Social Icons

Friday, February 2, 2018

আটজন মিলে ধর্ষণের পর শিশু মিমকে খুন

চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ থানার বিশ্বকলোনির ৯ বছরের শিশু ফাতেমা আক্তার মিমকে আটজন মিলে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে খুন করা হয়।  রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম মনু (৪৯) এ তথ্য দিয়েছে। 
মনুর তথ্যের ভিত্তিতে মো. মিরাজ (২৭) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে আকবর শাহ থানা পুলিশ। ধর্ষণে জড়িত আটজনের বিষয়ে তথ্য দিয়ে মিরাজ বুধবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ বলেন, ‘যে বাসায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, ভাড়া সূত্রে সেই বাসার মালিক মিরাজ।  জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।’  
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উৎপল কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘মনুসহ আটক ছয়জন জানিয়েছিলেন- মিরাজের বাসায় কেউ ছিলেন না। সবাই গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। বিকল্প চাবি মনুর কাছে ছিল। সেই সুযোগে মনু মিমকে ওই বাসায় নিয়ে যায়। জবানবন্দিতে এসেছিল সাতজন মিলে মিমকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা। কিন্তু মিরাজের জবানবন্দিতে আটজনের কথা এসেছে।’
প্রসঙ্গত, গত ২১ জানুয়ারি রাতে নগরীর আকবর শাহ থানার বিশ্বকলোনির আই ব্লকের আয়শা মমতাজ মহলের সিঁড়িতে মিমের মরদেহ পাওয়া যায়। প্রথমেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভবনের কেয়ারটেকার মনিরুল ইসলাম মনুকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরা হল, বেলাল হোসেন বিজয় (১৮), রবিউল ইসলাম রুবেল (১৬), হাছিবুল ইসলাম লিটন (২৬), আকসান মিয়া (১৮), মো. সুজন (২০) এবং মনিরুল ইসলাম মনু (৪৯)। পাঁচজনই আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

অসুস্থ আল্লামা শফীকে দেখতে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অসুস্থ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় আল্লামা শফীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, রাজনৈতিক কোনো উদ্দেশ্যে নয়, শুধু অসুস্থতার জন্যই তাকে (আল্লামা শফী) দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। 
এসময় আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানান, আইন অনুযায়ী খালেদা জিয়ার বিচার হচ্ছে। বিচারের রায় যা হবে, তা কার্যকর হবে। এখন সেটার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রোপাগান্ডা চালানোর প্রশ্নই আসে না।
হেফাজতে ইসলাম প্রধানের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাতের সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জিল্লুর রহমান চৌধুরী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ফটিকছড়ির নানুপুরে জামেয়া ইসলামিয়া ওবায়দিয়া মাদরাসার মিলাদ মাহফিলে যোগ দেন।

প্রিয়জনদের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হয় যেভাবে


সম্পর্ক থাকলে সেখানে মান অভিমান, কথা কাটাকাটি হবেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আবার তা মিটেও যাবে। কিন্তু প্রতিটা সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটা ব্যাপার খুব বেশি দেখা যায়। তা হল ভুল বোঝাবুঝি। আমরা কখনও কখনও কাছের মানুষটাকে ভুল বিচার করে ফেলি। দেখা যায় হয়তো সে একরকম বোঝাতে চাইছে, অথচ আমরা সেটা না বুঝে তাকে ভুল বুঝছি। এই ভুল বোঝাবুঝি থেকেই সম্পর্কে জটিলতা, দূরত্ব এমনকি বিচ্ছেদ পর্যন্ত হতে পারে।
যখনই আমরা কোনো সম্পর্কে থাকি, তখন মনে করি আমাদের সঙ্গীরাও আমাদের মতো করেই ভাববে। কিন্তু আমাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা চিন্তা শক্তি রয়েছে। আমরা সবাই আলাদা করে ভাবি।
প্রতিটা বিষয়ের বিশ্লেষণ সবার কাছে আলাদা হয়। দেখা যায়, কখনও কখনও আমাদের খুব কাছের কারও সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে মতের মিল হল না। তখনই তার প্রতি আমাদের চিন্তাধারা পাল্টে যায়।
একবার যদি কারও সঙ্গে মতের অমিল হওয়া শুরু হয়, তখন সেই ব্যক্তির কোন কিছুই আমাদের পছন্দ হয় না। মনে মনে তার প্রতি একটা বাজে ধারণা জন্ম নিতে শুরু করে। কাওকে ভুল বিচার করার সূত্রপাত এখান থেকেই হয়।
এরকম সমস্যা দেখা দিলে একটা বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, আমরা সবাই আলাদা আলাদা ভাবে ভাবি। তাই সব বিষয় যে মতের মিল হবেই অনেক ক্ষেত্রে এমন নাও হতে পারে। এর নিরিখে কাউকে বিচার করা উচিৎ নয়। সম্পর্কের জটিলতা এড়াতে তাই প্রত্যেকের চিন্তাধারাকে তার মতো করে মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। নাহলে অকারণেই মানসিক চাপ বাড়ে।

শাকিবের টাকা নেয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো: অপু বিশ্বাস


স্বামী শাকিব খানের কাছ থেকে টাকা নেয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো বলে মন্তব্য করেছেন অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি অপু জানান, নভেম্বরে তালাকনামা পাঠানোর পর থেকে স্ত্রী-সন্তানের খরচ বন্ধ করেছেন শাকিব। এরপর থেকে সন্তান জয়ের সঙ্গেও শাকিব দেখা করেননি।
অপু বিশ্বাস বলেন, ‌আমি এখনও বেঁচে আছি। নিজে কাজ করে নিজের খরচ আর সন্তানের খরচ চালাতে পারবো। আমি স্পষ্ট বলতে চাই শাকিব খানের টাকার কোনো দরকার আমার নেই। আমি সবার দোয়া চাই যেন কাজ করে নিজের এবং সন্তানের খরচ চালাতে পারি। এখন শাকিবের কাছ থেকে টাকা নেয়ার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো।
জানা গেছে, শাকিব আগে অপুকে ক্যাশ টাকাই পাঠাতেন। সন্তান জয়ের প্রথম জন্মদিনের ঠিক আগেও পাঁচ লাখ টাকা পাঠিয়েছিলেন শাকিব। এখন আইনজীবীর পরামর্শেই আসলে চেক এর মাধ্যমে টাকা দিতে চাইছেন শাকিব। যেন প্রমাণ থাকে। কিন্তু অপু সেটা গ্রহণ করছেন না।
সর্বশেষ তিন-চারদিন আগে শাকিব ছেলের জন্য আনা উপহার আর দুই লাখ টাকার একটা চেক পাঠান অপুর কাছে। অপু ছেলের জন্য পাঠানো উপহার সামগ্রী গ্রহণ করলেও দ্বিতীয়বারের মতো চেক ফেরত দিয়েছেন।
এ বিষয়ে শাকিব বলেন, যা ইচ্ছা তা মনগড়া বললেই হবে না। আমার লোকজন বারবার অপুকে ফোন করেছে। আমি ছেলেটাকে দেখতে চেয়েছি। এখন বলছে আমি নাকি যোগাযোগেরই চেষ্টা করিনি। এইসব মিথ্যাচার নিয়ে কথা বলতেও আমার লজ্জা হচ্ছে। আর আমি চেক পাঠিয়েছি। কিন্তু ওখান থেকে জানানো হয় ক্যাশ লাগবে। 

Thursday, February 1, 2018

ঘুরে আসুন সড়কপথে ঢাকা টু দার্জিলিং, খরচও কম


আপনার অভিলাষী মনের সব ইচ্ছাই পূরণ করবে পাহাড়ের রাজ্য দার্জিলিং। দার্জিলিংয়ের দৃশ্য দেখলে   শুধু তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে হবে আর তাকিয়ে শুধু ডুবে যেতে মন চাইবে। পাহাড়ের কথোপকথনের শব্দরাশি আর শত-সহস্র অভিমানী পাহাড়ি মুখশ্রীর আলিঙ্গন পাবেন দার্জিলিং জুড়ে। 

ভিসা
প্রথমেই আপনাকে ভারতীয় দূতাবাস হতে ‘By Road Category’-তে চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভিসা নিতে হবে।

বাস সিলেকশন
ঢাকার গাবতলী থেকে প্রতিদিন বেশ কিছু নন এসি (হানিফ, এস আর) এবং এসি ( মানিক এক্সপ্রেস, শ্যামলী, এস আর পরিবহন) বাস ছেড়ে যায়। নন-এসিতে ভাড়া ৬০০ থেকে ৬৫০-এর মধ্যেই পড়বে। আর এসিতে ভাড়া পড়বে ৮৫০ টাকা।

তবে শ্যামলীর ভাড়া পড়বে ১৫০০ টাকা, কেননা তারা শিলিগুড়ি পর্যন্ত টিকেট করে থাকে। 

শুধু সীমান্ত পর্যন্ত তাদের কোনো সার্ভিস নেই, বর্ডার পর্যন্ত শ্যামলী ঠিকই আপনাকে এসিতে করে নিয়ে যাবে, তবে বাংলাদেশ সীমান্তের অপর প্রান্ত (ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা) থেকে ওরা আপনাকে কোন গাড়িতে করে নিয়ে যাবে তার কোনো হদিস নেই। 

কেননা ভারতের প্রবেশদারে তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, পুরোটাই দালালদের নিয়ন্ত্রণে। আমাদের কাছ থেকে শ্যামলী পরিবহন জনপ্রতি ১৫০০ টাকা করে এসির ভাড়া নিলেও, তারা আমাদেরকে চ্যাংড়াবান্ধা থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত নন-এসিতে যেতে বাধ্য করে।

এই সমস্যাগুলো এড়াতে আপনি শুধু সীমান্ত পর্যন্ত এসি বাসে করে যান। যেহেতু প্রায় ১০-১২ ঘণ্টার জার্নি, তাই উপদেশ থাকবে নিজেকে ফ্রেশ রাখার জন্য (গরমকালে) এসি বাস সিলেকশন করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

যাত্রা
বেশির ভাগ গাড়ি রাত ৮টায় ঢাকা থেকে বুড়িমারীর উদ্দেশে ছেড়ে যায় এবং সকাল ৬-৭টার মধ্যেই বুড়িমারী সীমান্তে আপনাকে পৌঁছে দেবে। সীমান্তে পৌঁছে যাওয়ার পর সকালের নাশতা বাংলাদেশেই সেরে ফেলুন, তারপর দুই দেশের ইমিগ্রেশন (বাংলাদেশ ও ভারতের) পাড়ি দিন। আপনি যখন চ্যাংড়াবান্ধায় পৌঁছে যাবেন, কালক্ষেপণ না করে শিলিগুড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া জিপগুলোতে চেপে বসুন। কেননা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে যে বিকেল নাগাদ আপনাকে অবশ্যই দার্জিলিং পৌঁছাতেই হবে।

সদস্যসংখ্যা বেশি হলে একটি জিপ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। ১৫০০ রুপির মধ্যে অথবা জনপ্রতি ২৫০ রুপির মধ্যে শেয়ারিং-এর মাধ্যমে জিপে চড়ে বসতে পারেন। শিলিগুড়ি পৌঁছাতে আপনার তিন ঘণ্টা সময় লেগে যাবে, সব ঠিক থাকলে দুপুর ১টার মধ্যেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাবেন।

সেখানে ১২০ রুপির মধ্যে পেটপুরে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন (দেরি হয়ে গেলে দুপুরের খাবার খাওয়ার দরকার নেই) এবং দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার্থে একটি ভারতীয় মোবাইল সিম কিনে নিন। পাওয়ার রিচার্জের মাধ্যমে বাংলাদেশে দুই রুপি/মিনিটে কথা বলা যায়। সেই সঙ্গে ডাটা প্যাকও সহজেই অ্যাকটিভ করে নিতে পারেন) তারপর সরাসরি দার্জিলিংয়ের উদ্দেশে জিপে চেপে বসুন জনপ্রতি ২০০ রুপির মধ্যেই অথবা ১২০০/১৫০০ টাকার মধ্যেই জিপ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টার মধ্যেই আপনাকে পাহাড়ঘেরা রাজ্য দার্জিলিংয়ে পৌঁছে দেবে।

হোটেল বুকিং
১০০০ থেকে ১২০০ রুপির মধ্যেই আপনি খুব ভালো হোটেল পেয়ে যাবেন। (ওয়াইফাই এবং গরম পানির ব্যবস্থাসহ)। হোটেল পার্কলেন (০০৯১৯৪৩৪১৬৬৯৫৪, ০০৯১৮৯০৬৩৪৮৮৩৬) বেশ ভালো হোটেল। মনে রাখবেন দার্জিলিংয়ে রাত ৮টার পর সব বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং হোটেল বুকিং এবং রাতের খাওয়া ৮টার মধ্যেই শেষ করতে হবে।

কোথায় ঘুরবেন

প্রথম দিন
রাত ৩টায় ঘুম থেকে উঠে টাইগার হিলের উদ্দেশে রওনা দিন। সূর্যোদয়ের হাসির চিকিমিকি দেখতে পাবেন হিমালয়ের বরফ ছুঁয়ে। তারপর, সারাদিন বাতাসিয়া লুপ, রক গার্ডেন ঘুম স্টেশন, চিড়িয়াখানা (বেশ সুন্দর), টি গার্ডেন, মল রোড ঘুরতে থাকুন। দার্জিলিংয়ে বেশ কিছু মসজিদ রয়েছে, বড় দুটি মসজিদ অবশ্যই দেখার চেষ্টা করবেন।


দ্বিতীয় দিন
কাঞ্চন জং এর উদ্দেশে রওনা দিন, দার্জিলিং শহর থেকে খানিকটা দূরে আরেকটা শহর, যেখানে প্যারাগ্লাইডিং করা যায়। আর হিমালয়ের একটা পাশ দেখা যায়।

তৃতীয় দিন
আপনি চাইলে পাহাড় আর লেকে ঘেরা ছোট্ট শহর মিরিক ঘুরে আসতে পারেন। 

আবার চাইলে দার্জিলিং থেকেও মিরিক ঘুরে আসতে পারেন। অথবা মিরিকেও থাকতে পারেন।

যেহেতু মিরিক থেকে শিলিগুড়ি কাছাকাছি, তাই আপনার মিরিকে থাকাটাই ভালো। মিরিকে অল্প ভাড়ায় (০০৯১৯৫৬৩৪৫৭৭৯৯) wooden Restaurant-এ থাকতে পারেন।

মিরিকে ঘোরার জন্য লেক আর মোটেলের টপভিউ টাই অসাধারণ। সুতরাং একদিনের বেশি অবস্থান করার প্রশ্নই ওঠে না।

চতুর্থ দিন
সকাল সকাল শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দিন। মিরিক থেকে শিলিগুড়ি আসতে মাত্র দুই ঘণ্টা লাগে আর শিলিগুড়ি থেকে সীমান্তে আসতে তিন ঘণ্টা লেগে যাবে। গাড়ি বুকিং করার জন্য সোইলাজ দা’র (০০৯১৯৭৩৪৯৯৭৯০২) সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। ভালো মানুষ তিনি। মনে রাখবেন, সন্ধ্যা ৬টার পর সীমান্তের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

ইমিগ্রেশন কীভাবে পাড়ি দেবেন

যাওয়ার সময়
বাংলাদেশ প্রান্তে ১০০ টাকার বিনিময়ে আর ভারত প্রান্তেও ১০০ টাকার বিনিময়ে কিছু দালাল ইমিগ্রেশনে সহায়তা করে থাকে। তবে দালালদের কাছে পাসপোর্ট দেওয়ার পর তাদের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন। অথবা চাইলে আপনি একাই ইমিগ্রেশন পাড়ি দিতে পারবেন।

মনে রাখবেন সঙ্গে কোনো রুপি দেবেন না (থাকলেও বলবেন না) কিছু ডলার সঙ্গে রাখুন আর বাংলা টাকা যতই থাকুক চার-পাঁচ হাজারের বেশি আছে বলে স্বীকার করবেন না।

ফিরে আসার সময়
ইমিগ্রেশনের দুই প্রান্তেই (ভারত-বাংলাদেশ) আপনাকে জিজ্ঞেস করবে কী কী কিনেছেন? আপনি বলবেন পরিবারের জন্য কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। কত টাকার শপিং করেছেন? এই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করবেন। আর বললেও চার-পাঁচ হাজার টাকার বেশি বলবেন না। এ ছাড়া ফিরে আসার সময়ও কিছু দালাল ১৫০ রুপির বিনিময়ে সহায়তা করে থাকে।

তবে কেনাকাটা করার সময় একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন যেন, একই জিনিস ৪-এর বেশি কেনা না হয় এবং ব্যাগে নতুন ও পুরোনো পণ্য মিলিয়ে রাখুন। এ ছাড়া যাওয়ার সময় পণ্য যতটা সম্ভব কম বহন করুন।

মুদ্রাবিনিময়
বাংলা টাকা চ্যাংড়াবান্ধাতেই রুপিতে পরিবর্তন করে নিন, কেননা দার্জিলিংয়ে রেট খুবই কম পাবেন।

কেনাকাটা কোথায় করবেন
দার্জিলিং থেকে শীতের জামা কাপড় কেনা হবে বুদ্ধিমানের কাজ। শীতের শহর থেকে (মল রোড) আপনি যথাযথ মূল্যেই শীতের পোশাক কিনতে পারবেন। এ ছাড়া কিছু সতেজ চায়ের প্যাকেট কিনে নিয়ে আসতে পারেন। অন্যন্য কেনাকাটা আপনি শিলিগুড়িতে করলেই ভালো হবে।

কোথায় খাবেন
দার্জিলিংয়ে খাওয়ার জন্য সিমলা (০০৯১৯২৩৩৮২৭০৩০) রেস্টুরেন্ট অসাধারণ। মুসলিম হোটেলে খাওয়ার জন্য বড় মসজিদের সামনে যেতে পারেন।

কখন যাবেন
বৃষ্টির সময়টাতে দার্জিলিং যাওয়াটা বোকামি, সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারি সেরা সময় দার্জিলিং উপভোগ করার জন্য।

খরচ
ঢাকা টু বুড়িমারী (৮৫০ টাকা)+সীমান্ত ঘুষ (১৫০ টাকা)+ চ্যাংড়াবান্ধা টু শিলিগুড়ি (২০০/২৫০ টাকা)+শিলিগুড়ি টু দার্জিলিং ২০০ টাকা= ১৫০০/১৭০০ টাকা।
হোটেল খরচ ৫০০ টাকা (প্রতিজন/প্রতিদিন)
খাওয়া খরচ ৫০০ টাকা (প্রতিজন/প্রতিদিন)
সারা দিনের জন্য জিপ ভাড়া করলে ২২০০/২৫০০ টাকা প্রয়োজন হবে।

এটা অফ সিজন রেট, সিজনের সময় ৩০ শতাংশ বেশি খরচ হবে। সুতরাং হিসাবটা সেভাবেই করে নেবেন।

যা করবেন না
১। দার্জিলিং পরিচ্ছন্ন শহর, দয়া করে নোংরা করবেন না।
২। দার্জিলিংয়ে উন্মুক্ত ধূমপান করা দণ্ডনীয় অপরাধ, সুতরাং ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন।


ঘুরে আসুন অস্ট্রেলিয়ার দর্শনীয় কিছু স্থান থেকে

মহাদেশের মূল ভূখণ্ড, তাসমানিয়া দ্বীপ ও অন্যান্য ছোট দ্বীপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া দেশটি গঠিত। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেশী দেশ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড, নিউগিনি ও ইন্দোনেশিয়া। অস্ট্রেলিয়াতে এমন কিছু বিস্ময়কর স্থান আছে যা পৃথিবীর অন্যান্য দেশ থেকে একে আলাদা করেছে। 

তাই অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণে এসব স্থানে যেতে অবশ্যই ভুলবেন না।

১। লর্ড হাও দ্বীপ
নির্জন, মনোমুগ্ধকর এবং আধা গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপ এই লর্ড হাও দ্বীপ যা প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য স্বর্গ স্বরূপ। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাঝামাঝি অবস্থিত অর্ধচন্দ্রাকার ও আগ্নেয়গিরির অবশিষ্টাংশের এই দ্বীপটি তাসমানিয়া সাগরে অবস্থিত। এই দ্বীপের বেশির ভাগ স্থানই কার্যত অক্ষত বন, প্রচুর উদ্ভিদ ও প্রানী নিয়ে গঠিত। ভূপ্রাকৃতিক বৈচিত্র এই দ্বীপের আরেকটি আকর্ষণীয় দিক। মহাসাগরীয় আগ্নেয়শীলার বৈচিত্র, দক্ষিণের প্রবাল প্রাচীর, সামুদ্রিক পাখির বাসা এবং এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এই দ্বীপটিকে অনন্য করে তুলেছে।




২। আয়ারস পর্বত
এই পর্বতটি অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণে অবস্থিত। একে উলুরু ল্যান্ডমার্ক ও বলা হয়। এই পর্বতটি প্রস্রবণ, পাথুরে গুহা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন দিয়ে চারপাশে ঘেরা যা এই একে বিস্ময়কর করে তুলেছে।

৩। টুয়েলভ অ্যাপসটেলস
টুয়েলভ অ্যাপসটেলস হচ্ছে চুনা পাথরের স্তূপ যা ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। ভিক্টোরিয়ান উপকূলে অবস্থিত এই টুয়েলভ অ্যাপসটেলস। নাম টুয়েলভ অ্যাপসটেলস হলেও এখানে ৯টি চূড়া ছিলো। সাম্প্রতিক পতনের ফলে বর্তমানে ৮ টি চূড়া আছে। এদের ভিত্তি বছরে ২ সেন্টিমিটার করে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। 

৪। কাকাডু
কাকডু একটি সুন্দর পার্ক যা অস্ট্রেলিয়ার উত্তর অংশে অবস্থিত এবং ডারউইন দ্বীপের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। সুন্দর ভূ-প্রাকৃতিক দৃশ্যের পাশাপাশি সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণী ও চমৎকার গাছপালা নিয়ে এটি গঠিত। জলপ্রপাতের সৌন্দর্য ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করে। পরিবেশগত বিভিন্ন গবেষণার জন্য এই স্থানটিতে বিজ্ঞানী ও বাস্তুবিদেরা যান। এর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সৌন্দর্য উজ্জীবিত করে মানুষকে।

৫। ওলগাস
আয়ারস পর্বতের পশ্চিম দিকে ওলগাস অবস্থিত। এটি ৩৬টি গঠনের পাথুরে এলাকা এবং পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ শুষ্ক স্থান। এটি আয়ারস পর্বত থেকে ১২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত সমতল মরুভূমি। দুঃসাহসিক কাজ করতে যারা ভালোবাসেন তারাই মূলত এই মরুভূমিতে যান প্রকৃতির শুষ্কতার সৌন্দর্য অবলোকনের জন্য। এছাড়াও এখানে পর্বতের কিছু বিরল গঠন দেখা যায়।

এছাড়াও আউটব্যাক, সিডনি অপেরা হাউস, গ্রেট বেরিয়ার রিফ, এনা ক্রিক কেটেল স্টেশন, শার্ক বে, ডায়েন্ট্রি রেইন ফরেস্ট, দ্যা পিনাকলস ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত স্থান। 

সবচেয়ে দামি শীতকালীন দলবদল, অতীতের হিসেবকেও ছাড়িয়ে

২০১৮ সালে ইউরোপিয়ান ফুটবলের শীতকালীন দলবদল ছাড়িয়ে গেছে অতীতের সব হিসেবকে। এবারের মত অর্থের ছড়াছড়ি হয়নি আগে কখনও।

চলতি দলবদলে ৪৩০ মিলিয়ন মূল্যের খেলোয়াড় কেনা-বেচা হয়েছে। যার এক-চতুর্থাংশের বেশি খরচ করেছে কেবল বার্সেলোনাই। লিভারপুল থেকে ফিলিপে কৌতিনহোকে কিনতে তাদের খরচ ১৬০ মিলিয়ন ইউরো। সঙ্গে আছেন ১২ মিলিয়ন মূল্যের কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনা।

রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ দলগুলোও। শীতকালীন দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের দলগুলো খেলোয়াড় কিনতে খরচ করেছে রেকর্ড ১৫০ মিলিয়ন ইউরো। এক ডিফেন্ডার ফন জিককে কিনতেই লিভারপুলের খরচ ৮৫ মিলিয়ন ইউরো। আরেক ডিফেন্ডার আয়মেরিক লাপোর্ত্তেকে কিনতে ম্যানসিটি ইউরো ঢেলেছে ৬৫ মিলিয়ন।

পিছিয়ে নেই আর্সেনালও। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ৬৫ মিলিয়ন ইউরোতে গানাররা দলে টেনেছে পিয়েরে অবামেয়াংকে। ম্যানইউকে অ্যালেক্সিস সানচেজকে দিয়ে নিয়ে এসেছে হেনরিখ মাখিতারিয়ানকে।

এবার সবথেকে আকর্ষণীয় দলবদল নিঃসন্দেহে কৌতিনহোর বার্সার জার্সি গায়ে চাপানো। গরমে যাকে দলে টানতে ঘাম ছুটেছিল বার্সা কর্তাদের, শীতে তাকে ঠিকই এনে ছেড়েছেন তারা। বিনিময়ে ধারে খেলতে পাঠাতে হয়েছে জেরার্ড দেলেফেউ, আর্দা তুরান, রাফিনহাকে। মেসিদের বিদায় জানিয়ে চীনে চলে গেছেন হাভিয়ের মাশ্চেরানো।

সবচেয়ে অবাক করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় খোঁড়ানো ছাড়াও কোপা ডেল রে হাতছাড়া হয়েছে জিদানের দলের। ফর্মেও নেই রোনালদো-বেনজেমারা। এরপরও কাউকে দল ছাড়তে দেননি জিদান এবং কেনেননি কোন খেলোয়াড়! অনেকটা একগুঁয়েমি করেই পুরনো দল নিয়ে মৌসুমের বাকি সময় পার করতে চান লস ব্লাঙ্কোসদের টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতানো কোচ।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates