Social Icons

Wednesday, November 1, 2017

রাসুল [সা.] নতুন কাপড় পরিধানকালে কোন দোয়া পাঠ করতেন ?


নতুন কাপড় পরিধানকালে দো‘আ :
اَلْحَمْدُ ِللهِ الَّذِىْ كَسَانِىْ هَذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِّنِّىْ وَلاَ قُوَّةٍ-
উচ্চারণ : আলহাম্দুলিল্লা-হিল্লাযি কাসা-নী হা-যা ওয়া রাঝাক্বানীহি মিন গায়রে হাওলিম মিন্নী ওয়ালা কুওয়াতিন।
অনুবাদ : ‘যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য। যিনি আমার কোন ক্ষমতা ও শক্তি ছাড়াই আমাকে এই কাপড় পরিধান করিয়েছেন ও এটি প্রদান করেছেন’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি এটা পাঠ করে, আল্লাহ তার আগে-পিছের সকল গোনাহ মাফ করে দেন।[116]
(ক) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, গোড়ালীর নিচে কাপড় যতটুক যাবে ততটুকু জাহান্নামে পুড়বে। [117] কিন্তু মহিলারা গোড়ালীর নিচেও কাপড় পরিধান করতে পারবেন। [118]
(খ) তিনি বলেন, ‘তোমরা সাদা পোষাক পরিধান কর। কেননা এটি তোমাদের উত্তম পোষাক সমূহের অন্যতম’…।[119]

জেনে নিন, কেন বাড়ছে পরকীয়া ?‌


গতির যুগে সম্পর্ক ভাঙছে প্রতিনিয়ত। আর সেই সম্পর্ক যদি হয় স্বামী-‌স্ত্রীর তাহলে সংকট বাড়ে আরও। দেখা গেছে, মতের অমিল হওয়ার পাশাপাশি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কও বিয়ে ভাঙার একটা বড় কারণ। কেন কেউ জড়ান পরকীয়ায়, একনজরে দেখে নেয়া যাক কারণগুলো।
● পরকীয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে দেখা গেছে তুলনামূলকভাবে কম বয়সে বিয়ে হওয়া। দেখা গেছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে যারা জড়াচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগই ২৫-‌এর কম বয়সে বিয়ে করেছেন। মধ্যত্রিশের মাঝামাঝি গিয়ে অনেকেই সম্পর্কের নতুনত্ব খুঁজে পাচ্ছেন না। ফলে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়ায়।
● মানসিকতার ফারাক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর আরও একটা কারণ। দেখা গেছে সম্বন্ধ করে বিয়ের ক্ষেত্রে অনেক সময়েই স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সম্পর্কে না জেনে বিয়ে করে নেন। পরে দেখা যায়, তাদের মধ্যে মানসিকতার বিরাট ফারাক। তার থেকে বাড়তে থাকে দূরত্ব। স্বামী, স্ত্রীর মধ্যে চলে আসেন তৃতীয় কেউ।
● বিয়ের পরে জীবনে অনেক পরিবর্তন আসে। দায়িত্ব বাড়ে। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিও বদলে যায়। কিন্তু এই বদলকে মেনে নিতে পারেন না অনেকেই। তারা ভুলে যান বিয়ের আগের মতো পরিবেশ পরিস্থিতি আর পাওয়া সম্ভব নয়। তার থেকে দাম্পত্য কলহ। বাড়ে মানসিক দূরত্ব। সেটাও পরকীয়ার একটা বড় কারণ।
● সন্তান হওয়ার পরে অনেক দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব বাড়ে। সন্তানের অধিকার, তাকে লালনপালনে কে কতটা দায়িত্ব নেবে এসব নিয়েও চলে বচসা। এতেও তিক্ততা বাড়ে। আর তিক্ততা বাড়া মানেই পরকীয়ার আশঙ্কা বাড়া।
● যৌনতায় অতৃপ্তি যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর সবচেয়ে বড় কারণ সেটা মানেন সবাই। শারীরিক তৃপ্তি যে কোনো সুস্থ মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা। স্বামী বা স্ত্রীর কাছ থেকে সেটা না পেলে পরকীয়ায় জড়ান অনেকে।
● বিয়ে মানে শুধু যৌনতা তো আর নয়। আবেগ এবং মূল্যবোধও কাজ করে এক দম্পতির মধ্যে। সেটা শেষ হলে সম্পর্কও শেষ। শুরু হয় পরকীয়া।
● শুনতে আশ্চর্য লাগলেও সত্যি যে অনেকে স্রেফ অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় পরকীয়ায় জড়ান। কারণ কে না জানে, নিষিদ্ধ কাজের ‘‌মজা’‌ই আলাদা।
● টাকা পয়সাও পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার আর একটা কারণ। অনেক সময় দেখা গেছে, স্বামী স্ত্রীর হাতে গোনাগুন্তির বেশি টাকা দেন না। এদিকে গৃহবধূ স্ত্রী নিজের সাধ মেটানোর জন্য তাই বাইরে খুঁজে নেন অন্য কোনও প্রেমিক, যিনি ওই নারীর ছোটখাট সাধ আহলাদ পূরণ করবেন।
● বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে ক্যারিয়ারের উন্নতির সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেন অনেকে। পদোন্নতি কিংবা মাইনে বাড়িয়ে নেয়ার লক্ষ্যে কর্মক্ষেত্রে নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা বিরল নয়।‌

প্রতারণা করছে নেইমারের পিএসজি : হাভিয়ের তেবাস

গ্রীষ্মকালীন দলবদলে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) যোগ দেন ব্রাজিলীয়ান তারকা নেইমার। এরপর তার ইচ্ছাতেই ১৬০ মিলিয়ন খরচ করে ধারে কিলিয়ান এমবাপেকেও দলে টানে ফরাসি জায়ান্টরা।
পিএসজির এই প্রক্রিয়াকে প্রতারণা বলে অভিহত মনে করেন লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস। নেইমার-এমাবাপের এই দলবদলের পর পিএসজিকে একহাত নিয়েছিলেন তেবাস। আবারও মুখ খুললেন তিনি।
ফরাসি দৈনিক লা’ইকুইপকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘পিএসজির সকল স্পন্সর, রাজস্ব আসে কাতার থেকে। হোক সেটা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে। বাকি ক্লাবগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায় অর্থনৈতিকভাবে পিএসজি প্রতারণা করেই যাচ্ছে।’
গত মৌসুমে পিএসজি ছাড়াও প্রচুর অর্থ খরচ করেছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি। নতুন খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে যা খরচ হয়েছে তা ক্লাবের বার্ষিক আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তেবাসের সমালোচনার মুখে পড়েছে ম্যানচেস্টার সিটিও। কারণ ম্যান সিটির স্পন্সরের অর্থও আসে কাতার থেকে।
তেবাস বলেন, ‘পিএসজি ও ম্যানচেস্টার সিটির যে আয় তাতে দলবদলে এতো খরচ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। পিএসজি-ম্যান সিটিকে যদি রিয়াল মাদ্রিদ-বার্সেলোনার সঙ্গে তুলনা করি তবে দেখা যাবে পিএসজি-সিটিই এগিয়ে আছে। গত পাঁচ বছরের রেকর্ডস তাই বলছে।’

২০২৭ সালের মধ্যে মুসলিম দেশে পরিণত হবে ভারত!

ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত ইসলামী রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন হিন্দু যুব বাহিনীর নেতা নগেন্দ্র প্রতাপ তোমর। উত্তর প্রদেশের মীরাটে এক সমাবেশে নগেন্দ্র প্রতাপ তোমর বলেন, ভারতে ষড়যন্ত্র করে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। সেখানে তিনি মুসলিমদের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তিকর ও বিতর্কিত মন্তব্যও করেন।
তোমর বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মুসলিমরা লবিং করছে যাতে ভারতকে দারুল ইসলামে’ পরিণত করা যায়। হিন্দুদের মধ্যে যারা কাপুরুষ ছিলেন তারা মুসলিম হয়েছিলেন কিন্তু যারা যোদ্ধা ছিলেন তারা আমাদের মধ্যে বসে আছে।
তিনি বলেন, আল্লাহর দান হিসেবে মুসলিমরা সন্তান জন্ম দেন না, বরং ভারতকে কবজা করার উদ্দেশ্যেই তা করা হয়। আজ গণমাধ্যমে প্রকাশ, হিন্দুত্ববাদী ওই নেতা মুসলিমদের দাড়ি ও তথাকথিত ‘লাভ জিহাদ’ নিয়েও তীব্র সমালোচনা ও কটাক্ষ করেন।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ২০০২ সালে হিন্দু যুব বাহিনী গঠন করেন। তিনি এখনো এই সংগঠনের প্রধান। নগেন্দ্র প্রতাপ তোমর নামে বিতর্কিত মন্তব্যকারী ওই নেতা হিন্দু যুব বাহিনীর উত্তর প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রধান।
সূত্র: পার্সটুডে, হিন্দুস্তান টাইমস

সুস্থ ও সুখী জীবনধারা পেতে অনুসরণ করুন ৫ মৌলিক নীতি

সুস্থ ও সুখী জীবনযাপন সবারই কাম্য। স্বাস্থ্যের মূল নীতি হল, স্বাস্থ্যকর খাবার, সবধরনের ড্রাগ এড়িয়ে চলা (এলকোহল, ধূমপান, মাদক), নিয়মিত ব্যায়াম, যথেষ্ট বিশ্রাম এবং ইতিবাচক চিন্তা। আমরা চাইলেই আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এগুলোকে একত্রিত করে সুস্থ থাকতে পারি। স্বাস্থ্যের ৫ টি নীতি আমাদের দীর্ঘমেয়াদী, সুস্থ ও সুখী জীবনযাপনে সাহায্য করে। আমরা যদি এই নীতি মেনে জীবনযাপন করি তবে অধিকাংশ রোগই এড়াতে পারব।
১. ইতিবাচক চিন্তা করুনঃ
নেতিবাচক চিন্তা এড়িয়ে চলুন। ইতিবাচক চিন্তা দ্বারা মনকে সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন। ইতিবাচক চিন্তা আপনার ইতিবাচক অনুভূতি ও ইতিবাচক আবেগের ক্ষেত্রে সাহায্য করবে যা আপনার শরীরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ইতিবাচক বাক্য এবং ধারণা দ্বারা নিজেকে অনুপ্রাণিত করুন। ইতিবাচক বই পড়ুন এবং ইতিবাচক কাজ করুন।
২. ব্যায়াম করুনঃ
দিনে একবার আধা ঘণ্টা বা একঘণ্টা হাঁটা, জগিং, সাইক্লিং বা সাঁতার কাঁটা যা আপনার শরীরকে শক্তিশালী ও সুস্থ রাখবে। এটা শরীরের উষ্ণতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এর ফলে রোগজীবাণু ব্যাহত হয়।
৩. যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম করুনঃ
যোগব্যায়াম , মেডিটেশন বা রিলাক্সেশন দ্বারা মানসিক চাপ কমানো যায়। অভ্যন্তরীণ সুখের জন্য ব্যক্তিগত কাজ এবং ব্যায়াম (রিলাক্সেশন) এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
৪. স্বাস্থ্যকর খাবার খানঃ
স্বাস্থ্যকর খাবার খান, যেমনঃ ফল, শাকসবজি, দুধ, আলু, ডাল, শস্যজাতীয় খাবার ইত্যাদি। প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, তরকারী ও পানি পান করুন যা আপনাকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করবে এবং শরীরে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজের যোগান দেয়।
৫. মাদকদ্রব্য, ধূমপান এবং এলকোহল এড়িয়ে চলুনঃ
এগুলো বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি করে এবং বেঁচে থাকার সময় কমিয়ে দেয়। অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া(চিনি, চর্বি),  অতিরিক্ত লবণ এবং অতিরিক্ত মাংস খাওয়াও উপকারী নয়। বেশী ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়াও ঠিক নয়। যদি কম খান, তবে বেশী সময় বাঁচবেন (কিন্তু অতিরিক্ত কম খাওয়াও ঠিক নয়)। শরীরের অবস্থা বুঝুন। এটাই জানে কি আপনার জন্য ভালো। ভালোভাবে বাঁচুন, সুস্থভাবে বাঁচুন।

কেন এতো বিচ্ছেদ ?

সংসার অনেক সুন্দর একটা জায়গা। যদি এখানে থাকে বিশ্বাস, ভালোবাসা আর একে অপরকে  ছাড় দেয়ার মানসিকতা। কিন্তু দেশ এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্কগুলোও কেমন যেন জটিল থেকে জটিলতর আকার ধারণ করছে। আগেকার দিনে সংসার ছিল পুরুষ প্রধান।
তখন নারীরা নিরবে সবকিছু মেনে নিয়ে সংসার করত। কারণ তারা আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী ছিল না।  কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে কেউ যেন কাউকে এক চুলও ছাড় দিতে চায় না। 
এখন আগের তুলনায় নারী শিক্ষার হার বেশি এবং তারা আর্থিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। 
বিবাহ বিচ্ছেদ আসলেই একটা যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার। তবে এমন অনেক সময় আসে যখন বিবাহ বিচ্ছেদটা একান্ত অপরিহার্য হয়ে উঠে। এই সময় একে অপরের ওপর বিশ্বাস ভালোবাসা কিছুই থাকে না।
  • বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে একতরফাভাবে শুধুমাত্র মেয়েরা দায়ী নয়। এখানে উভয়ে সমানভাবে দায়ী। একটা সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে গেলে যেমন একজনের দ্বারা সম্ভব না, তেমনি একজনের কারণে একটা সম্পর্ক ভেঙেও যায় না। একটা কথা প্রচলিত আছে এক হাতে তালি বাজে না। তেমনি সমস্যাও একদিনে সৃষ্টি হয় না। অনেক দিনের ক্ষোভ, অভিমান, রাগ, দুঃখ মিলে সম্পর্কে ফাটল ধরে। আর এর জন্য বিবাহ নামক পবিত্র বন্ধন ছিন্ন করে মানুষ বিচ্ছেদের কথা চিন্তা করে। তবে বিচ্ছেদ কখনোই কোনো ভালো সমাধান হতে পারে না।
  • আমরা সবসময় নিজের চোখ দিয়ে অন্যকে দেখার চেষ্টা করি আর ভাবি, আমি যেভাবে চাইছি আমার জীবনসঙ্গী হবে ঠিক আমার মনের মতো। আমি যা কিছু পছন্দ করি সেও তাই করবে, আমার সবকিছুকে সে নিজের করে নেবে, সে হবে আমার সবচেয়ে পছন্দের মানুষ। কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যে অনেক পার্থক্য। কল্পনায় অনেক সময় আমরা অনেক কিছু ভাবতে পারি, কিন্তু বাস্তবে তার সবটা সম্ভব হয় না। এখানে প্রত্যেকটা মানুষের চাল-চলন, আচার-আচরণ একেক রকম। কেউ আসলে কারো মতো হয় না। তবে হয়তো আপনি যদি বিয়ের পর থেকে আপনার জীবনসঙ্গীকে আপনার পছন্দ-অপছন্দ সম্পর্কে একটা ধারণা দেন তাহলে হয়তো বোঝাপড়াটা অনেক ভালো হবে।
  • অনেক সময় দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক এমন একটা পর্যায়ে যায় যখন একসঙ্গে থাকার আর কোনো পথই খোলা থাকে না। তখন একে অপরের শুধু দোষ খোঁজা ছাড়া আর কিছুই করে না। সেই সময় বিবাহ বিচ্ছেদ জরুরি হয়ে পড়ে। কিন্তু এই বিচ্ছেদ বেশিরভাগ সময় হয় সন্তান হওয়ার পরে। আর তখনই শুরু হয় সন্তানকে নিয়ে টানাটানি। আর আমরা চিন্তা করেও দেখি না বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে সন্তান কতটা অসহায় অবস্থায় থাকে। বেশিরভাগ সময় দেখা যায়, সন্তান বাবা-মা দুজনকে একসঙ্গে কাছে পেতে চায়। শুধুমাত্র সন্তানের ভালো দিকটা বিবেচনা করেও অনেক মানুষ মুখ বুজে সংসার করে চলেছে।
  • দেখা যায় স্বামী এমনভাবে অত্যাচার করছে কিংবা তার চারিত্রিক কিছুটা ত্রুটি আছে অথবা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে চাপ দিচ্ছে। আবার স্ত্রী যদি হয় স্বার্থপর মনোভাবের এবং স্বামীর বাবা-মাকে সে কোনোভাবেই মানতে চাইছে না তাহলে এই সব পারস্পরিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে মানুষ একপর্যায়ে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সমস্যা যাই থাকুক না কেন, তার সমাধানের পথও কিন্তু আছে। আমরা যদি কিছু ব্যাপারে একে অপরকে ছাড় দেই তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিমাণ কিছুটা হলেও কমবে। সবাই একটা কথা হলফ করে বলা শুরু করেছে, প্রেমের বিয়েতেই শুধু বিচ্ছেদের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। কারণ প্রেমের বিয়েতে অধিকাংশ সময় ছেলেমেয়েদের বয়স সমান থাকে এবং তাদের একে অপরের কাছে চাহিদাটাও বেশি থাকে। তাদের সবসময় ধারণা, বিয়ের পরের দিনগুলোও হবে সবসময় সুখের। কিন্তু সংসার আর প্রেম সম্পূর্ণ আলাদা। মূলত একে অপরের কাছ থেকে বেশি চাহিদার কারণে এই বিয়েতে সবচেয়ে সমস্যা হয়।
  • প্রেমের বিয়েতে বুদ্ধি বিবেচনা না করে মানুষ এমন একটা জায়গায় বিয়ে করে যে আবেগ থেকে বেরিয়ে বাস্তবতায় মানাতে পারে না। আর পারিবারিক বিয়ের বেলায় অনেক সময় আমরা পাত্র-পাত্রীর নাম যশ প্রভাব প্রতিপত্তি আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে সাবধানতার সঙ্গে কাজ করি। কিন্তু পরবর্তীতে অতি লোভের বশবর্তী হয়ে কাঙ্ক্ষিত জিনিস না পেলে সম্পর্কে ফাটল ধরে।
  • তবে পারিবারিক বিয়েতেও যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় না তা কিন্তু নয়। পারিবারিক বিয়েগুলো অধিকাংশ সময় স্বার্থের বেড়াজালে বন্দী হয়ে যায়। লোভের বশবর্তী হয়ে বিয়েতে রাজি হয় এমন সম্পর্ক অনেক সময় ভেঙে যায়।
  • সুন্দর ও সুখের পারিবারিক বন্ধনকে অটুট রাখতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। প্রেমের বিয়ে এবং পারিবারিক দুই বিয়েই টিকবে, যদি আমরা একে অপরকে বিশ্বাস করি। সংসার মানে কিন্তু কিছুটা সমস্যা থাকবে। এটা যদি আমরা খোলামেলাভাবে আলোচনা করি, তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদ নামক জটিল সমস্যার কিছুটা সমাধান করা সম্ভব হবে।

দাম্পত্যে জীবনে বেডরুমের যে অভ্যাস সম্পর্ক ভাঙে

দাম্পত্য সম্পর্কে সুখ চান? বেডরুম বা শয়ন ঘরের কিছু ভালো অভ্যাস সম্পর্ক যেমন মধুর করতে পারে, তেমনি অপছন্দের কিছু অভ্যাস বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘুম আমাদের জীবনের সবক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। ঘুম ভালো হলে দেহ-মন সুস্থ থাকে।
সুখী সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ঘুম। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রিনের মনোবিজ্ঞানী লি ল্যান্ড বলেন, দুজন মানুষ যদি শূন্যতা অনুভব করেন, তখন পারস্পরিক খেয়াল রাখা ও ভালোবাসার ক্ষেত্রে কম সাড়া দেন। নিঃসন্দেহে বলা যায়, কম ঘুম হলে মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও সম্পর্কে চিড় ধরতে দেখা যায়। ঘুমের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিছানায় যাওয়ার আগে দম্পতিদের অভ্যাসগুলো সম্পর্কে প্রভাব ফেলে। যে বাজে অভ্যাসগুলো সম্পর্কে প্রভাব ফেলে তার কয়েকটি সম্পর্কে জেনে নিন:
রোমান্টিক সময়কে অবহেলা করা
সুখী দাম্পত্যের চাবিকাঠি হিসেবে বেডরুমকেই বিবেচনা করেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সুজান উইন্টারের মতে, দাম্পত্যে আদর-সোহাগের মাধ্যমে বন্ধন তৈরি হয়। বেডরুমের অভ্যাসগুলো ভালো হলে দুজনের অন্তরঙ্গতা বাড়ে। এটি সুখী দাম্পত্যের লক্ষণ। এই রোমান্টিক সম্পর্ককে অবহেলা করলে ধীরে ধীরে সম্পর্কের বাঁধন আলগা হতে শুরু করে।
বিছানায় ফেসবুক-টুইটার
বিছানায় শুয়ে স্মার্টফোন টিপতে শুরু করলে রোমান্টিক সম্পর্কের সময় কখন? অনেকেই বিছানায় ফেসবুক-টুইটার নিয়ে আসেন। মেলোডি লি নামের একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, স্মার্টফোনের মতো এমন কোনো প্রযুক্তি সম্পর্কের ক্ষেত্রে এতোটা একাকিত্ব সৃষ্টি করেনি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পর্কে অসন্তুষ্টির কারণ স্মার্টফোনে অতি নির্ভরতা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, সম্পর্ক মধুর করতে বিছানায় আসার দু-এক ঘণ্টা আগে স্মার্টফোনকে বিদায় জানাতে হবে। এ সময়টা দুজন গল্প করে কাটাতে পারেন।
খোলামেলা আলোচনা
শয়নঘরে দুজন মানুষ যদি নিজেদের মধ্যে কথা না বলে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তবে সম্পর্ক ভালো হবে কীভাবে? দুজন খোলামেলা বিশ্বস্ত আলোচনা সুস্থ সম্পর্কের জন্য জরুরি। বিশেষজ্ঞ উইন্টার্স বলেন, দাম্পত্য জীবনে পিলোটক বা ঘনিষ্ঠ আলাপ যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুজনের মধ্যে আলোচনার সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। উষ্ণতা আর স্নেহে ভরা ওই সময়টুকু পরবর্তী দিনের মেজাজ ঠিক করে দেয়। সম্পর্কের স্থায়িত্ব বাড়ায়।
মন খারাপ করে ঘুমাতে যাওয়া
দাম্পত্য জীবনের জুটিরা নিশ্চয় জানেন, রাগ করে ঘুমাতে যেতে নেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘুমাতে যাওয়ার আগে বাজে স্মৃতি নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া ঠিক নয়। সম্পর্ক ভালো করার জন্য সমস্যা মিটমাট করে ঘুমাতে যাওয়া ভালো। অনেকে আবার এ নিয়ে একমত নন। অনেক সময় সমস্যা মিটমাট হয় না বলে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। সকালটাও বাজে হতে পারে। দুজন শান্ত হয়ে, ঠিকমতো বিশ্রাম নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
পৃথক ঘুমানো
গবেষকেরা বলেন, কিছু সময় বা কয়েক ঘণ্টা বা একরাত হয়তো পৃথক ঘুমানো ভালো। তবে দীর্ঘ সময় ধরে দুজনের আলাদা থাকা ঠিক নয়। মনোবিজ্ঞানী র‍্যাচেল সুসম্যান বলেন, দুজন আলাদা সময় ঘুমাতে যাওয়া ইতিবাচক হতে পারে। কারণ, প্রত্যেকে আলাদা সময় পায় এবং ভালো ঘুমাতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এই পৃথক থাকার বিষয়টি যেন দুজনের মধ্যে দূরুত্ব না বাড়ায়।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates