দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় অর্ধেক ভূখ- নিয়ে ব্রাজিল। দেশটি দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় মাঝখানে অবস্থিত। জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম দেশ। ৮,৫১৪,৮৭৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দেশটিতে বসবাসকৃত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২১ কোটি। এটি আমেরিকার একমাত্র পর্তুগীজভাষী দেশ এবং বিশ্বের সর্ববৃহৎ পর্তুগীজভাষী রাষ্ট্র। ব্রাজিলের পূর্বভাগ আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত। যার উপকূলীয় ভাগের দৈর্ঘ প্রায় ৭,৪৯১ কিমি। ব্রাজিলের উত্তরে ভেনিজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম ও ফ্রান্সের সামুদ্রিক দেপার্ত্যমঁ ফরাসী গায়ানা। এছাড়াও এর উত্তর-পশ্চিমভাগে কলম্বিয়া; পশ্চিমে বলিভিয়া ও পেরু; দক্ষিণ-পশ্চিমে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে এবং সর্ব দক্ষিণে দক্ষিণে উরুগুয়ে অবস্থিত।
ব্রাজিলীয় সীমানায় আটলান্টিক মহাসাগরের কিছু দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত, যার মধ্যে রয়েছে ফের্নান্দু জি নরোনিঁয়া, রোকাস অ্যাটল, সেন্ট পিটার ও সেন্ট পল রকস এবং ত্রিনিদাজি এ মার্চিঁ ভাজ। ব্রাজিলের সঙ্গে চিলি ও ইকুয়েডর ব্যতীত দক্ষিণ আমেরিকার সকল দেশেরই সীমান্তসংযোগ রয়েছে। ১৫০০ সালে পর্তুগীজ অভিযাত্রী পেদ্রু আলভারেজ কাবরাউয়ের ব্রাজিলে এসে পৌঁছার পর থেকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ব্রাজিল ছিল একটি পর্তুগীজ উপনিবেশ। ১৮১৫ সালে এটি যুক্তরাজ্য, পর্তুগাল ও আলগ্রেভিজের সঙ্গে একত্রিত হয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা গঠন করে। মূলত ১৮০৮ সালেই ব্রাজিলের ‘পর্তুগীজ উপনিবেশ’ পরিচয়ের ফাটল ধরে। কারণ নেপোলিয়নের পর্তুগাল আক্রমণের রেশ ধরে পর্তুগীজ সাম্রাজ্যের কেন্দ্র লিসবন থেকে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে সরিয়ে নেয়া হয়। ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। প্রাথমিক ভাগে এটি ব্রাজিলীয় সাম্রাজ্য হিসেবে সার্বভৌমত্ব অর্জন করলেও ১৮৮৯ সাল থেকে এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে শাসিত হয়ে আসছে। ১৮২৪ সালে ব্রাজিলের প্রথম সংবিধান পাস হওয়ার পর থেকে দেশটিতে দুই কক্ষবিশিষ্ট সরকার ব্যবস্থা চলে আসছে, যা বর্তমানে কংগ্রেস নামে পরিচিত। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী ব্রাজিল একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। একটি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট, ২৬টি প্রদেশ ও ৫,৫৬৪টি মিউনিসিপ্যালিটি নিয়ে এর যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়েছে।
জাতিগোষ্ঠী ॥ ব্রাজিলে বিভিন্ন জাতের লোকের বাস। আদিবাসী আমেরিকান, পর্তুগীজ বসতিস্থাপক এবং আফ্রিকান দাসদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক ব্রাজিলের জাতিসত্তাকে দিয়েছে বহুমুখী রূপ। ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র পর্তুগীজ উপনিবেশ। ১৬শ’ শতকে পর্তুগীজদের আগমনের আগে বহু আদিবাসী আমেরিকান দেশটির সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ১৬শ’ শতকের মধ্যভাগে পর্তুগীজরা কৃষিকাজের জন্য আফ্রিকা থেকে দাস নিয়ে আসা শুরু করে। এই তিন জাতির লোকের মিশ্রণ ব্রাজিলের সংস্কৃতি, বিশেষ করে এর স্থাপত্য ও সঙ্গীতে এমন এক ধরনের স্বাতন্ত্র্য এনেছে যে কেবল ব্রজিলেই যার দেখা মেলে। ১৯শ’ শতকের শেষদিকে ও ২০শ’ শতকের গোড়ার দিকে ব্রাজিলে আগমনকারী অন্যান্য ইতালীয়, জার্মান, স্পেনীয়, আরব ও জাপানী অভিবাসীরাও ব্রাজিলের সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছে।
ব্রাজিলের ভৌগোলিক অবস্থা ॥ ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলভাগের সবচেয়ে বেশি অংশ জুড়ে রয়েছে, সেই সঙ্গে মহাদেশটির সবচেয়ে বেশি অংশটিও এই দেশটির আওতাধীন। ব্রাজিলের দক্ষিণে উরুগুয়ে; দক্ষিণ-পশ্চিমে আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে; পশ্চিমে বলিভিয়া ও পেরু; উত্তর-পশ্চিমে কলম্বিয়া এবং উত্তরে ভেনিজুয়েলা, সুরিনাম, গায়ানা এবং ফরাসী দেপার্ত্যমঁ ফরাসী গায়ানা অবস্থিত। ব্রাজিলের সঙ্গে ইকুয়েডর ও চিলি ব্যতীত দক্ষিণ আমেরিকার সকল দেশের সঙ্গেই সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। ব্রাজিলীয় সীমানায় কিছু দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত, যার মধ্যে রয়েছে ফের্নান্দু জি নরোনিঁয়া, রোকাস অ্যাটল, সেন্ট পিটার ও সেন্ট পল রকস এবং ত্রিনিদাজি এ মার্চিঁ ভাজ। এর সুবিশাল আকৃতি, জলবায়ু, এবং খনিজ সম্পদের প্রাচুর্য ব্রাজিলকে ভূতাত্ত্বিকভাবে একটি বৈচিত্র্যময় দেশে পরিণত করেছে।
জনপরিসংখ্যান ॥ ব্রাজিলের জনপরিসংখ্যান এবং ব্রাজিলীয় ২০০৮ সালের গণনা অনুযায়ী ব্রাজিলের জনসংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি কিলোমিটারে ২২.৩১ জন, এবং পুরুষ ও নারীর অনুপাত ০.৯৫:১। মোট জনসংখ্যার ৮৩.৭৫% ভাগ শহরাঞ্চলে বসবাস করে। ব্রাজিলে বেশিরভাগ মানুষ বাস দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব (৭ কোটি ৯৮ লাখ) ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। যদিও ভৌগোলিকভাবে দেশটির সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে এর মধ্য-পশ্চিম এবং উত্তরাঞ্চল, যা ব্রাজিলের মোট ভূখ-ের ৬৪.১২% ভাগ দখল করে আছে, কিন্তু সে অঞ্চলগুলোতে বসবাসকৃত মানুষের সংখ্যা মাত্র ২ কোটি ৯১ লাখ। মৃত্যুহার কমে যাওয়ায় ১৯৪০ থেকে ১৯৭০-এর দশকে ব্রাজিলের জনসংখ্যা বেড়ে যায়। যদিও এ সময় জন্মহারও সামান্য পরিমাণে হ্রাস পায়। ১৯৪০-এর দশকে দেশটির জনসংখ্যা বৃদ্ধির বার্ষিক হার ছিল ২.৪%। ১৯৫০-এর দশকে এসে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩.০%; ও ১৯৬০-এর দশকে এই হার ছিল ২.৯%। এ বছরগুলোতে মানুষের গড় আয়ুু ৪৪ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫৪ বছরে উন্নীত হয়। ব্রাজিলের ইন্সটিটিউট অব জিওগ্রাফি এ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্সের ২০০৮ সালের গণনা অনুসারে মোট জনসংখ্যার ৪৮.৪৩% ভাগ নিজেদের শেতাঙ্গ হিসেবে বর্ণনা করেছে; এবং ৪৩.৮০% ভাগ বাদামি, ৬.৮৪% কৃষ্ণাঙ্গ, ০.৫৮% এশী এবং ০.২৮% নিজেদের আমেরিন্ডিয়ান হিসেবে পরিচয় দিয়েছে।
ব্রাজিলের অর্থনীতি ॥ ক্রয়ক্ষমতা সমতা ও মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ভিত্তিতে ব্রাজিলের অর্থনীতি বর্তমানে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম অর্থনীতি। ব্রাজিলের অর্থনীতি বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি। এর অর্থনৈতিক সংস্কার আন্তর্জাতিক বিশ্বে দেশটিকে একটি নতুন পরিচিতি দিয়েছে। ব্রাজিল জাতিসংঘ, জি-২০, সিপিএলপি, লাতিন ইউনিয়ন, অর্গানাইজেশন অব ইবেরো-আমেরিকান স্টেটস, মার্কুসাউ ও ইউনিয়ন অব সাউথ আমেরিকান নেশন্স এবং ব্রিক দেশের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ব্রাজিল জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি দেশ হিসেবে বিবেচিত। ব্রাজিলে বিভিন্ন প্রকারের প্রকৃতি সংরক্ষণকেন্দ্র ও অভয়ারণ্য বিদ্যমান। এছাড়াও দেশটি সমৃদ্ধ খনিজসম্পদের অধিকারী, যা বিভিন্ন সময়ে এর অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। ব্রাজিল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান উৎপাদনকারী দেশ। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল ও বিশ্ব ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ব্রাজিলের অর্থনীতি দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ, বাজার বিনিময়ের ভিত্তিতে বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম ও ক্রয়ক্ষমতা সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম অর্থনীতি। ব্রাজিলের অর্থনীতি একটি মিশ্র অর্থনীতি। দেশটির যথেষ্ট পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, যা এর অর্থনীতির উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ভিত্তিতে ধারণা করা হয়, সামনের কয়েক দশকে ব্রাজিলের অর্থনীতি বিশ্বের পাঁচটি বৃহত্তম অর্থনীতির একটি হিসেবে পরিণত হবে।[৮৯] এর বর্তমান গড় অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হচ্ছে ১০,২০০ মার্কিন ডলার, যা বিশ্ব ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে ৬৪তম। ব্রাজিলের বৃহৎ ও উন্নত কৃষি, খনিশিল্প, উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সেবাখাত রয়েছে।
সংস্কৃতি ॥ ব্রাজিলের সংস্কৃতি কার্নিভালে সাম্বা স্কুল প্যারেডের সাম্বা নৃত্য উপস্থাপন। কার্নিভাল ও সাম্বা নৃত্য বহির্বিশ্বের কাছে বব্রজিলের সংস্কৃতির সবচেয়ে পরিচিত অংশের একটি। তিন শ’ বছরেরও বেশি সময় ধরে পর্তুগীজ ঔপনিবেশকদের শাসনের ফলে, ব্রাজিলের সংস্কৃতির মূল অংশটি এসেছে পর্তুগালের সংস্কৃতি থেকে। পর্তুগীজরা ব্রাজিলের সংস্কৃতির যেসকল স্থানে প্রভাব ফেলেছে তার মধ্যে আছে পর্তুগীজ ভাষা, ক্যাথলিক ধর্ম এবং ঔপনিবেশিক স্থাপত্যশিল্প। এছাড়াও ব্রাজিলের সংস্কৃতি আফ্রিকান, ও আদিবাসী ইন্ডিয়ানের নিজস্ব সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য দ্বারাও বেশ প্রভাবান্বিত হয়েছে।
খেলাধুলা ॥ ফুটবল খেলাই ব্রাজিলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া হিসেবে পরিচিত। ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল ফিফা বিশ্ব র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানীয় দল হিসেবে চিহ্নিত। দলটি এ পর্যন্ত পাঁচবার বিশ্বকাপ লাভ করেছে যা একটি রেকর্ড। ভলিবল, বাস্কেটবল, অটো রেসিং এবং মার্শাল আর্ট ক্রীড়াও ব্যাপকভাবে দর্শকপ্রিয়। ব্রাজিলের পুরুষ জাতীয় ভলিবল দলটি ওয়ার্ল্ড লীগ, বিশ্ব ভলিবল গ্রাঁ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং বিশ্বকাপেও অন্যতম ফেবারিট দল। ব্রাজিলের অন্যান্য খেলার মধ্যে রয়েছে- টেনিস, হ্যান্ডবল, সুইমিং এবং জিমন্যাসটিক্স যা গত কয়েক দশক ধরে চর্চা হচ্ছে।
Thursday, April 11, 2019
Sunday, March 31, 2019
ইউক্রেনে নির্বাচন: দৌড়ে এগিয়ে কমেডি অভিনেতা
ইউক্রেনের প্রথম দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। কিয়েভের স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণের জন্য ভোটকেন্দ্র খুলে দেয়া হয়। ভোটকেন্দ্র থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি’র একজন প্রতিনিধি একথা জানিয়েছেন।
জরিপ অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সী কৌতুক অভিনেতা ভোলোদিমির জেলেনস্কি সর্বোচ্চ ভোট পেতে যাচ্ছেন বলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোসেনকোর সঙ্গে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। তবে প্রথম দফা নির্বাচন কেউ ৫০ ভাগ ভোট না পেলে আবারও ভোট গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সময় রাত ৮টায় এই প্রথম দফা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হবে। এর কয়েক ঘন্টা পর আংশিক ফলাফল প্রকাশিত হবে।
এ নির্বাচন বর্জন করেছে ইউক্রেনের রাশিয়াপন্থী দলগুলো। তাই রাশিয়ার প্রভাব রয়েছে এমন অঞ্চলগুলোতে ভোটগ্রহণ কেমন হবে তা স্পষ্ট নয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌঁড়ে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৩৯ জন। তবে কেবল তিনজনকে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা হচ্ছে।
Labels:
আন্তর্জাতিক
Saturday, March 30, 2019
মডেলের প্রেমে ব্রাজিল তারকা
নেইমার পরবর্তী যুগে ব্রাজিলের নতুন সেনসেশন হিসেবে ধরা হচ্ছে ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে ডাক পেয়ে ইনজুরির কারণে কপাল পুড়েছে। তবে ব্রাজিল কোচ তিতে বলেছেন, আসন্ন কোপা আমেরিকায় তার দলে থাকার সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। এর আগেই নতুন এক ঘটনায় নাম জড়াল ভিনিসিয়াসের। ইনস্টাগ্রাম মডেল মারিয়া জুলিয়া মাজালির সঙ্গে নাকি চুটিয়ে প্রেম করছেন তিনি! সম্প্রতি একটি ছবি এই জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে। 
মারিয়া জুলিয়া মাজালি এখন বেশ জনপ্রিয় ইনস্টাগ্রাম মডেল। ছবি : ইনস্টাগ্রাআম
সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে ভিনিসিয়াস এবং জুলিয়া স্নানঘরে নিজেদের ছবি পোস্ট করেন। ছবি দুটি আলাদা হলেও স্নানঘরটি যে একই সেটা ছবিতেই স্পষ্ট। ব্রাজিলিয়ান পত্রিকা 'ল্যান্স' দুটি ছবিতেই আয়নার প্রতিবিম্বের মধ্যে সদৃশ খুঁজে পেয়ে দেখিয়েছে, দুজনের ছবি একই স্নানঘরে তোলা! ওই পত্রিকাটাই দাবি করেছে, এই স্নানঘরটি হলো ভিনিসিয়াস মাদ্রিদে যে বাসায় থাকেন সেই বাসার! তার মানে দুজনে 'অন্যরকম' সম্পর্কে জড়িয়েছেন। 
এই দুটি ছবি নিয়েই ছড়িয়েছে জল্পনা। ছবি : ইনস্টাগ্রাম
দুজনে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। গত ডিসেম্বরে এক সাক্ষাৎকারে বান্ধবী আছে কি না, এমন প্রশ্নে নেতিবাচক মন্তব্যই শুনিয়েছিলেন ভিনিসিয়াস, ‘না কেউ নেই। ২৩ বছরের মাজালি ব্রাজিলে এক রিয়্যালিটি টিভি শো দে ফারিয়াস কোম ও এক্সে অংশ নিয়ে বিখ্যাত হয়েছিলেন। ইদানিং দেখা যাচ্ছে, ইনস্টাগ্রামে দুজন দুজনের ছবিতে লাইক দিচ্ছেন, মন্তব্য করছেন। একবার নাকি মাজালির একটি ছবিতে 'হার্ট' ইমোটিকন দিয়েছিলেন ভিনিসিয়াস!
Labels:
বিনোদন
ব্রাজিলিয়ান রিয়েল এখন আন্তর্জাতিক বাজারে ।
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রাজিলিয়ান রিয়েল এর বিক্রি শুরু ।জাপান , চায়না ও বাংলাদেশের বাজারে ব্রাজিলিয়ান মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখা গিয়েছে । যদিও লেতিন আমেরিকার বাজারে আগে থেকেই ব্রাজিলিয়ান মুদ্রা ক্রয় - বিক্রয় হচ্ছে । নতুন করে যুক্ত হল বাংলাদেশ সহ তিন দেশ । ব্রাজিলে নতুন সরকার আসার পর থেকে একের পর এক আইনের পরিবর্তন আসে, সেই সাথে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করতে । ইতিমধ্যেই গত কয়েক মাসে ব্রাজিলের নতুন প্রেসিডেন্ট বেশ কয়েকটি দেশের সাথে সম্পর্ক আরও গভীর করতে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করেছে । সেই সাথে সফর করেছেন বেশ কয়েকটি দেশে । ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নির্বাচনী ওয়াদাতে ছিল দেশকে অর্থনৈতিক সম্মৃদ্ধ করে তুলবেন । তিনি আশা করছেন খুব শীঘ্রই ব্রাজিল পৃথিবীর উন্নত দেশের একটিতে পরিণত হবে ।
Labels:
আন্তর্জাতিক,
ব্রাজিল,
লাতিন আমেরিকা
চাপে পড়ে নারী অধিকার কর্মীদের মুক্তি দিল সৌদি
আন্তর্জাতিক চাপের মুখে অবশেষে নারী অধিকার কর্মীদের মুক্তি দিল সৌদি আরব। প্রথম ধাপে তিনজনকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। নারী অধিকার ও পুরুষ অভিভাবকত্বের বিরুদ্ধে সক্রিয় থাকার কারণে তাদের প্রায় ১ বছর আটকে রাখা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এ খবর নিশ্চিত করেছে। কারাগারে আটক নারী অধিকার কর্মীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার ও ধর্ষণ ঘটনায় সৌদি সরকার সম্প্রতি ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসহ কানাডা ও ব্রিটেনের মতো রাষ্ট্রগুলো এ নিয়ে সৌদি আরবকে চাপ দিতে থাকে। খবর আলজাজিরার।
গণমাধ্যমের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা দেশটি কোন কোন অধিকার কর্মীকে মুক্তি দিয়েছে তা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে বেশ কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী মুক্তি পাওয়া বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন ব্লগার ইমান আল-নাফজান, কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক আজিজা আল-ইউসেফ ও আরেক শিক্ষিকা রোকায়া আল-মোহারেব।
বুধবার আদালত তাদের মুক্তি দেন। সেখানে বিদেশি সাংবাদিক ও কুটনীতিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। তবে আদালত জানিয়েছেন, মুক্তি দেয়া হলেও তাদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগের প্রতি নজর রাখা হবে।
Labels:
আন্তর্জাতিক
ফিলিস্তিনি বন্দিদের জুমার নামাজ নিষিদ্ধ করল ইসরাইল
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ দেশটির কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের জুমার নামাজ নিষিদ্ধ করেছে।
ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরাতে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদলু এ খবর জানিয়েছে।
ইসরাইল কারা প্রশাসন নতুন এ ঘোষণায় দেশটির সকল কারাগারে শুক্রবার জুমার নামাজ যাতে না হয়, বিষয়টি কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়েছে।
তবে কী কারণে এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল, এ বিষয়ে কোনও তথ্য দেয়নি ইসরাইল।
গত জানুয়ারিতে ইসরাইলি বাহিনী কারাগারের কয়েকটি ওয়ার্ডে হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি বন্দিকে আহত করেছে। তারপর থেকে ইসরাইল কারাগারে উত্তেজনা চলছে।
ফিলিস্তিনের সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ইসরাইলের কারাগারে ৫ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছে। যাদের মধ্যে ৫০০ জন প্রশাসনিক বন্দি ও ২৩০ জন শিশু।
সূত্র: আনাদলু তুর্কি
Labels:
আন্তর্জাতিক
ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলায় গাজায় ২ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি
গত সোমবার রাত থেকে চালানো ইসরাইলি আগ্রাসনে গাজায় মোট ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ফিলিস্তিন।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ফিলিস্তিন গণপূর্ত ও হাউজিং মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাজি সারহান। খবর আনাদলুর।
গাজা তথ্য মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সারহান বলেন, সাম্প্রতিক আগ্রাসনের ফলে প্রায় দেড় মিলিয়ন ডলারের ৩০টি স্থাপনা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অর্ধ মিলিয়ন ডলারের প্রায় ৫০০টি বসতবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সারহান বলেন, ইসরাইলের সেনাবাহিনী অত্যধিক শক্তিশালী ও ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল, যা লক্ষ্যবস্তু স্থানগুলির আশেপাশের গুরুতর ক্ষতি করেছে।
এ আগ্রাসনের ফলে শত শত ফিলিস্তিনি তাদের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে বলেও জানান নাজি সারহান।
এদিকে গত মঙ্গলবার ফিলিস্তিনের গণপূর্ত মন্ত্রী মুফিদ আল হাসানাহ জানিয়েছিলেন, ইসরাইলের সর্বশেষ বিমান হামলায় গাজা উপত্যকার মোট ৫০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত সোমবার সকালে গাজা উপত্যকা থেকে তেল আবিব রকেট হামলা করলে এর জবাবে সন্ধ্যা থেকে দখলদার ইসরাইল বাহিনী প্রচণ্ড হামলা শুরু করে।
মিশরের মধ্যস্থতায় সোমবার রাতে যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হলেও মঙ্গলবার সকালে ফের হামলা শুরু করে ইসরাইল।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই সীমান্তের কাছকাছি ইসরায়েলিদের লক্ষ্য করে রকেট হামলার শব্দ শোনা গেছে। হামাসের স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা।
সোমবার সন্ধ্যা থেকে দখলদার ইসরাইল বাহিনী গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় অর্ধশতাধিক আক্রমণ করেছে। মঙ্গলবার ও বুধবারেও এ হামলা অব্যাহত ছিল। মঙ্গলবার গভীর রাত ও বুধবার সকালে বাড়িতে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মোট ১৯ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরাইল।
Labels:
আন্তর্জাতিক
Subscribe to:
Posts (Atom)







