Social Icons

Showing posts with label বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদন. Show all posts
Showing posts with label বিভিন্ন দেশে ভিসা আবেদন. Show all posts

Wednesday, January 2, 2019

বাংলাদেশে ৬টি নতুন ভারতীয় ভিসা সেন্টার চালু হচ্ছে ।


আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে ঠাকুরগাঁও ও বগুড়াতে এবং ১২ জানুয়ারি থেকে কুমিল্লা, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সাতক্ষীরায় ৬টি নতুন ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে ভারতীয় হাইকমিশন। 
প্রান্তিক ও দূরবর্তী এলাকাসমূহে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতীয় ভিসা চাহিদা পূরণ ও ভিসাপ্রাপ্তি সহজতর করার লক্ষ্যে ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে ৯টি ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু রয়েছে। এই ছয়টি নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রসহ এই সংখ্যা দাঁড়াল ১৫টিতে।
বাংলাদেশজুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু এবং প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধাসমূহ, ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সুদৃঢ় করতে এবং ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শক্তিশালী করার জন্য ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের সহযোগিতায় ভারতীয় হাইকমিশনের অব্যাহত প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

Thursday, October 4, 2018

ভিসার নকশা পরিবর্তন করছে মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় ভিসা জালিয়াতি ঠেকাতে ভিসার নকশা পরিবর্তন করছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। মঙ্গলবার এ তথ্য জানান ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর জেনারেল দাতুক সেরি মুস্তাফার আলী।
তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসে সম্পূর্ণরূপে নিযুক্ত হওয়া ডকুমেন্টগুলোকে হোলোগাম এবং নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে আপগ্রেড করা হবে। ফলে ভিসা জালিয়াতি করলে সহজেই ধরা যাবে।
দেশটির এই অভিবাসন কর্মকর্তা বলেন, সুরক্ষার মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বতন্ত্র রঙিন প্রিন্টগুলোতে হোলোগামের প্রয়োগ করা বিদেশিদের মালয়েশিয়ায় থাকার অনুমতিপত্র জালিয়াতির পক্ষে সহজ নয়, যা আগে রিপোর্ট করা জালিয়াতির ঝুঁকি হ্রাস করবে। এতে সর্বশেষ ও ব্যাপক ডিজাইনগুলোর মধ্যে ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন এবং রৌদ্রোজ্জ্বল প্রিন্টগুলোর সংগে সুরক্ষা সিরিয়াল নম্বর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
‘দ্য ডকুমেন্ট’র নতুন মুখটি চালু করার পর, মালয়েশিয়ার ভেতর বিদেশি পরিচয় নথিপত্রের সঙ্গে বিশেষভাবে জড়িত দেশটির নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে উন্নত করার জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা’,- যোগ করেন তিনি।

Thursday, May 31, 2018

খুলনা ও যশোরে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই মিলবে ভারতের পর্যটক ভিসা

ভারতের ভিসা পেতে খুলনা ও যশোরে পর্যটক বা টুরিস্ট ভিসার আবেদনকারীদের আর অগ্রীম অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে না। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা পাওয়া আরও বাধাহীন, সুষ্ঠু ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা প্রাপ্তির বিষয়টি আরও সহজ ও বাধাহীন করার চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, পর্যটক ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অগ্রিম অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রয়োজন নেই।
আবেদনকারীরা ১১ জুন ২০১৮ থেকে খুলনা ও যশোর ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভিএসি)-তে সরাসরি আবেদন জমা দিতে পারবেন। ওই আইভিএসিগুলোতে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে।
পর্যটক ভিসা ছাড়া চিকিৎসা, ব্যবসা, সম্মেলন এবং অন্যান্য ভিসা আবেদন আগের মতোই সরাসরি জমা দেয়া যাবে। এছাড়া প্রবীণ নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরাসরি অন্য কাউন্টারে আবেদনপত্র জমাদান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থা চট্টগ্রামে ৯ জুলাই ২০১৭, রাজশাহী ও রংপুরে ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, মিরপুর রোড, ঢাকায় ১০ অক্টোবর ২০১৭ এবং ২০ মে ২০১৮ সিলেট, ময়মনসিংহ ও বরিশাল আইভিএসি-তে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া একটি উদ্যোগের অংশ। এবার তা একইভাবে খুলনা ও যশোর আইভিএসি-তে চালু করা হচ্ছে।

Sunday, May 27, 2018

সুইডেনের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া


জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সুইডিশ জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর এ কারনে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে আজ সুইডেনে পাড়ি জমাচ্ছে। কিছু সংখ্যক যাচ্ছে পড়াশুনা অথবা ব্যবসায়িক কাজে আর কিছু সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে কেবলমাত্র প্রযুক্তির শিখরে অবস্থানকারী দেশটিকে ঘুরে দেখতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক সুইডেনের ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন।

সুইডেনের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
  • ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্সের কাজে, স্বল্পকালীন ভ্রমনে অথবা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সুইডেন ইউরোপের সেনজেন এলাকা ভুক্ত দেশ হওয়ায়, ৯০ দিন বা এর চেয়ে কম সময়ের জন্য সুইডেন যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

ভিসার ক্যাটাগরী
  • ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)
  • ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)
  • আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)

ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)
ব্যবসায়িক কাজে সুইডেন যেতে চাইলে বিজনেস ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের বিজনেস ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                                                 **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • সুইডেনে অবস্থিত যে কোম্পানির কাছে ব্যবসায়িক কাজে যেতে হবে, সেই কোম্পানির আমন্ত্রণপত্র ভিসার আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব তথ্য
  • সুইডেনে যাওয়ার তারিখ ও সুইডেন থেকে ফিরে আসার তারিখ
  • ব্যবসায়িক কাজের ধরণ
  • সুইডেনে থাকাকালীন যে ব্যক্তি আপনাকে সাহায্য করবে (ব্যবসায়িক অংশীদার অথবা সুইডেনে অবস্থানরত আক্তিয়)
  • ‘ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রশ্নাবলী’  (Questionnaire for visa applicants) ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করে আবেদন ফর্মটির সাথে জমা দিতে হবে।  
  • পাসপোর্ট, ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং এগুলোর ফটোকপি
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
  • যে কোম্পানি থেকে যাবেন তার কভার লেটার

বিজনেস ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                           * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                     * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)
ভ্রমণের জন্য সুইডেন যেতে চাইলে ভ্রমণ বা  ট্যুরিস্ট ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভ্রমণ ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                    **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • কি উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে চান তার কাগজপত্র, হোটেল বুকিং এর কাগজ অথবা কোন এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তার কাগজপত্র
  • আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা।
  • ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট

ট্যুরিস্ট ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৪০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৪০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৭৫০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                            * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                      * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)
আত্মীয় বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে চাইলে আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                          **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • পাসপোর্ট ও ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং তার ফটোকপি
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • সুইডেনে বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। কোন তারিখে বেড়াতে যেতে চান এবং কোন তারিখে সুইডেন থেকে ফিরবেন তা ‘আমন্ত্রণ ও প্রশ্নাবলী’ (Invitation and Questionnaire) ফর্মে সঠিক ভাবে উল্লেখ করতে হবে
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
  • আবেদনকারী যে আত্মীয় বা বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাবেন, সেই আত্মীয় বা বন্ধু যদি সুইডেনে বসবাসরত হন তবে তার সুইডেনে বসবাসের প্রমাণপত্র যেমন- স্থানীয় আয়কর অফিস (Local Tax Office) অথবা সুইডিশ ন্যাশনাল ট্যাক্স বোর্ড (Swedish National Tax Board) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে আবেদনকারীর ভিসা আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
  • আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা। চাকরি করলে চাকরির প্রমাণপত্র, বেতনের পরিমাণ, ব্যাংক বই এর কপি আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
  • ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                          * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                                   * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য  

Tuesday, May 22, 2018

ব্রাজিলের ভিসা সহজ হওয়ায় পর্যটক বেড়েছে আগের তুলনায় । ফ্যামিলি ভিসায় বিড়ম্বনা


বাংলাদেশের ঢাকায় ব্রাজিল হাইকমিশনে প্রতিদিন জমা হচ্ছে ভিসা আবেদন পত্র । এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি চলতি বছরে আবেদন জমা হয়েছে । ব্রাজিল হাই কমিশন সুত্রে জানা জায় গত ৭ মাসে সব চেয়ে বেশি টুরিস্ট ভিসা ইসু হয়েছে ঢাকা থেকে । এছাড়া ফ্যামিলি ভিসা আর বিসনেস ভিসা তো আছেই । ভ্রমণ ভিসার আবেদনের চাপে ফ্যামিলি ভিসা প্রার্থীদের বিলম্ব হচ্ছে ভিসা পেতে । কারণ ফ্যামিলি ভিসা অনেক যাচাই-বাছাই করা হয় । আর ভ্রমন ভিসা যাচাই-বাছাই হয় কম ।ব্রাজিল পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় দেশ ।প্রতিবছর পর্যটনশিল্প থেকে ব্রাজিল সরকার আয় করে প্রচুর অর্থ । ব্রাজিলে পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে সম্প্রতি ব্রাজিল সরকার ভিসা নীতি সহজ করে । সেই সুবাদে এ বছর সব ব্রাজিল হাই কমিশন থেকে প্রচুর ভ্রমণ ভিসা ইসু হচ্ছে । গত সাত মাসে ব্রাজিল আগের তুলনায় পর্যটক বেড়েছে । 

Monday, May 21, 2018

সহজ শর্তে নতুন ওয়ার্ক ভিসা চালু করল অস্ট্রেলিয়া


অস্ট্রেলিয়া হচ্ছে পৃথিবীর শীর্ষ শান্তিপূর্ণ  দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, সামাজিক নিরাপত্তা, লেখাপড়ার চমৎকার পরিবেশ এবং সমৃদ্ধশালী অর্থনীতি দেশটিকে সবার পছন্দের শীর্ষে রেখেছে।। গেলো বছর এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়া সরকার তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রাম সাবক্লাস ৪৫৭ বন্ধ করে দেয়।। অতঃপর বিপুল সমালোচনার মুখে অস্ট্রেলিয়া ৪৫৭ এর বিকল্প হিসাবে চালু করেছে সাবক্লাস ৪৮২ বা টি.এস.এস বা টেম্পোরারি স্কিলড শর্টেজ ভিসা।
টেম্পোরারি স্কিলড শর্টেজ ভিসার অন্তর্গত একটি ভিসা হচ্ছে সাবক্লাস ৪৮২। এর আওতায়  বিদেশী শ্রমিকরা অস্ট্রেলিয়ায় যেকোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী নিতে পারে। এই সাব-ক্লাস ৪৮২-এর অধীনে এখন শর্ট টার্ম, মিডিয়াম ও শ্রমচুক্তিতে ভিসা হয়ে থাকে।
এই ভিসার ক্ষেত্রে ভিসাপ্রার্থীকে অবশ্যই টিএসএস ভিসার পেশা তালিকার জন্য একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। সর্বনিম্ন স্বল্পমেয়াদী স্টিমে আই.ই.এল.টি.এসে ৪.৫ বা সমমান এবং মধ্যম মেয়াদি স্টিমে ৫ বা এর সমমানের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। এ ছাড়া দেখাতে হবে পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত অপরাধী নয় এমন চারিত্রিক সনদ। সাবক্লাস ৪৮২ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই শিক্ষিত ও দক্ষ বাংলাদেশীদের জন্য এটা বিরাট সুযোগ। মূলত ভারতীয়রা সাবক্লাস ৪৫৭ এ এগিয়ে থাকলেও বেশী গেলেও বাংলাদেশীরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ফাইল প্রসেস করে তবে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত। তিনি আরও বলেন যেহেতু অস্ট্রেলিয়া ডিমান্ড লিস্টে ৪৩২ টি পেশা রয়েছে সুতরাং অনেকেই বিভিন্ন সাবক্লাসে আবেদন করে পরিবার সহ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারে।
চাকরি নিয়ে প্রবেশ করেও অনেকে অস্ট্রেলিয়ার স্থায়ী নাগরিক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বলে জানান এই অভিবাসন আইনজীবী। তিনি বলেন, সঠিক চাকরি এবং সঠিক টেরিটরি বেছে নেওয়ার দক্ষতা এ ক্ষেত্রে নাগরিক হওয়ার বিষয়টি ত্বরান্বিত করে। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় শুধু গত বছর প্রায় চার লাখ স্থায়ী চাকরির পদ সৃষ্টি হয়েছে।
দেশটিতে যাওয়ার জন্য কয়েক ডজন ভিসা প্রোগ্রাম রয়েছে। তবে মূলত চার ভাগ প্রচলিত ক্যাটাগরিতে সেখানে যাওয়া তুলনামূলক সহজ। এগুলো হলো :
স্কিলড মাইগ্রেশন উইথ পিআর
সাব-ক্লাস ১৮৯, স্কিলড ইনডিপেনডেন্ট ভিসা
বিষয়টি সম্পূর্ণ পয়েন্টের ওপর নির্ভর করে। মোট ৬০ পয়েন্ট প্রয়োজন হয়। পয়েন্ট পাওয়া যায় বয়স, কাজের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা, ভাষার ওপর চূড়ান্ত দখলের ওপর।
স্কিলড নমিনেটেড ১৯০ ভিসা
এই প্রোগ্রামটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এতে আবেদনের জন্য শর্ট লিস্টেড পেশাজীবী হতে হবে। টেরিটরি থেকে স্পন্সরশীপ থাকতে হবে, যা পাওয়া খুব কঠিন কাজ নয়।
টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট (সাব-ক্লাস ৪৮৫)
কারো যদি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান স্টুডেন্ট ভিসা থাকে বা কমপক্ষে দুই বছরের মধ্যে লেখাপড়া শেষ করে থাকে, তাঁরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন।
মোট দুই ধরনের হয়। গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিম ও পোস্টগ্রাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিম এবং ভিসার মেয়াদ ১৮ মাস থেকে চার বছর পর্যন্ত হতে পারে। পিআরের জন্য আবেদন করা যায়।
স্কিলড রিকগনাইজড গ্র্যাজুয়েট ভিসা (৪৭৬)
শুধু সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা ছেলেমেয়েরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন। বয়স ৩১ বছরের মধ্যে হতে হবে। গত ২৪ মাসের মধ্যে পড়াশোনা শেষ করা থাকতে হবে এবং অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
এমপ্লয়ার স্পন্সরশীপ
অস্ট্রেলিয়ান কোনও চাকরিদাতা যদি আপনাকে স্পন্সর করতে ইচ্ছুক হয়, তবে আপনার ভাগ্য খুলে গেল। এটি জোগাড় করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। এখানে অনেক ধরনের ভিসা হয়। সঠিক ভিসা খুঁজে পাওয়ার ওপর সবকিছু নির্ভর করে।
কোন ধরনের ভিসার জন্য আপনি উপযুক্ত, তা সঠিক ও বিস্তারিতভাবে জানাটা সবচেয়ে জরুরি। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।
ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ভিসা (৪০৭)-অকুপেশনাল ট্রেইনি স্কিম
এ ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় এসে দুই বছর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে বসবাস ও পূর্ণকালীন কাজের সুযোগ রয়েছে। মেয়াদ শেষ হলে আবারও নবায়ন করা যায়।
সাব-ক্লাস ৪০৭ প্রশিক্ষণ বা ট্রেনিং ভিসা
এ ভিসায় প্রশিক্ষণটি দুভাবে হতে পারে। সরাসরি একই পেশায় অস্ট্রেলিয়ায় কাজ করার মাধ্যমে অথবা কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে। কার্যকরী ইংরেজি ভাষা দক্ষতা (আইইএলটিএসে ৪.৫) থাকতে হবে। ১৮ বছর বয়সী বা তার ঊর্ধ্বে হতে হবে।
এমপ্লয়ার নমিনেশন স্কিম (১৮৬)
স্থায়ীভাবে পরিবারসহ এ স্কিমে আবেদন করে বসবাস ও কাজ করা যায়। নাগরিকত্ব লাভ করা সম্ভব। অস্ট্রেলিয়ায় দুই বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হয়।
রিজিওনাল স্পন্সরড মাইগ্রেশন স্কিম (১৮৭)
স্কিল অ্যাসেসমেন্টের প্রয়োজন হয় না। বয়স ৫০ বছরের নিচে হতে হবে। চাকরিদাতার দায়-দায়িত্ব এই ক্ষেত্রে কিছুটা কম। স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব। রিজিওনাল এরিয়া থেকে জব অফারের প্রয়োজন হয়। পড়াশোনা করার সুযোগ পাওয়া যায়।
স্কিলড রিজিওনাল ভিসা (সাব-ক্লাস ৪৮৯)
রিজিওনাল এলাকায় দুই বছরের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা। আইইএলটিএসে কমপক্ষে ০৬ স্কোর থাকতে হবে। পড়াশোনার পর রিজিওনাল এলাকায় এক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা। চাকরিদাতার বর্তমান কাজের ঠিকানা, কাজের ধরন ও অভিজ্ঞতার বছর, পড়াশোনার যোগ্যতা, চাকরির ধরন ও বেতনের ওপর পুরো বিষয়টি নির্ভর করে।
তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের জন্য সততা ও দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও কোন জটিলতা তৈরি হয় না। অস্ট্রেলিয়ান ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে দক্ষতার সঙ্গে যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে, তার মধ্যে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড অন্যতম।
অস্ট্রেলিয়া ইমিগ্রেশন সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চলতি বছর প্রচুর দক্ষ লোকের প্রয়োজন পড়বে। আমরা যদি সঠিকভাবে ও যোগ্য লোক বাছাই করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারি, তবে সবাইকে পেছনে ফেলে আমরাই অস্ট্রেলিয়ার শ্রমবাজারটি দখল করতে পারব। বাংলাদেশের সেই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে।’ এ ক্ষেত্রে সবাইকে প্রতারকদের হাত থেকে সাবধানে চলার জন্য তিনি উপদেশ দেন। তিনি আরও বলেন, যেহেতু বাংলাদেশে বিনিয়োগের একটি চমৎকার পরিবেশ বিদ্যমান আছে, তাই প্রবাসীদের এই সময়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে দেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতেও আহ্বান জানান তিনি।
অস্ট্রেলিয়া মাইগ্রেশনের একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি ভিসা নিয়ে আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আপনার সন্তানরা কিন্তু প্রতি মাসে সোশ্যাল বেনিফিট পাওয়া শুরু করবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির বিনামূল্যের স্বাস্থ্যসেবা পরিবারের সব সদস্যের জন্য।
সুতরাং আর দেরি না করে যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদন করতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্বের জন্য।
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন বিষয়ে আরও তথ্য জানতে আপনার পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাঠাতে পারেন এই ই-মেইল ঠিকানায় info@worldwidemigration.org অথবা হালনাগাদ তথ্যের জন্য ভিজিট করতে পারেন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে।  প্রাথমিক তথ্যের জন্য কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫,  ০১৯০৪০৩৬৮৯৯ , ০১৯০৪০৩৬৮৯৮, ০১৯৯৩৮৪৩৩৪০, ০১৯০৯০৮৩৯৬২ নম্বরগুলোতে। সরাসরি কথা বলতে পারেন ঢাকার উত্তরায় ৭ নম্বর সেক্টরের ৫১ সোনারগাঁও জনপথে অবস্থিত খান টাওয়ারে অবস্থিত ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসে।

Wednesday, May 9, 2018

জাপানের ভিসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ।


যেকোন বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী জাপানের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফার লেটার পেলে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভিসার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম বাংলাদেশে অবস্থিত জাপান দূতাবাসে এবং তাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আবেদন পত্র সঠিক ভাবে পূরণ করে জমা দিলে ভিসা প্রসেসিং শুরু হবে।
ভিসার আবেদনের জন্য যে কাগজপত্র গুলো লাগবে
  • বৈধ পাসপোর্ট (ন্যূনতম ৬ মাসমেয়াদআছেএমন)
  • পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে)
  • দুই কপি ছবি, সাইজ ৩.৫×৪.৫ (ছবি বিগত ৬ মাসের ভেতর তোলা এরকম হতে ল্যাব প্রিন্ট হবে)
  • জাপানে অধ্যয়ন করতে যাওয়ার কারন সমূহ বর্ণনা করে একটি কভারলেটার সহ পূর্ণাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত
  • জাপানের যে প্রতিষ্ঠানে পড়তে যাবেন তার Letter of Acceptance
  • জাপানের বিচারমন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত Certificate of Eligibility
  • মূল একাডেমীক সার্টিফিকেট
  • ভিসা প্রার্থিরআর্থিকসচ্ছলতার সনদ
  •  
সঠিক ভাবে পূরণ কৃতফর্মটিপ্রতিকার্য দিবসে সকাল ৯ টা থেকে ১১.৩০ টার মধ্যে জমা দিতে হবে। 
সাক্ষাৎকারপর্ব
  • দূতাবাস থেকে প্রদানকৃত রশিদে যে তারিখ উল্লেখ থাকবে সেদিন সকাল ৯:৩০ থেকে ১১:৩০ এর মধ্যে আপনার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।
  • যদি নির্দিষ্ট দিনে আপনি কোন কারনে দূতাবাসে পৌছাতে অসমর্থ হন তবে পরবর্তী যেকোন কর্মদিবসে আপনি আসতে পারেন।
  • প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট সাক্ষাৎকারের সময় জমা দিতে হবে। অন্যাথায় সাক্ষাৎকার নেয়া হবেনা।


ভিসাপ্রদান
  • পরবর্তী কর্মদিবসেসাধারণভিসাপ্রদানকরাহয়।
  • কোন কোন ক্ষেত্রে আপনাকে আরো কিছু কাগজপত্রসহ পুনরায় সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হতে পারে।
  • অ্যাম্বেসী বরাবর প্রদানকৃত ডকুমেন্ট ছাড়া অন্যসব ডকুমেন্ট আপনাকে পাসপোর্টের সাথে ফেরত দেয়া হবে।

ভিসা ফি
বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা আবেদন করতে কোন প্রকার ফি প্রয়োজন হয় না।

ভিসাসংক্রান্তপরিষেবারসময়সূচী

ভিসাআবেদনফর্মেরবন্টন

সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার
ভিসা আবেদন পত্র জমা
সকাল ৯ টা থেকে সকাল ১১.৩০ টা
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার
ভিসাআবেদনকারীদেরজন্যগেটবন্ধ
সকাল ১১.২০
রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার
ভিসাআবেদনকারীরসাক্ষাৎকার
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা
সাধারণত যে দিন কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় ঐ দিন
ভিসাপাসপোর্টডেলিভারি
দুপুর ২.৩০ থেকে বিকাল ৩.৩০
সাধারণত সপ্তাহের সাত দিনই, সাক্ষাৎকারের পর

ঠিকানা
Embassy of Japan Consular & Visa Section
Plot No.  5 & 7, Dutabash Road, Baridhara, Dhaka
Phone: (02)-984-0010     
Fax: (02)-984-1591 

Sunday, April 29, 2018

যেসব ভিসা ক্যাটাগরিতে অস্ট্রেলিয়ায় যাবেন

বহু কৃষ্টির দেশ অস্ট্রেলিয়া। অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, সামাজিক নিরাপত্তা, লেখাপড়ার চমৎকার পরিবেশ দেশটিকে সবার পছন্দের শীর্ষে রেখেছে। ২০১৭’র এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়া সরকার হঠাৎ তাদের জনপ্রিয় প্রোগ্রাম সাব-ক্লাস ৪৫৭ বন্ধ করে দেয়। এ কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে সরকার। তখন বিকল্প হিসেবে চালু করে সাব-ক্লাস ৪৮২ বা টেম্পোরারি স্কিলড শর্টেজ ভিসা (টিএসএসভি)। সাব-ক্লাস ৪৮২ মূলতঃ টিএসএসভি’র অন্তর্গত একটি ভিসা। এর অধীনে শর্ট টার্ম, মিডিয়াম ও শ্রমচুক্তিতে ভিসা হয়। এ ভিসায় বিদেশি শ্রমিকরা অস্ট্রেলিয়ায় যেকোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিতে পারেন।
সাব-ক্লাস ৪৮২ ভিসা সর্ম্পকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মূলতঃ ভারতীয়রা সাব-ক্লাস ৪৫৭-তে এগিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশীরাও দ্রুত ও দক্ষতার সাথে ফাইল প্রসেস করলে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া সম্ভব। অস্ট্রেলিয়ার ডিমান্ড লিস্টে ৪৩২টি পেশা রয়েছে। অতএব বিভিন্ন সাব-ক্লাসে আবেদন করে পরিবারসহ অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করা সম্ভব।
শেখ সালাহউদ্দিন বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার জন্য কয়েক ডজন ভিসা প্রোগ্রাম রয়েছে। তবে চারটি ক্যাটাগরিতে সেখানে যাওয়া তুলনামূলক সহজ। এর মধ্যে অন্যতম হলো-
স্কিলড মাইগ্রেশন উইথ পিআর। মোট ৬০ পয়েন্ট প্রয়োজন এ ভিসার জন্য। পয়েন্ট হিসাব করা হয় ভিসাপ্রার্থীর বয়স, কাজের অভিজ্ঞতা, পড়াশোনা এবং ভাষার ওপর চূড়ান্ত দখলের ওপর।
এরপর রয়েছে স্কিলড নমিনেটেড ১৯০ ভিসা। শর্ট লিস্টেড পেশাজীবীরা অত্যন্ত জনপ্রিয় এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। এজন্য টেরিটরি থেকে স্পন্সর থাকতে হবে, যা পাওয়া খুব সহজ।
টেম্পোরারি গ্র্যাজুয়েট, সাব-ক্লাস ৪৮৫ ভিসা হলো আরেকটি জনপ্রিয় ক্যাটাগরি। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান স্টুডেন্ট ভিসা আছে বা কমপক্ষে দুই বছরের মধ্যে লেখাপড়া শেষ করেছেন এমন ব্যক্তিরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন। গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিম ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ওয়ার্ক স্টিমের ভিসার মেয়াদ ১৮ মাস থেকে চার বছর পর্যন্ত হতে পারে।
স্কিলড রিকগনাইজড গ্র্যাজুয়েট ৪৭৬ ভিসা। সদ্য ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা ছেলেমেয়েরা এই কোটায় আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ৩১। এছাড়া গত এক বছরের মধ্যে যারা পড়াশোনা শেষ করেছেন তাঁরাই এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কোন্ ধরনের ভিসার জন্য আপনি উপযুক্ত, তা সঠিক ও বিস্তারিতভাবে জানা সবচেয়ে জরুরি। এজন্য অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণের বিকল্প নেই।
আরেকটি ভিসা ক্যাটাগরি হলো ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ ভিসা (৪০৭)-অকুপেশনাল ট্রেইনিং স্কিম। এই ভিসায় অস্ট্রেলিয়ায় এসে দুই বছর পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে বসবাস ও পূর্ণকালীন কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে । মেয়াদ শেষে ভিসা নবায়নেরও সুযোগ রয়েছে। এ ভিসার জন্য প্রার্থীর আইইএলটিএস স্কোর কমপক্ষে ৪.৫ থাকতে হবে, বয়স হতে হবে ১৮ বা তার বেশি।
এমপ্লয়ার নমিনেশন স্কিম (১৮৬)। এই স্কিমের আওতায় স্থায়ীভাবে পরিবারসহ বসবাস ও কাজ করা সুযোগ রয়েছে। নাগরিকত্বও পাওয়া সম্ভব এই স্কিমের মাধ্যমে। এজন্য প্রার্থীর অস্ট্রেলিয়ায় দুই বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। রিজিওনাল স্পন্সরড মাইগ্রেশন স্কিম (১৮৭)। স্কিল অ্যাসেসমেন্টের প্রয়োজন নেই এই ভিসায়। এই ক্যাটাগরিতে চাকরিদাতার দায়-দায়িত্ব কিছুটা কম, স্থায়ী নাগরিকত্ব পাওয়াও সম্ভব। রিজিওনাল এরিয়া থেকে জব অফারের প্রয়োজন হয়। পড়াশোনা করারও সুযোগ পাওয়া যায়।
স্কিলড রিজিওনাল সাব-ক্লাস ৪৮৯ ভিসা। রিজিয়নে দুই বছরের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা, আইইএলটিএস স্কোর কমপক্ষে ৬ থাকলেই এই ক্যাটাগরিতে ভিসা পাওয়া সম্ভব। ভিসা প্রার্থীকে পড়াশোনা শেষে রিজিয়নে এক বছর কাজ করতে হবে। চাকরিদাতার বর্তমান কাজের ঠিকানা, কাজের ধরন, অভিজ্ঞতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বেতনের ওপর নির্ভর করে ভিসা পাওয়ার বিষয়টি।
শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের মতে, অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের জন্য সবচেয়ে জরুরি সততা ও দক্ষতা। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ভিসা প্রাপ্তিতে কোনো জটিলতা নেই। প্রসংগত উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ান ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে যেক’টি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তার মধ্যে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেড অন্যতম।

Monday, April 23, 2018

ব্রাজিল মুখী পর্যটকরা হাই কমিশনে অতিরিক্ত চাপ ।


 বর্তমানে ব্রাজিলের ভিসা নিতি সহজ হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও ব্রাজিল হাই কমিশনে ভ্রমণ ভিসা,স্টুডেন্ট ভিসা , পারিবারিক ভিসা প্রার্থীদের ভিড় দেখা গেছে । চলতি মাসে ঢাকায় ব্রাজিল হাই কমিশনের অফিস এর ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন । অন্যদিকে পরিবর্তন করেছেন সাক্ষাতের সময়ের ও নিয়ম । রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এপয়েন্টমেন্ট নিতে হয় টেলিফোন করে ব্রাজিল হাইকমিশনের নির্দিষ্ট নাম্বারে । +৮৮-০২ ৫৫০৫২১২৬ ও +৮৮-০২ ৫৫০৫২১২৯ এই দুইটি নাম্বারে কল করে দর্শনার্থীদের এপয়েন্টমেন্ট নিতে হয় ।
অপরূপ সৌন্দর্যের দেশ ব্রাজিল । প্রতিনিয়ত ব্রাজিল পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হচ্ছেন । তাই বাড়ছে পর্যটন ভিসার চাহিদা ।সম্প্রতি পর্যটকদের ব্রাজিল ভ্রমণে উৎসাহিত করতে দেশটির সরকার ভিসা নীতি সহজ করেছেন।


সেই সুবাদে ব্রাজিল মুখী হচ্ছেন পৃথিবীর পর্যটন প্রেমী মানুষ ।পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ইতিমধ্যে ব্রাজিলের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য দৃষ্টিনন্দন করতে কাজ করে যাচ্ছেন দেশটির সিটি কর্পোরেশন ও অঙ্গ সরকার ।

Monday, April 16, 2018

ভাগ্য নয়, কানাডা অভিবাসনে দরকার দক্ষতা ও যোগ্যতা

পত্রিকার পাতা উল্টালেই প্রতিনিয়ত চোখে পড়ে স্বপ্নের দেশ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা কিংবা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার হাতছানি। দেখলে মনে হতে পারে, কেউ চাইলেই এই দেশগুলোতে গিয়ে বসবাস বা কাজ করার সুযোগ পাবেন। আসলেই বিষয়টি এতো সরল না। যাচাই-বাছাই না করে এই হাতছানিতে পড়ে অনেক বাংলাদেশি তরুণ সর্বশান্ত হচ্ছেন। টাকা ও সময় নষ্ট করে অনেকের ভবিষ্যত আজ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। সাম্প্রতি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা কিংবা অনলাইন নিউজ পোর্টালের শিরোনামে চটকদার বিজ্ঞাপনের দেখা মিলছে। কানাডায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ।
বহুকৃষ্টির দেশ কানাডা এই বছরের প্রথমদিকে নতুন করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অভিবাসী নেওয়ার ঘোষণা দেয়। কানাডার ইমিগ্রেশন মন্ত্রী আহমেদ হোসাইন গণমাধ্যমেকে জানান, স্কিলড ও ট্রেড স্কিলডসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে আগামী তিন বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বৈধভাবে কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ পাবেন। কিন্তু বাংলাদেশে প্রকাশিত অনেক বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, এ বছর নতুন করে বাংলাদেশি থেকে তিন লাখ লোক নেবে কানাডা। বাস্তবতা হলো এই অভিবাসী শুধু বাংলাদেশ থেকে নয়, সারা পৃথিবী থেকে নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে কানাডার জব মার্কেটে বাংলাদেশিদের দক্ষতার ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। বাংলাদেশিরা ইংরেজি বলার দক্ষতায় এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার কয়েকটি দেশের তুলনায় পিছিয়ে। তাই কানাডায় বাংলাদেশিদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়াটা সহজসাধ্য নয় বলে মনে করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।
কানাডায় বাংলাদেশিদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ কতোটা সহজ হতে পারে প্রশ্ন করলে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ও কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আলহাজ শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ ভয়েস বাংলাকে জানান, দক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পেশায় অভিজ্ঞ লোক ছাড়া কোনও অবস্থাতেই কানাডায় স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, বসবাসের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ছয় মাস হতে তিন বছরের ট্রেড স্কিল সার্টিফিকেট ও এক হতে তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকজন সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই আবেদন করতে পারবেন। সেখানেও রয়েছে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরি। নূন্যতম পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় লাগে একটি প্রক্রিয়াকে সফলভাবে সমাপ্ত করতে। কারণ বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় কানাডার এম্বেসি নতুন করে সাপোর্টিং ডকুমেন্টস চায়, সেই ক্ষেত্রে সময় আরও একটু বেশি লাগে।
কানাডায় ইমিগ্রেশন পেতে হলে বাংলাদেশিদের কি কি প্রক্রিয়ায় এগোনো দরকার জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন বলেন, প্রচলিত এক্সপ্রেস এন্ট্রি, নতুন নতুন পিএনপি এবং ট্রেড স্কিল্ড প্রোগ্রামের আওতায় কানাডা সরকার আবেদনকারীদের চাহিদা পূরণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশি লোকজনদের এই সুযোগটি নেওয়া উচিত। আগ্রহী লোকজন একজন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ ও ফাইলটি প্রসেস করতে পারেন। নিজ নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী সঠিক প্রোগ্রাম নির্বাচন এবং সঠিক সময়ে সঠিকভাবে আবেদন ও ফলোআপ করার মধ্যেই সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের যুগে দক্ষ কর্মিবাহিনীর কদর সকল দেশেই রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে কর্মযোগ্যতাসম্পূর্ণ কেউ অভিবাসী হবার জন্য আবেদন করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না এমন মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কেবল দক্ষ জনশক্তি এই সুযোগ গ্রহণ করা উচিত বলে তাঁরা মনে করেন। এতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূতি উজ্জ্বল হবে এবং দক্ষ ও যোগ্য অভিবাসী হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত হবে।

Friday, March 30, 2018

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে লাগবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য


যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য নতুন নিয়ম প্রবর্তন করেছে। এ নিয়মে যে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে চায় তাকে সামাজিক মাধ্যমের পাঁচ বছরের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এছাড়াও ‍তাদের সামাজিক মাধ্যমের নাম, পূর্বের ই-মেইল আইডি এবং মোবাইল নাম্বার দিতে হবে।
এই উদ্যোগটি প্রায় ১৫ মিলিয়ন বিদেশীর উপর প্রভাব পরবে বলে জানা গেছে। পূর্বে সামাজিক মাধ্যম, ই-মেইল এবং মোবাইল নাম্বারের তথ্য দেওয়া হতো অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য।  
নতুন এই নীতি অভিবাসী এবং যারা অভিবাসী নয় তাদের সবার জন্য প্রজোয্য হবে। বলা হচ্ছে এই নীতি প্রয়োগের ফলে প্রায় ৭ লক্ষ ১০ হাজার ভিসা প্রার্থী অভিবাসী এবং ১৪ মিলিয়ন অভিবাসী নয় এমন ভিসা প্রার্থী এর দ্বারা প্রভাবিত হবেন। এছাড়াও যারা যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা, শিক্ষার আসবেন তারাও এর আওতাভূক্ত হবেন।
এ সংক্রান্ত একটি ডকুমেন্ট ফেডারেল রেজিস্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।কতৃপক্ষ এবং বাজেট-এর সাথে সঙ্গতি রেখে যদি তা অনুমোদন দেওয়া হয় তাহলে সকল ভিসা প্রার্খীর জন্য তার ব্যবহার করা পাঁচ বছরের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি একাউন্ট দিতে হবে।
এছাড়াও তাদের পাঁচ বছর ব্যাবহার করা আগের টেলিফোন নাম্বার, ই-মেইল আইডিও সরবরাহ করতে হবে।

Saturday, March 17, 2018

ব্রাজিলের ফ্যামিলি ভিসার নিয়মাবলী আবারও পরিবর্তন ।


ব্রাজিল হাই কমিশন সূত্রে জানা গেছে তাদের দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের ফ্যামিলি ভিসা সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তন আসছে ।বর্তমানে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সংশোধনের কাজ চলছে ,খুব শীঘ্রই জনসাধারণ তাদের ওয়েবসাইটের পরিবর্তন দেখতে পারবেন । সম্প্রতি ব্রাজিল সরকারের ফ্যামিলি ভিসা সংক্রান্ত নীতিমালার কিছু পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ব্রাজিল হাই কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ভিসা নীতির এই পরিবর্তন আনছেন । একটি সূত্রে জানা গেছে এই পরিবর্তনের ফলে ভিসা নীতি আরো সহজ হতে পারে ।ব্রাজিল হাইকমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে ব্রাজিল থেকে যারা তাদের পরিবারকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে তারা ভিসা নীতি অনুসরণ না করেই আমন্ত্রণপত্র পাঠাচ্ছেন ।যার ফলে তাদের পরিবার ভিসা পেতে বিলম্ব হচ্ছে ।প্রবাসীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্রাজিল হাই কমিশন বলেছেন আমন্ত্রণ পত্র পাঠানোর আগে অবশ্যই যেন তাদের ওয়েবসাইটকে তারা ফলো করেন ।

Monday, March 12, 2018

মালয়েশীয় ভিসা আবেদনের নিয়ম


কেবলমাত্র বিমানবন্দরের মাধ্যমে বৈধভাবে মালয়েশিয়া প্রবেশ করা যায়।

মালয়েশিয়া সরকার প্রধানত দুধরনের ভিসা দেয়:

রেফারেন্স ছাড়া ভিসা (Visa Without Reference, VWTR): বিভিন্ন দেশে মালয়েশীয় মিশন থেকে এ ধরনের ভিসা ইস্যু করা হয়।
রেফারেন্স সহকারে দেয়া ভিসা (Visa with reference, VWR): মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের অনুমোদনের মাধ্যমে ভিসা ইস্যু করা হয়।

কিছু বিশেষ তথ্য
  • মালয়েশিয়া প্রবেশের আগেই মালয়েশিয়া কনস্যুলেট বা দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ  করতে হবে।
  • কেবলমাত্র বিমানবন্দরের মাধ্যমে মালয়েশিয়া প্রবেশ করা যায়।
  • মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের মহাপরিচালক বা উপ মহাপরিচালকের অনুমোদন ছাড়া সোস্যাল বা বিজনেস কার্ডের মেয়াদ বাড়ানো যায় না।

রেফারেন্স ছাড়া ভিসার শর্ত
  • রেফারেন্স ছাড়া ইস্যু করা ভিসার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৪ দিন অবস্থানের অনুমতি দেয়া হয়,  মেয়াদ বৃদ্ধির কোন সুযোগ নেই। আর ট্রানজিট ভিসার মেয়াদ অনেক কম থাকে।
  • যিনি মালয়েশিয়া ভ্রমণে যাচ্ছেন তিনি কোন দেশ থেকে যাচ্ছেন বা তিনি যে দেশে বসবাস করেন সে দশে ফেরার বিমান টিকেট থাকতে হবে। অবশ্য যদি মালয়েশিয়া ভ্রমণের পর অন্য দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে তবে সে দেশে যাওয়ার বিমান টিকেট দেখালেই হবে।

রেফারেন্সসহ ভিসার শর্ত
  • কেবলমাত্র ব্যবসা ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই  ভিসা ইস্যু করা হয়।
  • ভ্রমণটি মালয়োশীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্পন্সর করতে হবে। যে প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করবে সেটিকে অবশ্যই একটি প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান হতে হবে এবং ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টে ফর্ম ৯, ২৪ এবং ৪৯ জমা দিতে হবে।
  • স্পন্সরকে জনপ্রতি দুই হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে।
  • ভ্রমণকারী সর্বোচ্চ ৩০ দিন অবস্থান করতে পারবেন এবং মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ নেই।


মালয়েশিয়ায় ভিসা আবেদনের জন্য যেসব কাগজপত্র লাগবে

ভিসা আবেদন ফরমটি www.imi.gov.my সাইট থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে হবে। সরাসরি ভিসা আবেদন গ্রহণ করা হয় না। ২৫টি অনুমোদিত এজেন্সীর মাধ্যমে ভিসা আবেদনপত্রটি জমা দিতে হবে। আর ভিসা ইস্যু করার বিষয়টি দূতাবাসের ওপর নির্ভরশীল।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি:
  • সাদা পটভূমিতে (ব্যাকগ্রাউন্ড) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি; ছবিগুলোর স্টুডিও প্রিন্ট হতে হবে।
  • পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস হতে হবে এবং পাসপোর্টে অন্তত তিনটি ধারাবাহিক খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • পাসপোর্টের ফটোকপি ও মূলকপি।
  • আগে মালয়েশিয়া ভ্রমণ করে থাকলে ভিসার কপি।
  • ফিরতি বিমান টিকেটের কপি।
  • আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ হিসেবে অন্তত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, সাথে ব্যাংক সলভেন্সি স্টেটমেন্ট। বাংলাদেশর বাইরে অবস্থানরতদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড।
  • ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করে করা আদেনপত্র।
  • কারো আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া গেলে আমন্ত্রণপত্র বা রেফারেন্স লেটার।
  • বাংলাদেশে বসবাস করছেন অথচ বাংলাদেশী নন এমন আবেদনকারীর ক্ষেত্রে চাকরি এবং বাংলাদেশে থাকর অনুমতিপত্র দেখাতে হয়।

ভিসা ফি:
  • বাংলাদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,১০০ টাকা,
  • চীনা পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৩০০ টাকা,
  • ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে ৩,৮০০ টাকা,
  • অন্যান্য দেশের পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে, ৩,১০০ টাকা।

অন্যান্য:
ভিসা আবেদন সকাল ৮:৪৫ থেকে ১০:৩০ এই সময়ের মধ্যে জমা দিতে হয়।
ভিসা ডেলিভারীর সময় দুপুর ৩ টা থেকে বিকাল ৫ টা।
ভিসা আবেদনের পর ভিসা পেতে ১০ দিনের মত সময় লাগে।

Sunday, March 11, 2018

কানাডার কুইবেকে ইমিগ্রেশন নেওয়া যাবে যেভাবে

কানাডার অন্টারিও প্রদেশের পাশের কুইবেক মূলত ফ্রেন্স ভাষাভাষী একটি প্রদেশ। তবে এখানে ইংরেজী ভাষারও প্রচলন আছে। অন্টারিও এরপরেই সবচাইতে জনবহুল এই প্রদেশ। এটি অন্টারিওর পূর্ব পাশে অবস্থিত।

সম্প্রতি কুইবেক সরকার ২০১৮ সালের জন্য তাদের ইমিগ্রেশন পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। ফেডারেল সরকারের এক্সপ্রেস এন্ট্রি পদ্ধতির মতো তারা তাদের ’ডিক্লারেশন অব ইনটেন্ট’ পদ্ধতিতে সিলেকশন দেবে কিন্তু এখনও বলেনি এটা কীভাবে আসলে কাজ করবে। এই পদ্ধতিতে তারা স্কিলড ওয়ার্কার, বিজনেস ক্যাটাগরী, কুইবেকে বসবাসকারীদের আত্বীয়স্বজন ও শরণার্থীদের নেবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

কুইবেক আগামী বছর ২৯,০০০ প্রার্থীকে স্কিল্ড ওয়ার্কার ক্যাটাগরীতে ’কুইবেক সিলেকশন সার্টিফিকেট’ দেবে। যারা এই সার্টিফিকেট পাবে, তারা স্থায়ী বাসিন্দা হিসাবে এখানে আসতে পারবে। এই ক্যাটাগরীকে বলা হয় ’রেগুলার স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগাম’ যা কিনা পয়েন্ট বেসড। বিভিন্ন সেক্টরে যেমন: বয়স, ভাষার দক্ষতা, কাজের অভিজ্ঞতা, কুইবেকে পূর্বের ভ্রমণ ইতিহাস বা আত্মিয় থাকা এবং স্ত্রী বা স্বামীর বিভিন্ন দক্ষতা ইত্যাদি সেক্টরে নম্বর পেয়ে কোয়ালিফাই করতে হবে। এমন না যে ফ্রেন্স ভাষা জানতেই হবে। তবে কুইবেকে আসার পরে ফ্রেন্স ভাষা অবশ্যই শিখতে হবে।

এই বছরের প্রথমদিকে অর্থাৎ ৩০ মার্চ, কুইবেক সরকার ঘোষণা দিয়েছিলো যে, তারা আগামী মার্চ, ২০১৮ সালের মধ্যে ৫০০০ প্রার্থীকে রেগুলার স্কিলড ওয়ার্কার ক্যাটাগরীতে সিলেকশন দেবে কিন্তু এখনও তা দেওয়া হয়নি, সুতরাং ধরে নেওয়া যায় যে যেকোন মুহূর্তে সেই ঘোষণা আসতে পারে। এবং এটি আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে হবে। উল্লেখ্য, এই ক্যাটাগরীতে কানাডিয়ান জব অফার না থাকলেও সিলেকশন পেতে পারে। কিছুদিন হলো পাস পয়েন্টস একটু বাড়ানো হয়েছে। যা কিনা আগের ৪২ থেকে এখন ৪৩ করা হয়েছে এবং দম্পতিদের জন্য পয়েন্টস ৫০ থেকে ৫২ করা হয়েছে। এখানে এখনও সময় আছে আবেদন করার জন্য।

বিদেশী কর্মী বা ছাত্রদের জন্য একটি আলাদা প্রোগ্রাম চালু আছে, যেটিতে অত্যন্ত দ্রুত স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া যায়। ওই প্রোগ্রামটির নাম ’পিইকিউ’ প্রোগ্রাম। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই প্রোগ্রামের আওতায় আবেদনকারীরা ফলাফল পেতে পারেন।

২০১৮ সালে বিজনেজ ক্যাটাগরীতে কুইবেক সরকার ৪০০০-৬০০০ আবেদনকারীকে সিলেকশন দেবে। উল্লেখ্য যে, কুইবেক ইমিগ্রেন্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে কারণ এখানে বিনিয়োগ যেকোন কুইবেক সরকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্যারান্টিড এবং প্যাসিভ ইনভেস্টমেন্ট এর সুযোগ রয়েছে। তার মানে হল আপনাকে কুইবেকে উপস্থিত থেকে কোন ব্যবসায় কর্মরত না থাকলেও চলবে অথবা ব্যবসা পরিচালনায়  এ্যাকটিভলি  অংশগ্রহণ না করলেও চলবে।

কানাডার নাগরিক হওয়ার শর্ত ও আবেদনের নিয়ম

কানাডার নাগরিক হতে গেলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। তা হলঃ বয়স, স্থায়ী বাসিন্দা, কানাডায় বসবাসের স্থায়িত্ব, ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা, কানাডায় বসবাসের মনস্থ করা, ভাষার দক্ষতা, এবং কানাডা সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান।

বয়স (Age)

কানাডার নাগরিক হিসেবে আবেদন করতে বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য নাগরিকত্বের আবেদন করার নিয়মঃ

১। আপনাকে সন্তানের বাবা-মা, দত্তক পিতা বা মাতা বা আইনগত অভিভাবক হতে হবে,

২। সন্তানের কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দা (Permanent Resident) হতে হবে, এবং

৩। একজন অভিভাবককে অবশ্যই কানাডিয়ান নাগরিক হতে হবে অথবা একই সময়ে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারী হতে হবে। (দত্তক অভিভাবকের ক্ষেত্রেও এটি  প্রযোজ্য)

স্থায়ী বাসিন্দা  (Permanent Resident Status)

কানাডায় স্থায়ী বাসিন্দা (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) অবস্থায়  থাকতে হবে এবং পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস কোনো আইনি প্রশ্নের মুখে থাকতে পারবেনা। অর্থাৎ,

  • জালিয়াতির  কারণে  অভিবাসন (ইমিগ্রেশন) পর্যালোচনার অধীনে থাকা

  • রিমুভ্যাল অর্ডার (দেশ ত্যাগ) এর অধীনে থাকা

  • পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট স্ট্যাটাস এর শর্তাবলী পূরণ না করা

কানাডায় বসবাস করার স্থায়িত্ব (Time you have lived in Canada)

* আবেদনের তারিখের ঠিক আগে বিগত ছয় বছরের মধ্যে অন্তত ১৪৬০ দিন স্থায়ী বাসিন্দা (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) হিসেবে কানাডায় শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হবে।

* এছাড়া ছয় বছরের মধ্যে চার ক্যালেন্ডার বছরে কমপক্ষে প্রতিবছর ১৮৩ দিন করে শারীরিকভাবে কানাডায় উপস্থিত থাকতে হবে। এই প্রয়োজনীয়তা ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

* PR (পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট) কার্ডের মেয়াদের তারিখ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও আপনি সিটিজেনশিপ এর জন্য আবেদন করতে পারেন।

ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করা (Income Tax File)

* আবেদনের সময় গত ছয় বছরের মধ্যে কমপক্ষে চার বছরের পার্সোনাল ইনকাম ট্যাক্স  ফাইল করার শর্ত পূরণ করতে হবে।

* কানাডায় বসবাসের জন্য মনস্থ করা (Intend to Reside)



ভাষা (Language Ability)

কারো বয়স যদি ১৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে তবে আবেদনের সময় Language ability proof (ইংলিশ অথবা ফ্রেঞ্চ; কানাডার দাপ্তরিক ভাষার যে কোনো একটি) জমা দিতে হবে। এই Language ability proof অবশ্যই সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন কানাডা কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

কানাডা সম্পর্কে জ্ঞান (How Well You Know Canada)

কারো বয়স  যদি ১৮ থেকে ৬৪ এর মধ্যে হয়ে থাকে, তবে কানাডার নাগরিক হতে গেলে অবশ্যই কানাডার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হবে (আবেদন করার পর সিটিজেনশিপ এবং ইমিগ্রেশন কানাডা একটি গাইড প্রদান করবে যাতে কেউ সিটিজেনশিপ টেস্ট এর জন্য প্রস্তুতি নিতে পারেন)। এই টেস্ট এর উদ্দেশ্য হলো নাগরিকত্ব পেতে হলে কানাডা সম্পর্কে কতটুকু জ্ঞান রয়েছে তা যাচাই করা। এটি সাধারণত একটি লিখিত পরীক্ষা।  তবে কখনো কখনো মৌখিক আকারেও সিটিজেনশিপ অফিসার এই পরীক্ষা নিয়ে থাকেন।

নিষেধাজ্ঞা (Prohibition)

কানাডা অথবা কানাডার বাইরে অন্য দেশে কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে জেলে থাকলে ওই সময় কানাডার নাগরিকত্বের আবেদন করা যাবেনা।

আবেদন করতে কী কী লাগবেঃ

১। নির্ধারিত সিটিজেনশিপ আবেদনপত্র (Citizenship form) এবং শারীরিক উপস্থিতি প্রমাণপত্র (Physical Presence form CIT 0407) জমা দিতে হবে।

এছাড়া কানাডার কোন নাগরিক যদি সরকারি চাকরির সুবাদে তার পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট স্বামী/স্ত্রী’কে নিয়ে কানাডার বাইরে অবস্থান করেন, তখন নাগরিকত্ব পেতে Resident Outside Canada Form (CIT 0177) পূরণ করে জমা দিতে হবে।

২। ইমিগ্রেশন ডকুমেন্টস ( Immigration Documents)

  • রেকর্ড অফ ল্যান্ডিং (Record of Landing (IMM 1000) অথবা

  • Confirmation of Permanent Residence (IMM 5292 or IMM 5688), এবং

  • পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড (Permanent Resident Card)

এই পেপারগুলোর  শুধু পরিষ্কার ফটোকপি লাগবে।  সত্যায়িত করার প্রয়োজন নাই।

৩। ভাষার দক্ষতা (Language Ability)

ভাষার দক্ষতার প্রমাণপত্রঃ-

যেমনঃ IELTS, CELPIP, অথবা কানাডার পোস্ট সেকেন্ডারি ডিপ্লোমা (post secondary diploma ) ইত্যাদি।  ফটোকপি জমা দিতে হবে।

৪। গত ছয় বছরে ব্যবহৃত সকল পাসপোর্টের পরিচ্ছন্ন ফটোকপি।

  • পাসপোর্টের বায়োগ্রাফিক্যাল পেইজের কপি। এটি হল, যে পাতাগুলোতে নাম, ছবি, পাসপোর্ট নম্বর, ইস্যুর এবং মেয়াদউত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ আছে।

  • যদি পাসপোর্টের ভ্যালিডিটি এক্সটেনশন (Validity Extension) হয়ে থাকে তবে সেই পাতাগুলোরও ফটোকপি দিতে হবে।

এক্ষেত্রেও শুধু পরিষ্কার ফটোকপি লাগবে। সত্যায়িত করার প্রয়োজন নাই।

৫। দুইটি আইডেন্টিটি ডকুমেন্ট এর ফটোকপি (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন)

যেমনঃ

  • কানাডিয়ান ড্রাইভারস লাইসেন্স

  • কানাডিয়ান হেলথ ইন্সুরেন্স কার্ড

  • পাসপোর্টের বায়োলজিক্যাল পেইজের ফটোকপি

-শুধু পরিষ্কার ফটোকপি লাগবে।  সত্যায়িত করার প্রয়োজন নাই।

৬। দুই কপি সিটিজেনশিপ ফটো

৭। আবেদনপত্র বাবদ পরিশোধিত অর্থের (পেমেন্ট) মূল রশিদ (Receipt)

৮। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স (Police Clearence) সার্টিফিকেটঃ

আবেদনের সময়ের ঠিক পূর্বের গত চার বছরে কানাডা ছাড়া যদি অন্য কোনো দেশে ১৮৩ দিনের বেশি কেউ থেকে থাকেন, তাহলে তাকে সেই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের মূল্য কপি আবেদনের সময় জমা দিতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আবেদনের শর্ত ও নিয়মাবলী সময়ের সাথে সাথে নিয়মিত পরিবর্তিত হতে দেখা যায়। আবেদনের সময় সঠিকভাবে শর্ত ও তথ্যাবলী জেনে নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদন করতে হবে।

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates