জাকাত ফেতরার বাইরেও রোজায় অফুরন্ত দান করতেন হজরত রাসুল সা.। বুখারি শরিফে উল্লেখ আছে- আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সা. ছিলেন সবচেয়ে দানশীল। রোজায় জিবরাইল আ.-এর সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রবহমান বাতাসের গতি পেত রাসুল সা.-এর দানে। (হাদীস-৪৭১১ ( অন্যত্র হজরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সা. বলেছেন, রোজার মাসই দান-সদকার উপযুক্ত সময়। (তিরমিজি)
কল্যাণ কাজের প্রশিক্ষণের মাস রোজা। অভাবী দরিদ্রের পাশে দাঁড়ানো অভ্যাস কী আমাদের গড়ে ওঠেছে? নবিজির আদর্শ কতটা আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারছি? হজরত আয়েশা রা. বলেন, একবার ঘরে একটি ছাগল জবাই করা হলো। পর্যায়ক্রমে অভাবীদের মাঝে এর মাংস বিতরণ করে দেওয়া হলো। অতপর রাসুল সা. জিজ্ঞেস করলেন, জাগলে আর কি বাকি আছে? আয়েশা রা. বললেন একটি হাড়, বাকি সব বিতরণ করে দেওয়া হয়েছে। রাসুল সা. বললেন, তোমার কাছে থেকে যাওয়া হাড়টি ছাড়া সবই পরকালে পাওয়া যাবে (তিরমিজি)।
কত মহান দানশীল নবির উম্মত আমরা, অথচ রোজা এলেও নির্ধারিত ফেতরা-যাকাত আদায় করে ক্লান্ত হয়ে যায়। অফুরন্ত দানের অভ্যাস আমাদের গড়ে ওঠে না। অসহায় নিঃস্বের ব্যথা-বেদনায় মন গলে না! এ বিষয়ে আল্লাহ বলেছেন, পূর্ব-পশ্চিমে মুখ ফেরানোই তোমাদের জন্য কল্যাণ নয় বরং প্রকৃত কল্যাণের পথ হলো যারা আল্লাহ, পরকাল, কিতাব ও নবিদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে এবং অর্থমোহ থাকা সত্বেও স্বজন, এতিম, অসহায়, পথিক আবেদনকারী ও দাসমুক্তি কাজে ব্যয় করে। (সুরা বাকারা, আয়াতÑ১৭৭)
সাদ ইবনে আব্দুল্লাহ সূত্রে রাসুল সা. বলেছেন, কেয়ামতের মাঠে প্রখর তাপে দরিদ্রের জন্য দানই হবে আরশের ছায়া হবে। (ইবনে খুজাইমা, মুসনাদে আহমদ, ১৮০৪৩)
অন্যত্র বলেছেন, তোমরা গরিবদের এক টুকরা খেজুর দান করে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো। [বুখারী]
আবু সাইদ খুদরি সূত্রে, রাসুল সা. আরো বলেন, কোনো মুসলমান অপর কোনো বস্ত্রহীনকে কাপড় পরিধান করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবুজ পোশাক পরাবেন। কোনো মুসলমান অপর ক্ষুধার্তকে আহার করাবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুস্বাদু ফল খাওয়াবেন, কোনো মুসলমান অপরের তৃঞ্চায় পানি পান করাবে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সুঘ্রাণযুক্ত পানি খাওয়াবেন। (আবু দাউদ, ১৬৮২)
আসুন ফেতরা-জাকাতের নির্ধারিত সীমায় অফুরন্ত দান করে আল্লাহর বন্ধু হই। গরিব অসহায়ের বন্ধুত্বের মাধ্যমেই আল্লাহর বন্ধুত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।
Thursday, September 29, 2016
পবিত্র জুম’আর দিনে কেন গোসল করবেন?
জুমার দিন গোসল করার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রচলিত ধর্মমতগুলোর মধ্যে, ইসলামই শারীরিক সুস্থতার প্রতি সবিশেষ জোর দিয়েছে। বিভিন্নভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। আর জুমার দিনে পরিচ্ছন্ন থাকার ওপর আরও বেশি গুরুত্ব আরও দিয়েছে। নবীকরিম (সা.) বলেছেন,‘প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির উপর জুমার দিন গোসল করা ওয়াজিব (আবশ্যক)। (বুখারী-মুসলিম)
হাদিসে ওয়াজিব বলে, গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। গোসল না করলে গুনাহ হবে বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু নবীজি প্রতি জুমার দিনেই গোসল করেছেন। সামাজিকভাবেও এ গোসলের গুরুত্ব বোঝা যায়। এদিন মসজিদে অন্যদিনের তুলনায় মানুষ বেশি হয়। অপরিচ্ছন্ন পোষাক আর অগোসল শরীরে মসজিদে গেলে পাশে বসা মুসল্লীদের কষ্ট হতে পারে। তার নামাজ-ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে।
জুমার দিনে গোসল করে তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলে অনেক সওয়াবের ভাগীদারও হওয়া যায়। আবু দাউদ শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, জুমার দিন যে ব্যক্তি ভালভাবে গোসল করলো, তারপর তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলো, কোনও বাহনে না চড়ে হেঁটে মসজিদে গেল, ইমামের কাছাকাছি গিয়ে মনোযোগ দিয়ে তার কথা (খুতবা) শুনলো, অনর্থক কোনও কথা বললো না: সে প্রতিটি কদমের জন্যে, এক বছর নামাজ-রোযার সওয়াব পাবে।
একটা সহজ আমলে এতবড় সাওয়াব অর্জন! আমাদের ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যে অনেক ক্রটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে। তবে এতো সহজ একটি আমলের মাধ্যমে আল্লাহপাক আমাদের জন্য এতো বড় সাওয়াব রেখেছেন তাই আমরা একটু চেষ্টা করলেই এই সওয়াব লাভ করতে পারি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।
হাদিসে ওয়াজিব বলে, গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। গোসল না করলে গুনাহ হবে বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু নবীজি প্রতি জুমার দিনেই গোসল করেছেন। সামাজিকভাবেও এ গোসলের গুরুত্ব বোঝা যায়। এদিন মসজিদে অন্যদিনের তুলনায় মানুষ বেশি হয়। অপরিচ্ছন্ন পোষাক আর অগোসল শরীরে মসজিদে গেলে পাশে বসা মুসল্লীদের কষ্ট হতে পারে। তার নামাজ-ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে।
জুমার দিনে গোসল করে তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলে অনেক সওয়াবের ভাগীদারও হওয়া যায়। আবু দাউদ শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, জুমার দিন যে ব্যক্তি ভালভাবে গোসল করলো, তারপর তাড়াতাড়ি মসজিদে গেলো, কোনও বাহনে না চড়ে হেঁটে মসজিদে গেল, ইমামের কাছাকাছি গিয়ে মনোযোগ দিয়ে তার কথা (খুতবা) শুনলো, অনর্থক কোনও কথা বললো না: সে প্রতিটি কদমের জন্যে, এক বছর নামাজ-রোযার সওয়াব পাবে।
একটা সহজ আমলে এতবড় সাওয়াব অর্জন! আমাদের ইবাদত-বন্দেগীর মধ্যে অনেক ক্রটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে। তবে এতো সহজ একটি আমলের মাধ্যমে আল্লাহপাক আমাদের জন্য এতো বড় সাওয়াব রেখেছেন তাই আমরা একটু চেষ্টা করলেই এই সওয়াব লাভ করতে পারি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।
Labels:
ধর্ম ও জীবন
তৈরি হচ্ছে প্রথম ‘ন্যুডিস্ট পার্ক’
প্যারিস ৷ নগ্নতা যেখানে মুক্তির প্রতীক ৷ গোটা শহরে ‘ন্যুডিস্ট হলিডে সেন্টার’-এর সংখ্যা ১৫৫৷ পোশাকের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি পেতে যেখানে ছুটি কাটাতে আসেন সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ৷
কিন্তু, প্রকাশ্যে নগ্ন হওয়া এখানেও দণ্ডনীয় অপরাধ৷ ধরা পড়লেই জরিমানা প্রায় ১০ লক্ষ টাকা৷ না দিতে পারলে ১ বছরের হাজতবাস৷তাই এতদিন প্রকৃতির মাঝে নগ্নতার আস্বাদ থেকে বঞ্চিতই থেকে যেতেন সকলে৷ কিন্তু আর নয় কারণ খুব শিগগিরিই খুলতে চলেছে প্যারিসের প্রথম ‘ন্যুডিস্ট পার্ক’৷ যেখানে খোলা আকাশের নিচে পোশাকমুক্ত হতে পারবেন নগ্নতার পূজারীরা৷
সোমবার এই বিষয়ে প্যারিসের সিটি কাউন্সিলে একটি প্রশাসনিক বৈঠক হয়৷ সেখানেই ঠিক হয় শহরের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের ‘ল্যাক ডমেনিল’-এ তৈরি হবে এই পার্ক৷ নগ্নতার উদ্দেশে শহরে আসা বিপুল পরিমানে পর্যটকদের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্যারিস প্রশাসন৷ ডেপুটি মেয়র ব্রুনো জুলিয়ার্ডও এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷
Labels:
আন্তর্জাতিক
বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
পাকিস্তানের সঙ্গে টান টান উত্তেজনার আবহে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পাক মদতে জঙ্গীরা গোলমাল পাকাতে পারে আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সেনাবাহিনীর আশঙ্কার কথাও বিএসএফকে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, উত্তরবঙ্গেও সম্পূর্ণ সীমান্ত ধরে কড়া নজরদারি চালাতে। আর এজন্য বিএসএফের জওয়ানদের সব ছুটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে। বিএসএফের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী শহরগুলিতেও কড়া নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখতে বলা হয়েছে।
এদিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সীমান্ত এলাকা থেকে গরু হাটগুলিকে সরিয়ে নেবার জন্য ফের অনুরোধ জানানো হয়েছে এর আগেও বিএসএফের পক্ষ থেকে একই অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সীমান্তে ভারত থেকে বাংলাদেশে মূলত চোরাচালান হলেও এবার বাংলাদেশ থেকেও চোরাচালান বেড়ে চলেছে। বিএসএফ সম্প্রতি জানতে পেরেছে, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রসুন আসা গত কয়েক মাসে বেড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটায় পুলিশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা প্রায় ২ হাজার কেজি রসুন আটক করেছে। জেলা পুলিশ সুত্রে বলা হযেছেম বাংলাদেশের রসুনের কোয়া অনেক বড় এবং দামেও সস্তা। আর এরই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে রসুন পাচার বেড়ে গিয়েছে।
এদিকে বিএসএফের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সীমান্ত এলাকা থেকে গরু হাটগুলিকে সরিয়ে নেবার জন্য ফের অনুরোধ জানানো হয়েছে এর আগেও বিএসএফের পক্ষ থেকে একই অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সীমান্তে ভারত থেকে বাংলাদেশে মূলত চোরাচালান হলেও এবার বাংলাদেশ থেকেও চোরাচালান বেড়ে চলেছে। বিএসএফ সম্প্রতি জানতে পেরেছে, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে রসুন আসা গত কয়েক মাসে বেড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগণার গাইঘাটায় পুলিশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা প্রায় ২ হাজার কেজি রসুন আটক করেছে। জেলা পুলিশ সুত্রে বলা হযেছেম বাংলাদেশের রসুনের কোয়া অনেক বড় এবং দামেও সস্তা। আর এরই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে রসুন পাচার বেড়ে গিয়েছে।
Labels:
আন্তর্জাতিক
রেস্তোরাঁয় বাসন মাজতেন‚ এখন তার সম্পত্তি ৪৬ হাজার ৮২৬ কোটি টাকার
ছিলেন ডিশ ওয়াশার। হয়েছেন ধনকুবের। ধনীতম আমেরিকানদের মধ্যে একজন। তিনি শাহিদ খান বা শাদ খান। পাকিস্তান থেকে তিনি আমেরিকা গিয়েছিলেন ১৬ বছর বয়সে। এখন ৬৬ বছর বয়সে তিনি শাসন করছেন মার্কিন অর্থনীতি। মোট সম্পত্তি ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৪৬ হাজার ৮২৬ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা।
লাহোরে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম শাহিদের। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। মা গণিতের অধ্যাপিকা। ১৯৬৭ সালে ১৬ বছরের শাহিদ পাড়ি দেন আমেরিকা | ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে।পরে পাশ করেন মেক্যানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। ছাত্রজীবনের শুরুতে শাহিদ আমেরিকার রেস্তোরাঁয় বাসন মাজার কাজ করতেন। পারিশ্রমিক ছিল ঘণ্টাপিছু ১.২০ ডলার। থাকতেন হোস্টেলে।
ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে শাহিদ চাকরিতে যোগ দেন ইলিনয়ের Flex-N-Gateসংস্থায়। আজ তিনি এই সংস্থার মালিক। গাড়ির যন্ত্রাংশ বানায় তাঁর সংস্থা। এছাড়াও তাঁর মালিকানায় আছে National Football League বা NFL-এরJacksonville Jaguars এবং English Football League Championship-এর দল Fulham F.C.।
ধূমকেতুসম রূপকথার উড়ানের পরে শাহিদকে ফোর্বস পত্রিকা বলেছে তিনি গোটা আমেরিকার স্বপ্নের প্রতীক বা সমার্থক।
লাহোরে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম শাহিদের। বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। মা গণিতের অধ্যাপিকা। ১৯৬৭ সালে ১৬ বছরের শাহিদ পাড়ি দেন আমেরিকা | ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে।পরে পাশ করেন মেক্যানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। ছাত্রজীবনের শুরুতে শাহিদ আমেরিকার রেস্তোরাঁয় বাসন মাজার কাজ করতেন। পারিশ্রমিক ছিল ঘণ্টাপিছু ১.২০ ডলার। থাকতেন হোস্টেলে।
ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে শাহিদ চাকরিতে যোগ দেন ইলিনয়ের Flex-N-Gateসংস্থায়। আজ তিনি এই সংস্থার মালিক। গাড়ির যন্ত্রাংশ বানায় তাঁর সংস্থা। এছাড়াও তাঁর মালিকানায় আছে National Football League বা NFL-এরJacksonville Jaguars এবং English Football League Championship-এর দল Fulham F.C.।
ধূমকেতুসম রূপকথার উড়ানের পরে শাহিদকে ফোর্বস পত্রিকা বলেছে তিনি গোটা আমেরিকার স্বপ্নের প্রতীক বা সমার্থক।
Labels:
জানা-অজানা
যে কারনে বিয়েতে দেরি নয়
পুরুষদের একটা সাধারন ধারনা আছে বিয়ে করলেই জীবনের সব সুখ শেষ৷ কিন্তু স্ট্যাটিসটিক্স অনুযায়ী বিবাহিত পুরুষেরা শুধু দীর্ঘজীবীই হন না, তাঁরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হন এবং সুখী মানুষও হন...
ইংরেজিতে একটি কবিতা আছে, 'লাভ অ্যান্ড ম্যারেজ, লাভ অ্যান্ড ম্যারেজ/গো টুগেদার লাইক আ হর্স অ্যান্ড ক্যারেজ/দিস আই টেল ইউ ব্রাদার/ইউ কান্ট হ্যাভ ওয়ান উইদাউট দ্য আদার'৷ সহজ বাংলায়, শুধু প্রেম করলেই হবে না, পাশাপাশি বিয়েটাও করে ফেলতে হবে৷ প্রেম এবং বিয়ে একেবারেই ঘোড়া এবং গাড়ির মতো৷
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী একা এবং অবিবাহিত পুরুষের তুলনায় বিবাহিত পুরুষের আয়ু অনেক বেশি৷ যে সব পুরুষ প্রেম করেন এবং বিয়েটাকে ক্রমশ পিছনে ঠেলতে থাকেন তাঁরা যে খুব নিশ্চিন্ত জীবন কাটান তা নয়৷ কারণ, অবিবাহিত প্রেমের মধ্যে নানা ধরনের টেনশন এবং স্ট্রেস জড়িত৷ অনেক কিছুই করতে হয় অনিশ্চিত ভবিষ্যত্ মাথায় রেখে৷ এর মধ্যে 'শাররীক সম্পরক একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর৷ তার ফলেই মনের মধ্যে এসে ভিড় করে চাপ, শরীর এতেই নষ্ট৷
সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে শতকরা ৯৪ জন দম্পতি জানিয়েছেন, বিয়ের পর তাঁরা অনেক নিশ্চিন্ত৷ আরও বিস্ময়ের এই সব দম্পতিরাই যখন বাবা-মা হন, তখন তাঁদের জীবন আরও বেশি নিশ্চিন্ত হয়ে ওঠে৷ এমন বাবা-মা হওয়া শতকরা ৫৭ জন জানিয়েছেন, শুধু বিয়ের পরই নয়, বাবা-মা হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন এখন অনেক বেশি মধুর৷ তাঁরা বিয়ের আগেকার দিনগুলো ভুলতে চান৷
একটি সমীক্ষা জানিয়েছে বিশেষ করে পুরুষদের স্বাস্থ্য এবং জীবনের ওপর বিয়ের প্রভাব প্রায় সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার মতোই৷ এমনকী এক গবেষক তাঁর পত্রে জানিয়েছেন, 'সিগারেট খেলে যে কোনও পুরুষ মানুষের আয়ু গড় পড়তা ৭ বছর কমে যায়, সেই পুরুষ বিয়ে করলে তার জীবনের সঙ্গে যোগ হয় বাড়তি ৭ বছর৷ আর মেয়েদের ক্ষেত্রে আয়ু বেড়ে যায় ৩ বছর৷'
এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা সিঙ্গল, কিংবা কেউ আবার বিবাহ বিচ্ছিন্ন অথবা সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী বিয়োগ হয়েছে৷ এঁরা কেউই সেই অর্থে চরম অসুখী না হলেও, এঁদের তুলনায় বিবাহিত মানুষেরা অনেক বেশি সুখী৷ এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সুখ নির্ভর করে পারিবারিক সম্পর্কের গুণাগুণের ওপর৷ কখনও তা রোজগারের ওপর নির্ভরশীল নয়৷ অর্থ সব সময় মানুষকে সুখী করে না তুলতে পারলেও বিবাহ মানুষকে সুখী করতে পারে৷ দেখা গিয়েছে একাকিত্ব মানুষকে বিষণ্ণ এবং অসুখী করে তোলে৷ একা মানুষের তুলনায় যাঁরা বিয়ে না করেও একসঙ্গে থাকেন, দেখা গিয়েছে তাঁরা কিছুটা বেশি সুখী৷ কিন্ত্ত স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করেন যাঁরা তাঁরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে তুলনায় অনেক ভালো থাকেন৷
বিবাহিত জীবন শুধুই যে মানুষের শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো করে তাই নয়, যাঁরা মানসিক স্বাস্থ্যের অসুস্থতায় ভোগেন তাঁদেরও সুস্থ করে তোলে৷ এক মার্কিন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বিয়ের পর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ করে পুরুষদের অনেক বেশি বেড়ে যায়৷ তুলনায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমশ অবনতির দিকে এগোয়৷ সমীক্ষা আরও জানিয়েছে পুরুষ এবং নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিয়ে ব্যাপারটা ডিপ্রেশন কমাতে সহায়ক৷ (বিদেশি পত্রিকা থেকে)
ইংরেজিতে একটি কবিতা আছে, 'লাভ অ্যান্ড ম্যারেজ, লাভ অ্যান্ড ম্যারেজ/গো টুগেদার লাইক আ হর্স অ্যান্ড ক্যারেজ/দিস আই টেল ইউ ব্রাদার/ইউ কান্ট হ্যাভ ওয়ান উইদাউট দ্য আদার'৷ সহজ বাংলায়, শুধু প্রেম করলেই হবে না, পাশাপাশি বিয়েটাও করে ফেলতে হবে৷ প্রেম এবং বিয়ে একেবারেই ঘোড়া এবং গাড়ির মতো৷
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী একা এবং অবিবাহিত পুরুষের তুলনায় বিবাহিত পুরুষের আয়ু অনেক বেশি৷ যে সব পুরুষ প্রেম করেন এবং বিয়েটাকে ক্রমশ পিছনে ঠেলতে থাকেন তাঁরা যে খুব নিশ্চিন্ত জীবন কাটান তা নয়৷ কারণ, অবিবাহিত প্রেমের মধ্যে নানা ধরনের টেনশন এবং স্ট্রেস জড়িত৷ অনেক কিছুই করতে হয় অনিশ্চিত ভবিষ্যত্ মাথায় রেখে৷ এর মধ্যে 'শাররীক সম্পরক একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর৷ তার ফলেই মনের মধ্যে এসে ভিড় করে চাপ, শরীর এতেই নষ্ট৷
সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে শতকরা ৯৪ জন দম্পতি জানিয়েছেন, বিয়ের পর তাঁরা অনেক নিশ্চিন্ত৷ আরও বিস্ময়ের এই সব দম্পতিরাই যখন বাবা-মা হন, তখন তাঁদের জীবন আরও বেশি নিশ্চিন্ত হয়ে ওঠে৷ এমন বাবা-মা হওয়া শতকরা ৫৭ জন জানিয়েছেন, শুধু বিয়ের পরই নয়, বাবা-মা হয়ে যাওয়ার পরে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন এখন অনেক বেশি মধুর৷ তাঁরা বিয়ের আগেকার দিনগুলো ভুলতে চান৷

এমন অনেক মানুষ আছেন যাঁরা সিঙ্গল, কিংবা কেউ আবার বিবাহ বিচ্ছিন্ন অথবা সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী বিয়োগ হয়েছে৷ এঁরা কেউই সেই অর্থে চরম অসুখী না হলেও, এঁদের তুলনায় বিবাহিত মানুষেরা অনেক বেশি সুখী৷ এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে সুখ নির্ভর করে পারিবারিক সম্পর্কের গুণাগুণের ওপর৷ কখনও তা রোজগারের ওপর নির্ভরশীল নয়৷ অর্থ সব সময় মানুষকে সুখী করে না তুলতে পারলেও বিবাহ মানুষকে সুখী করতে পারে৷ দেখা গিয়েছে একাকিত্ব মানুষকে বিষণ্ণ এবং অসুখী করে তোলে৷ একা মানুষের তুলনায় যাঁরা বিয়ে না করেও একসঙ্গে থাকেন, দেখা গিয়েছে তাঁরা কিছুটা বেশি সুখী৷ কিন্ত্ত স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করেন যাঁরা তাঁরা মানসিক এবং শারীরিকভাবে তুলনায় অনেক ভালো থাকেন৷
বিবাহিত জীবন শুধুই যে মানুষের শারীরিক স্বাস্থ্য ভালো করে তাই নয়, যাঁরা মানসিক স্বাস্থ্যের অসুস্থতায় ভোগেন তাঁদেরও সুস্থ করে তোলে৷ এক মার্কিন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে বিয়ের পর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ করে পুরুষদের অনেক বেশি বেড়ে যায়৷ তুলনায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমশ অবনতির দিকে এগোয়৷ সমীক্ষা আরও জানিয়েছে পুরুষ এবং নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই বিয়ে ব্যাপারটা ডিপ্রেশন কমাতে সহায়ক৷ (বিদেশি পত্রিকা থেকে)
Labels:
লাইফস্টাইল
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক, ডেকে আনে বিবাহ বিচ্ছেদ
নারী ও পুরুষের সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত বিভিন্ন পর্যায়ে। ডেটিং থেকে শুরু করে বিয়ের আগে সহবাস তারপর বিয়ে পর্যন্ত নানা পর্যায়ে চলে এ সম্পর্কের সংজ্ঞায়ন।
কিন্তু সম্প্রতি ডেনবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্নাল অব ফ্যামিলি সাইকোলজি’তে। এ সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে কোহেভিটিং অর্থাৎ বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসাথে বসবাস নারী-পুরুষের সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
বিয়ের আগে কোহেভিটিং পরবর্তী বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে। এক হাজার বিবাহিত নারী-পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, যেসব নারী-পুরুষ এনগেজমেন্টের আগেই একত্রে বসবাস ও সহবাস করে, তাদের বিয়ে-বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ ধরনের নারী-পুরুষের ৪৩ শতাংশের মধ্যেই বিয়ের পর বিবাহিত জীবনে সন্তুষ্টির মাত্রা ধীরে ধীরে কমে গেছে। তাদের চেয়ে বিবাহিত তারাই বেশি সন্তুষ্ট যারা এনগেজমেন্টের পর সহবাস করেছে। এনগেজমেন্টের পর সহবাস করেছে এমন নারী-পুরুষের সংখ্যা ১৬ শতাংশ। তাদের চেয়ে বিয়ের পরবর্তী জীবন আরো বেশি সুখকর হয়েছে যারা সহবাস করেছে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর। তাদের সংখ্যা ৪১ শতাংশ।
ঊর্ধ্বতন গবেষক গ্যালেনা রোডস বলেন : ‘কিছু কিছু দম্পতি আছে যা বিয়ের ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগেই সহবাসে লিপ্ত হয়েছে, তারা পরবর্তী সময়ে বিয়ে করার ব্যাপারে পিছিয়ে যেতে চায়। অংশত এর কারণ এরই মধ্যে এরা সহবাসে লিপ্ত হয়ে পড়ছে।’
পরবর্তী আরেকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ দম্পতি লিভটুগেদার করতে চায়, কারণ পরস্পরের সাথে বেশি করে সময় কাটাতে চায়। দ্বিতীয় অতি সুপরিচিত কারণ সহজবোধ্য, যা জানা গেছে সম্পর্ক পরীক্ষা করে। গবেষক স্কট স্ট্যানলির পরামর্শ হচ্ছে যোগাযোগটাই কোহেভিটেশনের জন্য মুখ্য।
‘লিভটুগেদার করার আগেই ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে হবে, জানতে হবে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের অর্থ কী?’ তিনি আরো বলেন, ডেটিংয়ের চেয়ে সম্ভবত সাময়িক বিরতি হতে পারে আরো কঠিন, যদি ওই দম্পতি ইতোমধ্যেই লিভটুগেদার শুরু করে থাকে।
কিন্তু সম্প্রতি ডেনবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে ‘জার্নাল অব ফ্যামিলি সাইকোলজি’তে। এ সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে কোহেভিটিং অর্থাৎ বিয়ের আগে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসাথে বসবাস নারী-পুরুষের সম্পর্কে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
বিয়ের আগে কোহেভিটিং পরবর্তী বিবাহিত জীবনে বিচ্ছেদ ডেকে আনতে পারে। এক হাজার বিবাহিত নারী-পুরুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, যেসব নারী-পুরুষ এনগেজমেন্টের আগেই একত্রে বসবাস ও সহবাস করে, তাদের বিয়ে-বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি।
সমীক্ষায় দেখা গেছে, এ ধরনের নারী-পুরুষের ৪৩ শতাংশের মধ্যেই বিয়ের পর বিবাহিত জীবনে সন্তুষ্টির মাত্রা ধীরে ধীরে কমে গেছে। তাদের চেয়ে বিবাহিত তারাই বেশি সন্তুষ্ট যারা এনগেজমেন্টের পর সহবাস করেছে। এনগেজমেন্টের পর সহবাস করেছে এমন নারী-পুরুষের সংখ্যা ১৬ শতাংশ। তাদের চেয়ে বিয়ের পরবর্তী জীবন আরো বেশি সুখকর হয়েছে যারা সহবাস করেছে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর। তাদের সংখ্যা ৪১ শতাংশ।
ঊর্ধ্বতন গবেষক গ্যালেনা রোডস বলেন : ‘কিছু কিছু দম্পতি আছে যা বিয়ের ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগেই সহবাসে লিপ্ত হয়েছে, তারা পরবর্তী সময়ে বিয়ে করার ব্যাপারে পিছিয়ে যেতে চায়। অংশত এর কারণ এরই মধ্যে এরা সহবাসে লিপ্ত হয়ে পড়ছে।’
পরবর্তী আরেকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ দম্পতি লিভটুগেদার করতে চায়, কারণ পরস্পরের সাথে বেশি করে সময় কাটাতে চায়। দ্বিতীয় অতি সুপরিচিত কারণ সহজবোধ্য, যা জানা গেছে সম্পর্ক পরীক্ষা করে। গবেষক স্কট স্ট্যানলির পরামর্শ হচ্ছে যোগাযোগটাই কোহেভিটেশনের জন্য মুখ্য।
‘লিভটুগেদার করার আগেই ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে হবে, জানতে হবে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের অর্থ কী?’ তিনি আরো বলেন, ডেটিংয়ের চেয়ে সম্ভবত সাময়িক বিরতি হতে পারে আরো কঠিন, যদি ওই দম্পতি ইতোমধ্যেই লিভটুগেদার শুরু করে থাকে।
Labels:
লাইফস্টাইল
Subscribe to:
Posts (Atom)







