Social Icons

Sunday, September 2, 2018

বাংলাদেশের সাভারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ ৩ জনকে ধর্ষণ

ঢাকা জেলার সাভারে পৃথক পৃথক স্থানে গত ২৪ ঘণ্টায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ তিনজনকে ধর্ষণ এবং এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এদের মধ্যে এক নারীকে বোন ডেকে তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে। এ ঘটনায় রবিবার সাভার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। 
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহসীনুল কাদির, ভুক্তভোগী মেয়েটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বখাটে মো. খায়রুলকে (৪৮) আটক করেছে পুলিশ। আটক খায়রুল রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার জাবেদ আলীর ছেলে এবং সাভার পৌর এলাকার ব্যাংক টাউন মহল্লার আব্দুল মাজেদের বাড়িতে ভাড়া থেকে পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। 
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, পেশায় পরিবহন শ্রমিক বখাটে খায়রুলের গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুরে। সেই সুবাদে বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর (১৪) মাকে বোন ডেকে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতো। সম্প্রতি ওই তরুণী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করলে মূলত এরপরই বিষয়টি সবার জানাজানি হয়। 
মোহসীনুল কাদির বাংলাদেশ প্রতিদিনকে আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক খায়রুল বিষয়টি স্বীকার করেছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে। 
অন্যদিকে সকালে সাভারের গেন্ডা এলাকায় নিজ ভাড়া বাড়ি থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রাজু মিয়া নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ওই গৃহবধূ ধর্ষণের বিষয়টি সাভার মডেল থানা পুলিশকে জানায়। এছাড়া রাতে সাভারের নিমেরটেক এলাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ করে সাভার মডেল থানার একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার ৪ আসামীর মধ্যে আকাশ নামে এ  যুবককে আটক করেছে।
এদিকে, সাভারের ১০ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবক শিপনের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রতিবাদ করায় উল্টো শিশুটির বাবাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে বাড়ির মালিক ও ধর্ষকের পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় রাতেই সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সকালে পুলিশ ভিকটিমদের উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্য ওসি মোহসিনুল কাদির বলেনম, এঘটনায় সাভার মডেল থানায় চারটি মামলা দায়েরের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আর্জেন্টিনায় বিয়ে করছেন টাইটানিক অভিনেতা ডিক্যাপ্রিও!

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। হলিউডের অস্কার জয়ী অভিনেতা। 'দ্য রেভেনান্ট' মুভির জন্য ২০১৬ সালে অস্কার জিতেন তিনি। তবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পেয়েছিলেন 'টাইটানিক' সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এবার বিয়ে করতে চলেছেন ডিক্যাপ্রিও। কনের নাম কামিলা মোহনে। 
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, আর্জেন্টিনার এই মডেলের সঙ্গে ৮ মাসের প্রেম চলছে ডিক্যাপ্রিওর। তবে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তার কাছের মানুষদের ভাষ্য, প্রেমের ব্যাপারে নাকি দুজনই খুব সিরিয়াস। তারা বিয়ের বিষয় নিয়েও ভাবছেন।
এর আগেও অবশ্য ব্রাজিলের মডেল জিজালে বানচেনের সঙ্গে লিওর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। জিজালে বিয়ে করতে রাজি থাকলেও ডিক্যাপ্রিওই নাকি পিছিয়ে যান।
জানা গেছে, এখন লিও-কামিলা ইউরোপে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাটাচ্ছেন। ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেতার সঙ্গে ২১ বছর বয়সী মডেল-অভিনেত্রী কামিলা বিয়েতে তার পরিবারের তরফ থেকেই নাকি সায় রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায় বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘টাইটানিক’। এর পরিচালক, লেখক ও সহপ্রযোজক বিখ্যাত মার্কিন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব জেমস ক্যামেরন। ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও ও কেট উইন্সলেট।
এর জ্যাক চরিত্রে লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিওর অভিনয় লাখো তরুণীর হৃদয় কেড়ে নেয়। বিশেষ করে ছবির শেষে তার মৃত্যু আজো সহজভাবে মেনে নিতে পারেনি সিনেমাপ্রেমী মানুষ।
২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ছবিটি। ১১টি ক্ষেত্রে একাডেমি পুরস্কার জিতে নেয় এবং সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উপার্জন করা ছবির তালিকায় স্থান দখল করে।

কাকে বিয়ে করছেন মেহজাবিন, অপূর্ব না নিরব?


সংগীতশিল্পী মিনারের গানের ভিডিওতে মডেল হয়েছেন সময়ের জনপ্রিয় তিন শিল্পী অপূর্ব, মেহজাবিন ও নিরব। ত্রিভুজ প্রেমের গল্পের এই ভিডিওতে যেখানে দেখা যাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয় নিরব-মেহজাবিনের। অন্যদিকে, এই বিয়ের আগুনে মনে মনে পুড়ে ছাই হয়ে যান প্রেমিক অপূর্ব।
শনিবার গানের ভিডিওটি প্রকাশ করা হয় সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে। এটি প্রকাশের পর থেকেই শ্রোতা-দর্শকদের পক্ষ থেকে ব্যপক সাড়া মিলছে।
এ মিজানের লেখায় গানটির সুর-সংগীত করেছেন আহম্মেদ হুমায়ূন। মিনারের এই গানটি মূলত ব্যবহার হয়েছে মূলত জাকারিয়া সৌখিন নির্মিত বাংলা ভিশনে প্রচার হওয়া ‘যদি তুমি জানতে’ নামের ঈদের বিশেষ টেলিফিল্মে। 

তাড়াহুড়ো করে ইভিএম চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এটা অনুশীলনের ব্যাপার।
নেপালে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে রবিবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি থিন কিয়াও'র সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তবে মিয়ানমার যা বলে তা করে না। 
তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সাজা কোর্ট (আদালত) দিয়েছেন। তাই তার মুক্তি কোর্টের মাধ্যমে আনতে হবে। অন্যথায়, তার দ্রুত মুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। 
তিনি আরও বলেন, মামলা কিন্তু আমরা দেইনি। উনাদেরই পছন্দের ফখরউদ্দিন ও মঈনউদ্দিন সাহবের আমলেই এই মামলাটি হয়েছিল। মামলাটি কিন্তু আমরা করেনি।
প্রধানমন্ত্রী বিমসটেক সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভাণ্ডারী, নেপালের প্রধানমন্ত্রী শর্মা অলি, ভুটানের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শেরিং ওয়াংচুকসহ অনেক দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকের কথা তুলে ধরেন। উল্লেখ করেন এসব বৈঠকে আলোচনার বিষয়াদিও।
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে গত বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) সকালে কাঠমান্ডু যান প্রধানমন্ত্রী। দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবার (৩১ আগস্ট) বিকেল আড়াইটার দিকে দেশে ফেরেন তিনি।

বিশ্ব নেতৃত্বে সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশ ব্রাজিল ।

বিশ্ব অর্থনীতিতে ঘটনাবহুল একটি বছর শেষ হতে চলেছে । বিশ্বের প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোতে অর্থনৈতিক টানাপড়েন চলেছে বছরের প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উন্নত ও উদীয়মান দেশগুলোর অর্থনীতিতে। বিশ্বজুড়ে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে শ্লথ গতি দেখা গেছে। মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের কারণে বৃহৎ অর্থনীতির দেশগুলো এখনও ধুকছে। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে প্রায় সব অঞ্চলের অর্থনীতিতে। ব্যাংকিং খাতেও দূরবস্থা ছিল প্রায় বছরজুড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে শতাধিক ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেছে। ইউরোপ ও এশিয়ায় বৃহৎ ব্যাংকগুলো কর্মী ছাঁটাই করেও নাজুক পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে। বিনিয়োগ ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে। বছরজুড়ে বিনিয়োগকারীদের আস্তাহীনতা কাটাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংকসহ অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা আরেকটি বিশ্ব মন্দার সতর্কতা ব্যক্ত করেছেন।
ঘটনাবহুল এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি ও সার্বভৌম ঋণমানের অবনমন, গ্রিসের দেউলিয়া হওয়ার ঘটনায় ইউরোপের অর্থনৈতিক বিপর্যয়, জাপানের স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির ধ্বংসযজ্ঞ, আরব বসন্ত, স্বর্ণের আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি, করপোরেট জগতের আইকন স্টিভ জবসের মহাপ্রয়াণ বছরজুড়ে নাড়া দিয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিকে। এরই মাঝে আশার সংবাদ হয়ে দেখা দিয়েছে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর বিপরীতে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর উঠে আসা। দুই বছর আগের বিশ্ব মন্দা থেকে উত্তরণের পথে সম্ভাবনাময় দেশগুলো যে ভূমিকা রেখেছিল এবারও চলমান অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলায় এ দেশগুলোর সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবে বলে অনেকের অভিমত। এটির ওপর ভিত্তি করে বিশ্ব অর্থনীতির ভরকেন্দ্রও পরিবর্তিত হচ্ছে বলে অনেকের দৃঢ় বিশ্বাস।
সম্ভাবনাময় ও উদীয়মান দেশগুলোর শীর্ষে থাকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন, এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারত, ল্যাটিন আমেরিকার সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশ ব্রাজিল, আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো বিশ্ব অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনীতিও চলমান পরিস্থিতিতে এখন এশিয়া, ব্রাজিল ও আফ্রিকামুখী হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে এ দুটি অঞ্চলের বিনিয়োগকারীরাও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে এসব দেশে।
ব্রাজিল তার ইতিহাসের ভয়াবহতম অর্থনৈতিক সংকট এবং জনগণের ওপর এর সামাজিক প্রভাবে ঘোর সংকটকাল অতিবাহিত করছিল। এমন সংকটের মুখোমুখি হয়ে আমি জনগণের আস্থা অর্জনের আগেই পরিবর্তনের রৃপরেখা পেশ করলাম। রৃপরেখাটি গত ৩০ বছর ধরে চলা রাজস্ব ভারসাম্য স্তম্ভ, সামাজিক দায়িত্ব এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে গঠিত। 


এর ফলাফল ইতিমধ্যেই দৃশ্যমান। ব্রাজিল এই অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠছে এবং শেষ দুটি ত্রৈমাসিকে পরপর ব্রাজিলের অর্থনীতি লক্ষণীয়ভাবে উন্নতি করেছে। কিছু বিশেল্গষক ২০১৭ সালে জিডিপিতে ১ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছেন। ২০১৬ সালের মে মাসে মুদ্রাস্টম্ফীতি যেখানে ছিল ১০ শতাংশ, তা লক্ষ্যমাত্রার নিচে এসে দাঁড়িয়ে সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে লিপিবদ্ধ হয় ২.৫৪ শতাংশ। প্রকৃতভাবে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ৬ শতাংশ মজুরি বেড়েছে। মে মাসের জন্য সুদহার ছিল ১৪.২৫ শতাংশ এবং এটা একটি টেকসই পদ্ধতিতে কমানো হয়েছে। সেলিক (SELIC) হার বর্তমানে ৭.৫ শতাংশ, যা চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন এবং ব্যাংকের ব্যাপ্তি যথেষ্ট কমানো হয়েছে। এই সুদহার কমার ফলে জনগণের কোষাগারে অতিরিক্ত ৮০ বিলিয়ন রিয়েল (১৮.৫ বিলিয়ন পাউন্ড) যোগ হয়। 

আমাদের বাণিজ্য ভারসাম্য অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ব্রাজিল জানুয়ারি ও অক্টোবর ২০১৭-এ ৫৮.৪৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্তিতে পৌঁছেছে (২০১৬ সালের একই সময়ের তুলনায় ৫১.৮ শতাংশ বেশি)। একই সময়ের তুলনায় শিল্প উৎপাদন ১.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (মে ২০১৬ সালে এটির ৯.৮ শতাংশ পতন হয়েছিল)। ২০১৬ সালে গাড়ি রফতানি ৫৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০১৭ সালে মোট উৎপাদন ইতিমধ্যে পৌঁছেছে ৫৬০ হাজার ইউনিটে। 

২০১৬ সালের তুলনায় অভ্যন্তরীণ বাজারে নতুন গাড়ি বিক্রির পরিমাণ ৯.২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রাজিলের ফসল উৎপাদন ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৪২ মিলিয়ন টনে উন্নীত হয়েছে, যা গত ২০১৬ সালের তুলনায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রাজিলীয় অর্থনীতির উত্তরণের প্রতিফলন হিসেবে, ২০১৭ সালে নৌবন্দর ব্যবহার ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহন সেপ্টেম্বর ২০১৬-এর তুলনায় ৬.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

ব্রাজিলের অর্থনীতির বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের মূলে রয়েছে এই সুনীতিসম্পন্ন চক্র। বিজনেস কনফিডেন্স ইনডেক্স ৯০.৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে, যা ২০১৪ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ। ব্রাজিলে ঝুঁকি (এমারজিং মার্কেট বন্ড ইনডেক্স-ইএমবিআই) ৫৪৪ বেস পয়েন্ট (জানুয়ারি ২০১৬) থেকে ২৩৯ বেস পয়েন্টে নেমেছে (অক্টোবর ২০১৭), যা কার্যকরী বিস্তার থেকে ৫৬.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এ ছাড়াও পাঁচ বছরের ৩২৮ বেস পয়েন্টে থাকা ক্রেডিট ডিফল্ট সোয়াপটি বর্তমান সময়ে ১৭৩.৫-তে নেমে এসেছে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আইবিওভিএসপিএ সূচক ৭৬ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করেছে, যা ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ছিল ৩৮ হাজার পয়েন্ট। ২০১৭ সালের প্রথম সেমিস্টারে মোট সমীক্ষার পরিমাণ ৪০.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০১৬ সালে ৭৮.৯ মার্কিন ডলার)। প্রি-সল্ট নতুন নিয়ন্ত্রক মডেলের অধীনে অনুষ্ঠিত শক্তি নিলামগুলো, ২২ বিলিয়ন রিয়েলে (প্রায় ৫.১ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং) উত্থিত হয়েছে। শুধু জ্বালানি খাতে, পরবর্তী কয়েক বছরে ৪৪৪ বিলিয়ন রিয়েল (১০২.৯ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং) বিনিয়োগ আশা করা হচ্ছে, যা ৫০০ হাজার নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি করবে। 


অর্থনৈতিক যুক্তিযুক্ততা এবং পূর্বাভাসের ব্যবস্থাগুলো ব্যবসার পরিবেশকে উন্নত করেছে। ফলে কৃষি, সেবা, খুচরা ও বিদেশি বাণিজ্য খাতে উদ্যোগের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসন হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ দায়বদ্ধতা আইন রাষ্ট্র উদ্যোগের পেশাদারিত্ব আনয়নে সক্ষম হয়েছে। অতীতে নিন্দিত হলেও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ এখন ফিরে পাচ্ছে তার মর্যাদা। ২০১৫ সালে ৩২ বিলিয়ন রিয়েল ক্ষতি (৭.৪ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং) ২০১৬ সালে ৪.৬ বিলিয়ন রিয়েল (০.২ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং) লাভে গিয়ে দাঁড়ায় এবং ২০১৭ সালের প্রথমার্ধে লাভ গিয়ে দাঁড়ায় ১৭.৩ বিলিয়ন রিয়েল (৪ বিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং)। উৎপাদনশীলতাকে লক্ষ্য বানিয়ে একটি কর্মসংস্থান সংশোধন পাস করা হয়েছে। অধিকার পরিবর্তন না করেই আইনের আধুনিকায়ন করা হয়েছে এবং শ্রমিকদের কালো বাজার অর্থনীতি থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে আনা হয়েছে। 

এই কর্মসূচির সাফল্য ইতিমধ্যে কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে কর্মসংস্থান সূচক বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে। কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাধারণ রেজিস্ট্রারের (ক্যাগেড-এমটিই) পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানুয়ারি ও মে ২০১৬-এর মধ্যে ৪৪৮ হাজার ছাঁটাইয়ের তুলনায় ২০১৭ সালে ১৬৩ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ব্রাজিলের ভূগোল ও পরিসংখ্যানের (আইবিজিএ) পরিমাপের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ব্রাজিলে ১,০৬১ মিলিয়নেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং ৫২৪ হাজারেরও বেশি লোকের মধ্যে বেকার সংখ্যা রদ করা হয়েছে। ২০১৬ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০১৭ সালের তৃতীয় কোয়ার্টারে কর্মচারী বাস্তব গড় আয় ৩.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিসহ আর্থিক দায়বদ্ধতার পুনর্বহাল সামাজিক কল্যাণে বরাদ্দকৃত সম্পদ বৃদ্ধি করেছে। সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচি, যা আগে রাজস্ব পতনের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়েছিল, সংবিধানের অধীনে জনকল্যাণকর কাজে খরচে দক্ষতার কারণে তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। বলসা ফিমিলিয়া কার্যক্রমের উপকারিতা বাড়িয়ে ১২.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে (দুই বছরের বেশি সময় পর কোনো সমন্বয় ছাড়াই) এবং অপেক্ষমাণ তালিকাগুলো নিঃশেষ হয়ে গেছে। সরকার আরও অগ্রসর হয়েছে এবং প্রোগ্রেডির (এগিয়ে যাওয়া) প্রোগ্রাম চালু করেছে, যা কর্মসংস্থান ও ঋণ গ্রহণের জন্য পরিবারকে সুবিধার জন্য সহায়তা করে এবং যেমন স্বায়ত্তশাসন অর্জনের জন্য। আমি সাহসিকতার সঙ্গে অপ্রচলিত FGTS অ্যাকাউন্ট চালু করেছি এবং PIS-PASEP তোলার উন্নতি করেছি, যা লাখ লাখ ব্রাজিলিয়ানের উপকার করে এবং ৬০ বিলিয়ন রিয়েল অর্থনীতির মধ্যে অনুপ্রবেশ করে। 

স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে বাজেট বেড়েছে। স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার যৌক্তিকীকরণ অপরিহার্য পরিসেবাগুলোর জন্য আরও সম্পদ নিয়ে এসেছে। ৪ বিলিয়ন রিয়েল সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য পুনর্নির্দেশ, নতুন স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট খোলা এবং নতুন কর্মীদের নিয়োগের জন্য ব্যয় করা হয়েছে। ফার্মাসিয়া পপুলার (কম খরচে ফার্মেসি) কার্যক্রম প্রশাসনের খরচের ৮০ শতাংশ বাজেট ব্যয় করেছে। একটি নতুন বরাদ্দকরণ ব্যবস্থা ১০০ মিলিয়ন রিয়েল/বছর দ্বারা অপরিহার্য ওষুধ কেনার জন্য সম্পদ বৃদ্ধি করেছে শিক্ষার ক্ষেত্রে উচ্চ মাধ্যমিক-মাধ্যমিক সংস্কার শিক্ষার্থীদের জন্য স্বতন্ত্র দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের বাজারের বাস্তবায়নের জন্য পাঠ্যক্রম হালনাগাদ করেছে। শিক্ষার্থী অর্থায়ন তহবিল (FIES) ৭৫ হাজার নতুন গবেষণা স্থান প্রদানের পুনর্স্বাক্ষর করা হয়েছে এবং যা এই খাতকে আরও শক্তিশালী করেছে। একইভাবে সম্পদ স্থানান্তরের মধ্যে বিলম্ব এড়ানোর মাধ্যমে আরও ৭০০ মিলিয়ন রিয়েল এই তহবিল বরাদ্দ করা হয়। জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট চালু হওয়ার পর, ব্রাজিলের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রবেশের সার্বজনীনকরণের পথে একটি দৃঢ় পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। 

ফলাফল দেখা যায়, সরকার দ্বারা পরিচালিত এবং বাস্তবায়িত কৌশলটি ছিল সঠিক এক কৌশল। আমরা অর্থনৈতিক সংকটকে ত্যাগ করে উন্নয়নের পথে ফিরে এসেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, নষ্ট করার মতো কোনো সময় নেই। তাই সংস্কারের রৃপরেখার অনুমোদনকে ত্বরান্বিত করা হবে। পরবর্তী ধাপ হবে সংস্কারের ধারাবাহিকতা, যা সচ্ছলতা এবং বেঁচে থাকা নিশ্চিত করবে অগ্রাধিকার ছাড়াও। ট্যাক্স আইন সহজিকরণ, অন্যান্য অগ্রাধিকার, আমাদের দেশীয় উৎপাদনের প্রতিযোগিতামূলক বৃদ্ধি করবে। ন্যাশনাল কংগ্রেস, শ্রমিক এবং ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের অপরিহার্য সমর্থন নিয়ে আমরা ব্রাজিলকে উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছি।

প্রেসিডেন্ট, সংযুক্ত প্রজাতন্ত্রী ব্রাজিল

Saturday, September 1, 2018

কাতারকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ বানাতে সীমান্তে খাল কাটছে সৌদি আরব!


কাতারকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপরাষ্ট্রে পরিণত করতে একটি খাল কাটার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। দেশটির একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কাতারের সঙ্গে যখন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশরের মারাত্মক দ্বন্দ্ব চলছে তখন সৌদি সরকার এই পরিকল্পনা নিলো।

শুক্রবার সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের শীর্ষ উপদেষ্টা সাউদ আল-কাহতানি টুইটারে দেয়া এক পোস্টে বলেছেন, ‘একজন নাগরিক হিসেবে আমি অধীর আগ্রহ নিয়ে ‘পূর্ব সালওয়া দ্বীপ প্রকল্প’ বাস্তবায়নের অপেক্ষা করছি। এই মহান ও ঐতিহাসিক প্রকল্প মধ্যপ্রাচ্যের ভৌগোলিক মানচিত্রকে পরিবর্তন করে দেবে।’

গত এপ্রিল মাসে এই প্রকল্পের কথা প্রথম প্রকাশ করে সৌদি গণমাধ্যম। সে সময় আরবি ভাষার অনলাইন পত্রিকা ‘সাবকা’ জানিয়েছিল, এই খালের দৈর্ঘ্য হবে ৬০ কিলোমিটার, প্রস্ত হবে ২০০ মিটার এবং ২০ মিটার গভীর হবে। কাতার সীমান্ত থেকে ৯৬৫ মিটার বা এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করবে সৌদি আরব।


এই খালে সৌদি আরব একটি পর্যটন রিসোর্ট এবং একটি পরমাণু বর্জ্যের ডাম্পিং কেন্দ্র বানাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ৭৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হবে। গত জুন মাসে দি মক্কা পত্রিকা জানিয়েছিল, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সৌদি সরকার এবং এরইমধ্যে আন্তর্জাতিক পাঁচটি কোম্পানি দরপত্রে অংশ নিয়েছে। বিজয়ী কোম্পানির নাম ঘোষণা করা হবে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু হতে যাচ্ছে!


কুয়ালালামপুর: মালয়েশিয়া সরকার দেশটিতে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়ের দিকে যাচ্ছে। এর ফলে আতঙ্কে রয়েছেন সেখানে কাগজহীন অবস্থায় থাকা প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি। দেশব্যাপী অভিযানের প্রথম দিনে অন্তত ৩৬০ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে মালয়েশিয়ার পুলিশ।
গত ৩০ আগস্ট সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি শেষ হওয়ায় মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ কাগজহীন অভিবাসীদের ধরতে দেশব্যাপী এই অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কুয়ালালামপুরের অভিবাসন গবেষক আবু হায়াত বলেন, ‘আমি সাইবারজায়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক নির্মাণকাজ চলছে। সেখানে দেখেছি কাগজহীন বাংলাদেশি, নেপালি এবং ইন্দোনেশীয় শ্রমিকরা বেশ আতঙ্কে রয়েছেন। এমনকি, তারা ঘর থেকেও বের হচ্ছেন না।’
তিনি জানান, যেসব শ্রমিকের কাজের অনুমতি রয়েছে তারাও আতঙ্কিত। কেননা, কাগজ রয়েছে এমন ব্যক্তিদেরকেও গ্রেপ্তার করার অনেক ঘটনা রয়েছে। পুরো মালয়েশিয়া জুড়েই এমনটি হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এক বছর আগে শুরু হওয়া সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচিতে বলা হয়েছিলো মালয়েশিয়ায় থাকা অবৈধ অভিবাসীরা ৩০০ রিঙ্গিত বা ছয় হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে এবং আরও ১০০ রিঙ্গিত ফি দিয়ে নিজ দেশে ফেরার বিশেষ অনুমতি লাভ করতে পারবেন।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তোফার আলি বিভাগের ফেসবুক পেজে গত ৩০ আগস্ট বলেন, ‘সাধারণ ক্ষমার দিন বাড়ানো হবে না। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে শুক্রবার (৩১ আগস্ট) থেকে আমরা সাঁড়াশি অভিযানে যাবো। আমরা তাদেরকে এই কর্মসূচির সুবিধা নেওয়ার জন্যে যথেষ্ট সময় দিয়েছি।’
আবু হায়াত জানান, গতকাল (৩১ আগস্ট) ছিলো মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা দিবস। তাই আজ (১ সেপ্টেম্বর) থেকে অভিযান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিভিন্ন সিন্ডিকেট বিদেশি শ্রমিকদের ‘আধুনিক দাস’ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। ‘অপারেশন মেগা ৩.০’ নামের এই অভিযান মাধ্যমে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে। দেশটিতে প্রায় ৫ লাখ বাংলাদেশি বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় রয়েছে বলে জানান যায়।
মালয়েশিয়ার জোহর বারুতে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিক মোহাম্মদ জিন্নাত জানান, তিনি তার কাগজ নবায়নের জন্যে ৭,০০০ রিঙ্গিত এক এজেন্টকে দিয়েছেন ১০ মাস আগে। কিন্তু, এখনো সেই কাগজ হাতে পাননি।
তিনি বলেন, ‘আমি কয়েকদিন থেকে সেই বাংলাদেশি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি কিন্তু তাকে পাওয়া যাচ্ছে না।’ এ নিয়ে তার আতঙ্কের কথাও জানান জিন্নাত।
অভিবাসন মহাপরিচালক জানান, গত জানুয়ারি থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত ৯,২০০ অভিযানে অন্তত ২৮ হাজার ৬৩ জন অবৈধ অভিবাসী এবং ৭৯৯ চাকরিদাতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশের বেশি বাংলাদেশি হতে পারেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, অনেক শ্রমিক আদম পাচারকারীদের প্রতারণার শিকার। তারা শ্রমিকদের কোন বৈধ কাগজ দিচ্ছে না। এছাড়াও, বিভিন্ন শোষণ-বঞ্চনার কারণে অনেক বৈধ শ্রমিক কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
কুয়ালালামপুর-ভিত্তিক অভিবাসী অধিকার সংস্থা তেনাগানিতা-র পরিচালক আজিলি ফার্নান্দেজ টমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনকে বলেন, ‘সরকার এই শ্রমিকদের প্রতারণার শিকার হিসেবে দেখছে না। তাদেরকে দেখছে অবৈধ শ্রমিক হিসেবে। এটা ঠিক হচ্ছে না।’
আজিলির প্রশ্ন- এই দেশ গঠনে যে শ্রমিকদের এতো অবদান তাদেরকে কেনো খুঁজছে সরকার? প্রকৃত অপরাধীদের কেনো খোঁজা হচ্ছে না?
তিনি জানান, কাগজপত্রহীন শ্রমিকদের কখনো কারাগারে পাঠানো হয়, কখনো তাদের বেত্রাঘাত করা হয়। তাদের ওপর ‘অত্যাচার’ করা হয়। আর শেষে তাদেরকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
তেনাগানিতা-র নির্বাহী পরিচালক গ্লোরিনি দাশ এক ইমেল বার্তায় এই সংবাদদাতাকে বলেন, এমন অমানবিক ধরপাকড়ে কোনো সুফল মেলে না। সবসময়ই তা ব্যর্থ হয়েছে।
তার মতে, অবৈধ শ্রমিকদের সংখ্যা যদি ৫০ লাখ হয় তাহলে তাদের থাকা-খাওয়া বাবদ যে খরচ হবে তা কল্পনাতীত। এতে আরও নির্যাতন, দুর্নীতি ও অদক্ষতার উদাহরণ সৃষ্টি করবে।

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates