রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা বলেছে, রাখাইনে সেনা শক্তির অপব্যবহার করছে মিয়ানমার সরকার।
এ ইস্যুতে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি তুলেছে সংস্থাটি।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মুখপাত্র ফ্রেদেরিকা মেঘোরিনি বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে সেনা শক্তির অপব্যবহার করছে মিয়ানমার সরকার। সেখানকার হাজার হাজার মানুষ নিপীড়নের শিকার।
অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মিয়ানমারকে সরকারকে আহ্বান জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
পাশাপাশি সেখানকার মানবাধিকার লংঘনের বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত দাবি করছে ইইউ।
এদিকে জাতিসংঘেরর স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ইউএনএফপিএর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে গত দুই মাসে সেখানে তীব্র স্বাস্থ্যসেবায় তীব্র সংকটে ভুগছে রাখাইনের মংডু এলাকা। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রাজ্যটির ৭ হাজারের বেশি গর্ভবতী নারী।
Sunday, December 4, 2016
বিপিএলের শেষ চারে ঢাকা-চিটাগাং-রাজশাহী-খুলনা
সাত ম্যাচ জিতে আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করে রাখে ঢাকা ডায়নামাইটস। শনিবার রাজশাহীর কাছে হেরেও শেষ চারে উঠে যায় চিটাগাং ভাইকিংস। রোববার কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে রংপুর রাইডার্সের ৮ রানের হারে সেরা চারে পা রাখে রাজশাহী কিংস। পয়েন্ট সমান হওয়ায় অপেক্ষা ছিল খুলনা টাইটান্স ও রংপুর রাইডার্স। তবে ঢাকা ডায়নামাইটসকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করল খুলনা টাইটান্স। রিয়াদদের জয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল রংপুর রাইডার্স।
১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা। শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি সব দলগুলোর পয়েন্ট ছিল ১২ করে। রান রেটে এগিয়ে থাকায় সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে চিটাগাং ও রাজশাহী। ঢাকাকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বর জায়গাটা দখল করল খুলনা।
যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, রাজশাহী ও চিটাগাং ভাইকিংসের মধ্যে হচ্ছে এলিমিনেটর রাউন্ড। সেই ম্যাচের জয়ী দল খেলবে ঢাকা-খুলনার মধ্যে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচের বিজয়ীর সাথে।
এবারের আসরে যেভাবে শুরু করেছিল রংপুর রাইডার্স তাতে অনেকেই ভাবেনি যে, শেষ চারে যেতে দলটিকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের দিকে। প্রথম ছয় ম্যাচের চারটিতেই চিটাগাং, খুলনা,বরিশাল আর কুমিল্লাকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল আফ্রিদিরা।
তবে চিটাগাং-পর্বে এসে খেই হারিয়ে ফেলে উত্তরাঞ্চলের দলটি। টানা চার ম্যাচ হেরে হিসাব থেকে ছিটকে পড়ে নাঈম ইসলামের দল। শনিবার বরিশালকে হারিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও শেষ ম্যাচে কুমিল্লার কাছে ৮ রানে হেরে যায় সৌম্য-নাঈমরা।
অপরদিকে যোগ্য দল হিসেবেই শেষ চারে জায়গা করে নিল খুলনা। চার ম্যাচ জয়ের পর টানা তিন ম্যাচ হেরে যাওয়াতে বিদায়ের একটা সম্ভাবনা জাগলেও রিয়াদের দারুণ ব্যাটিং আর কৌশলী অধিনায়কত্বে শেষ পর্যন্ত সুপার ফোর নিশ্চিত করল খুলনা। আজও দলের প্রয়োজনে ২৮ বলে ৫০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে গেলেন বিপিএলের পরের অংকে।
১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে সাকিব আল হাসানের ঢাকা। শীর্ষ পাঁচে থাকা বাকি সব দলগুলোর পয়েন্ট ছিল ১২ করে। রান রেটে এগিয়ে থাকায় সুপার ফোর নিশ্চিত করেছে চিটাগাং ও রাজশাহী। ঢাকাকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বর জায়গাটা দখল করল খুলনা।
যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, রাজশাহী ও চিটাগাং ভাইকিংসের মধ্যে হচ্ছে এলিমিনেটর রাউন্ড। সেই ম্যাচের জয়ী দল খেলবে ঢাকা-খুলনার মধ্যে প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচের বিজয়ীর সাথে।
এবারের আসরে যেভাবে শুরু করেছিল রংপুর রাইডার্স তাতে অনেকেই ভাবেনি যে, শেষ চারে যেতে দলটিকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের দিকে। প্রথম ছয় ম্যাচের চারটিতেই চিটাগাং, খুলনা,বরিশাল আর কুমিল্লাকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছিল আফ্রিদিরা।
তবে চিটাগাং-পর্বে এসে খেই হারিয়ে ফেলে উত্তরাঞ্চলের দলটি। টানা চার ম্যাচ হেরে হিসাব থেকে ছিটকে পড়ে নাঈম ইসলামের দল। শনিবার বরিশালকে হারিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেও শেষ ম্যাচে কুমিল্লার কাছে ৮ রানে হেরে যায় সৌম্য-নাঈমরা।
অপরদিকে যোগ্য দল হিসেবেই শেষ চারে জায়গা করে নিল খুলনা। চার ম্যাচ জয়ের পর টানা তিন ম্যাচ হেরে যাওয়াতে বিদায়ের একটা সম্ভাবনা জাগলেও রিয়াদের দারুণ ব্যাটিং আর কৌশলী অধিনায়কত্বে শেষ পর্যন্ত সুপার ফোর নিশ্চিত করল খুলনা। আজও দলের প্রয়োজনে ২৮ বলে ৫০ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলকে নিয়ে গেলেন বিপিএলের পরের অংকে।
Labels:
খেলাধুলা
অর্থাভাবে ভোট পুনঃগণনা হচ্ছে না পেনসিলভানিয়ায়
উইসকিনসনের পাশাপাশি পেনসিলভানিয়ায় ভোট পুনঃগণনার আবেদন করার কথা জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জিল স্টেইন। কিন্তু সেখানে ভোট পুনঃগণনা হচ্ছে না। রাজ্যের আদালতের পক্ষ থেকে জিল স্টেইন ও গ্রিন পার্টির সমর্থকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জানানো হয়, ভোট পুনঃগণনার জন্য যেই ১০ লাখ ডলার দেয়ার ক্ষমতা গ্রিন পার্টির নেই।
গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী স্টেইন উইসকিনসন, মিশিগান ও পেনসিলভানিয়ায় ভোট পুনঃগণনার জন্য আবেদনের ঘোষণা দেন। তার এই ঘোষণা অনুসারে উইসকিনসন রাজ্য ভোট পুনঃগণনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু পেনসিলভানিয়া রাজ্যে ভোট পুনঃগণণার আবেদন করতে ১০ লাখ ডলারের একটি বন্ডে স্বাক্ষর করতে হবে। এই বন্ড অনুসারে ভোটের ফলাফলে ভুল না মিললে ১০ পাউন্ড ডলার নির্বাচন বিভাগ নিয়ে নেবে।
রাজ্যের আদালত জানায়, যারা পিটিশন করেছেন, তারা সাধারণ মানুষ। তারে এই আবেদনের জন্য ১০ লাখ মার্কিন ডলার দিতে সক্ষম নয়।
এদিকে কোর্টের এই রায়ের পর এক টুইট বার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গ্রিন পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জিল স্টেইন বলেন, ভোট পুনঃগণনার খরচ অনেক বেশি। কারণ নির্বাচিতরা ২১ শতকের নির্বাচনের জন্য কোন অর্থ প্রদানে রাজি নয়।
Labels:
আন্তর্জাতিক
সুচিকে রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধ করতে হবে : মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রী
অং সান সুচিকে অবশ্যই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো গণহত্যা বন্ধ করতে হবে বলে বক্তব্য দিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। এই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে নোবেল জয়ী সুচির নিষ্ক্রিয়তার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
রবিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পাঁচ হাজার জন নাগরিককে নিয়ে করা র্যালিতে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সমবেত মানুষের উদ্দেশ্য নাজিব রাজাক বলেন, এমন নোবেল পুরস্কার দিয়ে কি করবেন অং সান সুচি। আমরা সুচি কে বলতে চাই যথেষ্ট হয়েছে। আমাদের অবশ্যই মুসলিম ও ইসলামকে রক্ষা করতে হবে।
তিনি জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'আল্লাহু আকবার। (আল্লাহ মহান)'
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা চাই ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।
এ সময় তিনি আকুতি জানিয়ে বলেন, অনুগ্রহ করে কিছু করুন। জাতিসংঘ কিছু করুন। বিশ্ব এভাবে বসে থেকে একটি গণহত্যা দেখতে পারে না।
উল্লেখ্য, স্যাটালাইট চিত্রে দেখা যায়, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দুটি গ্রাম সম্পূর্ণ আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেখান থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানায়, এই দুই গ্রামের বহু পুরুষকে ধরে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী, নির্বিচারে নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে। কোন কোন মা দাবি করেছেন, তাদের সামনে শিশুদের হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মুসলিম বিশ্বে সবচাইতে সোচ্চার দেখা গিয়েছে মালয়েশিয়াকে।
এএফপি।
Labels:
আন্তর্জাতিক
Wednesday, November 30, 2016
জেনে নিন বাই রোডে কিভাবে ভুটান যেতে পারবেন
ভূটানকে বলা হয় সৌন্দর্যের নগরী । ভূটানে যেতে যেহেতু বাংলাদেশীদের ভিসা লাগে না তাই অসংখ্য পর্যটক প্রতিবছরই ভূটান পাড়ি জমায় । অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন যে কিভাবে ভূটান যেতে হয় বাই রোডে । আজকের আয়োজনটা থাকছে আপনাদের প্রশ্নগুলোকে কেন্দ্র করে । আশা করি এই লেখনির মাধ্যমে অনেকেই উপকৃত হবেন ।
বাবার মুখে যখন প্রথম শুনেছিলাম তখন মনে হয়েছিলো এ যেন এক স্বপ্নের দেশকিন্তু বাস্তব যখন সামনে এসে দাঁড়ালো তখন দেখলাম ভূটান একটি সাজানো গোছানো পরিচ্ছন্ন ছবির মতো চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য নিয়ে বসে আছে । ভূটানে বাই রোডে কিভাবে যাবেন তা তুলে ধরা হলো ।
স্বপ্নের লীলাভূমি ভূটানে যেতে প্রথমেই আপনার ট্রানজিট ভিসা লাগবে । ট্রানজিট ভিসা আপনি শুধুমাত্র ঢাকার গুলশান শাখা থেকেই করিয়ে নিতে পারবেন । ট্রানজিট ভিসার বিস্তারিত বিবরণ আপনি নিচের লিঙ্কটিতে পাবেন ।
রাতে শ্যামলী এস আর বাসে উঠে পড়ুন । কল্যাণপুর থেকে রাত ৯ টায় এবং আরামবাগ থেকে রাত ৮ টায় ছাড়ে এই বাস । সকাল ৭-৮ টার মধ্যেই আপনি বুড়িমারি সীমান্তে পৌঁছে যাবেন । সকাল ৯ টায় ইমিগ্রেশনের অফিস খুলবে তখন আপনি ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সকল কার্যাদি সম্পন্ন করে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন । দুই বর্ডারের প্রয়োজনীয় কাজ সমাপ্ত হলে আপনি নির্দিষ্ট বাসে উঠে পড়ুন ।
এবার ইন্ডিয়া থেকে ভূটান যাবার জন্য ময়নাগুড়ি নামক জায়গায় নেমে অন্য একটি বাসে আপনাকে উঠতে হবে । ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৩০ রুপি । ভূটান-ইন্ডিয়া বর্ডারের কাছাকাছি যাবার জন্য এবার আপনাকে সাফারি নামক গাড়িতে উঠে পড়তে হবে । এরপর ৭ টাকা ভাড়া দিয়ে আপনাকে অটোতে উঠে বসতে হবে । অটোটি আপনাকে জয়গাও ইন্ডিয়ান ইমিগ্রশন অফিসে নামিয়ে দেবে । ইমিগ্রশন অফিসে এক্সিট সীল লাগিয়ে আপনি ভূটানে প্রবেশ করতে পারবেন । মনে রাখবেন কোন প্রকার ভূল তথ্য দেয়া যাবে না ।
কোন সমস্যাই হয় না ভূটান-ইন্ডিয়া বর্ডার পার হতে । ইমিগ্রশন পর্ব শেষ করেই সোজা চলে যাওয়া যায় ভূটানে । খাওয়া দাওয়াটাও চাইলে আপনি এখানেই সেরে নিতে পারেন, আমারমতে সেটাই ভালো হবে । তারপর আপনি আপনার নিজের ইচ্ছামতো পছন্দের শহরে চলে যেতে পারবেন ।
এখানে ঘুরে দেখার মতো রয়েছে থিম্পু, পারু, পোখারা এবং পুনাখা শহর ।
প্রথমই দিনই থিম্পু থেকে Punakha নামক শহরে যাওয়ার permit করিয়ে রাখলে পরবর্তীতে কোন সময় নষ্ট হবে না ।
অফিসিয়াল কাজ শেষে থিম্পুতে Zoo, Dzhong, Monestry ছিল কিন্তু বুদ্ধা পয়েন্ট মনে রাখার মতন ১টা জায়গা। অসম্ভব সুন্দর ১টা শহর। দেখলেই মন ভরে যায়।
দ্বিতীয় দিন: যাত্রা করুন পুনাখার উদ্দশ্যে। সকাল ১০টায় রওনা দিলে ২-২:৩০ ঘণ্টার মতন সময় লাগে পৌছাতে। যাওয়ার পথে Duchala, Punakha Dzhong, এবং Suspension Bridge তো মাথা নষ্ট করে দেয়। আবহাওয়া অন্য শহর থেকে একটু ভিন্ন কিন্তু খুবই উপভোগ্য। কেউ ভূটান গেল, কিন্তু পুনাখা গেল না, তাহলে তার ভূটান যাত্রাই অপূর্ণ। সারাদিন ঘুরে রাতে আবার থিম্পুতে ফিরে আসাটাই ভাল হবে কারন পুনাখাতে থাকার মতন ভাল হোটেল নেই। আর থিম্পু হয়ে যেহুতু পারোতে যেতে হবে তাই থিম্পুতে চলে যাওয়াটাই ভাল সিদ্ধান্ত।
তৃতীয় দিন: থিম্পু এবং পুনাখা দেখা শেষে যাত্রা করতে পারেন স্বপ্নের শহর Paro এর উদ্দেশে। Hotel Dragon এটা ইন্ডিয়ান হোটেল খুব সম্ভবত এর মালিক কলকাতার লোক । তাই এখানে সর্ব ধরনের বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। যেমন; সাদা ভাত, আলু ভর্তা, আলু ভাজি, শুকনা মরিচ দিয়া আলু ভর্তা, খাসির তরকারি, মুরগির তরকারি, সবজি এক কথায় পুরা ১৬ আনা বাঙালি খাওয়া তবে দাম একটু বেশি।
এখন আসি আসল কথায়, পারো হচ্ছে ভুটানের সবচেয়ে সুন্দর শহর, এই শহরেই ওদের একমাত্র আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট আছে। থিম্পু থেকে আসার পথে অনেক সুন্দর সুন্দর যায়গা আছে যা না দেখলেই নয়। এদের মধ্যে অন্যতম হল Case bridge. এটা যেমন মজার তেমনই ভয়ঙ্কর।
চতুর্থ দিন: এবার আপনি যেতে পারেন পারোর সব থেকে বড় আকর্ষণ Tiger Nest/ taksin. যেটা ওদের ধর্মীয় এবং পর্যটনের দিক থেকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক। তিন হাজার ফুট হেটে উঠতে হবে আবার নেমে আসতে হবে। পায়ে হাটার বিকল্প কোন ব্যবস্থা নাই। উঠতে সময় লাগতে পারে প্রায় ৩:৩০ ঘণ্টার মতন আবার নামতে সময় লাগে ১ ঘণ্টার বেশি। দিন শেষে এটাই হবে আপনার সব থেকে মজার এবং সারা জীবন মনে রাখার মতন একটা ঘটনা।
খরচাপাতি :
জনপ্রতি আপনার খরচ পড়বে ১৫-১৬ হাজার টাকা (শপিং ছাড়া)।
মনে রাখা ভালো, সময় স্বল্পতার জন্য আপনি হয়তো হাভেলি ও বুম্থাং-এর মতো আকর্ষণীয় জায়গায় যেতে পারেননি। হাভেলি, বুম্থাং ঘুরলে খরচ কিছুটা বাড়বে।
আর সব কিছুতে ট্যাক্সি বাদ দিয়ে পাবলিক বাসে ঘুরলে খরচ কিছু কম পড়বে কিন্তু সময় বেশি লাগবে।
মনে রাখা ভালো, সময় স্বল্পতার জন্য আপনি হয়তো হাভেলি ও বুম্থাং-এর মতো আকর্ষণীয় জায়গায় যেতে পারেননি। হাভেলি, বুম্থাং ঘুরলে খরচ কিছুটা বাড়বে।
আর সব কিছুতে ট্যাক্সি বাদ দিয়ে পাবলিক বাসে ঘুরলে খরচ কিছু কম পড়বে কিন্তু সময় বেশি লাগবে।
কিছু লক্ষণীয়
১. ভারতীয় ভিসাসহ পাসপোর্টের ফটোকপির কয়েক কপি, আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি সঙ্গে রাখবেন।
২. ন্যাশনাল আইডি কার্ডের দু-তিনটি ফটোকপি।
৩. চাকরিজীবী হলে NOC (No Objection Certificate) ও স্টুডেন্ট হলে আইডি কার্ডের দু-এক ফটোকপি।
৪. ভুটানে সরকারি ছুটি অনেক বেশি, তাই সরকারি ছুটির লিস্ট দেখে ভ্রমণ প্লান করলে ভালো।
৫. ভুটানে কোথাও কোনো মসজিদ ও মুসলিম রেস্টুরেন্ট আপনার চোখে পড়বে না। ভুটানিজ ভাত, ডাল, সবজি খুবই মজার। তারপরও আপনার প্রয়োজন মনে হলে, বাংলাদেশ থেকেই কিছু, আচার, চাটনি, বিস্কুট নিয়ে যেতে পারেন।
৬. ও হ্যাঁ, আরেকটা কথা, ভুটান শতভাগ ধূমপানমুক্ত দেশ। কিন্তু সবার জন্যই খোলা। কোথাও কোনো সিগারেট কিনতে পাবেন না, ধূমপানের মতো বদভ্যাস থাকলে সিগারেট সঙ্গে করে নিয়ে নেবেন। পরবর্তী সময়ে তা বারে (smoking zone), হোটেলে অথবা পাহাড়ে ধূমপান করতে পারবেন, কিন্তু ধরা পড়লে কোনো কথা নেই, নগদ মোটা অঙ্কের জরিমানা। তবে ধূমপান না করাই ভালো।
৭. নিজস্ব প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র বাংলাদেশ থেকেই নিয়ে গেলে ভালো।
১. ভারতীয় ভিসাসহ পাসপোর্টের ফটোকপির কয়েক কপি, আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি সঙ্গে রাখবেন।
২. ন্যাশনাল আইডি কার্ডের দু-তিনটি ফটোকপি।
৩. চাকরিজীবী হলে NOC (No Objection Certificate) ও স্টুডেন্ট হলে আইডি কার্ডের দু-এক ফটোকপি।
৪. ভুটানে সরকারি ছুটি অনেক বেশি, তাই সরকারি ছুটির লিস্ট দেখে ভ্রমণ প্লান করলে ভালো।
৫. ভুটানে কোথাও কোনো মসজিদ ও মুসলিম রেস্টুরেন্ট আপনার চোখে পড়বে না। ভুটানিজ ভাত, ডাল, সবজি খুবই মজার। তারপরও আপনার প্রয়োজন মনে হলে, বাংলাদেশ থেকেই কিছু, আচার, চাটনি, বিস্কুট নিয়ে যেতে পারেন।
৬. ও হ্যাঁ, আরেকটা কথা, ভুটান শতভাগ ধূমপানমুক্ত দেশ। কিন্তু সবার জন্যই খোলা। কোথাও কোনো সিগারেট কিনতে পাবেন না, ধূমপানের মতো বদভ্যাস থাকলে সিগারেট সঙ্গে করে নিয়ে নেবেন। পরবর্তী সময়ে তা বারে (smoking zone), হোটেলে অথবা পাহাড়ে ধূমপান করতে পারবেন, কিন্তু ধরা পড়লে কোনো কথা নেই, নগদ মোটা অঙ্কের জরিমানা। তবে ধূমপান না করাই ভালো।
৭. নিজস্ব প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র বাংলাদেশ থেকেই নিয়ে গেলে ভালো।
ভূটান এ হোটেলে অবশ্যই দামাদামি করে উঠবেন এতে ২০০/৩০০ টাকা প্রতিদিন শুধু হোটেলেই সেভ হবে।
কিছু প্রয়োজনীয় ফোন নাম্বার ও ঠিকানা দেওয়া হলো (যদি কারো প্রয়োজন পরে)
Hotel Choephal Norkye (Thimphu)
Tel: +975 17628400
এদের ডাবল বেড ১২০০ এবং ত্রিপল বেড ১৫০০ করে। খুবই স্ট্যান্ডার্ড হোটেল।
Hotel Choephal Norkye (Thimphu)
Tel: +975 17628400
এদের ডাবল বেড ১২০০ এবং ত্রিপল বেড ১৫০০ করে। খুবই স্ট্যান্ডার্ড হোটেল।
Yoesel Hotel 2 (Thimphu)
Tel: +975 77399406
+975 17852311
+975 17606447
এদের ডাবল বেড 700 এবং ত্রিপল বেড 900 করে। Moderate service।
Tel: +975 77399406
+975 17852311
+975 17606447
এদের ডাবল বেড 700 এবং ত্রিপল বেড 900 করে। Moderate service।
Hotel Dragon (Paro)
Tel: +975 8272174
+975 17762628
+975 17320473
এদের ডাবল বেড 1000 এবং ত্রিপল বেড 1300 করে। (This is the best, Bengali foods are available too)
Tel: +975 8272174
+975 17762628
+975 17320473
এদের ডাবল বেড 1000 এবং ত্রিপল বেড 1300 করে। (This is the best, Bengali foods are available too)
Labels:
ভ্রমণ
বাতিল হচ্ছে ই-টোকেন পদ্ধতি, পাঁচ বছর মেয়াদী ভিসা দেবে ভারত
প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ভারতে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন, বিশেষ করে দার্জিলিং, কলকাতা, মানালি এবং কাশ্মীর ভ্রমণ প্রবণতা দেখা যায় বাংলাদেশীদের মধ্যে । এজন্য ই-টোকেন করতে গিয়ে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন । যারা নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করেন তাদের জন্য সুখবর দিয়েছেন বাংলাদেশে দেশটির দূত হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা।
তিনি জানিয়ছেন, স্বল্প মেয়াদী ভিসার বদলে পাঁচ বছর মেয়াদী ভিসা দেয়ার চিন্তা করছে তার দেশ। এরইমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
শনিবার মাদারীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কেবল দীর্ঘ মেয়াদি ভিসা নয়, ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে ভোগান্তি যেনো কম হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করবে তার দেশ। শিগগিরই বাতিল করা হবে ভোগান্তির ই-টোকেন পদ্ধতি।
প্রতিবছর ভারতে যত দেশ থেকে মানুষ ঘুরতে যায় সংখ্যার বিচারে তারমধ্যে তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। কিন্তু বিপুল সংখ্যক ভ্রমণপ্রত্যাশী ভিসা সংগ্রহ করতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয়। নানা সময় নানা চেষ্টা করেও এই ভোগান্তি কমানো যাচ্ছে না।
তবে হাইকমিশনার বলছেন, ভিসা জটিলতার অবসান হবে শিগগিরই। তিনি বলেন, এখন কোনো ব্যক্তি শুধু একা নয়, গোটা পরিবার নিয়ে যেকোনো কাজের জন্য ভারতে যেতে পারবে। এজন্য এক বছর মেয়াদী নয়, এখন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদী ভিসার দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
ব্যবসা ছাড়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দিনের পুরো সময়টা যুক্তরাষ্ট্রের দেখভালের পেছনে ব্যয় করতে নিজের ব্যবসা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো স্বার্থদ্বন্দ্ব সৃষ্টি না হয় সে জন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। বুধবার এক টুইট বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। খবর রয়টার্স, এএফপির।
ট্রাম্প টুইট করেছেন, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ১৫ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে তিনি তার সন্তানদের নিয়ে বিশাল সংবাদ সম্মেলন করতে যাচ্ছেন। আমেরিকাকে আবারও মহান করার উদ্দেশ্যে যাতে তিনি সম্পূর্ণ মনোযোগী হতে পারেন সে জন্য ব্যবসায়িক কর্মকা পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে সেখানে। তিনি আরও লিখেছেন, আইনগতভাবে কোনো বাধা না থাকলেও তিনি মনে করেন এটি ছেড়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচনী প্রচারের সময় ব্যবসার কারণে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে কোনো ঝামেলা হবে না বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই আইনজীবী ও নৈতিক কাউন্সিলররা তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন ট্রাম্পের। বুধবার (স্থানীয় সময়) সকালে শেষ পর্যন্ত পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেন এই আবাসন ব্যবসায়ী।
ট্রাম্প টুইট করেছেন, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ১৫ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে তিনি তার সন্তানদের নিয়ে বিশাল সংবাদ সম্মেলন করতে যাচ্ছেন। আমেরিকাকে আবারও মহান করার উদ্দেশ্যে যাতে তিনি সম্পূর্ণ মনোযোগী হতে পারেন সে জন্য ব্যবসায়িক কর্মকা পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে সেখানে। তিনি আরও লিখেছেন, আইনগতভাবে কোনো বাধা না থাকলেও তিনি মনে করেন এটি ছেড়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচনী প্রচারের সময় ব্যবসার কারণে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে কোনো ঝামেলা হবে না বলে দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। তারপর থেকেই আইনজীবী ও নৈতিক কাউন্সিলররা তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন ট্রাম্পের। বুধবার (স্থানীয় সময়) সকালে শেষ পর্যন্ত পুরনো সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দিলেন এই আবাসন ব্যবসায়ী।
Labels:
আন্তর্জাতিক
Subscribe to:
Posts (Atom)







