Social Icons

Monday, October 2, 2017

বিশ্বে প্রবাসী আয় সবচেয়ে বেশি কমেছে বাংলাদেশে

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও অভিবাসী সংকটে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে বৈদেশিক আয় কমেছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে বাংলাদেশের। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, প্রবাসী আয় ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়া এখন একটি বৈশ্বিক প্রবণতা। গত দু’বছর ধরে এ প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ অবস্থান থেকে যদি সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ঘুরে দাঁড়াতে না পারে তাহলে সামিগ্রিক অর্থনীতিতে এর বিরুপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার দিক থেকে বাংলাদেশের সাথে অবস্থান করছে ভারতও। পাকিস্তান, শ্রীলংকাও রয়েছে এ তালিকায়। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ নিয়ে তাদের ‘হালনাগাদ উন্নয়ন’ সেপ্টেম্বর সংখ্যার প্রবাসী আয় বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনে সবদেশে প্রবাসী আয় কমলেও এর গভীরতা ও ধারাবাহিকতার দিক থেকে পরিস্থিতি খারাপ বেশি বাংলাদেশ ও ভারতের। অর্থাৎ এই দুটি দেশের প্রবাসী আয় কমেছে এবং তা ধারাবাহিকভাবেই কমছে।
বৈশ্বিক দিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের অবনতি আরো বেশি। কারণ প্রযুক্তি,অবকাঠামো ও জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশের চেয়ে ভারতের বাজার অনেক বড়। সেক্ষেত্রে ভারত পুষিয়ে নিতে পারলেও বাংলাদেশ পারবে কিনা তার যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে মূলত মধ্য-উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এসব দেশের অর্থনীতির আয়ের মূল উৎস জ্বালানি তেল। আর এই জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যাওয়ার প্রবাসে শ্রমিকের জীবনযাপনও আবাসন ব্যয় বেড়েছে। আপোপিত হয়েছে নানা ধরণের আইন।এছাড়া বৈধ পথে টাকা পাঠানোর চেয়ে মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল সংখ্যাক শ্রমিক দেশে টাকা পাঠায়। যার কারণেই প্রবাসী আয়ে ধাক্কা লেগেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তেল থেকে আয় কমে যাওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলো নানা ধরণের আর্থিক নীতি গ্রহণ করেছে। যেমন অনাবাসী নাগরিকদের ওপর কর আরোপ। জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি ও ভর্তুকি হ্রাস। এসব কারণে দেশগুলোতে থাকা মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে গেছে। আর এরই প্রভাব পড়েছে প্রবাসী আয় প্রবাহে।
কারণ মোট প্রবাসী আয়ের ৬০ শতাংশ আসে এসব দেশ থেকে। একমাত্র কাতার ছাড়া বাকীসব দেশগুলো থেকে প্রবাসী আয় হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইন থেকে প্রবাসী আয় আসা কমেছে সবচেয়ে বেশি। বিগত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসী আয় কমেছিল সাড়ে ১৪ শতাংশ। ওই অর্থবছরে প্রবাসীরা পাঠান ১ হাজার ২৭৬ কোটি ডলার। আর তার আগের অর্থবছরে (২০১৫-১৬) প্রবাসী আয় কমে আসে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার। এই অর্থবছরে প্রবাসী আয় কমেছিল আড়াই শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি ছিল সাড়ে ৭ শতাংশ। যদিও চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রথম দুই মাষে (জুলাই-আগস্ট) অবশ্য প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। ঈদের কারণে এমনটি হয়েছে বলে মনে করা হয়। আয় কমলেও প্রবাসে কাজ করতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা কমেনি। বরং বেড়েছে। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উপসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশি যাওয়ার সংখ্যা বেড়েছে ৫৪ শতাংশ। এসময় ৭ লাখ ৫১ হাজার ৪১০ জন উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজ করতে গেছেন। এই সংখ্যা গত অর্থবছরে মোট জনশক্তি রপ্তানির ৮৪ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি গেছে সৌদি আরব,কাতার,সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে। এত মানুষ গেলেও বিপরীতে কত মানুষ ফিরে এসেছে তার নির্ভরযোগ্য কোন উপাত্ত নেই। নতুন যারা গেছেন তাদের প্রতি চারজনে একজন নারী। তবে গত অর্থবছরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক আটক, সৌদি আরবে বিদেশি শ্রমিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন বিষয়ক সংকটই এ অবস্থার বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সবদিক বিবেচনা করলে এখনও পযন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় ধরণের সংকট।
বর্তমানে এ অবস্থা থেকে কাটিয়ে উঠতে হলে বাংলাদেশ সরকারকে বৈদেশিক নীতি,কূটনৈতিক তৎপরতা ও নতুন নতুন বাজার তৈরীকে উদ্যোগী হতে হবে। নতুবা বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি শ্রমিক ফেরতের এই হিড়িক চলতে থাকলে বাজার হারিয়ে উভয় সংকটে পড়বে বাংলাদেশ। কারণ প্রবাসী আয় কমা এটি শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বরং বিশ্বব্যাপী। সবদেশ যখন এ সমস্যা কাটিয়ে উঠার জন্য বিকল্প চিন্তা করছে তখন বাজার ধরতে এবং বাণিজ্য বাড়াতে আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ ও উদ্যোক্তা তৈরীর উদ্যোগও বাংলাদেশকেই নিতে হবে। তা নাহলে সামগ্রিক অর্থনীতিতেই এর বিরুপ প্রভাব পড়বে।

সুন্দরী মেয়েরা বন্ধু হিসেবে কেমন মানুষ পছন্দ করেন ?


মানুষ সুন্দরের পূজারী। সুন্দর ফুল হোক বা সুন্দর রূপ, সুন্দরকে পছন্দ করেন না এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। একজন সুন্দর মানুষকে পাশে নিয়ে চলতে সবাই পছন্দ করেন। কিন্তু সুন্দরীরা কী পছন্দ করেন? কেমন হয় তাদের বন্ধুরা? তারাও শুধু রূপেই মজেন নাকি সৌন্দর্য খোঁজেন বন্ধুর মনে?
রূপে যিনি পরী, তিনি সাধারণত তাঁর মতো কাউকেই বন্ধু হিসেবে পছন্দ করেন। অক্সফোর্ড ইউনিভারসিটি ও ইউনিভারসিটি অব ওতাগোর এক সার্ভে রিপোর্টে দেখা গেছে সুন্দরীরা বন্ধু খোঁজার ব্যাপারে ‘ফার্স্ট প্রেফারেন্স’ দেন রূপের ওপরই।
তাঁরা চান তাঁদের বন্ধুরাও হোক তাঁদের মতো সুন্দরী। কারণ ক্লাব পার্টি থেকে স্কুলের ‘কুল গ্রুপ’, সব জায়গায় সুন্দরীরাই প্রাধান্য পায়। সাধারণ দেখতে মেয়েরা যতই ভাল হোক না কেন, তাদের কেউ গুরুত্ব দেয় না।
তবে এর ব্যতিক্রমও আছে। ৫৩ বছরের জুলিয়া স্টেফেনসন ছোটবেলা থেকেই ছিলেন সুন্দরী। যত বয়স বাড়তে থাকে বাড়তে থাকে তাঁর রূপও। ধীরে ধীরে তাঁর বন্ধুর গণ্ডিটাও হতে থাকে ‘গ্ল্যামারাস’।
কিন্তু ৫৩ বছর বয়সে এসে আজ যখন কমে গেছে তাঁর রূপের আঁচ, পাশে খুঁজে পান না কোনও বন্ধুকে। অনুভব করেন, সারাজীবনে তিনি অনেক সুন্দরী বন্ধু পেলেও পাননি কোনও প্রকৃত বন্ধু।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে যা হয়

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনো সমস্যা হয় কি? অনেকের মধ্যে এমন অজানা একটি প্রশ্ন ভর করে। যা নিয়ে তারা অযথা দুশ্চিন্তাগ্রস্তও থাকেন।
কিন্তু ডাক্তারদের মতে, “কোনো সমস্যাই হয় না। ‘
সারা দুনিয়ায় ৩৬ শতাংশ “ও” গ্রুপ, ২৮ ভাগ “এ” গ্রুপ, ২০ শতাংশ “বি” গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ “বি”। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ।
যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। যাকে Rh Isoimmunization বলে। সেটারও সহজ চিকিৎসা বা টিকা আছে। অনেকের ভ্রান্ত ধারণা- বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।

একজন পুরুষের কাছে একজন নারী ঠিক কী চায়? জেনে নিন

কথায় বলে, নারীমন বোঝা নাকি ব্রহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরেরও অসাধ্য। কিন্তু সত্যিই কি তাই? বোধহয় না। বরং পুরুষরা একটু বুদ্ধি খাটালেই সহজেই পড়ে ফেলতে পারবেন একজন নারীর মন। আর সেই নারীর চোখে হয়ে উঠতে পারবেন তাঁর স্বপ্নের পুরুষ।
কয়েকটা জিনিস শুধু খেয়াল রাখুন-
১) আপনার পছন্দের নারীর বডি ল্যাঙ্গোয়েজের দিকে নজর রাখুন। অনেক কথা সে কিন্তু মুখে না বলে এক্সপ্রেশনেই বুঝিয়ে দেয়। যেটা পড়ে ফেলতে পারলেই আপনার কাজ হাসিল।
২) একবার কোনও জিনিসে মেয়েরা বেঁকে বসলে, সেটা নিয়ে ঘ্যান ঘ্যান না করাই ভালো।
৩) মুড বোঝার চেষ্টা করুন। ভুল সময়ে ভুল কথা অনেক প্ল্যানিং, অনেক সুন্দর মুহূর্তও মাটি করে দিতে পারে
৪) মিথ্যে প্রশংসাও করতে শিখুন। বিশেষ করে বাইরের সুন্দরী মহিলাটি যতই আপনার চোখ টানুন না কেন!
৫) সারাক্ষণ অধিকার ফলাতে যাবেন না। তাঁর সব ব্যাপারে নাক গলাবেন না। বরং তাঁকে নিজস্ব কিছু স্পেস দিন।
৬) যে কোনও বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করুন। তাঁর মতামতকে সম্মান দিন।

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এভ্রিলের ভাইরাল হওয়া ছবি !

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হয়ে আলোচনায় আসেন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। কিন্তু সে আলোচনা যেন কিছুতেই থামছে না। প্রতিদিনই সে আলোচনায় যোগ হচ্ছে নিত্য নতুন তথ্য ও ছবি।
এবার এভ্রিলের এমন কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে চলছে বিতর্ক। তবে ছবিগুলো কোথায় কখন তোলা, সে ব্যাপারে কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এক জমকালো অনুষ্ঠানে জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের নাম ঘোষণা করা হয় এবারের ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ হিসেবে।
সে থেকেই নাম ঘোষণায় ভুল, বিচারকদের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে বিজয়ী নির্ধারণসহ নানা অভিযোগ নিয়ে বিশ্ব সুন্দরী ফ্রেঞ্চাইজির বাংলাদেশের প্রথম আয়োজনটিকে ঘিরে বিতর্ক চলতেই থাকে।
সর্বশেষ সেই বিতর্কের পালে হাওয়া লেগেছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জান্নাতুল নাঈম প্রতিযোগিতায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন।
নিয়মানুযায়ী প্রতিযোগীকে অবিবাহিত হওয়া বাঞ্ছনীয় হলেও এভ্রিল ছিলেন বিবাহিত এবং আড়াই মাস সংসার করার পর তিনি বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। আর এতেই তার মাথায় উঠা মুকুট থাকা না থাকা নিয়ে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

ক্যামেরার সামনে নগ্ন হয়েছেন ‘বিগ বস ১১’-র এই প্রতিযোগী

শোয়ের নাম যখন ‘বিগ বস’ তখন তা নিয়ে চর্চা হবে না, এমনটা কল্পনারও অতীত। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। একঝাঁক তারকা নিয়ে ১ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে ভারতীয় টেলিভিশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় শো ‘বিগ বস’-এর একাদশ মরশুম। জল্পনা উড়িয়ে যে শোয়ের সঞ্চালকের ভূমিকায় এবার রয়েছেন সেই সল্লু মিঞাই। তবে বাকি প্রতিযোগীদের ছাপিয়ে এবারের সিজনের শুরুতেই নজর কাড়লেন মডেল আরশি খান।
যাঁরা নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ফলো করেন, তাঁদের কাছে আরশি খানের নাম অপরিচিত নন। অতীতে একাধিক বিতর্কে নাম জড়িয়েছে ভোপালের এই মডেলের। ন্যুড ফটোশুট করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। আবার একবার প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদির ছবি বক্ষ যুগলে পেন্ট করে নজরে আসার প্রয়াসও করেছেন আরশি।
এমনকী দাবি করেছিলেন, আফ্রিদির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কেও লিপ্ত হয়েছেন তিনি। যা নিয়ে ছড়িয়েছিল তীব্র বিতর্ক। পাকিস্তানের এক মাদ্রাসা আরশির বিরুদ্ধে ফতোয়াও জারি করেছিল। এখানেই শেষ নয়। লাইমলাইটে আসতে পরের বছর তিনি জানান, বুমবুমের সন্তানের মা হতে চলেছেন তিনি। আরশি নাকি তিনমাসের গর্ভবতী এবং তাঁদের সম্পর্ককে আফ্রিদি নাকি মেনেও নিয়েছেন। পরে জানা যায়, তিনি সত্যিই অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তবে সন্তানটি কার তা স্পষ্ট হয়নি। যদিও পরে গর্ভবতী হওয়ার কথা নিজেই অস্বীকার করেন ওই মডেল।
সমালোচনা যে তিনি গায়ে মাখেন না অথবা দারুণ উপভোগ করেন, তার একের পর এক উদাহরণ রয়েছে। ২০১৬ সালে ফের নয়া বিতর্কে জড়ান। বিকিনি ও হিজাব পরে সোশ্যাল সাইটে ছবি পোস্ট করায় ফের আরশির বিরুদ্ধে জারি হয় ফতোয়া। এমনকী ব্লক করে দেওয়া হয় তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টও। উদাহরণ আরও আছে। কখনও আরশি অভিযোগ তুলেছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাধে মা গোপনে মধুচক্র চালান, যার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব এসেছিল তাঁর কাছেও। আবার কখনও দেহব্যবসার সঙ্গে নাম জড়ায় তাঁর।
প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ক্রিকেট দলের প্রতি তাঁর ভালবাসা বারবার তাঁর শরীরে ফুটে উঠেছে পেন্টিংয়ের আকারে। পাক দলের প্রতি প্রেম আর উর্দু ভাষার উচ্চারণ শুনে অনেকেরই ধারণা আরশি হয়তো পাক মুলুকের নাগরিক। কিন্তু বিগ বস-এর শোয়ে জানা গিয়েছে, তাঁর জন্ম এ দেশেই। এমন মডেলের বিগ বস প্রতিযোগী হওয়া নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
সপরিবারেই সাধারণত টিভিতে এই রিয়ালিটি শো দেখেন অনেকে। তাই প্রশ্ন উঠছে, যে মডেল নগ্ন ফটোশুটের জন্য জনপ্রিয়, তাকে এই শোয়ে আনার কী অর্থ। বিগ বস হাউসের বাইরে সর্বদা সমালোচনার কেন্দ্রে থাকা আরশি বাড়ির ভিতর কী কী কাণ্ড ঘটান, সেদিকেই নজর দর্শকদের।

রাখাইন রাজ্যের তিন লাখ রোহিঙ্গা বেঁচে আছে?

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে গত ১১ আগস্ট সেনা মোতায়েনের পর ২৫ আগস্ট থেকে শুরু হয় রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযান। নির্বিচারে গণহত্যা-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগের এ অভিযানের ভয়াবহতা এতটাই তীব্র যে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো অতীতের সকল বর্বরতা হার মেনেছে। প্রাণ বাঁচাতে পাশ্ববর্তী বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে ৫ লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা; যাদের ৯০ শতাংশই শিশু-নারী-বৃদ্ধ। মিয়ানমারের এ ঘৃণ্য তৎপরতা ইতিহাসে ‘নৃশংসতম গণহত্যা’র উদাহরণ হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করে জাতিসংঘ এ অভিযানকে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
অভিযান শুরুর পর ঠিক কত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তা নির্দিষ্ট করে কেউই বলতে পারছে না। মিয়ানমার সরকার এ সংখ্যাকে শ’ খানেক বলে দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে। যদিও কিছুদিন আগে ঢাকায় কূটনৈতিকদের কাছে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী রাখাইনে সেনা অভিযানে গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গাদের সংখ্যা তিন হাজার বলে উল্লেখ করেছেন। তবে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা নিহতের সংখ্যা এর চেয়ে শত-সহস্রগুণ বলে দাবি করেছে।
এর আগে স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবি পর্যালোচনার মাধ্যমে নিউইয়র্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডব্লিউ জানায়, ‘মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দমন-নিপীড়ন অভিযানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। রোহিঙ্গারা যাতে বাড়িঘরে পুনরায় ফিরতে না পারে, সে জন্য বার্মার নিরাপত্তা বাহিনী গ্রামগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবিতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। সেনাদের দেওয়া আগুনে রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষ্যিত ২১৪টি গ্রাম পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে গেছে।’
পরবর্তীত মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের দফতরের মুখপাত্র জ্য তে রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, ‘রাখাইন রাজ্যের তিনটি শহরতলির সর্বমোট ৪৭১টি গ্রামের মধ্যে ১৭৬টি গ্রাম এখন জনমানবশূন্য। অন্য ৩৪টি গ্রাম থেকেও কিছু কিছু লোক প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে গেছে।’
এদিকে জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাবানুযায়ী ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা হত্যা অভিযান শুরুর পর বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ৫ লাখ ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যদিও বেসরকারি হিসাব মতে, এই সংখ্যা সাড়ে ছয় লাখের মতো। প্রশ্ন হচ্ছে, রাখাইনের মাত্র ৮ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আর কতজন সেখানে অবস্থান করছেন?
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) এর হিসাবে, ১৯৭০-এর দশক থেকে একের পর এক রোহিঙ্গা হত্যা-নির্যাতন অভিযানে ১৯৭০-২০১৭ সাল পর্যন্ত ১১ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে রাখাইন বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী মালয়েশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশসমূহে পালিয়ে গেছে। যা রাখাইনের মোট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৮০ শতাংশের বেশি।
বাংলাদেশ সরকারের হিসাব অনুসারে ১৯৭০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ৮৪ শতাংশ বা ১৬ লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন ছেড়ে বিভিন্ন দেশে পালিয়ে গেছে। সে হিসেবে রাজ্যটিতে এখন ৩ লাখের মতো রোহিঙ্গা থাকার কথা। ইউরোপীয় কমিশনের প্রকাশিত একটি রিপোর্টের তথ্যানুসারেও দেখা যায়, ২০১৭ সালের শুরুতে অর্থাৎ নতুন করে রোহিঙ্গা কিলিং মিশন শুরুর আগে রাখাইনে বসবাসরত রোহিঙ্গার সংখ্যা ছিল ৮ লাখ। ইতোমধ্যে ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। অতএব রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে সর্বোচ্চ তিন লাখ রোহিঙ্গা থাকার কথা।
তবে প্রশ্ন হচ্ছে সেখানকার পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ আর পালিয়ে আসার পর রাখাইনে অবশিষ্ট ৩ লাখ রোহিঙ্গার ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা বিশ্ব গণমাধ্যমে অজানা। তাই প্রকৃতপক্ষে রাখাইনে আর কতজন রোহিঙ্গা বেঁচে আছে তা নির্ভর করছে, মিয়ানমারের বর্বর সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধ সন্ত্রাসীরা ঠিক কতজন রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে তার ওপর।
প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গা একটি নৃগোষ্ঠীর নাম যাদের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ইসলাম ও ১০ ভাগ হিন্দু ধর্মাবলম্বী। রোহিঙ্গাদের আদি আবাসস্থল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য। শত শত বছর ধরে রাজ্যটিতে বাস করা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের স্বীকৃতি না দিয়ে মিয়ানমার সরকার এ জাতিগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ চালাচ্ছে।
১৯৪৮ সালে মিয়ানমারের স্বাধীনতার সময়ও রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের স্বীকৃতি ছিল। ১৯৬২-তে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করার পর নতুন করে সংকটের মুখে পড়ে রোহিঙ্গারা। ১৯৭৪ সালে সামরিক জান্তা ‘বিদেশি’ আখ্যা দেওয়ার পর ১৯৮২ সালে প্রণোয়ন করা হয় নাগরিকত্ব আইন। আর এই কালো আইনের মাধ্যমে অস্বীকার করা হয় রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব।
২০১৬ সালের অক্টোবরের পর পুনরায় চলতি বছরের গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিধন অভিযান শুরু করে। অভিযানে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। তবে পালিয়ে আসার হার আগের চেয়ে কিছুটা কমলেও, তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বলার সময় এখনও হয়নি জানান সংস্থাটির মুখপাত্র।
অভিযানের নামে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী খুন, ধর্ষণ, ঘরবাড়ি পুরিয়ে দেওয়া, কুপিয়ে হত্যাসহ বর্বরতার চূড়ান্ত সীমাও অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইচ ওয়াচের। সংস্থাটির অভিযোগ, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates