Social Icons

Sunday, December 4, 2016

কাশ্মীরে ঘর গড়ছেন রোহিঙ্গারা


মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে নিজ ভূমি রাখাইন ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছেন সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা।

বছরের পর বছর ধরে তারা আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায়। সম্প্রতি নির্যাতন বেড়ে গেলে একই চেষ্টা করছেন রোহিঙ্গারা।

তাদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ হলেও এখন অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিচ্ছেন আরেক উত্তপ্ত ভূমি জম্মু ও কাশ্মীরে।  রোহিঙ্গাদের নতুন আবাস নিয়ে রোববার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস। 

কাশ্মীরে আশ্রয় নেয়া ৭০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইউনুস ও তার চেয়ে বয়সে ছোট শাহ আলম নিজেদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক জান্তার অত্যাচারের বর্ণনা দিয়েছেন।

বর্বর নির্যাতনের বর্ণনায় বারবারই বাকরুদ্ধ হয়েছেন তারা। হতাশা চেপেছেন দীর্ঘশ্বাসে। তবু তাদের একটাই সান্ত্বনা- এখনও বেঁচে আছেন, আছেন নিরাপদ।

ইউনুস বলেন, গত চার বছর আগে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বর্বর নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে জম্মুতে এসে আশ্রয় নেই। বিশ্বের মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলো রোহিঙ্গাদের ওপর এত অত্যাচারেও চুপ ছিল।কাশ্মীরে বসবাস করা ইউনুস ও শাহ আলম

তিনি জানান, সেনা সদস্যরা মেয়েদের আমাদের সামনেই ধর্ষণ করেছে, পুড়িয়ে দিয়েছে আমাদের বাড়িঘর, পুড়িয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে অনেক রোহিঙ্গাকে।

অত্যাচারের স্মৃতি বয়ে বেড়ানো ইউনুস কথার এক ফাঁকে নিজের শরীরের কাপড় সরিয়ে সামরিক জান্তার বুলেটের দাগ দেখান।

জম্মুতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন বিশেষ কার্ড দিয়েছে। আবার এদের অনেকেই কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে অবস্থান করছেন।

সামরিক জান্তার নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা ৪৫ বছর বয়সী শাহ আলম বলেন, জম্মুতে আমি স্ক্র্যাপ ডিলারের কাছে কাজ করি। আমার বউ আর মেয়ে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। আমাদের আয় খুব সীমিত। এর মধ্যে কুড়েঘরের ভাড়া বাবদ ৫শ এবং বিদ্যুতের জন্য ২শ' টাকা দেয়ার পর হাতে তেমন টাকা থাকে না। কিছু বেসরকারি সাহায্য সংস্থা আমাদের সহায়তা করেন। তবু জীবন ধারণ অনেক কষ্টের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি জানান, এরপরেও আমরা খুশি যে, এখানে অন্তত নিরাপদে আছি।

জম্মুতে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের দাবি, সম্প্রতি শুরু হওয়া নির্যাতনের মুখে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। অন্যরা ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সৌদি আরবে পালিয়ে যাচ্ছেন।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কোনো মানবিক আচরণ করা হয় না। তাদের মানুষের মতো বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। তাদের বিয়ের জন্য অনুমতি নিতে হয়, বিবাহিত নারীদের সন্তান ধারণের জন্যও অনুমতি নিতে হয়।

অন্যদিকে বেঁচে থাকার জন্য তারা কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে না। রোহিঙ্গাদের রাতে চলাচলেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

সম্প্রতি ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেছেন, এখন পর্যন্ত কাশ্মীরের আশ্রয় শিবিরে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন।

তবে এসব শরণার্থীদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থার লোকেরা।

সম্প্রতি বিদেশী জঙ্গিদের তৎপরতায় বিষয়টি আরও নজরে এসেছে। এজন্য তাদের ওপর বিশেষ নজরদারিও রয়েছে।

১২৮ যাত্রী নিয়ে বিমান উড়ার সময় পাইলটের হার্ট অ্যাটাক


স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিমানবন্দরে রানওয়েতে ১২৮ জন যাত্রী নিয়ে উড়াল দেয়ার সময় হৃদ রোগে (হার্ট অ্যাটাক) আক্রান্ত হন বিমানের এক পাইলট। পরে বিমানটির কো-পাইলট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে উড্ডয়ন বন্ধ রাখেন। 
  
কেএলএমের বিমানটি গ্লাসগো থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টার্ডামের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা ছিল। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। 
  
খবরে বলা হয়েছে, ওই পাইলটকে এক যাত্রীর সহযোগিতায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে  ক্লাইডব্যাংকের গোল্ডেন জুলিবি হাসপাতালে নেয়া হয়। ডাচ এই পাইলটের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। 
  
এদিকে যাত্রীদের ফ্লাইট পরিবর্তন করে অন্য ফ্লাইটে তাদের গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। 
  
কেএলএম নেদারল্যান্ডসের বিমানসংস্থার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমস্টার্ডামের উদ্দেশে উড়াল দেয়ার সময় পাইলট হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সেখানেই এক যাত্রীর সহযোগিতায় পাইলটকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল

ট্রাম্পের নিরাপত্তায় দৈনিক ব্যয় ৮ কোটি টাকা!


যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তায় ফেডারেল সরকারের কাছে অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল। সিটি কাউন্সিলের দু’জন সদস্য এ বিষয়ে শুক্রবার অনলাইনে আবেদন দাখিল করেছেন।

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্পিকার মেলিসা মার্ক ভিবেরিতো এবং সদস্য ড্যান গারোডনিক এ আবেদন পেশ করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, ট্রাম্পের নিরাপত্তায় দৈনিক ৮ কোটি টাকা (১০ লাখ ডলার) ব্যয় হচ্ছে নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষের। তাদের দাবি, ট্রাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্ব ফেডারেল সরকারের, নিউইয়র্ক শহরের নয়। খবর রয়টার্সের।

আবেদনে ট্রাম্পের উদ্দেশে বলা হয়, ‘নির্বাচনের আগে এবং পরে আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় যত অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেই অর্থ নিউইয়র্ক শহরের তহবিলে জমা করুন। শিগগিরই আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।’ এ আবেদনের ব্যাপারে ট্রাম্প বা তার দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবারই এ আবেদনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক সমর্থক।

৮ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ের পর থেকে ট্রাম্প এবং তার পরিবারের সদস্যদের বাড়তি নিরাপত্তা দিচ্ছে নিউইয়র্ক পুলিশ। বিলাসবহুল ও আকাশচুম্বী ট্রাম্প টাওয়ারে পুলিশ আলাদা ব্যারিকেড বসিয়েছে। ট্রাম্পের ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ক টিমের সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে ট্রাম্প টাওয়ার। ২০ জানুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

নিউইয়র্ক শহরের কর্মকর্তাদের মতে, দৈনিক ট্রাম্পের নিরাপত্তায় ব্যয় হচ্ছে ১০ লাখ ডলার, যা ট্রাম্পের শাসনামলের চার বছরে ১০০ কোটি ডলার ছাড়াবে অনায়াসে।

এর আগেও ট্রাম্পের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যয় প্রসঙ্গে ফেডারেল সরকারকে অবহিত করেছিলেন নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও। আবেদনে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে পুলিশ সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন এবং শিক্ষা খাতে নিউইয়র্ক শহরের বাজেটে টান পড়েছে।

রাখাইনে সেনা শক্তির অপব্যবহার করছে মিয়ানমার: ইইউ [ভিডিও]

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা বলেছে, রাখাইনে সেনা শক্তির অপব্যবহার করছে মিয়ানমার সরকার। 
  
এ ইস্যুতে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি তুলেছে সংস্থাটি। 
  
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মুখপাত্র ফ্রেদেরিকা মেঘোরিনি বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে সেনা শক্তির অপব্যবহার করছে মিয়ানমার সরকার। সেখানকার হাজার হাজার মানুষ নিপীড়নের শিকার। 
  
অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিয়ানমারকে সরকারকে আহ্বান জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।  
  
পাশাপাশি সেখানকার মানবাধিকার লংঘনের বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত দাবি করছে ইইউ।  
  
এদিকে জাতিসংঘেরর স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত দুই মাসে সেখানে তীব্র স্বাস্থ্যসেবায় তীব্র সংকটে ভুগছে রাখাইনের মংডু এলাকা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রাজ্যটির ৭ হাজারের বেশি গর্ভবতী নারী।

বিপিএলের শেষ চারে ঢাকা-চিটাগাং-রাজশাহী-খুলনা

সাত ম্যাচ জিতে আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করে রাখে ঢাকা ডায়নামাইটস। শনিবার রাজশাহীর কাছে হেরেও শেষ চারে উঠে যায় চিটাগাং ভাইকিংস। রোববার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে রংপুর রাইডার্সের ৮ রানের হারে সেরা চারে পা রাখে রাজশাহী কিংস। পয়েন্ট সমান হওয়ায় অপেক্ষা ছিল খুলনা টাইটান্স ও রংপুর রাইডার্স। তবে ঢাকা ডায়নামাইটসকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করল খুলনা টাইটান্স। রিয়াদদের জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল রংপুর রাইডার্স।

১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা। শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি সব দলগুলোর পয়েন্ট ছিল ১২ করে। রান রেটে এগিয়ে থাকায় সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে চিটাগাং ও রাজশাহী। ঢাকাকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বর জায়গাটা দখল করল খুলনা।

যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, রাজশাহী ও চিটাগাং ভাইকিংসের মধ্যে হচ্ছে এলিমিনেটর রাউন্ড। সেই ম্যাচের জয়ী দল খেলবে ঢাকা-খুলনার মধ্যে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচের বিজয়ীর সাথে।

এবারের আসরে যেভাবে শুরু করেছিল রংপুর রাইডার্স তাতে অনেকেই ভাবেনি যে, শেষ চারে যেতে দলটিকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের দিকে। প্রথম ছয় ম্যাচের চারটিতেই চিটাগাং, খুলনা,বরিশাল আর কুমিল্লাকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল আফ্রিদিরা।

তবে চিটাগাং-পর্বে এসে খেই হারিয়ে ফেলে উত্তরাঞ্চলের দলটি। টানা চার ম্যাচ হেরে হিসাব থেকে ছিটকে পড়ে নাঈম ইসলামের দল। শনিবার বরিশালকে হারিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও শেষ ম্যাচে কুমিল্লার কাছে ৮ রানে হেরে যায় সৌম্য-নাঈমরা।

অপরদিকে যোগ্য দল হিসেবেই শেষ চারে জায়গা করে নিল খুলনা। চার ম্যাচ জয়ের পর টানা তিন ম্যাচ হেরে যাওয়াতে বিদায়ের একটা সম্ভাবনা জাগলেও রিয়াদের দারুণ ব্যাটিং আর কৌশলী অধিনায়কত্বে শেষ পর্যন্ত সুপার ফোর নিশ্চিত করল খুলনা। আজও দলের প্রয়োজনে ২৮ বলে ৫০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে গেলেন বিপিএলের পরের অংকে। 

অর্থাভাবে ভোট পুনঃগণনা হচ্ছে না পেনসিলভানিয়ায়


উইসকিনসনের পাশাপাশি পেনসিলভানিয়ায় ভোট পুনঃগণনার আবেদন করার কথা জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জিল স্টেইন। কিন্তু সেখানে ভোট পুনঃগণনা হচ্ছে না। রাজ্যের আদালতের পক্ষ থেকে জিল স্টেইন ও গ্রিন পার্টির সমর্থকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জানানো হয়, ভোট পুনঃগণনার জন্য যেই ১০ লাখ ডলার দেয়ার ক্ষমতা গ্রিন পার্টির নেই।
 
গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী স্টেইন উইসকিনসন, মিশিগান ও পেনসিলভানিয়ায় ভোট পুনঃগণনার জন্য আবেদনের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণা অনুসারে উইসকিনসন রাজ্য ভোট পুনঃগণনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু পেনসিলভানিয়া রাজ্যে ভোট পুনঃগণণার আবেদন করতে ১০ লাখ ডলারের একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে হবে। এই বন্ড অনুসারে ভোটের ফলাফলে ভুল না মিললে ১০ পাউন্ড ডলার নির্বাচন বিভাগ নিয়ে নেবে।
 
রাজ্যের আদালত জানায়, যারা পিটিশন করেছেন, তারা সাধারণ মানুষ। তারে এই আবেদনের জন্য ১০ লাখ মার্কিন ডলার দিতে সক্ষম নয়।
 
এদিকে কোর্টের এই রায়ের পর এক টুইট বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জিল স্টেইন বলেন, ভোট পুনঃগণনার খরচ অনেক বেশি। কারণ নির্বাচিতরা ২১ শতকের নির্বাচনের জন্য কোন অর্থ প্রদানে রাজি নয়।

সুচিকে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ করতে হবে : মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রী


অং সান সুচিকে অবশ্যই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যা বন্ধ করতে হবে বলে বক্তব্য দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে নোবেল জয়ী সুচির নিষ্ক্রিয়তার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
 
রবিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পাঁচ হাজার জন নাগরিককে নিয়ে করা র‍্যালিতে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সমবেত মানুষের উদ্দেশ্য নাজিব রাজাক বলেন, এমন নোবেল পুরস্কার দিয়ে কি করবেন অং সান সুচি। আমরা সুচি কে বলতে চাই যথেষ্ট হয়েছে। আমাদের অবশ্যই মুসলিম ও ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।
 
তিনি জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'আল্লাহু আকবার। (আল্লাহ মহান)'
 
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা চাই ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
 
এ সময় তিনি আকুতি জানিয়ে বলেন, অনুগ্রহ করে কিছু করুন। জাতিসংঘ কিছু করুন। বিশ্ব এভাবে বসে থেকে একটি গণহত্যা দেখতে পারে না।
 
উল্লেখ্য, স্যাটালাইট চিত্রে দেখা যায়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দুটি গ্রাম সম্পূর্ণ আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেখান থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানায়, এই দুই গ্রামের বহু পুরুষকে ধরে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী, নির্বিচারে নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। কোন কোন মা দাবি করেছেন, তাদের সামনে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মুসলিম বিশ্বে সবচাইতে সোচ্চার দেখা গিয়েছে মালয়েশিয়াকে। 

এএফপি।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates