Social Icons

Wednesday, August 31, 2016

আলাস্কায় দুই বিমানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫

আলাস্কায় আকাশের মাঝেই উড়ন্ত অবস্থায় দুটি ছোট বিমানের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার রাশিয়ান মিশনের একটি গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
 
দুর্ঘটনায় কাউকেই জীবিত উদ্ধার সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে এমন ঘটনা খুবই কম ঘটে।  বেশিরভাগই ঘটনাই হয় বিমানবন্দরের কাছাকাছি। বিবিসি

উরুগুয়ের বিপক্ষে মেসিকে পাওয়ার আশা

কিরগিজস্তানের জালে ১০ গোল বাংলাদেশের মেয়েদের

বার্সা ছাড়তে পারেন ব্রাজিলের রাফিনিয়া

৩৩ বছরেও যে ধাঁধা মেলাতে পারেনি ব্রাজিল

প্রথম ম্যাচেই কি এত বড় চ্যালেঞ্জ চেয়েছিলেন তিতে?

আর মাত্র একটি দিন। আগামীকাল (বাংলাদেশ সময় আগামীকাল দিবাগত রাত তিনটায়) ইকুয়েডরের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ দিয়ে ‘তিতে-যুগ’ শুরু হচ্ছে ব্রাজিল ফুটবলে। কিন্তু শুরুতেই একটা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে ব্রাজিলের নতুন কোচকে। একে তো ম্যাচটা ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ৮৫০ মিটার উচ্চতায় অনভ্যস্ত নাকে নিশ্বাস নেওয়াই দায় হয়ে পড়বে। তারওপর ইতিহাসেরও তো একটা দায় মেটানোর চ্যালেঞ্জ তিতের সামনে—প্রায় ৩৩ বছর হয়ে গেল, কিটোতে এখনো জয়ের মুখ দেখেনি ব্রাজিল।
এই ম্যাচে এমনিতেই জয়টা খুব বেশি করে দরকার ব্রাজিলের। ১০ দলের কনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল অঞ্চল) বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচ শেষে ব্রাজিল আছে ৬ নম্বরে। চার দল সরাসরি সুযোগ পাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে, এক দল খেলবে প্লে-অফ। ‘ট্র্যাকে’ ফিরতে এই ম্যাচে জয়টাই নিশ্চয়ই বেশি করে চাইবেন নেইমাররা।
কিন্তু ওই যে, চোখ রাঙিয়ে দাঁড়িয়ে ইতিহাস। ৩৩ বছরে কোনো জয় না পাওয়ার বাধাটা তো মানসিকও। অবশ্য পরিসংখ্যানে একটা শুভংকরের ফাঁকিও আছে, এই ৩৩ বছরে ইকুয়েডরে গিয়ে ব্রাজিল ম্যাচই তো খেলেছে মাত্র চারটি! তবুও প্রশ্ন থেকে যায়, এই শতাব্দীর শুরুর দিকে অগাস্টিন দেলগাদো-অ্যালেক্স আগিনাগাদের আগে ইকুয়েডর তো বিশ্ব ফুটবলে খুব একটা বড় শক্তি ছিলও না। ব্রাজিলের সর্বশেষ জয়টাও সে সময়, ১৯৮৩ সালে।
প্রথম ১৯৮১ সালেই কিটোতে খেলতে গিয়েছিল ব্রাজিল। ১৯৮২ বিশ্বকাপে সেই ‘সর্বকালের সেরা দলে’র জিকো, সক্রেটিসরা ছিলেন সেবার। প্রথম ভ্রমণে ৬-০ গোলের জয় নিয়েও ফিরলেন জিকোরা। দ্বিতীয় সফরেও জয়, ১৯৮৩ সালে। এবার ১-০ গোলে। অবশ্য তত দিনে ’৮২-র নায়কদের অনেকেই দলছুট।
কিন্তু এরপর থেকেই কিটো যেন চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়াল ব্রাজিলের জন্য। ১৯৯৩ সালে, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটি শেষ হয়েছিল গোলশূন্য ড্রতে। এই শতাব্দীর শুরুর দিকের পরপর দুবার, ২০০১ ও ২০০৪ সালে, ফিরতে হয়েছিল হারের লজ্জা নিয়ে। দুবারই ব্যবধানটা ১-০। দুটিই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। সর্বশেষ ২০০৯ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচটিও ছিল গোলশূন্য ড্র।
চারটি ম্যাচে কোনো গোলও করতে পারেনি ব্রাজিল। বোঝাই যাচ্ছে, অত উচ্চতায় খাপ খাইয়ে নিতেই ঝামেলা হচ্ছিল সেলেসাওদের। সর্বশেষ কয়েকবার তো ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে কিটোতে গেছে ব্রাজিল, যাতে ম্যাচের আগে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অত বেশি উচ্চতায় খুব অল্প সময় থাকতে হয় খেলোয়াড়দের। অবশ্য তাতে লাভ আর হলো কই!
দেখা যাক, এবার ৩৩ বছরের আক্ষেপ ঘোচাতে পারেন কি না নেইমাররা। ঐতিহাসিক একটা আক্ষেপ তো কিছুদিন আগেই ঘুচিয়েছে। মাত্রই অলিম্পিক সোনা জিতে ঘুচিয়ে দিয়েছে ব্রাজিলের ফুটবলের অনন্ত একটি আক্ষেপ। সেটির প্রেরণা নিয়ে এবার ‘ইকুয়েডর’ আক্ষেপও ঘোচাতে পারবেন নেইমাররা?

বিশ্বকাপ বাছাই --------- ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার নতুন শুরু

মাঝে প্রায় পাঁচ মাসের বিরতি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের সর্বশেষ ম্যাচগুলো হয়েছিল এ বছর মার্চে। পরের রাউন্ড শুরু হচ্ছে আজ থেকে। এই পাঁচ মাসে ব্রাজিল বদলে গেছে, বদলেছে আর্জেন্টিনাও। নতুন রাউন্ডটা তাই নতুন করেই শুরু করবে দক্ষিণ আমেরিকার দুই পরাশক্তি।

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মূল পরিবর্তনটা এসেছে ডাগআউটে। গত জুনের শতবর্ষী কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের পর আগের কোচ কার্লোস দুঙ্গাকে বিদায় করে দিয়েছে ব্রাজিল। তাঁর জায়গায় নেইমারদের দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক করিন্থিয়ানস কোচ তিতে। একই টুর্নামেন্টের ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর সরে দাঁড়িয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ জেরার্ডো মার্টিনোও। নতুন কোচ সান লরেঞ্জোকে ২০১৪ সালে কোপা লিবার্তাদোরেস জেতানো এদগার্দো বাউজা। আর্জেন্টিনা দলে অবশ্য আরও বড় বদল আসতে পারত। কোপায় ব্যর্থতার পর অভিমানে জাতীয় দলকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু বাউজা দায়িত্ব নিয়ে মেসিকে ফিরিয়ে আনতে রেখেছেন বড় ভূমিকা। চোটাক্রান্ত হলেও মেসি আছেন বাছাইপর্বের এই রাউন্ডের ম্যাচগুলোর জন্য ঘোষিত আর্জেন্টিনা দলে।
বাউজার চ্যালেঞ্জটা বড়ই মনে হচ্ছে। কাল মেনদোজায় তাঁর দলের প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে, ৬ সেপ্টেম্বর ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচ। উরুগুয়ের বিপক্ষে মেসির খেলা নিয়ে শঙ্কা তো আছেই। এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে সার্জিও আগুয়েরো আর হাভিয়ের পাস্তোরেকে প্রথম ম্যাচটা খেলতে দিচ্ছে না চোট। পরের ম্যাচে থাকেন কি না, সেটিও অনিশ্চিত।
উরুগুয়ে কোপার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বটা খেলছে দারুণ। ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে অস্কার তাবারেজের দলই দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। আর্জেন্টিনা সমান ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে। কাল মুখোমুখি লড়াইটা জিতলে বেশ এগিয়ে যাবে উরুগুয়ে। আর ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারাটা মানসিকভাবেও যেকোনো দলকে চাঙা করে দেয়। পরিসংখ্যান অবশ্য আর্জেন্টিনার পক্ষে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ে কখনো আর্জেন্টিনায় আর্জেন্টিনাকে হারাতে পারেনি। এখন পর্যন্ত বাছাইপর্বে ১০ বারের সাক্ষাতে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৫টি ম্যাচ, উরুগুয়ে দুটি। ড্র হয়েছে ৩টি ম্যাচ। উরুগুয়ের দুটি জয়ই নিজের মাঠে।
চ্যালেঞ্জটা কম নয় ব্রাজিলের নতুন কোচ তিতেরও। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৩টায় তাঁর দলের প্রতিপক্ষ ইকুয়েডর। একে তো ম্যাচটা ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ হাজার ৮৫০ মিটার উচ্চতায়। তার ওপর প্রায় ৩৩ বছর ধরে কিটোতে কোনো ম্যাচ জেতেনি ব্রাজিল! অথচ এই ম্যাচেই জয়টা খুব বেশি দরকার ব্রাজিলের। বাছাইপর্বে ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল আছে ৬ নম্বরে। ইকুয়েডর সমান ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে উরুগুয়ের চেয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে চার দল সরাসরি সুযোগ পাবে বিশ্বকাপে, একটা দল খেলবে প্লে-অফ। আপাতত তাই সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার আঙিনায় ফেরাটাই লক্ষ্য তিতের, ‘প্রথম চার দলের বাইরে থাকা সব সময়ই একটা ঝুঁকি। আমাকে দায়িত্বই দেওয়া হয়েছে কারণ এর আগে আমরা ফল পাচ্ছিলাম না।’
৬ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল পরের ম্যাচটা খেলবে কলম্বিয়ার বিপক্ষে। সূত্র: এএফপি, গোলডটকম।

পয়েন্ট তালিকা
             ম্যাচ জয়    ড্র   হার   গোল  পয়েন্ট
উরুগুয়ে      ৬   ৪    ১    ১   ১২/৪   ১৩
ইকুয়েডর     ৬   ৪    ১    ১   ১২/৭   ১৩
আর্জেন্টিনা    ৬   ৩    ২    ১    ৬/৪    ১১
চিলি          ৬   ৩    ১    ২   ১২/১০   ১০
কলম্বিয়া      ৬   ৩    ১    ২    ৯/৮    ১০
ব্রাজিল       ৬   ২    ৩    ১   ১১/৮    ৯
প্যারাগুয়ে    ৬   ২    ৩    ১    ৭/৬     ৯
পেরু         ৬    ১    ১    ৪   ৬/১২    ৪
বলিভিয়া     ৬    ১    ০    ৫   ৭/১৩    ৩
ভেনেজুয়েলা  ৬   ০    ১    ৫   ৭/১৭    ১

মেক্সিকোর ফেডারেল পুলিশপ্রধান বরখাস্ত

মেক্সিকোর পুলিশপ্রধান এনরিকে গালিন্দোকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ছবি : মেক্সিকো নিউজ ডেইলি
মেক্সিকোর আলোচিত মিচোকান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশটির ফেডারেল পুলিশপ্রধান এনরিকে গালিন্দোকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
গত বছরের মে মাসে মেক্সিকোর পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ মিচোকানের তানহুয়াতো শহরের একটি খামারবাড়িতে সংঘবদ্ধ মাদকচক্রের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় পুলিশের। ওই সময় ৪২ সন্দেহভাজন ব্যক্তি নিহত হন। অপর এক পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন।
ঘটনার পরপরই মেক্সিকোর সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ওই সময় দেশটির কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় দুটি মাদক পাচার সংঘের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশপ্রধান এনরিকে গালিন্দোও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নাকচ করে দেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্ত করে মেক্সিকোর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। চলতি মাসের মাঝামাঝি কমিশনের প্রতিবেদনে মেক্সিকোর পুলিশের বিরুদ্ধে ২২ ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, এ ঘটনায় একটি মাদক পাচারকারী সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা নিহত হয়।
তদন্তের পর মেক্সিকোর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বলছে, ৪০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন পুড়ে মরেছে। অপর এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে গাড়িচাপায়।
মানবাধিকার কমিশন আরো জানায়, অন্তত ২২ জনকে হত্যা করেছে পুলিশ। আবার অনেক মৃতদেহ বিভিন্ন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। মৃত অনেকের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিকে পেনা নিয়েতো বলেন, স্বচ্ছ তদন্তের স্বার্থের গালিন্দোকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
মিচোকান মেক্সিকোর সবচেয়ে সংঘাতপ্রবণ প্রদেশ। অঞ্চলটিতে কয়েকটি মাদক পাচারচক্র সক্রিয়।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates