Social Icons

Monday, December 5, 2016

রোহিঙ্গা শিশু হত্যার মর্মস্পর্শী চিত্র

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর গণহত্যা ও গণধর্ষণ থেকে রেহাই পেতে পলায়নরত রোহিঙ্গাবাহী নৌকায় গুলি চালিয়েছে দেশটির সীমান্তরক্ষী পুলিশ (বিজিপি)।

গুলিতে তিনটি নৌকাডুবির ঘটনায় চার শিশুসহ অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া  ৩১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

রোববার দিনগত রাতে রাখাইনের মংডুর উত্তরাঞ্চলে নাফ নদীতে এই ঘটনা ঘটে।

সোমবার মিয়ানমার সময় সকাল ৭টার দিকে নাফ নদীর তীরে দুটি শিশু এবং একজন নারীর মরদেহ পড়েছিল।



এরমধ্যে একটি শিশু মাটিতে এমনভাবে পড়েছিল যার সঙ্গে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বরে সিরিয়ার শরণার্থী শিশু আইলান কুর্দির মরদেহের সাদৃশ্য পাওয়া গেছে।

মালয়েশিয়াভিত্তিক রোহিঙ্গা ভিশন টিভির মাধ্যমে এই ছবিটি প্রচার হয়েছে যা এরইমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।  

শিশু হত্যার এই বিভৎস চিত্র দেখে অনেকেই মিয়ানমারের হাত থেকে রোহিঙ্গা শিশুদের উদ্ধারে দেশটিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপেরও দাবি জানিয়েছেন।

আরভিশন টিভি জানিয়েছে, ডুবে যাওয়া নৌকাগুলোর আরোহীদের বেশির ভাগই উত্তর মংডুর রাইমাবিল গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছিলেন।



গত ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন প্রদেশের মংডু এবং পার্শ্ববর্তী রাতেডং শহরের তিনটি চৌকিতে অজ্ঞাত পরিচয়ধারীদের হামলায় ১৩ জন সীমান্তরক্ষী নিহত হয়।

এ ঘটনার জন্য রোহিঙ্গা মুসলমানদের অভিযুক্ত করে তাদের গ্রামগুলোতে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে, অভিযানের নাম করে মিয়ামার সেনাবাহিনী, বিজিপি ও পুলিশের নেতৃত্বে রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানা হচ্ছে। তারা নারীদের ধর্ষণ, হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

এ অভিযানে এখন পর্যন্ত  ২৫০জন রোহিঙ্গা নিহত, সহস্রাধিক গ্রেফতার এবং বহু নারী ও কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ১০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘ রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর পরিচালিত নির্যাতনকে 'জাতিগত নিধন' বলে উল্লেখ করেছে।

ভালোবাসা, কাছে আসা এবং এক যৌনাঙ্গহীন তরুণীর গল্প

তখন তাঁর বয়স বড় জোর ১২। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা ডেভান মার্কের আঘাতটা আসে তখনই।
জানতে পারেন, তিনি যৌনাঙ্গহীন। অর্থাৎ তার শরীরে কোনও ভ্যাজাইনা নেই। কোনও দিনও যৌন মিলন করতে পারবেন না। মা-ও হতে পারবেন না। কিন্তু কৃত্রিম যৌনাঙ্গ নিয়ে সেই ডেভান-ই এখন মা হতে চলেছেন!
এই অতি বিরল শারীরিক অবস্থাটির ডাক্তারি পরিভাষায় নাম, মেয়ার-রকিট্যাস্কি-কাস্টার-হাউসার-সিন্ড্রোম। ২৩ বছর বয়সি ডেভানের অকপট স্বীকারোক্তি ঝড় তুলে দিয়েছে নেট-বিশ্বে। বহু নারীর প্রেরণা এখন তিনি। সম্প্রতি একটি বিরল অস্ত্রোপচার হয় ডেভানের। ডেভানের যৌনাঙ্গ ছিল না। ফলে যৌন মিলন কোনভাবেই সম্ভব ছিল না। ভালোবাসার মানুষটিকে বিয়ে করেন জর্জিয়ার বাসিন্দা ট্রেন্ট। স্ত্রীর চিকিৎসা করান তিনি। কঠিন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ডেভানের শরীরের অন্য জায়গা থেকে চামড়া নিয়ে কৃত্রিম যৌনাঙ্গ তৈরি করেন চিকিৎসকরা।
সফল অস্ত্রোপচারের পর ডাক্তাররা জানিয়ে দেন, এবার একেবারে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন তিনি। সন্তানও ধারণ করতে অসুবিধা নয়। সম্প্রতি ট্রেন্ট ও ডেভান ঘোষণা করেছেন, ডেভান মা হতে চলেছেন। ডেভানের কথায়, 'হতে পারে আমার ভ্যাজাইনা ঈশ্বরের তৈরি নয়। মানুষের তৈরি। কিন্তু আজ আমি একজন পরিপূর্ণ নারী। আশা করি খুব শিগগিরই মা হব। '
ডেভানের স্বামী জানাচ্ছেন, 'ডেভানের ভ্যাজাইনা একেবারে অন্যরকম। বোঝা যায় কৃত্রিম। তাতে কী? আমি ওকে খুব ভালোবাসি। '

মধুচন্দ্রিমা কাটাতে চাঁদে, খরচ মাত্র সাড়ে ৭ লাখ

বিয়ে হল। তারপর জাস্ট ম্যারিডের মধু মাখানো বিছানা নাকি পাতা থাকবে চাঁদে।
হোটেলের ঘরের জানালা দিয়ে চাঁদ দেখার বদলে, একেবারে চাঁদের মাটিতেই বিয়ের গোলাপী বিছানায় রাত কাটবে। আহা!‌ এও কি সত্যি!‌‌ এমন সুযোগই নাকি পাওয়া যাবে আগামী ১০ বছরের মধ্যেই। দাবি ভারতীয় গবেষকের হাতে তৈরি ফ্লোরিডার এক মহাকাশ অনুসন্ধানকারী সংস্থার। ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক মাত্র সাড়ে সাত লাখ টাকায় এই অভিযান সম্ভব হবে। যদি চাঁদে যাওয়ার একান্তই ইচ্ছা থাকে, তাহলে শুধু বিয়েটা কয়েকবছর পিছিয়ে দিলেই চলবে। ভারতীয় বিজ্ঞানী নবীন জৈন কয়েকদিন আগেই  ‌দাবি করেন, ১০ বছরে মধ্যেই চাঁদে যাওয়ার খরচ কমবে। সাধারণ মানুষও ইচ্ছা হলেই চাঁদে যাতায়াত করতে পারবেন। কাটাতে পারবেন ছুটি। নবীন জৈনের সংস্থা মুন এক্সপ্রেস এই চন্দ্রযানটি তৈরি করে ফেলেছেন। কিন্তু বাস্তব রূপায়ণের জন্য সাহায্য দরকার। এই আশ্চর্য কর্মকাণ্ডে জৈন এলন মাস্কের জনপ্রিয় সংস্থা স্পেস এক্সের সাহায্য চেয়েছেন। সেই সাহায্য পাওয়া হয়ত সময়ের অপেক্ষা। কারণ, গত আগস্টেই মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে এই বেসরকারি সংস্থাটিকে চাঁদে একটি রোবটিক ল্যান্ডার পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়। এই প্রথম কোন মহাকাশ কেন্দ্রিক বেসরকারি উদ্যোগকে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
সূত্র: আজকাল

তামিলনাড়ুর ‘আম্মা’ জয়ললিতা আর নেই

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা জয়রাম (৬৮) মারা গেছেন। চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী এই নেত্রী তামিলনাড়ুতে সমর্থকদের কাছে ‘আম্মা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 
 
৭৪ দিন ধরে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অল এআইএডিএমকের (অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাঘম) নেত্রী জয়ললিতা। এর মধ্যে গত রবিবার সন্ধ্যায় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়। এর পর থেকেই তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক ছিল।
কয়েকদিন ধরেই জয়ললিতার বিষয়ে নানা গুজব ছড়িয়েছে। গতকাল বিকেলেই দুটি তামিল টেলিভিশন চ্যানেলে সমপ্রচারিত খবর দাবি করা হয় জয়ললিতা মারা গেছেন। তবে সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে অ্যাপোলো কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, সে খবর ঠিক নয়। দল ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও দাবি করা হচ্ছিল, মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠছেন। গতকালই এআইএডিএমকে নেতারা জানিয়েছিলেন ‘আম্মা’ সম্পূর্ণ সেরে উঠেছেন, শিগগির হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরবেন। তবে রাত সাডে ১১টায় অ্যাপোলো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থকদের ‘আম্মার’ বিদায়ের খবর জানায়।  
জয়ললিতা গত ২২ সেপ্টেম্বর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয়েছিল, ডায়রিয়া ও জ্বরের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগের কারণে তাঁকে একদফা আইসিইউতে রাখা হয়। এরপর গতকাল তাঁর হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার করা হয়। মেডিক্যাল বুলেটিনের বরাত দিয়ে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, জয়ললিতার অবস্থা সংকটাপন্ন। এই খবর পেয়ে গতকাল বিকেলে হাসপাতালের সামনে জড়ো হতে থাকে মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থকরা।
জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে ভারতের সমৃদ্ধ রাজ্য তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া এম জি রামাচন্দ্রনের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন শতাধিক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী জয়ললিতা। ১৯৮৭ সালে রামাচন্দ্রনের মৃত্যুর পর দলের হল ধরেন তিনি। এরপর পাচবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। তারা হাসপাতালের সামনে ভিড় করতে থাকেন। রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ ভারতের শীর্ষ রাজনীতিক ও বিশষ্টি ব্যক্তিরা জয়ললিতার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন।
‘আম্মার’ মৃত্যুতে রাজ্যে সাত দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আজ মঙ্গলবার ও পনীরসেলভম রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি।

ব্রাজিল গেলে যেসব জায়গায় অবশ্যই যাবেন

ব্রাজিলে যে-কোনো আয়োজনে বিপুল পরিমাণ দর্শক ও পর্যটকের সমাগম ঘটে। ব্রাজিল ভ্রমণ করলে কোনো জায়গাগুলোতে অবশ্যই যাবেন দেখে নিন নিচের ছোট বর্ণনায়।



রিও ডি জানেরো

খুব সুন্দর দুটি সৈকত রয়েছে এই শহরে- কোপাকাবানা এবং ইপানিমা। এই দুটো সৈকত পর্যটকদের যেন চুম্বকের মত আকর্ষণ করে।


গুয়ানাবারা সৈকতে সূর্যাস্ত


রিও’র বিভিন্ন দ্বীপ থেকে সূর্যাস্ত দেখতে অপূর্ব লাগে। এখানে রিও’র বিখ্যাত সুগার লোফ পর্বত দেখা যাচ্ছে।


 সুগার লোফ পর্বতে কেবল কারে ভ্রমণ

রিও পুরোটাই অসম্ভব সুন্দর৷ সুগার লোফ পর্বতের ভিস্তা এমনই এক জায়গা, যা আপনার অবশ্যই দেখা উচিত। ৩৯৫ ফিট উপরে উঠা যায় কেবল কারের সাহায্যে। আর সেখান থেকে যে দৃশ্য দেখা যায় সেটা অকল্পনীয়।


‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’


‘ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার’ সুগার লোফ পর্বত থেকে এই ভাস্কর্যটি খুব সুন্দরভাবে দেখা যায়। ভাস্কর্যটি ৩০ মিটার লম্বা এবং ওজন ১,১৪৫ টন।


রিও’র অন্যরূপ- ফাভেলা


রিও’তে ৬০ লাখ মানুষের বাস। এর মধ্যে প্রতি পাঁচজনের একজন থাকে এই ফাভেলায়, অর্থাৎ বস্তিতে। পাহাড়ি এলাকায় এমন শত শত কুঁড়েঘর দেখতে পাওয়া যায়। তবে এসব দেখতে হলে আপনাকে স্থানীয় মানুষের সাহায্য নিতে হবে।


কার্নিভাল
ব্রাজিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হলো কার্নিভাল। প্রতিটি রাস্তায় প্যারেড চলতে থাকে, আর নামে পর্যটকের ঢল। আর রিও’তে হয় প্যারেড প্রতিযোগিতা।


ইগুয়াসু জলপ্রপাত


রিও যাওয়ার সুযোগ হলে এই জলপ্রপাত দেখার সুযোগ কারো হাতছাড়া করা উচিত নয়। আর্জেন্টিনা সীমান্তের কাছে এই জলপ্রপাতটি বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাতগুলোর একটি৷ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় রয়েছে এটি।


লেনকোয়েস মারানিয়েসি জাতীয় উদ্যান

বালি আর সুপেয় পানির অদ্ভুত এক মিলনক্ষেত্র এটি। ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলের ১৫৫০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে এর অবস্থান। ১৯৮১ সালে এটিকে জাতীয় উদ্যান বানানো হয়।


অ্যামাজন নদী

অ্যামাজন নদীতে বিশ্বে যে-কোনো নদীর চেয়ে সবচেয়ে বেশি পানি রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম রেইন ফরেস্টের মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছে এটি৷ তাই এখানে যেতে হলে হাতে প্রচুর সময় নিয়ে যেতে হবে। ট্যুর অপারেটরদের কাছে অনেক ধরনের প্যাকেজ আছে। চাইলে রাতেও সেখানে থাকতে পারেন।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates