Social Icons

Wednesday, August 30, 2017

পাচার হওয়া ১শ’ ৩৩ অভিবাসী মেক্সিকোতে উদ্ধার

মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা একটি বাড়ি থেকে মধ্য আমেরিকার ১শ’ ৩৩ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৩৪। যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করার আগে তাদেরকে সেখানে বন্দি করে রাখা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
 
অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তাবাসকো রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার একটি বাড়িতে ‘গাদাগাদি’ করে এসব অবৈধ অভিবাসীকে বন্দি করে রাখা হয়। তাদেরকে এল সালভাদর, গুয়েতেমালা ও হন্ডুরাস থেকে আনা হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ তাদেরকে উদ্ধার করে।
 
জানা গেছে, অপহরণের অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব অভিবাসীকে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আশায় প্রতি বছর হন্ডুরাসের হাজার হাজার নাগরিক মেক্সিকোতে পাড়ি জমায়। পরে সুযোগ বুঝে তারা যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়। এএফপি।

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আবদুল জব্বার আর নেই

বরেণ্য কন্ঠশিল্পী আবদুল জব্বার আর নেই। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

গত সাড়ে ৩ মাস ধরে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন এ কিংবদন্তি শিল্পী। গত শনিবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর থেকে তাকে হাসপাতালের  আইসিইউতে নেয়া হয়েছিল।

হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দেবব্রত বণিক ওই সময় জানিয়েছিলেন, আবদুল জব্বারের দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তার শরীর এখন আর কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করছে না।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠসৈনিক কালজয়ী এ শিল্পী কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’ এমন অসংখ্য কালজয়ি গান গেয়েছেন তিনি।

আব্দুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হারমোনিয়াম নিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের গান গেয়ে উদ্বুদ্ধ করেন।

সেই দুঃসময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গেয়েছেন অসংখ্য গান। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে শিল্পীর গাওয়া গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে।

একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া শিল্পী আবদুল জব্বার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গলায় হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে কলকাতার পথে-প্রান্তরে সংগীত পরিবেশন করে যুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। ওই সময়ে তিনি প্রায় ১২ লাখ টাকা সংগ্রহ করে মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেন।

টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ায় র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। 
  
টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে আট নম্বরে উঠে এসেছে টাইগাররা। 
  
বুধবার ক্যাঙ্গারু বধের আগ পর্যন্ত অবশ্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯। রেটিং পয়েন্ট ছিল ৬৯।  
  
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান ছিল ৪। রেটিং পয়েন্ট ছিল ১০০। 
  
টেস্ট র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উপরে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পেছনে ফেলে সেই স্থান দখল করেছে বাংলাদেশ। 
  
সদ্য শেষ হওয়া এ সিরিজে বাংলাদেশ জিতলে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে যাবে সেটি অবশ্য আগেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

Tuesday, August 29, 2017

পৃথিবীর মতো আরও ১০টি পৃথিবীর সন্ধান পাওয়ার খবর দিয়েছে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ (কেএসটি)।


পৃথিবীর মতো আরও ১০টি পৃথিবীর সন্ধান পাওয়ার খবর দিয়েছে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ (কেএসটি)। ১৯ জুন নাসার তরফ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়।
সংস্থাটি জানিয়েছে, আমাদের পৃথিবী যেমন এই সৌরমণ্ডলে বৃহস্পতি, শনি, নেপচুন, ইউরেনাসের তুলনায় আকারে ছোট, তেমনই চেহারা ওই ১০টি ‘পৃথিবী’র।
নাসা বলেছে, সদ্য সন্ধান পাওয়া ১০টি ‘পৃথিবী’ থেকে তাদের নক্ষত্র বা তারা এমন দূরত্বে রয়েছে, যেখানে বাসযোগ্য হতে পারে। প্রাণ আর জল তরল অবস্থায় থাকতে পারে গ্রহগুলোর পিঠে বা সারফেসে। সিগনাস নক্ষত্রপুঞ্জে যে ২ লাখ তারার ওপর নজর রেখেছিল কেএসটি, তার মধ্যে ২১৯টি ভিন গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এই ২১৯টি ভিন গ্রহের মধ্যে অন্তত ১০টি একেবারেই আমাদের পৃথিবীর মতো পাথুরে। এবং এগুলো রয়েছে গোল্ডিলক্স জোনে। ‘গোল্ডিলক্স জোন’ বলা হয় নক্ষত্র থেকে কোনো গ্রহের নির্দিষ্ট দূরত্বকে।
এ নিয়ে গত ৮ বছরে মোট ৪ হাজার ৩৪টি ভিনগ্রহের সন্ধান পেল কেএসটি। এর মধ্যে সদ্য সন্ধান পাওয়া ১০টিকে নিয়ে পৃথিবীর মতো বাসযোগ্য গ্রহের সংখ্যা ৪৯টি হলো।
সূত্র: বিডি লাইভ

জাপানে স্বপ্নের ঠিকানা


পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে জাপানে উচ্চ শিক্ষা এবং স্থায়ীভাবে বসবাস করতে যাওয়া বাংলাদেশির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে জাপানের অর্থনীতি বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম। তবে সে তুলনায় লোকবল দিনদিনই কমছে। বিশ্ব জনসংখ্যা রিভিউ রিপোর্ট -২০১০ অনুযায়ী, জাপানের জনসংখ্যা গত ৫ বছরেই কমে গেছে প্রায় ১০ লাখ। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে চাকরি ও শিক্ষা অর্জনে উৎসাহিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার । আর এই  তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনের মতো দেশগুলো ।

জাপান কেন যাবেন
জাপানের শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭৮০টি। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক অনেক কম খরচে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি সাপ্তাহিক ২৮ ঘণ্টা পার্টটাইম কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে জাপান সরকার, যা ইউরোপ-আমেরিকার অনেক উন্নত দেশেও নেই। এছাড়া, বার্ষিক ছুটির সময়কাজের সময় নিয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। প্রথম অবস্থায় জাপানে প্রতি ঘণ্টায় পার্টটাইম কাজের বেতন সর্বনিম্ন ১০০০ থেকে ১২০০ জাপানি ইয়েন। দক্ষতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেতনও বাড়তে থাকে।
জাপানে যে বিষয়ে পড়াশোনা করা যাবে
জাপানে প্রায় সব বিষয়েই পড়াশোনার সুযোগ আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য_ হিউম্যান স্টাডিজ, লিঙ্গুগুয়িস্টিক স্টাডিজ, হিস্টোরিক্যাল স্টাডিজ, হিউম্যান সায়েন্স, এডুকেশনাল সায়েন্স, ল অ্যান্ড সোসাইটি, পাবলিক ল অ্যান্ড পলিসি, ইকোনমিক্স, ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্ট্যান্সি, ফিজিক্স, অ্যাস্ট্রোনমি, জিওফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, আর্থ সায়েন্স, মেডিকেল সায়েন্স, ডিজঅ্যাবিলিটি সায়েন্স, ডেন্টিস্ট্রি, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, লাইফ সায়েন্স, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল সিস্টেস অ্যান্ড ডিজাইন, ন্যানোমেকানিক্স, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ান্টাম সায়েন্স অ্যান্ড এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, ইত্যাদি।
জাপানের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো:
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে সারা বিশ্বজুড়ে বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের প্রায় ৯.৫ শতাংশই জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। জাপানে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের এই ব্যাপক চাহিদার কারণ হচ্ছে, জাপানে ছাত্রছাত্রীরা যুগোপযোগী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার থেকে শুরু করে যে কোন বিষয়ে জাপানী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশুনার বিস্তৃত সুযোগ। জাপানের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা দেয়া হলো:

ইউনিভার্সিটি অব টোকিও, ওসাকা ইউনিভার্সিটি, ওকায়ামা ইউনিভার্সিটি, টোকিও ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স, টোকিও ইউনিভার্সিট, হিরোশিমা ইউনিভার্সিটি, টোকিও মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল ইউনিভার্সিটি, ওসাকা সিটি ইউনিভার্সিটি, তোকুশিমা ইউনিভার্সিটি, ইয়োকো হামা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
কোর্সের মেয়াদ ও যোগ্যতা
এডুকেশন ভিসা নিয়ে অনেকেই জাপান যচ্ছেন। আপনি যদি এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তবে ব্যাচেলর্স ডিগ্রি বা গ্রাজুয়েশন এবং ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে উত্তীর্ণ হলে মাস্টার্সে বা পোস্ট গ্রাজুয়েশনে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ব্যাচেলর্ ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট প্রোগ্রামে পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য আপনি জাপানে যেতে পারেন। রয়েছে ১ বছর ৩ মাস থেকে ২ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সও। ব্যাচেলর্স ডিগ্রির ক্ষেত্রে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়েই চার বছর মেয়াদি কোর্স পড়িয়ে থাকে। আর মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য রয়েছে দুই বছরে মেয়াদি কোর্স।
প্রথম ধাপের প্রস্তুতি
জাপানী ভাষার জিএলপিটি এন ফাইভ(JLPT N5) কোর্স শেষ করে আপনি জাপানে পড়াশুনা ও চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেন। সে জন্য প্রাথমিকভাবে ভাষা শেখার কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। আর ভাষা শেখার কোর্সটি শেষ করতে সময় লাগবে তিন থেকে চার মাস। এছাড়া রয়েছে দেড় বছর মেয়াদি অ্যাডভান্স ল্যাংগুয়েজ কোর্স। তবে জিএলপিটি এন ফাইভ শর্ট কোর্সটি করলে চলবে।
আবেদন প্রক্রিয়া

জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে থেকে আবেদন প্রক্রিয়া এবং যোগ্যতা সম্পর্কে সব তথ্য পাওয়া যায় । কোর্স শুরু হওয়ার অন্তত ২/৩ মাস আগে থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ঢাকায় জাপান দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করে স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনার আবেদন ফর্ম এবং শিক্ষা পরিকল্পনা হতে হবে নিখুঁত। সাথে নিজস্ব কোন গবেষণা, প্রকাশনা বা জাপানের কোন শিক্ষকের সাথে প্রোজেক্ট অথবা জয়েন্ট স্টাডি করার অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে সেটিও প্রোফাইলে উল্লেখ করতে হবে। সেক্ষেত্রে আবেদনটি আরো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়।
যাওয়ার আগে পদক্ষেপসমূহঃ

  • জাপানি ভাষা কোর্স সম্পন্ন করার পর, দ্বিতীয় ধাপে জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আপনার সব একাডেমিক সনদ ও কাগজপত্রের মূল কপি জমা দিতে হবে।

  • আবেদনপত্র সহ একাডেমিক মূল কাগজপত্র, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন ফি, স্পন্সর ডকুমেন্টস, ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট(কমপক্ষে ১২ লাখ টাকা) দেখাতে হবে।

(ইউরোপের দেশগুলোর মতো জাপান যেতে নিজের নামে ব্যাংক স্টেটমেন্টের ঝামেলও পোহাতে হবে না। মা, বাবা, ভাই, বোন কিংবা নিকট আত্মীয় যে কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ১২ লাখ টাকা দেখালেই হবে। ফলে, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা্ও জাপানে উচ্চ শিক্ষা বা চাকরির জন্য যেতে পারে।)

  • ১৫০ ঘন্টার জাপানি ভাষা কোর্সের পরীক্ষার সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে
  • সমস্ত কাগজপত্র কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্রহন করার পর অফার লেটার ইস্যু করা হবে
  • সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অফার লেটার সহ সব ডকুমেন্টস জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে
  • ৯০ দিনের মধ্যে বিচার মন্ত্রণালয় থেকে ভিসা সনদ ইস্যু করা হবে
  • ভিসা পাওয়ার পর টিউশন ফি ছাত্রের নিজের এ্যাকউন্ট থেকে নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাতে হবে (বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্তাবলী অনুসরণ করে)

টিউশন ফি
এখানে জীবনযাত্রা এবং পড়ালেখার খরচ যে কোন দেশের চাইতে অনেক বেশি। জাপানে সরকারি ও বেসরকারি এই দুই উপায়েই বৃত্তি বা ফান্ডিং পাওয়া যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোন কোন ক্ষেত্রে চাইলে ফান্ডিং যোগার করে দিতে পারেন। সেজন্য মুল উপায় হচ্ছে তাদেরকে মেইল করা বা অন্য কোনভাবে পরিচিত হওয়া। এক্ষেত্রে একটি উপায় হচ্ছে বিভিন্ন এডুকেশন ফেয়ার বা শিক্ষা মেলায় সরাসরি যাওয়া। সরকারি স্কলারশিপ বা বৃত্তির জন্য দুই ভাবে আবেদন করা যায়। বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের মাধ্যমে অথবা জাপানের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে। যার মধ্যে ২য় পন্হাটাই সহজ।


বাসস্থান সুবিধা
জাপানে বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের বসবাসের জন্য চার ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- স্টুডেন্ট ডরমিটরি বা হোস্টেল, স্থানীয় সরকারের বরাদ্দ করা পাবলিক হাউজিং, বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার স্টাফ ডরমিটরি এবং ব্যক্তিগত ভাড়া বাসা। জাপানে একজন শিক্ষার্থীর থাকা-খাওয়া এবং অন্যান্য খরচ বাবদ মাসে ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হবে ।
শিক্ষার্থীরা আরও যে সব সুবিধা পাবেন
  • পাঁচ বছর থাকার পর কোন শিক্ষার্থী চাইলে পি আর বা স্থায়ী বসবাস জন্য আবেদন করতে পারবেন
  • শিক্ষর্থীদের জন্য রয়েছে ১২০ ঘন্টা খন্ডকালীন কাজের সুযোগ । সাপ্তাহিক ছুটিরদিনেও কাজ করতে পারবেন তারা
  • জাপানে প্রতি ঘন্টা খন্ডকালীন কাজ করলে ১০০০ থেকে ১২০০ বাংলাদেশি টাকা আয় করা যায়, এবং মাস শেষে যা বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখের মতো।
  • একজন শীক্ষার্থী পড়ালেখা চলাকালীন সময় তার সমস্ত খরচ বাদ দিয়েও দেশে ৭০ থেকে ৮০ হাজার থেকে টাকা পাঠাতে পারবে।

বৈধ ভিসা নিয়েও আমেরিকায় ঢুকতে পারলেন না আরিফুল

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসা ছিল খুলনার মো. আরিফুল ইসলামের। দু’বছর ধরেই নিয়মিত ছাত্র ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের লসএঞ্জেলেসে অবস্থিত ‘ক্যালিফোর্নিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র।
 সম্প্রতি দেশে বেড়াতে আসেন তিনি। কিন্তু ফেরার পথে আটকে যান আরিফুল (৩৩)।
লসএঞ্জেলেস এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তার কাছে জানতে চান যে, তিনি কেনো ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করেছেন? সে ধরণের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট)তো তার নেই। এমন জিজ্ঞাসায় হতভম্ব আরিফুল এক পর্যায়ে তার ভিসা বাতিলের সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য হন। এরপর গত রোববার তাকে ঢাকাগামী একটি ফ্লাইটে ধরিয়ে দেয়া হয়। ইমিগ্রেশন অফিসের উদ্ধৃতি দিয়ে লসএঞ্জেলেসের কমিউনিটি লিডার মমিনুল হক বাচ্চু এ তথ্য জানান।
 তিনি জানান, এর আগে জাকির হোসেন নামক আরেক বাংলাদেশিকে ইমিগ্রেশন কোর্ট থেকেই গ্রেফতার করা হয়। তার প্যারলের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্যের সত্যতা স্বীকার করে জানান, ইমিগ্র্যান্ট, নন-ইমিগ্র্যান্ট অথবা ট্যুরিস্ট ভিসার অপব্যবহারকারীদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে ‘গ্রিনকার্ড’ পেয়েছেন, তারা যদি বছরের অধিকাংশ সময়ই যুক্তরাষ্ট্রে না থাকেন, তাহলে তাদের গ্রিনকার্ডের প্রয়োজন নেই বলেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
ইমিগ্রেশন বিষয়ক আইনজীবিদের ভাষায়, নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং গ্রিনকার্ডধারীরা বাংলাদেশে যাতায়াতকালে যেন অবশ্যই অভিজ্ঞজনদের পরামর্শ নেন। বিশেষ করে, যারা ট্যুরিস্ট অথবা বিজনেস ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসতে চান, তাদের উচিত হবে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সঙ্গে রাখা। কার সাথে কী ব্যবসা করবেন বা করছেন, তারও দলিলপত্র থাকা উচিত। আর যারা গ্রিনকার্ড নিয়ে ঘনঘন দেশে যাতায়াত করেন, তাদেরও বিশ্বাসযোগ্য বক্তব্য দিতে হবে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে।
এক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের অসুস্থতা কিংবা নিজের অসুস্থতার কথা বলতে হলে, অবশ্যই চিকিৎসার কাগজপত্র ও মেডিক্যাল রিপোর্ট সঙ্গে রাখা জরুরী। কেউ যদি বলেন যে, দেশে তার সহায়-সম্পদ অথবা ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে, সেগুলোর তদারকি করতে হয়, তাহলেও এর সমর্থনে কাগজপত্র রাখা দরকার। অন্যথায় গ্রিনকার্ড কেড়ে নিয়ে ফিরতি ফ্লাইটেই ফেরত আসতে হতে পারে।

টেক্সাসে বন্যার পানিতে ভাসছে হাজারো বাংলাদেশির ঘর-বাড়ি


ক্রান্তীয় ঝড়ে পরিণত হওয়া হার্ভের প্রভাবে ভারি বৃষ্টিপাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন সিটি ও তার আশপাশে কয়েকটি এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে হাজারো বাংলাদেশির ঘর-বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। বন্যায় প্লাবিত এলাকা থেকে রবিবার সন্ধ্যায় কয়েক শত বাংলাদেশিসহ ২ হাজার জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
হিউস্টন এলাকার ২২ সহস্রাধিক বাংলাদেশির প্রতিনিধিত্বকারি ‘বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব হিউস্টন’র ভাইস প্রেসিডেন্ট খালেদ জুলফিকার খান রবিবার দিবাগত রাত ১২টায় এ সংবাদদাতাকে জানান, ‘আমাদের বাড়িও পানিতে ভাসছে। হিউস্টনের পুরো পৌর এলাকা জুড়ে বন্যা সতর্কতা জারি করেছে ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস)। নজিরবিহীন পরিস্থিতি বিরাজ করছে সর্বত্র। ’
তিনি বলেন, ‘১৯৮২ সাল থেকে আমি এই সিটিতে বসবাস করছি। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি আর কখনো দেখিনি। ক্লিয়ার লেইক, লীগ সিটি, ডিকেনসন, ক্যাটি, সাইপ্রেস, সুগারল্যান্ড, সীলি, ফ্রেন্ডসউড প্রভৃতি এলাকার বাংলাদেশির নিচ তলায় পানি উঠেছে। অনেকেই দু’তলায় আশ্রয় নিয়েছেন। কমপক্ষে ৫ শত পানিবন্দী বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। ’ রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে যে, আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার মত রাস্তাও নেই। কারণ, সব রাস্তা এখন কয়েক ফুট পানির নীচে।
রবিবার সন্ধ্যায় পর্যন্ত গত ৪৮ ঘণ্টায় টেক্সাসের হিউস্টন ও গালভেস্টনে ৭৬২ মিলিমিটার থেকে ৮১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আরও ৭৬২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের আশংকার কথা জানিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া দফতর। পূর্বাভাসে বলা হয়, “হিউস্টনে বন্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। টেক্সাসের দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার অন্যান্য অঞ্চলেও বন্যা হওয়ার জোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ”
গত ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে শুক্রবার রাতে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে আঘাত হানে হার্ভে। হিউস্টন সিটি মেয়র সিলভেস্টার টারনার পুরো সিটিতে জরুরী অবস্থা ঘোষণার পর জানিয়েছেন, ‘সবগুলো সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। যানবাহন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই নেহায়েত বিপদে না পড়লে কেউ যেন ৯১১ এ ফোন না করেন। নীচ তলায় পানি উঠা বাড়ি-ঘরের লোকজনকে ছাদে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন এই মেয়র।
মেক্সিকো সাগর সংলগ্ন কর্পাস ক্রিস্টি সিটির বাংলাদেশী ব্যবসায়ী রহিম র‌্যা নিহাল রবিবার রাতে এ সংবাদদাতাকে জানান, ‘আমার একটি সুপার মার্কেটসহ বেশ কটি বাড়ির দেয়াল ভেঙ্গে গেছে। হার্ভের তান্ডবে ক্ষত-বিক্ষত পুরো এলাকা। জনজীবন জিম্মি হয়ে পড়েছে প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের কাছে। ’
যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক রহিম আরো বলেন, ‘হারিকেন হার্ভের গতি দুর্বল হলেও জলোচ্ছ্বাস এবং লাগাতার ঝড়ো হাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে হিউস্টন সিটির ডাউন টাউন থেকে করপাস ক্রিস্টি পর্যন্ত সর্বত্র এক ধরনের ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কয়েক হাজার বাংলাদেশিসহ ২ লক্ষাধিক মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন ২৪ ঘণ্টা আগে থেকে। ’
অপরদিকে খালেদ খান আরও জানান, ‘দুর্যোগের কারণে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিউস্টন সিটির সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ৫০টি কাউন্টিতেই জরুরী অবস্থা জারি করেছেন রাজ্য গভর্ণর। অর্থাৎ শুক্রবার পর্যন্ত গোটা এলাকার মানুষই গৃহবন্দি কিংবা পানি বন্দি হয়ে থাকতে হচ্ছে। ’ পানিতে ডুবে যাওয়ায় হিউস্টন সিটির দুটি এয়ারপোর্টই বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে হিউস্টন হবী এবং জর্জ বুশ এয়ারপোর্ট। এরফলে এ দুটি এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইটের যাত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে আটকা পড়েছেন।
শুক্রবার রাত ১১টায় ঘন্টায় ২০৯ কিলোমিটার বাতাসের বেগ নিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি টেক্সাস উপকূল অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্প এলাকায় তান্ডব চালায়। তবে ধীরে ধীরে শক্তিক্ষয় হয়ে এটি ক্রান্তীয় ঝড়ে পরিণত হয়।
ঝড় ও বন্যায় রোববার রাত পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও দুই জন মারা যাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে অঙ্গরাজ্য প্রশাসন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। যদিও হাসপাতালগুলো আগেই খালি করা হয় ভয়ংকর হারিকেনের আতঙ্কে। রেডক্রস তাদের ভ্রাম্যমান চিকিৎসা কেন্দ্রে গুরুতরভাবে আহতদের চিকিৎসা দিচ্ছে।
টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট জানিয়েছেন, ‘অঙ্গরাজ্যটির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর আবর্জনা ও ধ্বংসস্তুপ পরিষ্কার করার জন্য তিনি সামরিক বাহিনীর এক হাজার ৮০০ সদস্যকে মোতায়েন করেছেন এবং আরো এক হাজার লোক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত থাকবে।
টেক্সাসের দুর্যোগ কবলিত এলাকা পরিদর্শনের জন্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেখানে যাচ্ছেন মঙ্গলবার। হোয়াইট হাউজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনসহ যাবতীয় কাজে ফেডারেল প্রশাসন সহায়তা দেবে বলেও অঙ্গরাজ্য প্রশাসনকে-এ কথা জানিয়েছে দেওয়া হয়েছে।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates