Social Icons

Monday, December 5, 2016

বার-বি-কিউয়ের স্বাদে

শীতে বার-বি-কিউয়ের আলাদা কদর দেখা যায়। বার-বি-কিউ পার্টির কথা প্রায়ই শোনা যায়। তাই এবার এরকম হৈ-হুল্লোড়ের পাশাপাশি রসনা তৃপ্ত করতে পারে এমন চারটি বার-বি-কিউয়ের রেসিপি দিয়েছেন ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সু-শেফ মো. আবু সুফিয়ান সোহেল ও ছবি তুলেছেন সোহেল মামুন।
 
গ্রিল কিং প্রন
উপকরণ: বড় চিংড়ি মাছ ২ পিস, লেবুর রস ১/২ চা চামচ, সরিষা বাটা ১/২ চা চামচ, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, মাখন ১ চা চামচ, অলিভ অয়েল ১ চা চামচ।
 
প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে মাছ ধুয়ে ২ ভাগে কেটে নিতে হবে, তারপর ভিতরের অংশে মাখন, লেবুর রস, একটু লবণ, একটু রসুন (স্বাদ অনুযায়ী) এবং গোল মরিচের গুঁড়া দিয়ে ব্রাশ করে নিতে হবে। গ্রিল করার জন্য তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করে নিতে এবং মাখানো মাছগুলো ৫ মিনিট আঁচে রেখে ভাজতে হবে। দু পাশে একইভাবে মসলা ব্রাশ করে নিতে হবে এবং ৫ মিনিট আঁচে রেখে ভাজতে হবে। ব্যস, তৈরি হয়ে গেল মজাদার গ্রিল কিং প্রন।
 
 
গ্রিল ল্যাম্ব চপ
উপকরণ: ল্যাম্ব র‌্যাখ ৩ পিস, এলপি সস ১ চা চামচ, সরিষা বাটা ১/২ চা চামচ, রসুন কুচি ২ কোয়া, অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ, গোল মরিচের গুঁড়া স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো।
 
প্রস্তুত প্রণালি: একটি পাত্রে অলিভ অয়েল, গোল মরিচের গুঁড়া, এলপি সস, সরিষা বাটা, রসুন কুচি ও লবণ দিয়ে মাংস পুরু করে মাখিয়ে ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে মেরিনেট করতে হবে। এরপর ২০ মিনিট বাইরে রেখে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনতে হবে। চুলায় গ্রিল প্যান দিয়ে ধোঁয়া ওঠা গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, গরম হয়ে গেলে মাংসগুলোর দু পাশ সুন্দর করে গ্রিল করতে হবে। গ্রিল শেষে অবশ্যই মিন্ট সস আথবা ব্রাউন সস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
 
 
গ্রিল বেবি কোরাল
উপকরণ: কোরাল মাছ ১টি (পুরো), লেবুর রস ১ চা চামচ, সয়াবিন তেল ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো।
 
লেমন বাটার সস উপকরণ: লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, মাখন ১ টেবিল চামচ, লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া স্বাদমতো।
 
প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমেই মাছ ধুয়ে একটি মাঝারি পাত্রে নিতে হবে। এরপর লেবুর রস, আদা-রসুন বাটা দিয়ে ২ মিনিট গ্রিল করতে হবে। দু পাশেই দু মিনিট করে গ্রিল করতে হবে (গ্রিল না-হওয়া পর্যন্ত)। সবশেষে লেমন বাটার সস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
 
 
স্পাইসি গ্রিলড চিকেন
উপকরণ: মুরগির বুকের মাংস অথবা রানের মাংস ১/২ পিস, ভেজিটেবল তেল ১ টেবিল চামচ, আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ, লাল মরিচের গুঁড়া ১/৪ চা চামচ, এলপি সস ১ চা চামচ, সরিষা বাটা ১/৪ চা চামচ, চিলি সস ১ টেবিল চামচ, বার-বি-কিউ সস ১ টেবিল চামচ, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া স্বাদমতো, লবণ স্বাদমতো।
 
প্রস্তুত প্রণালি: একটি পাত্রে তেল, আদা-রসুন বাটা, সাদা গোল মরিচের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মুরগির মাংস ভালো করে মাখিয়ে পুরু করে ১ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে মেরিনেট করতে হবে। এরপর মেরিনেট শেষ করে মাংসগুলো আগে থেকে গরম করে রাখা গ্রিলে ৬ থেকে ৮ মিনিট ধরে পাশ উল্টিয়ে রান্না করতে হবে, যতক্ষণ না মাংসের ভিতরের পানি বের হয়। পানি বের হয়ে এলে বার-বি-কিউ সস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

৮টি অসাবধানতার কারণে মূল্যবান দাঁত নষ্ট হয়


প্রতিরোধের সহজ সস্তা নিয়মগুলো না মানার কারণে একটি দাঁতকে চিকিত্সা করে বাঁচাতে কয়েক হাজার টাকা খরচ করি। দাঁতের যত্নে  বিশেষ কয়েকটি ভুল সংশোধন করে সময়মত সঠিকভাবে যত্ন নেয়ার গুরুত্ব তুলে ধরতে চাই। যেমন:-

১. দাঁত ব্রাশ অনেকক্ষণ এবং অতি জোরে জোরে ব্রাশ করা:
আপনি যদি অনেকক্ষণ  ধরে  ব্রাশটি  দাঁঁতের উপর ঘষতে থাকেন তবে এই দাঁঁতের উপর শক্ত আবরণ এনামেল ক্ষয় হয়ে যাবে। কয়েক দিনের মধ্যে তখন আপনার দাঁঁত অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি বা গরম পানিতে    শিরশির করবে, খেতে পারবেন না কোনো কিছু্। এর ফলে মাড়ি থেকে দাঁঁত সরে আসবে। সুতরাং বাজারের নরম ধরণের ব্রাশ দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে উপর থেকে নিচে সকল দাঁঁতগুলো আস্তে আস্তে পরিষ্কার করতে হবে।

২. প্রতিদিন বেশী পরিমাণে এ্যাসিডিক ফুড খাওয়া:
প্রতিদিন সোডা, কমলার রস, মদ, খেলাধুলার সময় ব্যবহূত পানীয়, ক্যান্ডি এবং কমলা ইত্যাদি খাবারে থাকে প্রচুর এ্যসিড। একটি বরফের টুকরা যেমন পানিতে ছেড়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যে গলে অদৃশ্য হয়ে যায় তেমনি আমাদের দাঁঁঁতের সবচেয়ে শক্ত এনামেলও কিন্তু এই ধরণের এ্যাসিডিক ফুডের কারণে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। যদি এইসব খাদ্যগুলো খাওয়ার সাথে সাথে পানি বা চিজ জাতীয় খাদ্য খাওয়া না হয় তবে মুখের ভিতর লালার পিএইচ লেভেল কমে গিয়ে দাঁঁতের ক্ষয় শুরু হবে। যদি কমলা বা আনারস জুস খাওয়ার সময় স্ট্রো ব্যবহার করা যায় তবে কিছুটা রক্ষা হয়। তবে সবচেয়ে ভাল হয় এই জাতীয় ফলের রস খাওয়ার পর ভালভাবে কুলিকুচি ও সেই সাথে দাঁঁত ব্রাশ করা যায়।

৩. দাঁঁতকে অতিরিক্ত সাদা করার চেষ্টা করা:
আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে দাঁঁতের রং পরিবর্তন হয়, তখন এগুলো আর সাদা থাকে না।  কিন্তু এই দাঁঁতগুলোকে সাদা করার জন্য যদি অতিরিক্ত ব্লিচিং করা হয় তবে দাঁঁতের এনামেল বা আবরণ এ্যাসিডের আক্রমণের শিকার হয় এবং এনামেলের আবরণ ফেটে একটু ফাঁকা হয়ে যায় ফলে দাঁঁত শিরশির করে।

৪. একসঙ্গে ঠাণ্ডা ও গরম খাবার খাওয়া: 
হট পিজ্জার সাথে ঠান্ডা পানীয় যখনই আমরা অতিরিক্ত গরম পিজ্জা বা সিঙ্গাড়া বা পিঁয়াজুতে কামড় দেই তখনই কিন্তু আমরা আমাদের দাঁঁতের শক্ত আবরণ এনামেল কে বাড়িয়ে ফেলি এবং সেই সাথে সাথে যখন আমরা ঠান্ডা পানীয়তে চুমুক দেই তখনই কিন্তু এনামেলে একটা চুলের চেয়ে সুক্ষ ক্রাক বা ফাটল সৃষ্টি হয়।  হঠাত্ গরম, হঠাত্ ঠান্ডা খাওয়ার ফলে এনামেল কিছুটা প্রসারিত হয় বা বেড়ে যায় এবং ফাটল ধরে। সুতরাং গরম খাবার খাওয়ার সাথে সাথেই আবার ঠান্ডা খাবার খাওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।
 
৫. ভুল টুথপেস্ট ব্যবহার:
দাঁঁতের সুস্থতার জন্য সবসময় অতিরিক্ত কর্কশ বা রুক্ষ টুথপেষ্ট ব্যবহার করা উচিত নয়। অনেক ধরণের বিজ্ঞাপনেই বলা হয় টুথপেস্ট এর মধ্যে আছে এমন কিছু পদার্থ যা  আপনার দাঁঁত রাতারাতি ঝকঝকে সাদা করে দিতে সক্ষম। এই ধরণের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে যারা এই পেস্ট ব্যবহার করবেন তাদের দাঁঁত অতি তাড়াতাড়ি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই  বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট না হয়ে টুথপেস্ট ব্যবহারে সবসময় ফ্লুরাইড যুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা ভালো।
 
৬. দাঁঁত দিয়ে বোতলের ছিপি খোলার অভ্যাস:
অনেকেই দাঁঁতের শক্তি দেখানোর জন্য দাঁঁত দিয়ে কোল্ড ড্রিংকস এর বোতল খোলার চেষ্টা করেন, তেমনি দাঁঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভেঙ্গে কৃতিত্ব নিতে চান। আসলে দাঁঁত আমাদের জন্য প্রয়োজন সৌন্দর্য্যে, শব্দ উচ্চারণে আর খাদ্যদ্রব্যকে পিষিয়ে পাকস্থলীতে পাঠানো। অন্য কিছু কাজে ব্যবহারের জন্য নয়। এই ধরণের বোতলের ছিপি খোলার কারণে অনেক সময় দাঁঁত ভেঙ্গে যায়, ফেটে যায় ও ফাটল ধরে। পরবর্তীতে তার চিকিত্সা জটিলতা ছাড়াও ব্যয়ও কিন্তু বেড়ে যায়। সেই সাথে কমে যায় দাঁঁতের আয়ু।

৭. নিয়মিত দাঁঁত ব্রাশ ও ফ্লসিং না  করা:
প্রতিদিন অন্তত: দুইবেলা সকালে নাস্তার পর ও রাতে ঘুমানোর আগে অন্তত:৩ থেকে ৪ মিনিট দাঁঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন। সেই সাথে দাঁঁতের ফাঁক থেকে ময়লা বা খাদ্যকনা বের করে আনার জন্য ডেন্টাল ফ্লস (এক ধরণের সিল্ক সূতা ) ব্যবহার করা ভালো । যদি আপনার কর্মস্থলে দাঁঁঁত ব্রাশ না থাকে তবে বাসার মতো করে সেখানেও একসেট টুথব্রাশ, পেস্ট ও ফ্লস রাখুন। কারণ অনেক সময়ে অফিসেই নাস্তা বা মধ্যাহ্ন ভোজন বা রাতের আহার সারতে হয়।  তখন সেখানেও যাতে দাঁঁত ব্রাশ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা রাখাটাও জরুরী। তবে ব্রাশের আগে অবশ্যই ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবেন, পরে নয়। নিয়মিত দাঁঁত ব্রাশ ও ফ্লস না করলে সহজেই দাঁঁঁতের গর্ত বা ক্যাভিটি হয় এবং ব্যথা ও প্রদাহ থেকে আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। সুতরাং দাঁঁত ব্রাশ ও ফ্লস করা প্রয়োজন প্রতিদিন অন্তত ২ বার ।

৮. দাঁঁত পরীক্ষা না করা:
বিজ্ঞানসম্মতভাবে নিয়মিত বছরে  অন্তত: একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনকে দিয়ে দাঁঁতের স্কেলিং করানো যেমন জরুরী, তেমনি  দাঁঁতগুলো পরীক্ষা ও সেই সাথে মুখের বিভিন্ন অংশের পরীক্ষা করানোও জরুরী।  তাতে মুখ ও দাঁঁতের সামান্য গর্তকে ফিলিং করিয়ে যেমন রক্ষা করা যাবে তেমনি একটি  প্রি-ক্যান্সার ঘা বা প্রদাহকে ক্যান্সারের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা যাবে। অতএব, Prevention is better than Cure. প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধই শ্রেয়, সস্তা ও নিরাপদ।

অনারারী সিনিয়র কনসালটেন্ট, ডিপার্টমেন্ট অব ডেন্টিস্ট্রি, বারডেম হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ

প্রতীক পেয়ে যা বললেন আইভী-সাখাওয়াত


নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। 
 
প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, তার পক্ষে দলমত নির্বিশেষে নারায়ণগঞ্জের সব মানুষ মাঠে নামবেন। অন্যদিকে, বিএনপি প্রার্থী সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এলাকার মানুষ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে এবার নতুন মেয়র বেছে নেবেন।
 
বেলা ১১টার কিছু পরে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পান আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি বলেন, নগরবাসী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এবারও তাকেই মেয়র হিসেবে বেছে নেবেন।
 
আইভী বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষ নৌকা প্রতীককে জয়যুক্ত করে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন করার জন্য আমাকে আবার সুযোগ করে দেবেন। জনগণ আইভীর নাড়ির স্পন্দন। জনগণও আইভী এবং নৌকা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়।
 
বেলা পৌনে ১২টার দিকে ধানের শীষ প্রতীক নেন বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হলে নগরবাসী এবার গণতন্ত্রের স্বার্থে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে।
 
সাখাওয়াত বলেন, নির্বাচনকে নিয়ে একটা গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের একটা আবেগ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক দিন পরে আজ তারা ভোট দেয়ার একটা পরিবেশ চায়। আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন চাই, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চাই। নারায়ণগঞ্জের মানুষ জাগ্রত হয়েছে। যদি নির্বাচনে তারা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাহলে মানুষ একটা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেবে।
 
প্রচার প্রচারণা শেষে আগামী ২২ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ তিনগুণ হচ্ছে


ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখলের ক্ষতিপূরণ দেড়গুণ থেকে তিনগুণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই বিধান রেখে ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন, ২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
 
সোমবারসচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
 বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, এখন পর্যন্ত ভূমির ক্ষতিপূরণ দেড় গুণের মধ্যে আছে, নতুন আইন হলে সেটা তিনগুণ হবে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় ১২ মাসের জমি কেনাবেচার দলিলের গড় বিবেচনায় নিয়ে জমির দাম নির্ধারণ করা হবে।
 
তিনি জানান, জমি অধিগ্রহণ কী উদ্দেশ্যে কিংবা এর জনপ্রয়োজনীয়তা কী, সেটি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মাধ্যমে আইনটি বিচার-বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আহ্বায়ক করে ভূমিসচিব, প্রতিরক্ষাসচিবসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Sunday, December 4, 2016

কাশ্মীরে ঘর গড়ছেন রোহিঙ্গারা


মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনে নিজ ভূমি রাখাইন ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছেন সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা।

বছরের পর বছর ধরে তারা আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায়। সম্প্রতি নির্যাতন বেড়ে গেলে একই চেষ্টা করছেন রোহিঙ্গারা।

তাদের প্রথম পছন্দ বাংলাদেশ হলেও এখন অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিচ্ছেন আরেক উত্তপ্ত ভূমি জম্মু ও কাশ্মীরে।  রোহিঙ্গাদের নতুন আবাস নিয়ে রোববার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস। 

কাশ্মীরে আশ্রয় নেয়া ৭০ বছর বয়সী মোহাম্মদ ইউনুস ও তার চেয়ে বয়সে ছোট শাহ আলম নিজেদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক জান্তার অত্যাচারের বর্ণনা দিয়েছেন।

বর্বর নির্যাতনের বর্ণনায় বারবারই বাকরুদ্ধ হয়েছেন তারা। হতাশা চেপেছেন দীর্ঘশ্বাসে। তবু তাদের একটাই সান্ত্বনা- এখনও বেঁচে আছেন, আছেন নিরাপদ।

ইউনুস বলেন, গত চার বছর আগে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বর্বর নির্যাতনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে জম্মুতে এসে আশ্রয় নেই। বিশ্বের মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলো রোহিঙ্গাদের ওপর এত অত্যাচারেও চুপ ছিল।কাশ্মীরে বসবাস করা ইউনুস ও শাহ আলম

তিনি জানান, সেনা সদস্যরা মেয়েদের আমাদের সামনেই ধর্ষণ করেছে, পুড়িয়ে দিয়েছে আমাদের বাড়িঘর, পুড়িয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে অনেক রোহিঙ্গাকে।

অত্যাচারের স্মৃতি বয়ে বেড়ানো ইউনুস কথার এক ফাঁকে নিজের শরীরের কাপড় সরিয়ে সামরিক জান্তার বুলেটের দাগ দেখান।

জম্মুতে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন বিশেষ কার্ড দিয়েছে। আবার এদের অনেকেই কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই সেখানে অবস্থান করছেন।

সামরিক জান্তার নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা ৪৫ বছর বয়সী শাহ আলম বলেন, জম্মুতে আমি স্ক্র্যাপ ডিলারের কাছে কাজ করি। আমার বউ আর মেয়ে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। আমাদের আয় খুব সীমিত। এর মধ্যে কুড়েঘরের ভাড়া বাবদ ৫শ এবং বিদ্যুতের জন্য ২শ' টাকা দেয়ার পর হাতে তেমন টাকা থাকে না। কিছু বেসরকারি সাহায্য সংস্থা আমাদের সহায়তা করেন। তবু জীবন ধারণ অনেক কষ্টের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি জানান, এরপরেও আমরা খুশি যে, এখানে অন্তত নিরাপদে আছি।

জম্মুতে অবস্থানকারী রোহিঙ্গাদের দাবি, সম্প্রতি শুরু হওয়া নির্যাতনের মুখে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোহিঙ্গা সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। অন্যরা ভারত, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সৌদি আরবে পালিয়ে যাচ্ছেন।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কোনো মানবিক আচরণ করা হয় না। তাদের মানুষের মতো বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। তাদের বিয়ের জন্য অনুমতি নিতে হয়, বিবাহিত নারীদের সন্তান ধারণের জন্যও অনুমতি নিতে হয়।

অন্যদিকে বেঁচে থাকার জন্য তারা কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে না। রোহিঙ্গাদের রাতে চলাচলেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

সম্প্রতি ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেছেন, এখন পর্যন্ত কাশ্মীরের আশ্রয় শিবিরে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন।

তবে এসব শরণার্থীদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করছে ভারতের বিভিন্ন সংস্থার লোকেরা।

সম্প্রতি বিদেশী জঙ্গিদের তৎপরতায় বিষয়টি আরও নজরে এসেছে। এজন্য তাদের ওপর বিশেষ নজরদারিও রয়েছে।

১২৮ যাত্রী নিয়ে বিমান উড়ার সময় পাইলটের হার্ট অ্যাটাক


স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো বিমানবন্দরে রানওয়েতে ১২৮ জন যাত্রী নিয়ে উড়াল দেয়ার সময় হৃদ রোগে (হার্ট অ্যাটাক) আক্রান্ত হন বিমানের এক পাইলট। পরে বিমানটির কো-পাইলট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে উড্ডয়ন বন্ধ রাখেন। 
  
কেএলএমের বিমানটি গ্লাসগো থেকে নেদারল্যান্ডসের আমস্টার্ডামের উদ্দেশে যাত্রা করার কথা ছিল। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। 
  
খবরে বলা হয়েছে, ওই পাইলটকে এক যাত্রীর সহযোগিতায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে  ক্লাইডব্যাংকের গোল্ডেন জুলিবি হাসপাতালে নেয়া হয়। ডাচ এই পাইলটের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। 
  
এদিকে যাত্রীদের ফ্লাইট পরিবর্তন করে অন্য ফ্লাইটে তাদের গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। 
  
কেএলএম নেদারল্যান্ডসের বিমানসংস্থার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, আমস্টার্ডামের উদ্দেশে উড়াল দেয়ার সময় পাইলট হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সেখানেই এক যাত্রীর সহযোগিতায় পাইলটকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার অবস্থা স্থিতিশীল

ট্রাম্পের নিরাপত্তায় দৈনিক ব্যয় ৮ কোটি টাকা!


যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিরাপত্তায় ফেডারেল সরকারের কাছে অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল। সিটি কাউন্সিলের দু’জন সদস্য এ বিষয়ে শুক্রবার অনলাইনে আবেদন দাখিল করেছেন।

নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্পিকার মেলিসা মার্ক ভিবেরিতো এবং সদস্য ড্যান গারোডনিক এ আবেদন পেশ করেন। কারণ হিসেবে বলা হয়, ট্রাম্পের নিরাপত্তায় দৈনিক ৮ কোটি টাকা (১০ লাখ ডলার) ব্যয় হচ্ছে নিউইয়র্ক কর্তৃপক্ষের। তাদের দাবি, ট্রাম্পের নিরাপত্তার দায়িত্ব ফেডারেল সরকারের, নিউইয়র্ক শহরের নয়। খবর রয়টার্সের।

আবেদনে ট্রাম্পের উদ্দেশে বলা হয়, ‘নির্বাচনের আগে এবং পরে আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তায় যত অর্থ ব্যয় হয়েছে, সেই অর্থ নিউইয়র্ক শহরের তহবিলে জমা করুন। শিগগিরই আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।’ এ আবেদনের ব্যাপারে ট্রাম্প বা তার দলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবারই এ আবেদনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক সমর্থক।

৮ নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ের পর থেকে ট্রাম্প এবং তার পরিবারের সদস্যদের বাড়তি নিরাপত্তা দিচ্ছে নিউইয়র্ক পুলিশ। বিলাসবহুল ও আকাশচুম্বী ট্রাম্প টাওয়ারে পুলিশ আলাদা ব্যারিকেড বসিয়েছে। ট্রাম্পের ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ক টিমের সদর দফতর হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে ট্রাম্প টাওয়ার। ২০ জানুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

নিউইয়র্ক শহরের কর্মকর্তাদের মতে, দৈনিক ট্রাম্পের নিরাপত্তায় ব্যয় হচ্ছে ১০ লাখ ডলার, যা ট্রাম্পের শাসনামলের চার বছরে ১০০ কোটি ডলার ছাড়াবে অনায়াসে।

এর আগেও ট্রাম্পের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ব্যয় প্রসঙ্গে ফেডারেল সরকারকে অবহিত করেছিলেন নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও। আবেদনে আরও বলা হয়, এরই মধ্যে পুলিশ সরবরাহ, পয়োনিষ্কাশন এবং শিক্ষা খাতে নিউইয়র্ক শহরের বাজেটে টান পড়েছে।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates