Social Icons

Wednesday, March 8, 2017

ছাত্রীদের পোশাক পরিবর্তনের সময় দরজা খোলা রাখার নির্দেশ!

ছাত্রীরা পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত এবং সমকামিতায় লিপ্ত, এমন সন্দেহের জেরে ছাত্রীনিবাসে নিজকক্ষে পোশাক পরিবর্তনের সময় দরজা বন্ধ না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ভারতের কেরালা রাজ্যের কোল্লাম জেলার উপাসনা নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ এ নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিজেও অবশ্য একজন নারী।

অধ্যক্ষ উদ্ভট নির্দেশ জারি করেই থেমে নেই। কোনো ছাত্রী এ নির্দেশ না মানলে বড় অংকের জরিমানাও করছেন। সঙ্গত কারণেই  তার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ছাত্রীরা।

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে গত শুক্রবার থেকে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রীরা।

তাদের অভিযোগ, নিম্নবর্ণের ছাত্রীদের অপদস্থ করার জন্য এ ধরনের নানা উদ্ভট নিয়ম তৈরি করে গত কয়েক মাস ধরে তাদের হয়রানি করে আসছেন কলেজ অধ্যক্ষ।

একজন জ্যেষ্ঠ ছাত্রী বলেন, 'হোস্টেলের ছাত্রীদের কক্ষের দরজা বন্ধ  না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এমনকি পোশাক পরিবর্তন করার সময়েও তাদের দরজা খোলা রাখতে বলা হয়েছে।'

তিনি আরো বলেন, কলেজ অধ্যক্ষ বলেছেন, আমরা গোপনে মোবাইল ফোনে পর্নোগ্রাফি দেখার জন্য বা সমকামিতায় লিপ্ত হওয়ার জন্য কক্ষের দরজা বন্ধ করে রাখি। এ কারণে আমাদের শুধু চেয়ার দিয়ে দরজা বাজিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু দরজা পুরোপুরি বন্ধ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

পর্নোছবি দেখতে পারে সন্দেহে কলেজের লাইব্রেরিতে কর্তৃপক্ষ তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুমতি দেয় না বলেও অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা।

কলেজের এক ছাত্রী বলেন, কেউ বড় চুল বা নখ রাখলেও তার জন্য জরিমানা করেন অধ্যক্ষ। এ কারণে আমরা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি। কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই তাকে সরিয়ে অন্য কাউকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দিতে হবে।

এদিকে ছাত্রীদের টানা বিক্ষোভের পরেও চলমান সমস্যার সমাধান হয়নি। এ অবস্থায় নার্সিং কলেজটি এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

সূত্র: টাইমস নাউ টিভি

ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতি চ্যালেঞ্জের উদ্যোগ


মার্কিন সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন ও অন্যান্যরা ইতোমধ্যে শরণার্থী ও ছয়টি মুসলিম দেশের নাগরিকের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করার উদ্যোগ নিচ্ছে। যদিও এবারও ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে প্রতিহত করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে যাচ্ছে। 
 
এর আগে মার্কিন আদালত ট্রাম্পের এ সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশের বিরুদ্ধে যার ভিত্তিতে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল, তা সুকৌশলে পাশ কাটিয়ে এবং অনেকটা নীরবে এবারের সংশোধিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নির্বাহী আদেশটি দেয়া হয়েছে। ট্রাম্প এবার তার এই নির্বাহী আদেশ কার্যকর করতে আটঘাট বেঁধেই নেমেছেন। তাই এবার ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশটি প্রতিরোধ করা খুবই কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সংশোধিত এ নিষেধাজ্ঞায় গ্রিনকার্ডধারী বা যাদের ভিসা রয়েছে তাদের ছাড় দেয়া হয়েছে। তাই এবার বিমানবন্দরে আগের মতো বিশৃঙ্খলা, গণ আটক বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা ঘটবে না।
 
প্রথমবার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর যে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছিল এবার তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই কোন ধরনের পূর্ব প্রস্তুতি বা নোটিশ ছাড়াই আকস্মিকভাবে আগের নিষেধাজ্ঞাটি জারি করা হয়েছিল।
 
এর আগে সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এবার ইরাককে বাদ দিয়ে অপর ছয়টি দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার জারি করা নতুন নির্বাহী আদেশটিতে সব ধরনের শরণার্থীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ১২০ দিনের প্রবেশ নিষেধ এবং সিরিয়া, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন ও সুদানের নাগরিকদের ওপর ৯০ দিনের জন্য নতুন করে ভিসা প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
 
১৬ মার্চের আগে নতুন আদেশটি কার্যকর হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যারা বসবাস করছেন ও যাদের ভিসা রয়েছে তারা নতুন নির্বাহী আদেশটির আওতামুক্ত থাকবেন। এএফপি।
 

শরণার্থী আটক আইন করলো হাঙ্গেরি

সকল শরণার্থীদের পদ্ধতিগত আটকের অনুমোদন দিয়েছে হাঙ্গেরি পার্লামেন্ট। গত মঙ্গলবার পার্লামেন্ট এ অনুমোদন দেয়। তবে এ উদ্যোগ সন্ত্রাসী হামলা থেকে পুরো ইউরোপকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান। 
 
অভিবাসনকে ‘সন্ত্রাসের ট্রোজান হর্স’ (সন্ত্রাসের ফাঁদ) বলেছেন অরবান। তিনি বলেন, যদি বিশ্ব দেখে আমরা আমাদের সীমান্তে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, তখন আর কেউ অবৈধভাবে হাঙ্গেরি ঢোকার চেষ্টা চালাবে না। এদিকে যারা ইতোমধ্যে দেশে প্রবেশ করে গেছে এবং সম্প্রতি দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তের বিভিন্ন শিবিরে কারারুদ্ধ হয়েছেন তাদের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে।
 
এখন আইনগতভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তাছাড়া যারা সার্বিয়া সীমান্ত দিয়ে এসেছেন তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হবে। তবে প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন তিন দিনের মধ্যে বাছাই করা হবে বলে জানা গেছে। আর যেসব অভিবাসীদের আবেদন নাকচ হয়ে গেছে তাদেরকে কারাভোগ করতে হবে।
 
এর আগে দেশটি একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও ২০১৩ সালে ব্রাসেলস, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা ও ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটস’র চাপে সেখান থেকে সরে আসতে হয় তাদেরকে। শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, নতুন আইন ইতোমধ্যে দুঃসহ অবস্থায় থাকা নারী, শিশু ও পুরুষের ওপর শারিরীক ও মানসিক প্রভাব ফেলবে। 

ডন।

সৌদি আরবে নতুন আইন, হুমকির মুখে ৫০ লক্ষ অভিবাসী


সৌদি আরবের সরকার নতুন কিছু অভিবাসী আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে এখন আলোচনা করছে যার ফলে সে দেশে প্রায় ৫০ লাখ অভিবাসীর এক বিরাট অংশকে বহিষ্কার করা হতে পারে। সৌদি দৈনিক আল-হায়াতের এক খবরে বলা হয়েছে, সৌদি শুরা কাউন্সিল অবৈধ অভিবাসন নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে একটি বিশেষ কমিশন গঠনের প্রশ্নে আলোচনা করছে। 
 
সৌদি আরবের অবৈধ অভিবাসী সমস্যা সম্পর্কে কাউন্সিলের জন্য একটি রিপোর্ট তৈরি করেছেন কাউন্সিল সদস্য ড. সাদকা ফাদেল। ড. ফাদেল বলছেন, হজ, উমরা কিংবা ভ্রমণ ভিসা নিয়ে এশিয়া এবং আফ্রিকার নানা দেশে থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ সৌদি আরবে প্রবেশ করেছেন। কিন্তু এদের বেশিরভাগই আর কখনই নিজ দেশে ফিরে যাননি। নিজেদের পাসপোর্ট ফেলে দিয়ে তারা রাজধানী রিয়াদ, জেদ্দা, মক্কা, মদিনা এবং তাইফের মত শহরে লুকিয়ে কাজকর্ম করছেন।  
 
স্থানীয়ভাবে কেউ কেউ বিয়েও করেছেন। এদের মধ্যে একটা বড় অংশ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি জানান, এই সমস্যাটিকে সৌদি সরকার জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি বড় একটি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। আর সেজন্যই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু অবৈধ অভিবাসীদের বৈধভাবে সৌদিতে থাকার ব্যবস্থা করে এদের অপরাধের পথ থেকে সরে আসার সুযোগ কেন সৌদি সরকার দিচ্ছে না? 
 
এক প্রশ্নের জবাবে ড. ফাদেল জানান, এসব অবৈধ অভিবাসীরা যাতে বৈধ হতে পারে সৌদি সরকার প্রাথমিকভাবে সেই চেষ্টাই করবে। পাশাপাশি এসব মানুষের মানবাধিকারের প্রশ্নটিও জড়িত রয়েছে। তিনি বলেন, যাদের কাগজপত্র ঠিক করা যাবে, তারা বৈধভাবে থাকার অনুমতি পাবেন। কোন কোন ক্ষেত্রে সৌদি নাগরিকত্ব দেয়ার প্রশ্নটিও বিবেচনার মধ্যে রয়েছে। কিন্তু বহু অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন যারা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। এদের সৌদি আরব ছাড়তে হবে বলে তিনি জানান। 

বিবিসি।

Saturday, March 4, 2017

‘একদিনেই ১৪ হাজার মানুষ পশ্চিম মসুল ছেড়ে পালিয়েছে’

ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএল যোদ্ধাদের মধ্যে ভয়াবহ লড়াইয়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক লোক পশ্চিম মসুল ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার একদিনেই ১৪ হাজার মানুষ বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়। শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একথা জানিয়েছে। এদিকে নারী ও শিশু বিষাক্ত গ্যাস দিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীরা।

দেশটিতে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে যখন বিতর্ক চলছে, তখন এই অসংখ্য মানুষের চলে যাওয়ার খবর আসছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই পলায়নের সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পশ্চিম মসুলে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী অভিযান আরম্ভ করে। এরপর গত বৃহস্পতিবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত (আইডিপিএস) হওয়ার খবর পাওয়া গেল। সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর বাস্তুচ্যুতদের মোট সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজারে।

এর আগে জাতিসংঘ সতর্ক করেছিল, আইএসআইএল’র শক্তিশালী ঘাঁটি এ গুরুত্বপূর্ণ শহর থেকে প্রত্যেক দিন প্রায় ৪ হাজার বেসামরিক লোক অন্যত্র পালিয়ে যাচ্ছে। এরপরই দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানো হলো। শহরের পূর্বে খাজের শরণার্থী শিবির থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে বলা হয়, যৌথ বাহিনীর হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় লোকজন বাড়ি-ঘর ছেড়ে চলে এসেছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়ানক যে, কোথায় যে তারা নিরাপদ আশ্রয় পাবেন তা অন্বেষণে সারাদেশ ঘুরতে থাকেন। এদিকে ত্রাণ কর্মীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, উদ্বাস্তুদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়বে, কেন না পশ্চিম মসুলে জনসংখ্যা অনেক বেশি এবং ঐসব এলাকায় এখনো সহিংসতা শুরু হয়নি।
আল জাজিরা

মার্কিন সীমান্তে অভিবাসী মা ও শিশুকে আলাদা করার পরিকল্পনা

অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রমকারী মা এবং শিশুকে আলাদা করে ফেলার বিষয়ে বিবেচনা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

দেশটিতে অবৈধ অভিবাসন বন্ধে এ ধরনের নির্মম এবং মানবতাবিরোধী পদক্ষেপের বিষয়ে পরিকল্পনা করছে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি।

শুক্রবার তিন মার্কিন কর্মকর্তা এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

এ পরিকল্পনা অনুযায়ী ফেরত পাঠানোর বা আশ্রয় দেয়ার বিষয় বিবেচনার লক্ষ্যে মাকে আটক রাখা হবে। আর মার্কিন স্বাস্থ্য এবং মানবিক সেবা বিভাগের হেফাজতে থাকবে শিশু। এখান থেকে লালন-পালনের জন্য আমেরিকায় অবস্থিত স্বজনরা বা রাষ্ট্র নিয়োজিত অভিভাবক শিশুকে নিতে পারবেন।

বর্তমানে পরিবারসহ আটক অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত মুক্তি দেয়া হয়।

এ ছাড়া ফেরত পাঠানো বা আশ্রয় দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় পর্যন্ত তাদের আমেরিকায় থাকতে দেয়া হয়।

বর্তমানে শিশুদের দীর্ঘদিন আটক রাখা হয় না।

এর আগে ডোনান্ড ট্রাম্প এভাবে অবৈধ অভিবাসীদের ‘ধরে ছেড়ে’ দেয়ার নীতির অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। ডেইলি মেইল।

ব্রাজিলের মাটিতেই চির নিদ্রায় শায়িত হলেন ব্যাবসায়ী মাহিন আহমেদ।



















  1.  















  2. প্রবাসী ব্যাবসায়ী  মাহিন আহমেদ ব্রাজিলের সাওপাওলো শহরে ভাউচিয়া মার্কেটের সামনে ব্যাবসার কাজে কর্মরত অবস্থায় গত বৃহঃস্পতিবার ভোর ৫ টায় হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু বরন করেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। মরহুমের লাশ তার পরিবারের সদস্যদের শেষ সাক্ষাতের জন্য দেশে পাঠানোর ব্যাপারে দফায় দফায় মিটিং করেন বাংলাদেশী প্রবাসী কমিউনিটির নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে মরহুমের পরিবারের পরামর্শ ক্রমে ব্রাজিলের মাটিতেই মরহুমের মরদেহ ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দ্রুত দাফন কাফনের সিদ্ধান্ত নেন।


আজ শনিবার যোহর নামাজ পর শতাধিক বাংলাদেশী, আরবি, আফ্রিফানসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দুটি বাস ও অসংখ্য প্রাইভেট গাড়ী যোগে মরহুমের মরদেহ নিয়ে ব্রাজিলের সাওপাওলো প্রদেশের মুসলমানদের জন্য ব্রাজিল সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কবরস্থান গুয়ারুলহোস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এর পার্শে ইসলামিক সেন্টারে পৌছেন। উপস্থিত সকল মুসলিমদের উদ্দেশ্যে সংখিপ্ত বক্তব্য রাখেন উক্ত মসজিদের ইমাম সাহেব এবং তার ইমামতিতেই মরহুম মাহিন সাহেবের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। আছর নামাজের পূর্বে মরহুমের জানাজা দাফন কাফন সম্পন্ন করে উপস্থিত সবাই মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।



প্রিয় সহকর্মীকে হারিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মাঝে এক হৃদয় বিদারক ও শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ব্রাজিলের বাংলাদেশী প্রবাসী কমিউনিটির নেতারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে মরহুমের মরদেহ দাফন কাফনসহ যাবতীয় কার্যক্রম উক্যবদ্ধভাবে কাধে কাধ মিলিয়ে আঞ্জাম দেন। এতে প্রমাণিত হয় যে সাওপাওলো বাংলাদেশীদের মাঝে একতা ভালবাসা ও ভাতৃত্ববোধ অনেক শক্তিশালী ও মজবুত। যে কেউ মারা গেলে অথবা বিপদ আপদে শোকে দুখে সবাই সবার পাশে থাকেন।
আগামীকাল মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে কোরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে পারি জামে মসজিদে বাদ আছর।
অপরদিকে বাংলাদেশে মরহুমের পবিবারের মধ্যে শোকের মাতম সৃষ্টি হয়। পরিবারের প্রিয় ব্যাক্তিকে হারিয়ে এবং শেষ বারের মত না দেখতে পেরে ছেলে মেয়েরা সাময়িকভাবে দিশেহারা হয়ে পরেন। পরিবারের পক্ষ হতে মরহুমের দাফন কাফনসহ সার্বিক কাজে সহযোগীতা করার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের ধন্যবাদ জানান এবং কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।








 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates