Social Icons

Friday, September 1, 2017

ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করে থাকেন মেয়েরা

চারপাশের সকলের সাথে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যকের আলাদা কিছু গুণ রয়েছে। সাধারণত আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে আমাদের আচরণ নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেখানে আমরা সকলেই আলাদা স্বভাব এবং চরিত্রের অধিকারী সেখানে কেউ হয়ে থাকি খুব চুপচাপ, আবার কেউ কথা কথা বলতে খুব ভালোবাসি! কেউ হয়তো ঘুরতে ভালোবাসি, অথবা কেউ ভালোবাসি ঘরে বসে বই পড়তে। তবে এতো বৈচিত্র্যের ভেতরে কিছু সাধারণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকে সকলের মাঝে যা কিনা অনেক সময় নিজেদের ভালোবাসার সম্পর্কগুলোর প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
একটা ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে চাওয়া-পাওয়া এবং প্রত্যাশা থাকে দু’দিক থেকেই অনেক বেশী। প্রতিটা সময়ে সকলে আশা করে থাকেন অপরপক্ষ থেকে যেন নিজের মনের মতো করে সবটুকু পাওয়া যায়। কিন্তু সকলের মাথায় এই চিন্তাটাও থাকা দরকার- আমরা নিজেরা অপরপক্ষকে ঠিকভাবে বুঝতে পারছি তো? সে কী চাচ্ছেন অথবা কী অপছন্দ করছেন সেটা আমরা জানতে পারছি তো?
একটা ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ থেকেই ভুল হতে পারে। তবে মেয়েদের দিক থেকে কিছু সাধারণ ভুল হয়ে থাকে বলে অনেক ক্ষেত্রেই ভালোবাসার সম্পর্কে নানান ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। তেমনই কিছু ভুল তুলে ধরা হলো।
১/ মেয়েরা নিজের মূল্য বুঝতে চান না
বেশীরভাগ মেয়েরাই খারাপ ছেলেদের প্রতি বেশী আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। এমনকি অনেকেই আরেকটি ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িত ছেলেদেরকে পছন্দ করে থাকেন। কিন্তু তারা নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করতে ভুলে যান, তারা আসলে কি চান! তারা নিজেদের মূল্য দিতে ভুলে যান এবং নিজেদের তারা খুব ছোট ভেবে থাকেন। বেশীরভাগ সময়ে মেয়েরা আতংকে থাকেন এই ভুল ধারণা ভেবে যে, তাদেরকে কখনোই কেউ ভালোবাসবে না!
২/ অনেক মেয়েই সঙ্গীর ব্যক্তিগত ব্যাপারকে সম্মান করেন না
পুরুষরা সাধারণত তাদের কঠিন এবং খারাপ সময়ে খুব চুপচাপ হয়ে যান এবং সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে অপছন্দ করেন এবং চুপচাপ থেকে সেই সমস্যা নিয়ে কাজ করে সমাধান করতে পছন্দ করেন। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে সেই ব্যপার একদম ভিন্ন। তারা তাদের চান তাদের সঙ্গীরা যেন তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন, তাকে জানান। অনেক ভুল বোঝাবুঝি এখান থেকেই শুরু হয়।
৩/ সঙ্গীকে বদলানোর চেষ্টা করেন মেয়েরা
আপনার পছন্দের মানুষটার সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে যেতে চাইলে, তিনি যেমন তেমনভাবেই তাকে গ্রহণ করা উচিৎ। তার ছোটখাটো কোন অভ্যাস বদলাতে চাইলে প্রথমে আপনি তাকে যত্ন সহকারে বোঝাতে পারেন। অতিরিক্ত সমালোচনা করলে তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। বরং তাকে বুঝিয়ে এবং তাকে অনুপ্রাণিত করে তার বাজে অভ্যাস বদলাতে সাহায্য করতে পারেন আপনি।
৪/ সম্পর্কে খুব দ্রুত এগোতে চান অনেকেই
যে কোন সম্পর্কেই সকলের উচিৎ ধীরে সুস্থে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য তো বটেই বরং এক্ষেত্রে মেয়েদের উচিৎ আরো বেশী সময় নিয়ে তাদের সঙ্গীকে বোঝা। বেশীরভাগ সময়ে মেয়েরা যে ভুলটা করেন, খুব অল্প সময়ের মাঝেই তারা ভালোবাসার মানুষটার প্রতি মানসিকভাবে সম্পূর্নভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। কিন্তু অত অল্প সময়ে তিনি হয়তো জানতেও পারলেন না, যার সাথে মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়ছেন, তিনি তার জন্যে সঠিক মানুষ কি না!
৫/ অনেক বেশী আশা করেন
বেশীরভাগ নারীরা সম্পর্কে থাকা অবস্থায় অনেক বেশী আশা এবং প্রত্যাশা করে থাকেন তাদের সঙ্গীদের কাছ থেকে। তবে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন দেখা যায় যে, তাদের বেশীরভাগ প্রত্যাশা খুব কাল্পনিক ধাঁচের হয় অথবা সিনেমার মতো হয়। তারা বুঝতে চেষ্টা করেন না যে, তাদের সঙ্গী বাস্তবতার সাথে লড়াই করে চলা একজন মানুষ।
ভালোবাসার সম্পর্ক হয়ে থাকে অনেক বেশী প্রতিকূল অবস্থা পাড়ি দেওয়ার সময় একে অন্যের সহযাত্রী হওয়ার জন্য। একে অন্যের উপর অকারণে প্রত্যাশার চাপ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে নয়।  
৬/ অন্যের সম্পর্কের সাথে  তুলনা
আপনার জীবন এবং আপনার সম্পর্ককে অন্যের সম্পর্কের সাথে তুলনা করবেন না কখনোই। কারণ সকলের জীবন ধারা এবং সম্পর্কের ধরন ভিন্ন।
৭/ নিজের খেয়াল রাখতে ভুলে যান
সম্পর্কে থাকাকালে অনেক সময় মেয়েরা তাদের নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা, নিজের প্রতি খেয়াল রাখার কথা ভুলে যান। অথচ, প্রত্যেক মানুষের উচিৎ নিজের প্রতি সবসময় যত্নশীল থাকা। 

নিউজিল্যান্ড- বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়োজন দূতাবাস প্রতিষ্ঠা


ইউরোপের দেশ পর্তুগালের সমসংখ্যক প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশির বসবাস নিউজিল্যান্ডে। নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বছরে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারের ওপরে। কিন্তু সমস্যা হলো পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাস থাকলেও নিউজিল্যান্ডে আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বাংলাদেশ দূতাবাস। তাসমান সাগরের ওপারে সুদূর অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী তথা ছোট্ট শহর ক্যানবেরায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ফিজির পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের সব কাজ কর্ম করা হয়।
নিউজিল্যান্ড প্রবাসী মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন ও  উত্তরাঞ্চলীয় শহর অকল্যান্ডে ১ জন করে দু’জন অবৈতনিক কনসাল জেনারেল নিয়োগ করা আছে। যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস না থাকায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক খুব একটা ভালো নেই। তাই ব্যবসা বাণিজ্যকে আর উন্নত করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি হাইকমিশন প্রতিষ্ঠা। মীর সাজ্জাদ বলেন, নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশিদের এখন এই একটাই চাওয়া। যার দিকে বাংলাদেশ সরকারের নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন মীর সাজ্জাদ হোসেন।
বৈদেশিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র দূতাবাস না থাকার কারণেই নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য থমকে আছে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারে। তারা আরও বলেন, বিশাল দেশ অস্ট্রেলিয়া ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেই হিমশিম খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন। সেখানে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের নিউজিল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ কোন সুযোগই নেই ।
মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নিউজিল্যান্ড ভারতের সাথে মুক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি করতে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশেরও এ সুযোগ গ্রহণ করা উচিত। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশন প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। মীর সাজ্জাদ বলেন নিউজিল্যান্ডে হাইকমিশন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারলে একই সাথে ঢাকায়ও নিউজিল্যান্ড হাইকমিশন খোলার পথ তৈরি হবে। এর ফলে দেশের নতুন বাণিজ্য সম্ভাবণা তৈরি হবে।
অর্থনৈতিক সংকটমুক্ত ধনী দেশ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য যেমন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে একই সাথে সেখানে বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-শিক্ষক-কৃষিবিদ তথা প্রফেশনাল লোকজনের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য মেধাবী বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়ার পরিমানও বহুগুণে বাড়বে মনে করে মীর সাজ্জাদ সহ অনেক নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি।
মীর সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, শুধু নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশিরাই নয় পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার যৌক্তিক দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড সফরে আসা অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আয়েবার সেক্রেটারি জেনারেল ও ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বার সিইএফবি’র প্রেসিডেন্ট কাজী এনায়েত উল্লাহ। ইউরোপের সাথে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বাংলাদেশী কমিউনিটি পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এক সম্মেলনে এসে তিনি এ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দূতাবাসের মাধ্যমে শুধুমাত্র বাণিজ্য উন্নয়ন হবে তা নয়, পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডে নতুনভাবে বৈধ বাংলাদেশিদের জায়গা তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন নিউজিল্যান্ডের কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। নতুন ভাবে আরও বাংলাদেশিদের প্রবেশের সুযোগ পেলে নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের সর্ম্পক আরও উন্নত হবে। তাই অতিদ্রুত নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি দূতাবাস প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানান মীর সাজ্জাদ হোসেন।

ব্রাজিলের জয়রথ চলছেই

ব্রাজিল সরকারের আমাজন অনুসন্ধান আটকে গেল




তিন তালাক বাংলাদেশের আইন কী আছে?

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত মঙ্গলবার এক রায়ে মুসলমানদের তিন তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে। পর পর তিনবার তালাক উচ্চারণ করে অথবা চিঠি লিখে, সামাজিক মাধ্যম বা ফোনে তিনবার তালাক উচ্চারণ করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়া হয়, তার বিরুদ্ধে ৫জন মুসলিম নারী সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে এক সাংবিধানিক বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে।

এই রায় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে ভারতের মুসলমান প্রধান এলাকাগুলোতেও। কিন্তু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের মত মুসলমান-প্রধান দেশে তিন তালাক নিষিদ্ধ হয়েছে দীর্ঘদিন। 

মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল বলছেন, পাকিস্তান আমলে নারী আন্দোলন কর্মীরা তিন তালাক বন্ধের জন্য চাপ ছিল। তখন আইয়ুব খান ক্ষমতায় ছিল। নারী অধিকার কর্মীরা তখন হুমকি দিয়েছিল, তিন তালাকের বিষয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে যদি পরিবর্তন না আনা হয় তাহলে তারা আইয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবে। ফলে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইনে সংস্কার সাধন করেছিল আইয়ুব খান সরকার। তখন বলা হয়েছিল, মুখে-মুখে তিন তালাকের কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না। 

সুলতানা কামাল বলেন, ‘মুসলিম বৈবাহিক আইনে 'তালাকে আহসান' এবং 'তালাকে ইহসান' বলে দুটো পদ্ধতি আছে। সে দুটো মিলিয়ে 'তালাকে তৌফিজ' পদ্ধতি সবার জন্য বৈধ করে দেয়া হলো। এ পদ্ধতির বলে স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু তিন মাসের মধ্যে তারা যদি মত পরিবর্তন করে ফেলে তাহলে সে তালাক কার্যকরী হবে না। তিন মাসের মধ্যে যদি তারা মত না বদলায় তাহলে তিনমাস পরে সে তালাক কার্যকরী হবে।’ 

আইয়ুব খান সরকার তালাকের ক্ষেত্রে যে সংস্কার এনেছিল সেটি এখনো বাংলাদেশে চালু আছে। তিনি বলেন বাংলাদেশে আদালতের মাধ্যমে এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভব। বাংলাদেশে কেউ যদি বিচ্ছেদের ইচ্ছা পোষণ করে তাহলে সেটি একটি সালিশি বোর্ডের কাছে চলে যাবে। এ সালিশি বোর্ড তিন সদস্য বিশিষ্ট হয়। সেখানে একজন জনপ্রতিনিধি এবং স্ত্রী ও স্বামীর পক্ষ থেকে একজন করে প্রতিনিধি থাকে। 

সুলতানা কামাল বলেন, যারা তালাকের জন্য ইচ্ছা পোষণ করেন, তারা যদি মনে করে তাহলে সালিশের মাধ্যমে একটি সমাধান নিতে পারে। যদি সেটা না হয়, তাহলে তিনমাস পরে সেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যাবে।

বাংলাদেশে কেউ যদি তিন তালাকের বিরুদ্ধে আইনগত সুরক্ষা চায় তাহলে তাকে সেটি দেয়া হয়। কারণ তিন তালাক উচ্চারণের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ বাংলাদেশে বৈধ নয়। কিন্তু 'তিন তালাক' উচ্চারণের মাধ্যমে কেউ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চাইলে তাকে শাস্তি দেবার বিধান নেই। তবে সে তালাক আইনগত-ভাবে কার্যকরী হবে না। তখন স্ত্রীকে তার মর্যাদা দিতে হবে এবং তাকে ভরণ-পোষণ দিতে হবে। 

সূত্র: বিবিসি।

‘মুসলমানদের বিরুদ্ধে নির্যাতন সহ্য করবে না ইরান’

মায়ানমারের রোহিঙ্গা নির্যাতন নিয়ে হতাশা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরে ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, বিশ্বের যেকোনো জায়গায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে নির্যাতন হোক না কেন ইরান তা সহ্য করবে না।  

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার টেলিফোনে আলাপালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ইরানি প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, যেসব বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থ রক্ষা করবে না বরং এসব পদক্ষেপের কারণে আঞ্চলিক দেশগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট সঙ্গে ফোনালাপে ড. রুহানি বলেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে কিছু দেশ তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। 

দুই প্রেসিডেন্ট দৃশ্যত ইরাকের কুর্দিস্তানে আসন্ন গণভোটের নামে বিচ্ছিন্নতাবাদী পদক্ষেপের কথা বলেছেন। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ওই গণভোট অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছেন ইরাকের কুর্দি নেতারা।

ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা ও পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে যে সমস্যা তৈরি করা হয়েছে তা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে ইরান কখনো বিশ্বাস করে না। 

আঞ্চলিক কয়েকটি দেশের নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতায় দুঃখ প্রকাশ করে ড. হাসান রুহানি বলেন, এ অবস্থায় ইরান ও তুরস্কের আরো জোরালো ভূমিকা পালন করা উচিত।

ফোনালাপে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে তুরস্কের সহযোগিতা বাড়বে -সে বিষয়ে তিনি আস্থাশীল। এরদোগানও মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতনে দুঃখ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে ইরান ও তুরস্কের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাখাইনে সহিংসতায় নিহত ৪০০: মিয়ানমার সেনাবাহিনী


মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের উপর নতুন করে শুরু হওয়া সহিংসতায় কমপক্ষে ৪০০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী । জাতিসংঘ সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাখাইনে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের চেকপোস্টে হামলা পরবর্তী সামরিক প্রতি আক্রমণ শুরু হওয়ার পরে ৩৮ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
 
রয়টার্সকে জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা জানান, আগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত ৩৮ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর দাবি, তারা উগ্রবাদী জঙ্গি নির্মূলে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ পরিচালনা করছে এবং সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে বেসামরিক জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিম্চিত করতে। কিন্তু বাংলাদেশে পলায়নরত রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী অগ্নিসংযোগ ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার পায়তারা করছে।
 
মিয়ানমারের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ শুরু হওয়া সংঘর্ষে এক সপ্তাহে ৩৭০ রোহিঙ্গা জঙ্গি, ১৩ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, দুই জন সরকারি কর্মকর্তা ও ১৪ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। এর আগে ২০১২ সালে রাখাইন প্রদেশের রাজধানী সিতওয়েতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় ২০০ জন নিহত হয়েছে, প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates