবিদ এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এমনটিই মনে করেন। তাই সকালের নাস্তা কোনোভাবেই এড়িয়ে না চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। সকালের খাবার কেবল ওজন পরিচালনা নয়, আরো অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করে। 
সাম্প্রতিক দুই নতুন প্রাথমিক গবেষণায় বলা হয়েছে, কেবল টিভি সেটের সামনে ছাড়া যে কোনো জায়গায় সকালের খাবার খেতে পারেন। এতে দুই উপায়ে হৃদযন্ত্রের উপকার হবে।
গবেষকরা বলছেন, আপনার দৈনিক ক্যালোরি বাজেটের অন্তত এক-পঞ্চমাংশ সকালের খাবার থেকে পাওয়া গেলে ধমনীতে প্লাক কিংবা শক্ত কিছু গড়ে উঠতে পারে না। অন্যদিকে, যারা কম ক্যালোরির পরিমাণে অল্প খাবার খায় তাদের ক্ষেত্রে ওই সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
সকালের ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে দুধ ও পনির, মধু, সেরিয়েল ও রুটি ইত্যাদি। অন্যদিকে, কম অ্যানার্জির খাবারগুলো হলো ফল, লো ফ্যাট মিল্ক, জলপাই, রুটি ও মাখন ইত্যাদি।

জেনে নিন বাসি রুটির উপকারিতা


বাসি খাবার খেলে শরীরে নানা অসুখ বাসা বাঁধতে পারে, এমনটাই ধারণা সবার। এটি অনেকক্ষেত্রে ঠিকও। তাইতো কোনোরকম বাসি খাবার জমলে আমরা ফেলে দেই। এমনকি ফ্রিজে রেখে দিনের পর দিন একই খাবার খেলে তাও অসুখের কারণ হতে পারে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এতকিছুর ভিড়ে বাসি রুটি খেলে তো আপনার অপকার হবেই না বরং মিলবে উপকার!
রাতে রুটি খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেক বাসায়ই। আর হিসেবমতো গুনেগুনে রুটি কে-ইবা তৈরি করতে পারে! দু-একটা কম-বেশি তো হয়ই। আর তাতেই অতিরিক্ত খাবারটুকু রয়ে যায়। বেশিরভাগ সময়েই আমরা বাসি রুটি ফেলে দেই। কিন্তু নিচের উপকারিতগুলো জানলে আর ফেলবেন না-
শক্তি জোগায়
সকালে একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হতে হলে কিছুই মুখে না দিয়ে বের হয়ে পড়েন অনেকেই। খাবার তৈরি করার সময় না থাকলে দেখুন আগের রাতের রুটি রয়ে গেছে কিনা। থাকলে সেই রুটি নিয়ে এক গ্লাস দুধ দিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন এতে পেট ভর্তিও থাকবে, আবার আপনি অনেক ক্ষণ ধরে এনার্জিও পাবেন।
হজমশক্তি বাড়ায়
প্রতিদিন নানা ধরনের খাবার খাওয়ার কারণে হজমে সমস্যা লেগেই থাকে আমাদের। বাসি রুটি খেলে এই হজমের সমস্যার সমাধান হয়। কারণ রুটিতে থাকা ফাইবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়। তাই এবার থেকে বাসি রুটি না ফেলে সকালে খেয়ে নিন।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
বাসি রুটি আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। ঠান্ডা দুধ দিয়ে বাসি রুটি খেলে শরীরের সোডিয়াম বা লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর তাই রক্তচাপও ঠিক থাকে।

সৌন্দর্য বৃদ্ধি
বাসি রুটি আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে পারে। কারণ বাসি রুটির মধ্যে থাকা জিঙ্ক শরীরের থেকে টক্সিন দূর করে। সেইসঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়তে থাকে। তাই ত্বকও হয়ে ওঠে সুন্দর।
ওজন কমায়
বাসি রুটির মধ্যে থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে আমাদের ক্ষুধা কম পায়। আর ক্ষুধা কম পায় বলে আমরা কম খাই আর আমাদের শরীরের ওজন আর বাড়ে না। তাই ওজন কমাতে চাইলে বাসি রুটি খান।
হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়
বাসি রুটির ফাইবার হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া কারডিওভাসকুলার নানা রোগও কম হয়। তাই সার্বিকভাবে হার্ট ভালো থাকে।
অ্যাজমার প্রকোপ কমায়
বাসি রুটির মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম আর ভিটামিন ই অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ অনেক কমায়। অ্যাজমার সমস্যা থাকলে তাই বাসি রুটি খেয়ে দেখতে পারেন।

শরীর শীতল রাখে
গরমে আপনার শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে আপনি বাসি রুটিকে সঙ্গী করতেই পারেন। দেখা গেছে, বাসি রুটি সুন্দরভাবে আমাদের শরীর ঠান্ডা রাখে।

Thursday, March 7, 2019

‘পুরুষত্ব সমস্যার সমাধান ভয়ানক মাকড়সার বিষে’

বর্তমানে পুরুষত্ব সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন সারা বিশ্বের অসংখ্য পুরুষ। ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা ইডির কারণে ভাঙ্গা সংসারের সংখ্যাও বেড়ে চলছে দিন দিন। এই পরিস্থিতিতে ভায়াগ্রার মতো ওষুধের চাহিদা বাড়লেও তা সেবনে কিছু সমস্যা থাকায় সাধারণত ভায়াগ্রা প্রেসক্রাইব করেন না চিকিৎসকরা। তবে বিশ্বের অন্যতম বিষাক্ত মাকড়সার বিষেই রয়েছে ইডির ওষুধ, সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছেন ব্রাজিলের একদল বিজ্ঞানী।
ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সম্প্রতি ইডির উন্নততর চিকিৎসা খুঁজে পেয়েছেন ব্রাজিলের 'ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অফ মাইনাস জেরাইস' এর একদল বিজ্ঞানী। তাদের দাবি, বিশ্বের অন্যতম বিষাক্ত মাকড়সার বিষেই রয়েছে ইডির ওষুধ।
গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা জানায়, 'বানানা স্পাইডার' নামের এক প্রজাতির মারড়সার বিষ থেকে এক প্রকার জেল তৈরি করতে সমর্থ হয়েছেন তারা, যা ইডি আক্রান্ত ইঁদুরের উপরে প্রয়োগ করে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া গিয়েছে। পরীক্ষায় দেখা যায়, এই ওযুধ প্রয়োগে ইঁদুরদের কোনও ক্ষতি হচ্ছে না। তাদের মতে, এই জেল মানুষের উপরে প্রয়োগ করলে তা চার ঘণ্টা মতো সময় ধরে ইডির মোকাবেলা করতে পারবে।
ব্রাজিলের এই বিজ্ঞানী দল তাদের গবেষণাপত্রটি ‘জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন’-এ প্রকাশ করেছেন। সেখানে তারা জানিয়েছেন, এই জেল ভায়েগ্রার চাইতে বেশি কার্যকর এই জেলে এখনও পর্যন্ত কোনো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

Tuesday, March 5, 2019

‘লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো’

মানব দেহে লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে টমেটো। গবেষণার পর এমনই তথ্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ে এক দল গবেষক। সম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হাই প্রোটিন জাতীয় খাদ্য লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
সম্প্রতি লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু রোগীর উপর একটি পরীক্ষা করা হয়। এতে আশানুরূপ ফল এসেছে বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জাং দং। তিনি বলেন, 'টমেটো সস, জুস, পেস্ট, পিউরি সবই লাইকোপোপেনের দারুণ উৎস। এর বীজের মধ্যে যে লাইকোপেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে তা ক্যান্সার প্রতিরোধী'।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারি একটি সবজি টমটেো। সাধারণত পুষ্টিসমৃদ্ধ এই সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়, হাই প্রোটিন জাতীয় খাদ্য লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ তালিকার প্রথম দিকেই রয়েছে টমেটো। এতে ভিটামিন-ই ও ভিটামিন-সি ছাড়াও থাকে প্রচুর মিনারেলস ও ফাইবার। এর বীজের মধ্যে যে লাইকোপেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে তা ক্যান্সার প্রতিরোধী।

জেনে নেই পেয়ারার যত পুষ্টিগুণ

সুস্বাদু ফল পেয়ারা পুষ্টিগুণে বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। এ ছাড়াও পেয়ারাতে রয়েছে ক্যারোটিন ও নানা রকম খনিজ। ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে চাইলে নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া যেতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সুস্বাদু এই ফলের নানা পুষ্টিগুণ:
# পেয়ারা ভিটামিন 'সি'র ভালো উৎস। ভিটামিন সি মুখগহ্বর, দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখে। পাশাপাশি বিপাকেও সাহায্য করে।
# সাধারণত ফলে ভিটামিন এ সরাসরি পাওয়া যায় না; এটি প্রথমে ক্যারোটিনরূপে থাকে পরবর্তী সময়ে তা ভিটামিন এতে রূপান্তরিত হয়। ক্যারোটিন শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। চোখের রেটিনা ও কোষের সুস্থতা বজায় রাখতে এটি সাহায্য করে।
# প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ০.২১ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি ১ ও ০.০৯ মিলিগ্রাম বি ২ পাওয়া যায়। এসব ভিটামিনের অভাবে বেরিবেরি ও মুখের ঘা-জনিত নানারকম অসুখ হতে পারে।
# প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ৭৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে খাদ্যশক্তি পেতে প্রতিদিন একটি পেয়ারা খাওয়া যেতে পারে।
# প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১.৪ গ্রাম প্রোটিন ও ১.১ গ্রাম স্নেহ পাওয়া যায়।
# প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় পাওয়া যায় ১৫.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপে সাহায্য করে। তা ছাড়া ফলের পেকটিন ও সেলুলোজ রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।
# পেয়ারা নানারকম খনিজ উপাদানে ভরপুর। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ০.৬ গ্রাম মিনারেল, ০.০৩ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৩ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেভিন, ১.৪ মিলিগ্রাম আয়রন, ২৮ মিলিগ্রাম ফসফরাস ও ২০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
# নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর পেয়ারা শরীরের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Monday, March 4, 2019

স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক ও সুস্থ হৃদযন্ত্র

২০১০ সালে আমেরিকান জার্নাল অব কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় পাওয়া যায় যে, যেসব পুরুষ সপ্তাহে অন্তত ২ বার যৌনমিলন করে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি যারা মাসে মাত্র ১ বার যৌনমিলন করে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অপেক্ষা অনেক কম।
২০১২ সালে প্রকাশিত আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের এক প্রবন্ধে জানা যায় যে, যৌনকর্মের সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের শতকরা ১ ভাগেরও কম সম্পর্ক বিদ্যমান ও যৌনকর্ম হৃদরোগীদের জন্য নিরাপদ। সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্য যৌনকর্ম প্রয়োজন।
ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজির মেডিকেল ডাইরেক্টর ডাক্তার দীন নুকতার মতে সুস্থ হৃদযন্ত্র ও বৈধ যৌনকর্ম উভয় উভয়ের জন্য উপকারী, দরকার ও ভালো। যৌনকর্ম যেমন হৃদযন্ত্র ভালো রাখে ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়, তেমনি সুস্থ হৃদযন্ত্র যৌনকর্মের মাত্রা ও পরিমাণ বাড়ায়।
যৌনকর্ম একটি ভালো এরোবিক ব্যায়াম যা হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। আমেরিকান কলেজ অব স্পোর্টসের মতে এরোবিক ব্যায়াম হল, যে ব্যায়াম শরীরের বড় বড় মাংশপেশিগুলো ব্যবহার করা হয় নিয়মিত ও ছন্দাকারে। এরোবিক ব্যায়াম ওজন কমায়, ফলে ডায়াবেটিস কমায় বা প্রতিরোধ করে ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
যেহেতু যৌনকর্ম একটি এরোবিক ব্যায়ামের মতো, তাই পরিমিত যৌনকর্ম উচ্চরক্তচাপ কমায়, বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে রক্তচাপ বেশি কমায়। নারীদের অর্গাজমে অক্সিটোসিন নামক হরমোন বের হয় যা শরীরের রক্ত নালি প্রসারিত করে, ফলে সরাসরি রক্তচাপ কমে।
যৌনকর্ম মানসিক প্রশান্তি আনে, মানসিক দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা দূর করে, মানসিক চাপ কমায়। স্ট্রেস হরমোন আমাদের হৃদস্পন্দন বাড়ায়, রক্ত নালি সংকুচিত করে, ফলে রক্তচাপ বাড়ায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। যৌনকর্ম স্ট্রেস হরমোন কমায়, মানসিক প্রশান্তি দেয়, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখে, রক্তচাপ কমায় বা স্বাভাবিক রাখে ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
তাই পরিমিত ও নিয়মিত যৌনকর্ম মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা, অবসাদগ্রস্ততা, দুশ্চিন্তা, একাকিত্ব দূর করে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে। সুস্থ হৃদযন্ত্র ও সুস্থ যৌনকর্মের জন্য সুস্থ জীবনযাত্রা জরুরি, এ কারণে ধুমপান ত্যাগ করতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, মদ ও এলকোহল বর্জন করতে হবে, মানসিক চাপ কমাতে হবে, পরিমিত ঘুমাতে হবে।
যৌনকর্মের এই সুফলতা বেশি দরকার বয়স্ক মানুষের জন্য। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যৌনকর্ম দক্ষতার চেয়েও সম্পর্কের গভীরতা বেশি দেখা যায়। তাই স্বাভাবিক ও বৈধ সম্পর্কে বয়স্ক মানুষরাও পরিমিত যৌনকর্মের ফলে তাদের শরীরে রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, শরীরে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি হয়, মানসিক দুশ্চিন্তা, অবসাদগ্রস্ততা ও চাপ কমে। তাই গবেষণালব্ধ তথ্য উপাত্ত থেকে ডাক্তার নুকতা সাবধান করেন যে, এ মানসিক প্রশান্তি ও চাপ কমানোর জন্য যৌনকর্ম ভুল জায়গায় করলে হবে না, যার সঙ্গে সুদৃঢ় মানসিক ও শারীরিক সম্পর্ক বিদ্যমান, তার সঙ্গে যৌনকর্ময় এ সুবিধা পাওয়া যাবে, অনিরাপদ ও অবৈধ যৌনকর্মে এসব সুবিধাদি পাওয়া যাবে না।
লেখক : মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, মেডিনোভা মেডিকেল, মালিবাগ, ঢাকা

যে ছয় কারণে জাপানিরা সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচে

স্লিম ও ফিট শরীর নিয়ে জাপানিরা সারা বিশ্বের কাছে ঈর্ষার কারণ। এছাড়া জাপানিরা সবচেয়ে বেশিদিন বাঁচে। শতায়ু মানুষের সংখ্যা জাপানে বেশি। আচ্ছা তাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবনের রহস্য কি? সত্য বলতে কি এটা তাদের স্বাস্থ্যকর জীবনপ্রণালীর কারণেই হচ্ছে। জাপানিরা প্রাচীনকাল থেকেই কিছু স্বাস্থ্যকর রীতি মেনে চলে যার কারণে তাদের এই সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবন। তাদের ফিট ও স্লিম থাকার ছয়টি কৌশল নিয়ে এই লেখা :
১. সুমো রেসলারের মতো খেয়ো না
সুমো রেসলাররা দিনে দুইবার বড় আহার করে এবং দিনের বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটায়। বিকাল বেলাতে কিছু শারীরিক কসরৎ করে। যদি সুমো রেসলারদের মতো বিশাল বপু ও বিশাল দেহ পেতে না চান তাহলে অতিরিক্ত আহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. অল্প আঁচে রান্না করুন
রান্না করার সময় আমরা বড় ভুলটি করি সেটি হলো দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা। শাকসবজিসহ বিভিন্ন রান্নার ক্ষেত্রে অল্প আঁচে রান্না পুষ্টি অক্ষুণ্ন রাখতে খুবই কার্যকরী। দীর্ঘ সময় রান্না খাবারের খাদ্য উপাদান ও গুণাগুণে অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসে। এজন্য অল্প আঁচে রান্না খুবই ভালো অভ্যাস।
৩. জীবন প্রদায়ী উষ্ণতা
বেঁচে থাকার জন্য আমাদের উষ্ণতা বা তাপ দরকার। আমাদের খাদ্য সেই শক্তি সরবরাহ করে থাকে। বিভিন্ন মৌসুমী ফল ও শাকসবজি সেসব মৌসুমের প্রয়োজন মেটায়। গ্রীষ্মের খাবারগুলো গ্রীষ্মকালে আমাদের শীতল রাখতে সাহায্য করে তেমনি শীতের খাবারগুলো আমাদেরকে উষ্ণ রাখতে সহায়তা করে।
৪. দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান
খাবার নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো মানে খাবার কমিয়ে দেওয়া বা ডায়েট করা নয়। খাবার উপভোগ করতে হবে। জাপানিজরা উপভোগ করে খায়। এবং ডায়েট এ যেতে হয় না। তারা বিভিন্ন প্রকারের খাবার গ্রহণ করে এবং শরীরচর্চা করে থাকে। তারা এই জীবনপ্রণালীতে কোন ছাড় দেয় না। এ কারণেই তারা দীর্ঘজীবি হয় এবং স্লিম থাকে।
৫. খাওয়ার সময় কোন পানি নয়
খাওয়ার সময় পানি পান করা আপনার হজমের জন্য ক্ষতির কারণ। এছাড়া খাওয়ার সময় পানি খেলে এটা আমাদের শরীর শীতল করে দেয় এবং খাবার থেকে প্রয়োজনীয় উষ্ণতা নিতে বাঁধা প্রদান করে। এছাড়া এটা পাকস্থলীর অনেক এসিডকে দুর্বল করে দেয় যা হজমে সহায়তা করে।
৬. উষ্ণ পানিতে লম্বা গোসল
উষ্ণ পানির অনেক সুবিধা। নিয়মিত উষ্ণ পানিতে গোসল আপনাকে শিথিল হতে সহায়তা করে, রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। জাপানিজদের সুন্দর চামড়া ও ভালো হজম শক্তির জন্য এই উষ্ণ গোসল অনেক সহায়তা করে।

Saturday, March 2, 2019

যেভাবে বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়া করছে

পরকীয়ার সংজ্ঞায় সব সময় বিবাহিত নারী-পুরুষ ভূমিকা পালন করবে তা কিন্তু নয়। প্রেমিক-প্রেমিকাও এ ভূমিকা পালন করে থাকে প্রায়ই। একে অপরকে প্রথম দিককার মতো পছন্দ করতে না পারলেই ঘটে এই অঘটন। এছাড়াও কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণেও অনেকে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একটি বিশ্বাসের সম্পর্ককে ভেঙে দিতে পারে নিমিষেই। অনেকে আছেন যারা বুঝতেই পারেন না তার সঙ্গী পরকীয়ায় লিপ্ত। পরবর্তীতে হুট করে যখন সত্য প্রকাশ পেয়ে যায়, তখন মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় লিপ্ত কিনা তা বোঝার কিছু উপায় রয়েছে। সাইকোথেরাপিস্ট স্টেসি কাইজার তার সঙ্গীর পরকীয়ায় জড়িয়ে যাওয়ার কিছু লক্ষণ সম্পর্কে ধারণা দেন। তাই নিজের জীবনের সুখের জন্য তা জেনে নেয়া খুবই জরুরি।
১. দীর্ঘক্ষণ ব্যস্ত থাকা
লক্ষ্য করে দেখুন তো আপনার সঙ্গীর মোবাইল ফোন কি মাঝে মাঝে বন্ধ পাওয়া যায়? অথবা আপনি তাকে ফোন দিলে বেশীরভাগ সময় ওয়েটিং পান? যদি এই ধরণের কাজ প্রায়ই হতে থাকে তাহলে সঙ্গীর গতিবিধির ওপর লক্ষ্য রাখুন। শুধুমাত্র সন্দেহের বশে তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করবেন না। প্রথমে দেখে নিন আপনার সন্দেহ সঠিক কিনা।
২. পাসওয়ার্ড পরিবর্তন
আপনার সঙ্গীর মোবাইল ফোনের বা কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড কি আপনার জানা আছে? তিনি কি আপনাকে তার সব তথ্য জানাতে আগ্রহী? কিম্বা আগে জানা থাকতো অথচ বর্তমানে জানেন না। এমন হলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দেখুন, তিনি আপনাকে এসব তথ্য নিজে থেকে দেন কিনা। অথবা আপনি চাইলে আপনার সঙ্গে কী ধরণের আচরণ করেন তাও বোঝার চেষ্টা করুন।
৩.  নিজের ফোন লুকানো
আপনি তার সঙ্গে থাকলে নিজের মোবাইল ফোনটি তিনি কোথায় রাখেন? যদি স্ক্রিন উল্টো করে রাখে বা ফোন বন্ধ করে দেয় তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখুন তো। এটা ভেবে ‍নিবেন না আপনাদের সময়টা শান্তিতে কাটানোর জন্যই সে এই কাজটি করছে। এর অর্থ এমনও হতে পারে যে, আপনার সঙ্গী চান না আপনি তার সব কিছু দেখুন। আপনার মনে সন্দেহের সৃষ্টি করার মতো কিছু থাকলে অবশ্যই সে লুকাবে। তবে আপনাদের সময়টা শান্তিতে কাটার জন্য কাজটি করছে কিনা তাও বুঝে নিন।
সঙ্গী ফোনের পেছনে কতটা সময় ব্যয় করছেন সেদিকে নজর রাখুন। একসঙ্গে বসে থেকে বা ঘুরতে গেলে যদি তিনি ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, মেসেজ বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং করেন- তাহলে তা নিশ্চিতভাবে অন্য একটি সম্পর্কেরই ইঙ্গিত।
৪. কম সময় দেয়া
দুজনের একসঙ্গে সময় কাটানোটা একটু ভালো করে ভেবে দেখুন তো। কাজের চাপে সময় কাটানো হয়ে ওঠে না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে? খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন আসল সত্যটা। কারণ সঙ্গী পরকীয়ায় লিপ্ত হলে আপনাকে দেয়া সময়ের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমে আসবে। আর এটায় স্বাভাবিক।
৫. পরিবার
আপনার স্বামী যদি আপনার ও পরিবারের পেছনে কম ব্যয় করেন, তাহলে এটিও একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নেয়া যায়। খুব ভালো করে আপনার সঙ্গীর প্রতিদিনকার কাজকর্ম লক্ষ্য করুন। যদি বুঝতে পারেন যে আগের চেয়ে কম সময় পাচ্ছেন, তাহলে বোঝার চেষ্টা করুন সেই বাড়তি সময়টা তিনি কীভাবে ব্যয় করছেন। স্বামী  যদি পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করে বিনা কারণে, তাহলে ধরে নিতে পারেন তিনি পরকীয়ায় লিপ্ত।
৬. অজুহাত
সঙ্গী যদি কারণে-অকারণে অজুহাত দেখায় তবে বুঝতে হবে এটি পরকীয়ার লক্ষণ। তাকে সময় দেয়ার কথা বলে দেখুন, একসঙ্গে বসে টিভি দেখার কথা বলুন, তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান, আত্মীয়স্বজনদের ও পারিবারিক বন্ধুদের সময় দেয়ার কথা বলুন। তিনি যদি আপনাকে অজুহাত দেখিয়ে না বলেন, তাহলে জানার চেষ্টা করুন অজুহাতটি সত্যি কিনা।
৭. নতুন কোন নাম
আপনার সঙ্গীর মুখে যদি নতুন কোনো একটি নাম ঘন ঘন শুনতে পান, তবে একেও পরকীয়ার লক্ষণ হিসেবে নিতে পারেন। সঙ্গীর যে বন্ধুটির কথা আগে কখনো শোনেননি, এমন কারো কথা ঘনঘন শুনলে তাকে জিজ্ঞেস করুন এবং তার মুখের ভাব লক্ষ্য করুন। যদি তিনি প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান, কিংবা তার মুখের অভিব্যক্তি বদলে যায়, তবে বিষয়টি অবশ্যই  চিন্তার।
৮. অকারণে রেগে যাওয়া
বিনা কারণে অযৌক্তিক রাগ করা, কিংবা সবসময় খিটখিট করা পরকীয়ার অন্যতম লক্ষণ। খেয়াল করে দেখুন তো, আগে যে বিষয়গুলো আপনার সঙ্গীর রাগের উদ্রেক করত না সেসব বিষয়ে কি তিনি রেগে যাচ্ছেন? কিংবা কথায় কথায় আপনাদের দাম্পত্য জীবনকে অভিশাপ হিসেবে অভিহিত করছেন? তার এসব কথার কোনো যুক্তি আছে কিনা- এই ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করুন।
৯. যৌনসম্পর্ক
আপনার সঙ্গে যৌনসম্পর্কে সঙ্গী যদি উদাসীনতা দেখান তাহলে আপনি এটি পরকীয়ার নিশ্চিত লক্ষণ হিসেবে ধরতে পারেন। যিনি অন্যের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আপনার প্রতি উদাসীন, তার মুখের অভিব্যক্তিই আপনাকে সব কথা বলে দেবে। আপনার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সঙ্গী আগ্রহী নন, অর্থাৎ তার চাহিদাটি পূরণ হচ্ছে অন্য কারো মাধ্যমে। এ ছাড়াও অভ্যাসবশত যৌন সম্পর্ক করছেন কিনা- স্রেফ আপনাকে খুশি করতে, সেটিও লক্ষ্য করুন।
১০. নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন
আপনার সঙ্গী যদি  হঠাৎ নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন আপনার স্বামী/স্ত্রী যদি হঠাৎ নিজের ত্বক, সাজগোজ, শারীরিক গঠন কিংবা পরিহিত পোশাক-আশাকের দিকে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে শুরু করেন, তাহলে আপনি একে পরকীয়ার একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।

সুন্দরী মেয়েরা যে সকল কারনে কালো ছেলেদেরকে ভালবাসে


ভালবাসা হয় দুটি মনের মিলনের ফলে এখানে বর্ন কোন নির্ভরশীল বিষয় নয়….সুন্দরী মেয়েরা যে কালো ছেলেদেরই পছন্দ করে এটার কোন যুক্তি বা ভিত্তি নেই…

কারন আমাদের বাংলাদেশের প্রতিকূল আবহাওয়া কারনে এখানকার ৮০ ভাগ লোকই কালো বা শ্যাম বর্ণের…বর্ণে কালো হলোও এদেশে অনেক মানুষই বিভিন্ন অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত,আর তাদের ঘরেও সুন্দরী বউ আছে বা কারো আছে প্রেমিকা ।
এখানে সেই মানুষটির যোগ্যতা প্রাধান্য দেয়া হয়েছে তার বর্ণকে নয়…..বাস্তবিক ভাবে মেয়েদের মুখেই অনেক সময় এ রকম কথা শুনা যায়”
তারা সুন্দর ছেলেদের কে বিলাতি বিড়াল বা সাদা বলদ বলে আখ্যায়িত করে আর বলে সুন্দর ছেলেরা নাকি অধিকাংশই বোকা টাইপের হয়ে থাকে”এছাড়াও আরো কিছু লজিক ভাবা হয় আজকাল শুনি,যেমন :-
কালো একটা ছেলেকে যদি একটা সুন্দরী মেয়ে ভালবাসে তবে সেই ছেলেটা নাকি মেয়েটাকে মাথায় করে রাখে,আর সুন্দর একটা ছেলের ব্যাপারে এই ঘঠনাটা পুরো উল্ঠো..
কারন সেই সুন্দর ছেলেটার মধ্যে যা গুন আছে তা দিয়ে সে আরোও সুন্দরী বা সেই তুচ্ছ করা মেয়েটি মতো কাউকে খুজে পেতে তেমন কষ্ট করতে হবে না…..
সেই সাথে একটা সুন্দর ছেলের একাধিক গার্ল ফ্রেন্ড থাকার সম্ভবনা বেশি থাকে।।তাই নাকি মেয়েরা কালো বা শ্যাম বর্ণের ছেলেদেরকেই সঙ্গী হিসাবে বেছে নেয়…

সম্পর্ক বিচ্ছেদ মানেই পিছিয়ে পড়া নয়

খুব যত্নে গড়া প্রেম ভেঙে গেছে? মন একেবারেই খারাপ। কাজ, খাওয়াদাওয়া বাদ দিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে বসে থাকতে ইচ্ছা করছে? সম্পর্কে ফিরতে ইচ্ছে করছে, আবার মাঝেমাঝে তিক্ততা ভর করছে। সম্পর্ক ভাঙলে এমন সমস্যা তো হবেই। কিন্তু সবকিছু চুকিয়ে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলে কি চলবে?
যন্ত্রণাকে আপনি যত তাড়াতাড়ি তাড়াতে পারবেন, আপনি মনঃকষ্ট কাটিয়ে উঠতে পারবেন। শোককে শক্তিতে রূপান্তর বিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও দিব্যি মানিয়ে যায়। কীভাবে উতরে উঠবেন এই অবস্থা থেকে, দেখে নিন একবার-
১. সম্পর্ক ভাঙলে সবাই শরীর মন সম্পর্কে উদাসীন হয়ে যায়, আমরা সবসময় সেটাই ভাবি। বাস্তব কিন্তু আলাদা। দিন বদলেছে, গবেষণা অন্তত সেটাই বলছে। এখনকার দিনে মানুষ সম্পর্ক ভাঙার পর তারা নিজেদের শরীরের ব্যাপারে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন হচ্ছেন। খাওয়াদাওয়া বেড়ে যাচ্ছে, ওজনও বাড়ছে। অর্থাৎ ডিপ্রেশন বা মনখারাপ খুব একটা কাজ করছে না। এগুলো একপাশে সরিয়ে রেখে নিজেকে সুন্দর রাখার দিকে মনোযোগ দিন।
২. সম্পর্ক ভাঙার পর জীবনে একটা গভীর শূন্যতাবোধ তৈরি হয়, এ কথা সত্য। কিন্তু সেই শূন্যতায় ডুবে যাওয়ার কোনো মানে নেই। তখন একটা দীর্ঘসময় ধরে মনের মধ্যে ঝড় চলতে থাকে। তা না করে মনের ভাঙা টুকরোগুলোকে নতুন করে গুছিয়ে নিন। যা কিছু মনে আসে তা একটা খাতায় লিখে রাখুন। এতে অনেকটাই হালকা লাগবে। মানসিকতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
৩. আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই একটা ডিফেন্স মেকানিজম রয়েছে। এটা আমাদের সব ঝড়ঝাপটা কাটিয়ে উঠে জীবনের মূলস্রোতে ফেরাতে পারে। আমাদের মস্তিষ্কের গঠন এমনই, প্রেম ভেঙে গেলেও মানিয়ে নিয়ে স্বাভাবিকতায় সে ফিরে আসে। তাই ঘাবড়াবেন না, বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কাটিয়ে নতুন জীবনের পথে আপনাকে ফিরতে হবে।
৪. আপনার জীবনটাতো শুধু একজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সে চলে গেছে বলে দুনিয়াতে সব চলে গেছে নাকি? আপনি হতাশা থেকে বের হয়ে জেগে উঠুন। পৃথিবী আর মানুষগুলোকে নতুনভাবে দেখুন। আশেপাশের সবকিছুকে নিজের জীবনের শক্তি ভাবতে শিখুন। দেখবেন আপনি ভালো আছেন।
৫. প্রেম আর সম্পর্ক বিষয়ে একেকজনের দৃষ্টিভঙ্গি একেকরকম। কারো মতে প্রেম একবারই আসে, কেউ ভাবে প্রেম বার বার আসে, কারো কাছে প্রেমই ভালো না। এই ভাবনা ধরে বসে না থেকে আপনি কী ভাবেন সেটা জরুরি। সম্পর্ক শেষ মানে আপনি শেষ নয়- এটাই আপনার ধারণা রাখুন। আপনি এরপর সম্পর্কে জড়াবেন না একাই থাকবেন, সেটা পরেই ভাবুন।
৬. অনেকেই দুঃখবিলাসে মেতে থাকেন। দুঃখের গান, দুঃখের সিনেমা, মেসেজ পড়ে মনকে আরও ভারাক্রান্ত করে ফেলেন। এতে নিজের চারপাশে নেতিবাচকতা তৈরি হবে। আপনার বন্ধু, আত্মীয়রাও বিরক্ত হবে আপনার প্রতি। পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে চাইলে দুঃখবিলাস বাদ দিন।
৭. আপনার ব্যস্ততা প্রয়োজন এসময়। যাতে মানুষটির কথা বার বার মনের কোণে উঁকি না দেয়। বিশেষ মুহূর্ত, সুখের স্মৃতিগুলো ঝেড়ে ফেলা সম্ভব নয় বলে মনকে আপনারই ভুলিয়ে রাখতে হবে। আপনার স্বাভাবিক কাজগুলোতে মন দিন। পছন্দের কাজগুলো করুন। গান গাইতে ভালোবাসলে গাইবেন। সবচেয়ে বড় কথা নিজেকে সময় দিন, নিজেকে ভালোবাসেন।
 ৮. একা না থাকার চেষ্টা করবেন। সঙ্গী নেই বলে আড্ডা, পারিবারিক অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকবেন না। এতে সমস্যা আরও বাড়বে। একা বসে দুঃখ করলে অবসাদ আরও বেড়ে যাবে। সবার সঙ্গে সময় কাটান।
৯. মনে করবেন যা হয়েছে তা ভালোর জন্যই হয়েছে। যে যাওয়ার সে তো চলেই গেছে। হয়ত সম্পর্কটা টিকে থাকার মতো ছিল না। কোনো না কোনো জটিলতা ছিল বলেই আপনার বিচ্ছেদটা হয়েছে। এই জটিলতা বাড়তে থাকলে সম্পর্ক আরও খারাপের দিকেই যেত। তাই মিটে গেছে, ভালো হয়েছে।

সিগারেটের সঙ্গে গরম চা? সাবধান…

হাতে জ্বলন্ত সিগারেট৷ সঙ্গে গরম চা৷ আর কি চাই? তাই না? এক্কেবারে ডেডলি কম্বো৷ আক্ষরিক অর্থেই ডেডলি এই যুগলবন্দী৷ গবেষণা বলছে বেশি গরম চা পান করার অভ্যাসে ইসোফেজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে৷
অ্যানালস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে৷ জানানো হয়েছে যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান করেন এবং মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা ইসোফেজিয়াল (খাদ্যনালী) টিউমারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
গবেষণায় বলা হয়, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, এর পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সারটি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
গবেষণাটির লেখক পিকিং ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্স সেন্টারের ড. জুন এলভি জানান, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকেই হচ্ছে এই ক্যান্সারটি প্রতিরোধের সবচাইতে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।
এই গবেষণার জন্য ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে চার লাখ ব্যক্তির ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। গবেষণার শুরুতে তাদের কারোই ক্যান্সার ছিল না।
পরবর্তী নয় বছর যাবত এই সাড়ে চার লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয়। এ সময়ের মাঝে ১,৭৩১ জনের ইসোফ্যাজিয়াল ক্যান্সার দেখা দেয়।
ফলাফলে দেখা যায়, যারা অতিরিক্ত উত্তপ্ত চা পান করেন, মদ্যপান করেন এবং ধূমপান করেন তাদের ইসোফেজিয়াল ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে পাঁচগুণ বেশি।
তবে এই গবেষণায় কিছু তথ্য পাওয়া যায় না। যেমন ঠিক কত তাপমাত্রায় থাকা চা পান করলে ইসোফেজিয়াল টিউমারের ঝুঁকি বেশি হবে। এছাড়া এই নয় বছরে তাদের অভ্যাস পরিবর্তনে এই ঝুঁকি কম বা বেশি হয় কিনা, তাও এই গবেষণায় উঠে আসেনি।

Monday, February 25, 2019

সিঙ্গারা কোন দেশি? জানেন কোথায় জন্ম এই সুস্বাদু পদটির?

বাঙালি-অবাঙালি নির্বিশেষে সিঙ্গারা ভালবাসেন এ হাজার হাজার ভোজন রসিক মানুষ। তবে জানেন তো, এই সিঙ্গারা আদতে কোনও বাঙালি ‘খাবার’ নয়!
একদল ইতিহাসবিদের মতে, ফার্সি শব্দ ‘সংবোসাগ’ থেকেই এই সিঙ্গারা শব্দের উৎপত্তি। তাদের দাবি, গজনবী সাম্রাজ্যে সম্রাটের দরবারে এক ধরনের নোনতা মুচমুচে খাবার পরিবেশন করা হতো। যার মধ্যে কিমা, শুকনো বাদাম জাতীয় অনেক কিছু দেওয়া হতো। এটাই নাকি সিঙ্গারার আদি রূপ।
বিখ্যাত ইরানি ইতিহাসবিদ আবুল ফজল বায়হাকির দাবি, ইরান থেকেই নাকি সিঙ্গারা ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছে। অর্থাৎ, তার মতে সিঙ্গারার জন্মস্থান ইরান। আবুল ফজল বায়হাকির ‘তারিখ-এ-বেহাগি’ বইয়েও ‘সাম্বোসা’র উল্লেখ করা হয়েছে। আবুল ফজলের দাবি অনুযায়ী, ইরানের এই ‘সাম্বোসা’ই সিঙ্গারার আদি রূপ। আমির খসরুর রচনাতেও এর উল্লেখ রয়েছে।
তবে সিঙ্গারার জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আর বিতর্ক থাকলেও এ অঞ্চলে আসার পর যে এর স্বাদ আর উপকরণে আমূল পরিবর্তন এসেছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই! যেমন, ষোড়শ শতকে পর্তুগিজরা ভারতের মাটিতে পা রাখার পর এ দেশের মানুষের পরিচয় হয় ‘আলু’ নামের চমৎকার এক সবজির সঙ্গে।
পরবর্তিকালে এই সবজিকে এ দেশের মানু যে কতটা আপন করে নিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য! ষোড়শ শতকের পর থেকে সিঙ্গারার মূল উপকরণ হয়ে ওঠে এই আলু। এ দেশে মাংসের সিঙ্গারা, ফুলকপির সিঙ্গারা, পনিরের সিঙ্গারা, ক্ষিরের সিঙ্গারা ইত্যাদি নানা রকমের বা নানা স্বাদের সিঙ্গারার চল থাকলেও ভেতরে আলুর দেয়া সিঙ্গারাই সবচেয়ে জনপ্রিয়। তাই তো আলু ছাড়া সিঙ্গারার কথা আমরা ভাবতেই পারি না!

Thursday, February 21, 2019

সুন্দরী নারীর সঙ্গ বাড়ায় পুরুষের হার্ট অ্যাটাক: গবেষণা

সুন্দরী নারী দেখলে অন্যরকম অনুভূতি কাজ করে পুরুষের মনে। উথাল-পাথাল হয়ে যায় মন। সিনেমা কিংবা নাটকের নায়িকা হলে তো কথাই নেই। পর্দায় তাদের উপস্থিতি- গ্লামার তরুণদের ঘুম কেড়ে নেয়।
এটি প্রকৃতির নিয়ম হলেও সতর্ক করেছেন গবেষকরা। তারা বলেছেন, সুন্দরী মেয়েদের দেখলে ছেলেদের শুধু মনেরই নয়, শরীরেও নানা উথাল-পাথাল হয়ে যায়। যার প্রভাবে হার্টঅ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।
গবেষণাটি করেছেন স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তাদের দাবি, সুন্দরী মেয়েরা ছেলেদের সামনে এলে তারা এক ধরনের মানসিক চাপ অনুভব করেন। এই মামসিক চাপ কখনও এতটাই বেড়ে যায় যে, তার ফলে হার্টঅ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে।
৮৪ পুরুষের ওপর দীর্ঘ ৯ বছর গবেষণা চালায় গবেষক দল। গবেষণা শেষে তারা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন।
স্পেনের গবেষকদের দাবি, সুন্দরী-স্নিগ্ধ নারীদের কাছে আসার ৫ মিনিটের মধ্যে পুরুষদের শরীরে কোর্ট্রিসল নামক বিশেষ হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই কোর্ট্রিসলের অতিরিক্ত নিঃসরণের প্রভাবে হৃদক্রিয়ার ক্ষতির আশঙ্কা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে ডায়াবেটিস বা নানা রকম স্নায়বিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
তাই সুন্দরী নারী সঙ্গের বিষয়ে পুরুষদের সতর্ক করেছেন স্পেনের গবেষকরা।

Saturday, February 9, 2019

চিনি আপনার যৌনশক্তি খেয়ে দেবে


আপনার খাবারে হয়তো রয়েছে এমন উপাদান, যা আপনার যৌন উদ্দীপনা অনেকটাই কমিয়ে দিচ্ছে। তার উপর ডেকে আনছে নানা রোগকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সবের মূলে রয়েছে চিনি। রক্তে শর্করা বাড়লে শুধু ডায়াবেটিস, ওবেসিটি নয়, একই সঙ্গে ডালপালা মেলে আনুসঙ্গিক নানা রোগ। যার কারণে তছনছ হতে পারে যৌন জীবন।

খাবারে অতিরিক্ত চিনি মহিলাদের ঋতুস্রাব অনিয়মিত করে, কমে যেতে পারে যৌন হরমোনের নিঃসরণ।

পুরুষদের স্তন ভারী হয়ে যায়। কমে যায় টেস্টোস্টেরণের মাত্রা। ইস্ট্রোজেন নিঃসরণ অনিয়মিত হয়। ফলে যৌন উদ্দীপনা কমে যায়।
রক্তে শর্করা বাড়লে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে বারে বারে খিদে পাওয়া, হতাশা ও মানসিক অবসাদ গ্রাস করবে শরীরকে। অল্পেতেই ক্লান্তি বোধ হবে।
চিনি লেপটিন হরমোনের নিঃসরণ অনেক কমিয়ে দেয়।  শরীরের গড়ন, ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণ করে লেপটিন হরমোন। যৌনক্ষমতাও নিয়ন্ত্রণ করে। লেপটিনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে কমে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা।
শুধু যে খাবারে চিনি মেশালে বিপদ হয় এমন নয়, প্রক্রিয়াজাত খাবারও সমান বিপজ্জনক৷ কারণ তাতে অ্যাডেড সুগার থাকে, তা সে ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল হোক কি পাউরুটি, প্যাকেটের ফলের রস হোক কি বিয়ার, সস, কেচাপ, কুকিস, ক্যান্ডি, মেয়োনিজ ও অন্যান্য স্যালাড ড্রেসিং, ঠান্ডা পানীয়৷ হিসেব বলছে, একটি ১২ আউন্সের ঠান্ডা পানীয়তে থাকে ৯ চামচের মতো চিনি৷ একটা বড় সিনামন রোলে থাকে ১৩ চামচ৷ এক স্কুপ চকলেট আইসক্রীমে ৫ চামচ৷  এর সঙ্গে দিনে একাধিক বার চিনি চর্চিত চা-কফি তো রয়েছেই৷ ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’-র নির্দেশ অনুযায়ী, পুরুষদের দিনে ৯ চামচ ও মহিলাদের ৬ চামচের বেশি চিনি খাওয়া উচিত নয়৷
কৃত্রিম চিনি আরও ক্ষতিকর- 
চিনির বিকল্প হিসেবে অনেকেই সুগার ফ্রি বা কৃত্রিম চিনি খাওয়া শুরু করেছেন৷ কিন্তু জেনে রাখুন কৃত্রিম চিনির মধ্যেও লুকিয়ে থাকে ছদ্মবেশী সুগার৷ যা শরীরের বিপদ বাড়িয়ে দেয় দ্বিগুণ মাত্রায়৷ কার্বোনেটেড নরম পানীয়, সুগার ফ্রি কাশির ওষুধ, ইয়োগার্ট ইত্যাদিতে অ্যাসপারটেম জাতীয় সুগার সাবস্টিটিউট মেশানো থাকে৷ নিয়মিত খেলে হৃদস্পন্দন পাল্টে যেতে পারে৷ তা ছাড়া
মাইগ্রেন, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, এবং যৌন হরমোনের নিঃসরণ একেবারেই কমে যায়৷
ছবি ও তথ্য - ইন্টারনেট 

ডায়াবেটিক পেশেন্টদের নতুন ওষুধ সেদ্ধ ডিম !

পৃথিবীতে যতগুলো মারণরোগ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম ডায়াবেটিস। হাজার নিয়মের মাঝে একটু ফাঁকি দিলেই শুরু হয় সমস্যা। চড়চড় করে বাড়তে থাকে সুগার লেভেল। খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম হলে তো কথাই নেই। সুগার লেভেল আয়ত্তে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় রোগীদের।
ডায়াবেটিক পেশেন্টদের ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ার উপরে থাকে কড়া নিষেধাজ্ঞা। অনেকসময়ই বলা হয় পাতে যেন ডিম একেবারেই না পড়ে। তবে সম্প্রতি সামনে এসেছে এক নতুন তথ্য। আর সেই তথ্য অনুযায়ী হু হু করে বাড়তে থাকা সুগার লেভেলকে অনায়াসেই নাকি কমাতে পারে ডিম।

কিন্তু কীভাবে?

সবাই জানেন ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ নিউট্রিয়েন্টস (পুষ্টি দ্রব্য) এবং হাই প্রোটিন। শুধু তাই নয়, ডিমের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও। আর এই সবকিছুর সংমিশ্রণে মানবশরীরে তৈরি হয় ‘গুড কোলেস্টরল’। সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়েছে ডায়াবেটিক পেশেন্টরা ডিম সেদ্ধ খেতেই পারেন। তবে সেদ্ধ করার আগে মেনে চলতে হবে কয়েকটি নিয়ম।
যেদিন সকালে ব্রেকফাস্টের পাতে ডিম সেদ্ধ খাবেন তার আগের দিন রাতে ভিনিগারে ডুবিয়ে রাখুন ডিম। সারারাত ভিনিগারে ভেজার পর, সকালে সেই ডিম সেদ্ধ করে নিন ফুটন্ত গরম জলে। ব্যাস তাহলেই আর কোনও চিন্তা নেই। নির্দ্বিধায় খেতে পারবেন।
তবে কেবল ডিম সেদ্ধই নয় সুগার লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে আরও একটি উপাদান। আর সেটি হলো দারচিনি। মানবদেহে ইনসুলিনের লেভেলও ঠিক রাখে এই দারচিনিই। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা প্রতিদিনের খাবার, কিংবা চা, অথবা গরম জলে সামান্য দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতেই পারেন।
আর এই সব কিছুর সঙ্গেই প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণ পানি খাওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। কারণ শরীরে পানি পরিমাণ ঠিক থাকলে সঠিক থাকবে সুগার লেভেলও।
ছবি ও তথ্য – ইন্টারনেট 

একাধিক শারীরিক সম্পর্কে জরায়ু ক্যানসারের শংকা

জরায়ুমুখে ক্যানসারে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। জরায়ুমুখে ক্যানসারে শুধু আক্রান্ত হওয়াই শেষ কথা নয়। এই ক্যানসার মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে অনেক নারীকে।
যে কোনো বয়সে নারীরা এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের নারীদের এই রোগের ঝুঁকি বেশি। এছাড়া ৫০ বছর বয়স্ক বা তার চেয়ে বেশি বয়সের নারীরা এই রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রথমে বেশির ভাগ নারী তাদের সমস্যা বুঝতে পারেন না। কী কারণে বা কেন এই ক্যানসার হয়। এছাড়া এসব ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর এর লক্ষণগুলো কী।
জরায়ু ক্যানসারের কারণ
জরায়ু ক্যানসারের প্রধান কারণ হচ্ছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)। এছাড়া অবিন্যস্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের ফলে অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কোষকলার পি-কে টিউমার বলা হয়। এই টিউমার সাধারণ দুই রকমের হয়ে থাকে। বিনাইন বা শিষ্ট টিউমার ও ম্যালিগন্যান্ট বা দুষ্ট টিউমার।
আসুন জরায়ুমুখ ক্যানসারের আরও কয়েকটি বিষয় জেনে নেই।
১. কম বয়সে অর্থাৎ ১৮ বছরের আগে বিয়ে হলে।
২. ঘন ঘন সন্তান প্রসব।
৩. দারিদ্র্য নারীরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। কারণ দারিদ্র্য নারীরা তাদের জরায়ু স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন না।
৪. যৌনকর্মীদের জরায়ু ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
৫. স্বামী যদি একাধিক শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তবে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) স্ত্রী শরীরে সংক্রামণ হয়ে জরায়ু ক্যানসার হতে পারে।
জরায়ু ক্যানসারের লক্ষণ
১. অতিরিক্ত সাদাস্রাব হওয়া।
২. অনিয়মিত পিরিয়ড।
৩. শারীরিক সম্পর্কের সময় রক্তক্ষরণ।
৪. ওজন হঠাৎ করে অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া।
৫. পেটে ব্যথা ও ফুলে উঠা।
জরায়ু ক্যানসারের লক্ষণগুলো জেনে রাখা নারীদের জন্য খুবই জরুরি। এছাড়া যেসব কারণে জরায়ু ক্যানসার হয় তা মেনে চললে একজন নারী নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাবেন। তাই জরায়ু ক্যানসার সম্পর্কে জানুন এবং এ সম্পর্কে সচেতন হন। এছাড়া কোনো সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেন।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates