Social Icons

Saturday, September 1, 2018

সারাদেশে সরকারের পতনের আওয়াজ উঠেছে: রিজভী

সারাদেশের আকাশে বাতাসে আপনাদের পতনের আওয়াজ উঠেছে। প্রতিটি গাছের পাতায় পাতায় আপনার পতনের আওয়াজ উঠেছে। আপনাদের পতন অবশ্যম্ভাবী। কিন্ত আপনি টের পাচ্ছেন না’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত জনসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শনিবার দুপুর ২টায় এই জনসভা শুরু হয়।
রিজভী বলেন, কিসের নির্বাচন? দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা ছাড়া নির্বাচন হবে না। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া নির্বাচন হবে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভোটের দরকার নাই, দরকার ক্ষমতার। ক্ষমতায় থাকলে লুট করা যায়।’
জনসভা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দুপুর ২টায়। এতে সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
ট্রাকের ওপর নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব ও আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবি খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হল মিলন, ঢাকা মহনগর দক্ষিণ বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আনজু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম।
এর আগে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গ দলের নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে নেতাকর্মীদের নয়াপল্টনমুখী স্রোত তৈরি হয়েছে।
‘খালেদা জিয়া ভয় নেই রাজপথ ছাড়ি নাই’,‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই’, ‘আজকের এই দিনে জিয়া তোমায় মনে,’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত করে তোলে নয়াপল্টনের আশপাশ এলাকা।
জনসভায় যোগ দিতে আসা গাজীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সায়্যেদুল আলম বাবুল বলেন, আজকের এই জনসভা জনসমূদ্রে পরিণত হয়েছে। আমাদের একটাই দাবি দেশনেত্রীর মুক্ত চাই।

যৌবন ধরে রাখতে যা খাবেন


দৈনন্দিন জীবনে খাদ্যাভাসই পারে আপনার যৌবন ধরে রাখতে। বেশি কিছু না হাতের নাগালে থাকা কিছু খাবার নিয়মিত খান। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং খাদ্যভ্যাস আপনার বয়সের ছাপ ভিতর থেকে প্রতিরোধ করতে পারে। এমন কিছু খাবারের কথা জেনে নিন, যে খাবারগুলো নিয়মিত খেলে বলিরেখা পড়া থেকে বাঁচিয়ে ত্বককে করে তুলবে যৌবনদীপ্ত।
বাদাম : চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে বাদামের জুড়ি নেই। বাদাম বা বিশেষ করে আখরোটে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে যা ত্বককে মসৃণ করে ভিতর থেকে উজ্জ্বল করে তোলে। আখরোটে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব কম থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আপনি রাখতে পারেন যে কোনও বাদাম।
টমেটো : টমেটোতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান লাইকোপেন যা বিভিন্ন চর্মরোগ প্রতিরোধ করতে খুবই কার্যকর। এটি ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
অলিভ অয়েল : অলিভ অয়েল প্রতিদিন রান্নায় ব্যবহার করুন। এ ছাড়া এক চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে প্রতিদিন দু’বার করে ত্বকে মালিশ করুন। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং সেই সঙ্গে যে কোনও দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
পালং শাক : পালং শাকে রয়েছে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন এবং মিনারেল। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেণ্ট পাওয়া যায় যা দেহের ফ্রি র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে দেয় এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
হলুদ : হলুদে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লামমেটরি উপাদান যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আর তার সঙ্গে সঙ্গে বয়সের ছাপ পড়া রোধে বিশেষ সাহায্য করে থাকে।
ডালিম : দিনটা শুরু করুন এক গ্লাস ডালিমের রস খেয়ে। এটি আপনার ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করবে। ডালিমে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ত্বকের নমনীয়তা বজায় রেখে তাকে টানটান রাখতে সাহায্য করে।
ব্রকোলি : ডিটক্সিফিকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তারুণ্যে উজ্জ্বল ত্বকের জন্য। ব্রকোলিতে প্রচুর পরিমাণে ডিটক্সিফিকেশন আছে যা দেহ থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করে দিয়ে কোষকে সতেজ রাখে। সপ্তাহে দুই বা তিন দিন খাদ্য তালিকায় ব্রকোলি রাখুন। উপকার পাবেন।

Sunday, August 26, 2018

পরকীয়া বেশি উপভোগ করেন নারীরাই: গবেষণা


পুরুষদের বিরুদ্ধে ঝুড়ি ঝুড়ি অভিযোগ। তারা নাকি পরকীয়া করে। বিয়ে করা সত্ত্বেও, স্ত্রী বর্তমান থাকা সত্ত্বেও অন্য একজনের সঙ্গে সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ে। এই নিয়ে পুরুষদের দিকে ওঠা আঙুলের অভাব নেই। ব্যাপারটা যে একেবারে মিথ্যা তা নয়। কিন্তু জানেন কি, পুরুষের থেকে বেশি পরকীয়া উপভোগ করে নারীরা?
কোনও নারীর কথাটা শুনে আঁতে ঘা লাগবে, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু একটি সমীক্ষায় সম্প্রতি এমন তথ্যই প্রকাশ পেয়েছে। একজন গবেষক কয়েকজনকে নিয়ে একটি গবেষণা করেছিলেন। তার টার্গেট ছিল পরকীয়া করে এমন মানুষ। তা সে নারীই হোক বা পুরুষ। সেখানে কিছু অবাক করা বিষয় উঠে আসে।
প্রায় এক হাজার মানুষের উপর গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণা থেকে যে তথ্য উঠে এসেছে তা ‘জার্নাল অফ সেক্সুয়ালিটি’-তে প্রকাশ পেয়েছে। গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে, এর পিছনে রয়েছে স্বামী বা স্ত্রীকে প্রতারণা করার আনন্দ। এ এক অদ্ভুত আনন্দ। তাই স্বামী বা স্ত্রীকে প্রতারণা করে অনেকেই পরকীয়ায় জড়ায়। যৌনতা এক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান বিযয়। সপ্তাহে অন্তত দু’বার পরকীয়ার পার্টনারের সঙ্গে এরা সেক্স করে।
তবে শুধু যৌনতা নয়। মানসিক সুখও একটা বড়সড় জায়গা দখল করে রেখেছে। তবে এটি বেশিরভাগ সময় নারীদের ক্ষেত্রেই দেখা যায়। অনেক সময় নারীরা বিয়ের পর সুখে থাকে না। সাংসারিক অশান্তিই তাদের সংসার বিমুখ করে দেয়। ফলে স্বামীকে ছেড়ে অন্য পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায় নারীরা। অনেকে জানে হয়তো, সে সম্পর্ক চিরস্থায়ী নয়। হয়তো তা অলীক সুখ। কিন্তু ক্ষণিকের শান্তি তখন তাদের কাছে মহার্ঘ্য হয়ে ওঠে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে এটি দেখা যায় না। তবে ব্যতিক্রম কি আর নেই?
গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে পরকীয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে নারীদেরই পাল্লা ভারী। কারণ সম্পর্কে জড়ানোর ক্ষেত্রে তারাই এগিয়ে আসে আগে, দায়িত্ব নেয় বেশি। কারণ গবেষণা বলছে, মেয়েদের মধ্যে আবেগ থাকে বেশি। সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করলে তা তারা মেনে নিতে পারে না। তাই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে তারা। তবে ব্যতিক্রম এক্ষেত্রেও আছে। শুধুমাত্র যৌন চাহিদা মেটাতেও অনেক সময় নারীরা সম্পর্কে জড়ায়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

একাধিক যৌন সম্পর্কে বাড়ে ক্যানসার ঝুঁকি: গবেষণা

যৌনতা প্রাণীর জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যৌনতা দেয় সুখ। দেয় পরম তৃপ্তি। কিন্তু ভুল যৌনজীবন ডেকে আনতে পারে নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি।
চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা আবিস্কারের পর একটু হলেও কমেছিল যোনিমুখ ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু ফের মুখ থুবড়ে পড়ল চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অগ্রগতি।
চিকিৎসকদের কপালে ভাঁজ ফেলে ফের বাড়ছে সারভাইকাল ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা। শুধুই যোনি মুখের ক্যানসার নয়, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) সংক্রমণের কারণে বাড়ছে গলা ও অন্য বেশ কিছু অঙ্গে ক্যানসারের প্রবণতা।
যুক্তরাষ্ট্রের ওহিয়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির সাম্প্রতিক একটি গবেষণার রিপোর্ট অনুযায়ী,  ১৯৯৯ সালে এই ভাইরাস আক্রমণে ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩০ হাজার যা ২০১৫ সালে বেড়ে হয়েছে ৪৩ হাজার। হঠাৎ এই উলটো পুরাণের কারণ নিয়ে চিকিৎসক মহলে উদ্বেগ যত বেড়েছে ততই খোঁজ পড়েছে প্রকৃত কারণের।
এইচপিভি ভ্যাক্সিনে ফল মিলছে না বলে মানতে নারাজ বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, টিকাকরণে সাফল্য না মেলায় রোগের পুনরাবির্ভাব ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্রে ছেলে হোক বা মেয়ে, বয়ঃসন্ধি পেরলেই এইচপিভি ভ্যাক্সিন নিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
যদিও ভ্যাক্সিন নিতে মানুষকে যথেষ্ট উৎসাহী করা যায়নি। বরং টিকাকরণের বিষয়ে সাধারণের উৎসাহে বেশ কিছুটা ভাটা পড়েছে।
অন্যদিকে, বয়ঃসন্ধির গণ্ডি পেরতে না পেরতেই শুরু হয়ে যায় অবাধ যৌন সম্পর্ক। যৌবনের চাহিদা পূরণে এক শরীর থেকে অন্য শরীরে পৌঁছে যেতেও দেরি হয় না। আর সেই বহু মিলনের সুযোগেই শরীরে ঢুকে পড়ে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।
এই ভাইরাসের সংক্রমণে শুধু যৌনাঙ্গই নয়, সঙ্গে মলদ্বার, ঠোঁট, মুখ, গলাতেও ক্যানসার হতে পারে। সবমিলিয়ে এগারো বছর বয়স হলেই ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে সবােইকে টিকাকরণে উৎসাহী করাই এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্চ।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিনি।

তিনটি লক্ষণ বলে দেবে আপনি ভুল সম্পর্কে আছেন

সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে তখন ভালো মন্দ বুঝার হুঁস থাকেনা। বিশেষত প্রেমের ক্ষেত্রে সঙ্গীর আচরণ আমাদের মানসিকভাবে অবসন্ন করতে পারে এবং বিভিন্ন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে। তিলে তিলে গড়ে তোলা একটা সম্পর্কে যখন সমস্যা দেখা দেয় তখন আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতেও বেশ সমস্যা হয়। কিন্তু অনেক সময়েই সম্পর্কে সমস্যার আসল কারণটা খুঁজে বের করা অসম্ভব মনে হয়। সেই কারণেই আমরা বেশ কিছু কারণ খুঁজে বের করেছি যা দেখলেই আপনি বুঝবেন সঙ্গীর সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা সুস্থ- স্বাভাবিক নাকি জটিল?  
সম্পর্কটা সুস্থ-স্বাভাবিক নয়, তা বোঝার কয়েকটা লক্ষণ এখানে তুলে ধরা হলঃ

১. আপনার মনের কথা আপনি বলেন না বা বলতে পারেন না
আপনার মনের কথা বলার থেকে বারবার যদি আপনাকে পিছপা হতে হয় তবে বুঝবেন নিশ্চয়ই কোনও গলদ আছে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গী আপনার নিরাপদ আশ্রয় হওয়া উচিত, যেখানে আপনি নির্দ্বিধায় মনের কথা বলতে পারেন। কিন্তু আপনাকে সে বুঝবে না এই ভেবে যদি আপনি পিছিয়ে আসেন অথবা আপনার কথায় ঝগড়া অশান্তি হবে এই ভয়ে যদি আপনি সব সময় ব্যতিব্যস্ত হয়ে থাকেন তবে আমরা আপনাকে বলবো আপনি ভুল মানুষের সঙ্গে রয়েছেন। প্রত্যেকটা মজবুত সম্পর্কের ভিত হল বিশ্বাস।
২. আপনি বোর হয়ে গেছেন
আপনি কি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে থাকতে বোর হয়ে যান? সে আশপাশে থাকলেই আপনার বিরক্তি লাগে? তার সঙ্গে সময় কাটানোর থেকে আপনার একা থাকতে ভাললাগে? এমন হলে আপনাদের একসঙ্গে বসে কথা বলে এই বিষয়ে মীমাংসা করা প্রয়োজন। আর আপনার যদি নিজের সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছাটুকুও না থাকে তবে আপনার সত্যিই এই বিষয়টা নিয়ে ভেবে দেখা প্রয়োজন। প্রয়োজনে সম্পর্কটা শেষ করে দিন। কারণ, জীবনটা অনেক বড়। চিরকাল তো আর আপনি বোর হতে পারেন না!
৩. প্রতি মুহূর্তে আপনি নিজেকে প্রশ্ন করে চলেছেন
আপনি জীবনের এমন একটা পর্যায় চলে গেছেন যেখানে আপনি নিজের প্রতিটা কাজের জন্য নিজেকে প্রশ্ন করেন। অবস্থাটা এমনই যখন আপনি সম্পর্কের প্রতিটা সমস্যার জন্য নিজেকে দোষারোপ করেন। এক্ষেত্রে সমস্যা অত্যন্ত গুরুতর। আর তাই আপনার উচিত এবার সময় নিয়ে ভেবে দেখে সম্পর্কটা শেষ করা।
এসি  

ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টে ৫৯ বাংলাদেশির নাম


ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টে ঝুলছে ৫৯ বাংলাদেশির নাম। তাদের কেউ আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন, কেউ গডফাদার। কেউ মানবতাবিরোধী অপরাধী। আবার কেউ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামি। এ তালিকায় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর খুনিরাও। বছরের পর বছর তারা গা-ঢাকা দিয়ে আছে বিভিন্ন দেশে। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি কার্যকর করতেই বাংলাদেশ থেকে ইন্টারপোলের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। ইন্টারপোল তাদের ওয়েবসাইটে এসব অপরাধীর নাম ও ছবি প্রকাশ করেছে।
বর্তমানে তালিকায় থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে নানান জটিলতার কারণে বছরের পর বছর চেষ্টা চালিয়েও এসব অপরাধীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না।
ইন্টারপোলের রেড নোটিশে যাদের নাম রয়েছে তারা হল- রফিকুল ইসলাম, প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, আমিনুর রসুল, হারিস আহমেদ, জাফর আহমেদ, আবদুল জব্বার, নবী হোসাইন, জিসান, তৌফিক আলম, মিন্টু, শাহাদাত হোসাইন, আতাউর রহমান, নাসির উদ্দিন রতন, চাঁন মিয়া, প্রশান্ত সরদার, সুলতান সাজিদ, হারুন শেখ, মনোতোষ বসাক, আমিনুর রহমান, গোলাম ফারুক অভি, রাতুল আহমেদ বাবু, হাসন আলী ওরফে সৈয়দ মো. হাছন, সৈয়দ মোহাম্মদ হোসাইন ওরফে হোসেন, জাহিদ হোসেন খোকন, আবদুল হারিস চৌধুরী, আবদুল জব্বার, আহমেদ কবির ওরফে সুরত আলম, রফিকুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন খান, হাসেম কিসমত, শরিফুল হক ডালিম, মোল্লা মাসুদ, মো. ইউসুফ, মো. নাঈম খান ইকরাম, মকবুল হোসাইন, সালাহউদ্দিন মিন্টু, খন্দকার আবদুর রশিদ, মঈন উদ্দিন চৌধুরী, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, আলহাজ মাওলানা মো. তাজউদ্দিন মিয়া, আশরাফুজ্জামান খান, খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ চৌধুরী আতাউর রহমান, ত্রিমতি সুব্রত বাইন, আবুল কালাম আজাদ, সৈয়দ, আমান উল্লাহ শফিক, নুরুল দিপু, আহমেদ মঞ্জু, চন্দন কুমার রায়, এএম রাশেদ চৌধুরী, মোসলেহ উদ্দিন খান, নাজমুল আনসার, আবদুল মাজেদ, আহমেদ শারফুল হোসাইন, কালা জাহাঙ্গীর ওরফে ফেরদৌস, খন্দকার তানভীর ইসলাম জয়, শামীম আহমেদ।
ইন্টারপোলের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিচার বা দণ্ড ঘোষণার জন্য বাংলাদেশের বিচার কর্তৃপক্ষের কাছে ওয়ান্টেড ব্যক্তিরা পলাতক। রেড নোটিশের মাধ্যমে তাদের অবস্থান জানা এবং গ্রেফতারের চেষ্টা করা হয়। ওই ব্যক্তিরা যে দেশে দোষী সাব্যস্ত হয় সেই দেশে প্রত্যর্পণে সহায়তা করে ইন্টারপোল।

বন্ধ হয়ে গেলো মালয়েশিয়ায় শ্রমিক রপ্তানির প্রক্রিয়া

একটি সংঘবদ্ধ চক্রের অনৈতিক ব্যবসা পরিচালনার কারণে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে গেলো। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশের শ্রমিক নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কুয়ালালামপুর থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ১৪ আগস্ট মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিশেষ কমিটির বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়া ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে জানিয়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব নমিতা হালদার বলেন, ‘মালয়েশিয়া শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত ২১ আগস্ট আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।’
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মাহাথির মোহাম্মদ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগে সংঘবদ্ধ চক্রের যুক্ততা আর বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রসংগটি তুলেছিলেন। ফলে মালয়েশিয়া যে কঠোর কোনো ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে, তার আভাস ছিলো।
বৈদেশিক কর্মসংস্থানে জড়িত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সংগে কথা বলে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা দেশের জন্য যথেষ্ট ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ গত কয়েক বছরে সৌদিআরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের পরের স্থানটি মালয়েশিয়ার। তাই এ বাজার বন্ধ হওয়াটা দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান আর রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে অনিবার্যভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
কুয়ালালামপুর থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ২১ আগস্ট বাংলাদেশকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের সরকারের মধ্যে ২০১৫ সালের ২৬ আগস্টের ঐকমত্য অনুযায়ী শ্রমিক নিয়োগ বা বাতিলের অধিকার মালয়েশিয়ার রয়েছে। সে অনুযায়ী মালয়েশিয়া শ্রমিক নিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিয়োগ বন্ধের এ সিদ্ধান্ত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। শ্রমিক নিয়োগের বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দুই দেশের মন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
যে কারণে শ্রমিক রপ্তানি স্থগিত হলো:
মালয়েশিয়ার দৈনিক নিউ স্ট্রেইটস টাইমস-এর খবরে বলা হয়েছে, বিদেশি শ্রমিক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক বিশেষ কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সংগে কথা বলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি সে সময় বলেন, জনশক্তি রপ্তানিতে একতরফা ভেঙে দেওয়া এবং লোক পাঠানের খরচ কমাতে বাংলাদেশ সরকারের সংগে আলোচনা চলছে। এখন শুধু ১০টি এজেন্সি বাংলাদেশের লোকজনকে মালয়েশিয়ায় পাঠাতে পারে। এটি একধরনের একচেটিয়া প্রক্রিয়া।
এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দেওয়ার প্রসংগে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ব্যবসাটিকে বাংলাদেশের সব এজেন্টের জন্য খুলে দিতে চাই। এতে করে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বাড়বে, জনশক্তি রপ্তানির খরচ কমবে। বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে শ্রমিক নিয়োগের ব্যাপারে একটি অভিন্ন পন্থা অনুসরণ করা হবে। এ জন্য সাবেক প্রধান বিচারপতি কিংবা সাবেক মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি স্বাধীন টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। কমিটি শ্রমবাজারের বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে।’
জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক সভাপতি বেনজির আহমেদ বলেন, মালয়েশিয়ায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাজার স্থগিতের কথা শুনিনি। মালয়েশিয়ার সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকলে তা আমাদের জনশক্তির বাজারের জন্য বিরাট ক্ষতি হবে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, মালয়েশিয়ার সরকার ভবিষ্যতে শুধু ১০টি এজেন্সি নয়, বাংলাদেশের সব এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত করবে।’
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই অর্থাৎ প্রথম সাত মাসে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৫৩৬ জন বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে গেছেন। তাঁদের মধ্যে শুধু সৌদি আরব আর মালয়েশিয়ায় ১ লাখের বেশি শ্রমিক গেছেন। এ সংখ্যা যথাক্রমে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৭৭ ও ১ লাখ ৯ হাজার ৫৬২। এ ছাড়া ২০১৭, ২০১৬ ও ২০১৫ সালে মালয়েশিয়াগামী বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯৯ হাজার ৭৮৭, ৪০ হাজার ১২৬ এবং ৩০ হাজার ৪৮৩। সূত্র- প্রথম অালো।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates