Social Icons

Friday, September 1, 2017

ওজন কমাতে চান? ফলো করুন ১০০% প্রমাণিত এই ডাক্তারি ডায়েট চার্ট !!


ওজন কমাতে চান? ফলো করুন এই ডায়েট চার্টটি । এই চার্ট টা তাদের জন্য যাদের ৮-১৫ কেজি ওজন কমাতে হবে। এটা অনুসরণ করলে মাসে ২.৫-৩ কেজি ওজন কমবে।

সকাল ৭ টা

এক গ্লাস গরম পানিতে ১ চা চামচ লেবুর রস ও মধু দিয়ে মিশিয়ে খাবেন। অবশ্যই গরম পানি। তারপর ১০০ বার দড়ি লাফ খেলবেন বা ৩০-৪৫ মিনিট হাটবেন। অবশ্যই জোরে জোরে হাটতে হবে। ধীর গতির হাটাতে কাজ হবে না। অনেকটা লম্বা সোজা রাস্তায় হাটা ভাল।

সকাল ৮ টা

সকালের নাস্তাটা অবশ্যই ঘুম ভাঙ্গার ১ ঘন্টার মধ্যে খাবেন। সকালের নাস্তায় থাকবে-২ টা রুটি (পাতলা ও ছোট)+অল্প তেলে সিদ্ধ সবজি ভাজা+১ টি ডিমের সাদা অংশ। সাথে রাখবেন ১ বাটি সালাদ। যেমন: টমেটো ও শশা। সকালের নাস্তা অবশ্যই খাবেন। কখনো বাদ দিবেন না। না খেয়ে থাকা ওজন কমায় না বরং ওজন বৃদ্ধি করে।

সকাল ১১ টা

সকালে যেহেতু খাবারের পরিমাণটা কম থাকবে তাই এই সময় কিছু খাওয়া জরুরি। এই সময় খাওয়ার জন্য বেছে নিন ১ টি পেয়ারা/১ টি কমলা/১ টি আপেল/১ টি আমড়া। ইচ্ছে হলে খেতে পারেন ১ কাপ গ্রীণ টি।

দুপুর ১:৩০-২ টা

১ কাপ ভাত+১ কাপ ডাল+১ পিস মাছ বা মুরগীর মাংস (ঝোল বাদে)+১ বাটি সালাদ। ভাত ১ কাপের বেশি না। খাওয়ার আগে ১-২ গ্লাস পানি খাবেন। এতে খাওয়ার রুচি কমে যাবে। চাইলে ভাতের সাথে ১ বাটি সবজি নিতে পারেন। পেট ভরানোর চেষ্টা করবেন সিদ্ধ সবজি+সালাদে। ভুলেও ১ কাপের বেশি ভাত নিবেন না। দুপুরের খাওয়ার পর আস্তে আস্তে ১০ মিনিট হাটুন। দুপুরে ঘুমাবেন না।

বিকেল ৫ টা

এই বেলা খেতে পারেন ১ টা টোস্ট+১ কাপ গ্রীন টি/২ টা লাক্সেস বিস্কুট+১ কাপ গ্রিণ টি।

সন্ধ্যা ৭ টা

ইচ্ছে করলে খাবেন না করলে না। ১ টি ফল খান। যেমন:আপেল/কমলা/­­­আমড়া।১ টি টোস্টও খেতে পারেন।অথবা বাসায় তৈরি টাটকা ১ গ্লাস সবজি বা ফলের রস।

রাত ৯ টা

রাতের খাবার আগে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কখনো ভাববেন না রাতে না খেয়ে ওজন কমাবো তবে কিন্তু হিতে বিপরীত। খাবেন রাতে তবে সেটা হালকা খাবার। ১ টি রুটি+১ বাটি সবজি+১ কাপ সালাদ/১ কাপ ফ্যাট ফ্রি দুধ+১/২ কাপ কেলোক্স স্পেসাল কে। সকালে যেটা খাবেন রাতে সেটা বাদ দিন। অর্থাৎ সকালে স্পেসাল কে খেলে রাতে রুটি খান। রুটি পাতলা,ছোট ও লাল আটার হতে হবে।
অনেক রাত জেগে থাকার অভ্যাস থাকলে বন্ধ করুন। রাতে ১১-১২ টা এর মাঝে ঘুমান। অবশ্যই রাতের খাওয়া শেষ করে ৩০ মিনিট হাটা হাটি করুন। সম্ভব হলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। ক্ষুধা অনুভব করলে ১ টি আপেল/কমলা/পেয়ারা খান।ক্ষুধা রাখবেন না পেটে।

গরুর মাংসের মজাদার ভুনা খিচুড়ির পারফেক্ট রেসিপি


খিচুড়ি খেতে খুবই মজা আর এটি প্রায় সবাই খুব পছন্দ করে। অনেক খিচুড়ি প্রেমি আছেন যাদের খিচুড়ি হলে আর কিছুই লাগে না। আজ  দিচ্ছে গরুর মাংসের মজাদার ভুনা খিচুড়ির পারফেক্ট রেসিপি। অনেকেই হয়তো এটি রান্না করতে পারেন তবে রেস্টুরেন্টের মত হয় না। তাই দেখে নিন রেসিপিটি আর হয়ে যান একেবারে রেস্টুরেন্টের মত রাঁধুনি। 

উপকরণ

✿ কালিজিরা চাল ১ কেজি ,
✿ গরুর মাংস ২ কেজি ,
✿ মুগের ডাল ২৫০ গ্রাম ,
✿ পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ ,
✿ হলুদ-মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ ,
✿ আদা-রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ ,
✿ আস্ত গরম মশলা ১০-১২টি ,
✿ কাঁচামরিচ ১০-১২টি ,
✿ মাংসের মশলা ১ চা চামচ ,
✿ টক দই ১ কাপ ,
✿ জায়ফল-জয়ত্রি বাটা সিকি চা চামচ ,
✿ গরম মশলা গুঁড়া ১ চা চামচ ,
✿ ঘি ১ কাপ ,
✿ তেজপাতা ২টি ,
✿ লবণ স্বাদমতো ।

প্রণালী

প্রথমে মুগের ডাল ভালো করে ভেজে নিন । তারপর হাঁড়িতে ঘি গরম করে আস্ত গরম মশলা ফোড়ন পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে অর্ধেক বাটা ও গুঁড়া মশলা , টক দই , তেজপাতা , লবণ দিয়ে কষিয়ে মাংস ও সামান্য পানি দিয়ে কষাতে থাকুন । এবার মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে বাকি মশলাগুলো দিয়ে আরও ২-৩ মিনিট রান্না করে নামিয়ে রাখুন । এখন চাল ও ডাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন । এবার হাঁড়িতে ঘি গরম করে চাল ও ডাল কিছুক্ষণ ভেজে চালের দেড়গুণ পানি , পরিমাণমতো লবণ দিয়ে নেড়ে ঢেকে দিন ।
তারপর চালের পানি শুকিয়ে থকথকে হয়ে এলে তাওয়া দিয়ে মৃদু আঁচে কমিয়ে দমে বসিয়ে রাখুন । ৫-৭ মিনিট ঢাকনা সরিয়ে রান্না করে রাখা মাংস আর কাঁচামরিচ দিয়ে হালকা হাতে নেড়ে নিন । চাল মাংস ভালো করে মিশিয়ে ডিশে ঢেলে সুন্দর করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ।

গরুর মাংস রান্নার সবচেয়ে সহজ রেসিপি


গরুর মাংস রান্না করতে প্রায় সবাই পারে তবে সবার রান্না করা মাংস খেতে সুস্বাদু হয়না। আবার হয়তো অনেকের রান্নাই ট্যাঁসটি হয়। আজ আপনাদের জন্য  গরুর মাংস রান্নার সবচেয়ে সহজ রেসিপি । এটি যেমন সুস্বাদু তেমনি আকর্ষণীয়। আর সময়ও লাগে কম। আপনার রান্নাকে আরও সহজ ও আরও সুস্বাদু করতে দেখে নিন আজকের রেসিপিটি। 

উপকরণ

✿ হলুদের গুড়া দেড় চা চামচ,
✿ মরিচের গুড়া দুই চা চামচ,
✿ জিরা বাটা তিন চা চামচ,
✿ গরুর মাংস এক কেজি,
✿ পেয়াজ কুচি এক কাপ,
✿ রসুন বাটা ৩ চা চামচ,
✿ আদা বাটা দুই চা চামচ,
✿ এলাচ ৪টি,
✿ লং ৪টি,
✿ দারুচিনি ৩-৪ টুকরা,
✿ লবন আন্দাজমতো,
✿ তেল দেড় টেবিল চামচ,
✿ ৪টি মাঝারি আলু টুকরো করে কাটা।

প্রস্তুত প্রনালী

➜ আলু ছাড়া সব উপকরণ  একসাথে মাখিয়ে চুলায় বসিয়ে ঢেকে দিন।
➜ মাংস শুকিয়ে এলে ২ কাপ পানি দিয়ে কসিয়ে নিন।
➜ পানি হাল্কা শুকিয়ে এলে আলু দিয়ে একটু পানি দিয়ে কসিয়ে নিন।
➜ তারপর কসান হয়ে গেলে পরিমাণ মত পানি দিয়ে ঢেকে দিন ও কড়া জ্বাল দিন।
➜ ঝোল মাখা মাখা হলে নামিয়ে ফেলুন।


খুব সহজে ঘরেই তৈরি করুন চিকেন সিজলিং

আমরা সকলেই চাইনিজ খাবার খেতে ভালোবাসি এবং সেজন্য কম-বেশি রেস্তোরাঁয় গিয়ে থাকি। সেখানে গিয়েই হয়তো অর্ডার করি ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, চাওমিন, ভেজিটেবল এবং চিকেন সিজলিং। চাইনিজ খাবার হিসেবে এগুলো আমাদের বাঙ্গালিদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ভেদে খরচের মাঝেও ভিন্নতা আসে। একটু ভেবে দেখুন তো, কেমন হয় যদি আমরা চিকেন সিজলিং ঘরে বসেই রেস্তোরাঁ স্টাইলে বানাতে পারি তো? চলুন দেখে আসা যাক রেসিপিটি। 
উপকরণ
৪০০ গ্রাম হাড় ছাড়ানো মুরগির মাংস, ছোট ছোট টুকরো করে কাটা
আধা চা-চামচ আদা ও রসুন বাটা
এক চা-চামচ লবণ
দুই টেবিল-চামচ কর্ণ ফ্লাওয়ার
আধা চা-চামচ লাল মরিচ গুঁড়ো
বিট করা আধাটি ডিম
ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল
গার্লিক মাশরুম সস: দুই টেবিল-চামচ রসুন কুঁচি
আধা চা-চামচ আদা কুঁচি
কিউব করে কাটা একটি মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ
১০০ গ্রাম স্লাইস করে কাটা মাশরুম
কিউব করে কাটা অর্ধেক ক্যাপসিকাম
এক টেবিল-চামচ সয়া সস
দুই টেবল-চামচ চিলি সস
আধা কাপ পানি
দুই টেবিল-চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার ও পানির মিশ্রণ 
নুডলস
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই (অল্প পরিমাণে)
সেদ্ধ বিন এবং গাজর
প্রণালী
-প্রথমেই চিকেন মাঞ্চুরিয়ান প্রস্তুত করতে হবে। হাড়ছাড়ানো মাংস খুব ছোট ছোট টুকরো করে কাটতে হবে। অল্প আদা-রসুন বাটা দিয়ে পচিশ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। 
-এরপর একে একে কর্ন ফ্লাওয়ার, লবণ, মরিচ গুড়ো এবং বিট করা ডিম ভালোমত মেশান।
-মিশ্রণটা যেন একেবারে পাতলা না হয়। মুরগীর টুকরোগুলো কভার করার মতন ঘনত্ব যেন হয়।
-বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভালো করে ভাজুন। হয়ে এলে পেপার টাওয়েলে মুড়িয়ে এক পাশে রেখে দিন।
-চলুন এবার গার্লিক মাশরুম সস তৈরি করা যাক।
-কড়াইয়ে এক টেবিল চামচ তেল গরম করুন।
-রসুন কুঁচি তেলে দিয়ে নাড়তে থাকুন।
-এবার আদা কুঁচি,মরিচ কুঁচি দিয়ে নাড়তে থাকুন।
-পেঁয়াজ কুঁচি দিন। সাথে মাশরুম ও ক্যাপসিকাম দিয়ে ভালোমত নাড়তে থাকুন।
-সয়া সস, চিলি সস ও গোলমরিচ দিন।
-আরো পানি দিন। সেদ্ধ হওয়ার সুযোগ দিন।
-একটি ছোট বাটিতে কর্নফ্লাওয়ার ও পানি মেশান। এতে সস ও মেশান
-মেশানোর পর পরই খেয়াল করবেন ভালো একটি ঘনত্ব এসেছে।
-কয়েকটা পেঁয়াজ পাতা যোগ করতে পারেন।
-এবার সসে চিকেন মাঞ্চুরিয়ান যোগ করতে পারেন।
-আপনি যদি চান, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান আলাদা রাখতে পারেন। ধরুন, আপনি এমন একটা গেট টুগেদারের আয়োজন করেছেন যেখানে ভেজিটেরিয়ান এবং নন-ভেজিটেরিয়ান দুই ধরণের অতিথিই আসবেন তাহলে সস আলাদা রাখুন। পরবর্তীতে আপনি এ সস নুডলস কিংবা ফ্রাইড রাইসের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারবেন। 
-কিছুক্ষণ সেদ্ধ হওয়ার পর নামিয়ে ফেলুন।
-এবার পরিবেশনের পালাঃ সিজলারে পরিবেশন করার আগে দেখে নিন সবকিছু প্রস্তুত আছে কী না।
- সিজলারটি চুলার উপর রেখে কিছুক্ষণ গরম করে নিন। পোড়া গন্ধ বের হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আপনি দেখবেন ধোঁয়া বের হচ্ছে।
-পানি এবং তেল একত্রে মিশিয়ে সিজলারে দিন। এতে আরো ধোঁয়া বের হবে।
-আপনি চাইলে শশা ও লেটুস পাতাও যোগ করতে পারেন। 
-এবার নুডলস দিয়ে দিন। 
-তার উপর গার্লিক মাশরুম সস এবং চিকেন মাঞ্চুরিয়ান দিয়ে দিন। সাইড ডিশ হিসেবে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই যোগ করতে পারেন।
-এক পাশে সেদ্ধ সবজি রাখতে পারেন।
-ব্যাস, তৈরি হয়ে গেল 'চিকেন সিজলিং' 

প্রিয় লাভ ডায়েরি: কে বলেছে ডিভোর্সি হলেই জীবন নষ্ট ?


ডিভোর্স শব্দটি নিয়ে আমাদের সমাজে যে এত আপত্তি, সেটার পেছনে একটা অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে মুরুব্বিরা মনে করেন ডিভোর্সি হলেই জীবন নষ্ট। একজন মানুষের, বিশেষ করে একটি মেয়ের ডিভোর্স হয়েছে মানে তাঁরা আর কখনো সুখী হবেন না দাম্পত্য জীবনে। তাঁদের আর ভালো বিয়ে হবে না, হলেও সেই বিবাহিত জীবনে অশান্তি হবে ইত্যাদি ১০০ রকমের ভ্রান্ত ধারণা আমাদের সমাজের মানুষের মনে। আর সেই ধারণা গুলো যে একেবারেই ভিত্তিহীন, সেটা প্রমাণ করে দিয়েছেন আমাদের আজকের লাভ ডায়েরির এই মিষ্টি দম্পতি। আমাদের আজকের ভালোবাসার গল্পটি শাফায়াত-ই-শাফিয়া ও মোঃ তারিকুল ইসলামের। যারা দুনিয়াকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে সুখী হতে কেবল প্রয়োজন স্বদিচ্ছা ও সাহসের! 
গল্পটি শুরু হয় ২০১৪ সালে, যখন কিনা শাফিয়া ব্যক্তিগত জীবনে এতটাই হতাশ হয়ে পড়েছিলেন যে বেছে নিতে চেয়েছিলেন আত্মহত্যার পথ। মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে হয়ে গিয়েছিল এই মেয়েটির, সাত সাতটি বছর শত গঞ্জনা-বঞ্চনা সয়ে শেষ পর্যন্ত যখন অর্থহীন সেই বিয়েতে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিলেন, পাশে ছিল না কেউই। না, এমনকি নিজের পরিবারও নয়। পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে শাফিয়ে বলেন, " বিয়ে ভাঙায় আমার পরিবারের মত না থাকায় তারা কোন ধরনের সহায়তাই করেনি। নিজের খরচ নিজে চালিয়েছি টিউশনি, ইভেন্ট, ফেয়ার আর পার্টটাইম জব করে। প্রথম ধাক্কাটা মাথা উঁচু করে নিলেও ২য় টা আর নিতে পারিনি, ভালোবেসে ফেলেছিলাম এক মেরুদণ্ডহীনকে। সব কিছু জেনেও যে আমার সাথে সম্পর্কে জড়ায় কিন্তু বিয়ের কথা বললেই ফ্যামিলির দোহাই দিয়ে কেটে পড়ে। আজ খুব সহজেই কথাগুলো বলে ফেলছি.... কিন্তু একটা টিনেজারের জন্য ব্যাপারগুলোন মৃত্যুর মতোন ছিলো! নিজের পরিবারের অবহেলা আর বাইরের মানুষের কুতসিত রূপ দেখে বাঁচার ইচ্ছেটা মরে গিয়েছিলো। কিন্তু আমার বেস্ট ফ্রেন্ডটার কারণে ওই যাত্রা বেঁচে যাই। আল্লাহ্‌ আমাকে এক নতুন জীবন দান করেন যেখানে আনন্দ আর সুখ ভরপুর রাজত্ব করে...."
গল্পের শুরু ঠিক এখান থেকেই। মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিধ্বস্ত অবস্থায় শাফিয়ার ফেসবুক আইডির নাম ছিলো 'অতৃপ্ত আত্মা"। সেটা দেখে তারিকুল সাহেবের হয় প্রচণ্ড আগ্রহ। ফটোগ্রাফি পেজের সূত্র ধরে শাফিয়া মেসেজ পাঠান তিনি। শাফিয়া জানান, " তখনো বুঝিনি এই টেক্সট আর টেক্সট এর মানুষটা আমার জীবনের ফেরেশতা। এরপর আবার ২০১৪ এর ১৮ নভেম্বর ভোরে উনি আমাকে টেক্সট করেন। ফ্রি সময় থাকায় এবং লোকটির ভদ্রতা জ্ঞান এ আকৃষ্ট হয়ে রিপ্লাই দিতে থাকলাম। দুপুরের দিকে অতি ভদ্রতার সাথে উনি আমাকে কফির জন্য ইনভাইট করেন। কী ভেবে আমিও হুট করে হ্যাঁ বলে ফেলি। কথায় কথায় জানতে পারি উনিও ডিভোর্সি। দেখা যখন হলো দেখলাম উনি আমার চেয়ে বয়সে অনেক বড় হবেন। জানলাম উনি আমার চেয়ে ১২ বছরের বড়! এত্ত ম্যানারড পারসন আমি তার আগে দেখিনি। আমি মিডল ক্লাস এর মোটামুটি চলতে পারা ফ্যামিলির মেয়ে। বাট উনি সেল্ফ মেইড। ২৫ বা ২৮ এর খুব কম ছেলেরাই এত এক্টিভ থাকে! আড্ডা শেষে আমার সাবলেটের বাসায় ড্রপ করলেন। বুঝতে পারছিলাম উনি আমাকে বেশ পছন্দ করে ফেলেছেন। তাই দ্বিতীয় বার দেখা করতে চাইনি.... অনেক না বলার পরও উনি ঠিক ই বাসার নিচে এসে অপেক্ষা করেছেন আমার নামার জন্য। আমি একথায় ওকথায় স্পষ্ট বলে দেই যে আমি আর কোন রিলেশন নিয়ে আপাতত ভাবছি না। যা হোক, এভাবে কয়েকদিন বের হওয়ার পরই হঠাৎ উনি আমাকে বলে উঠলেন-আমাকে বিয়ে করবি?"
কিন্তু না, এই প্রস্তাবে কিন্তু কাজ হয়নি। শাফিয়া সোজা তারিকুল সাহেবকে জানিয়ে দিলেন যে বন্ধু ছাড়া আর কিচ্ছু ভাবে না তাঁকে। এরপর যখন আরেকদিন বিয়ের কথা বললেন, শাফিয়ার মাথায় খেলে যায় দুষ্টু বুদ্ধি। মানুষটির ভালোবাসার গভীরতা পরিমাপের জন্যই বলে বসেন- "আমি আমার বিয়ে নিয়ে কোন ডিসিশন নিবনা। আমার ফ্যামিলির কাছে প্রস্তাব পাঠান অফিসিয়ালি, তারা রাজি হলে আমি রাজি।" মজার ব্যাপারটা হচ্ছে, এই আপাত অসম্ভব শর্তেও রাজি হয়ে যান তারিকুল। এবং অদ্ভুত ভাবেই দুটি পরিবারকে রাজি করিয়ে ফেলেন বিয়েতে! তারিকুল সাহেবের বড় বোনের কাছে শাফিয়া জানতে পারে যে মানুষটির প্রাক্তন স্ত্রী ১০ বছরের প্রেম ও ১০ বছরের সংসার ফেলে অফিসের বসের সাথে পরকীয়া করে ডিভোর্স দিয়েছে। মানুষটির প্রতি মুগ্ধতা বাড়ে শাফিয়ার, বাড়ে মনের মাঝে তিল তিল করে গড়ে ওঠা সম্মানও।
 
এরপর ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি। নানান ঘাট প্রতিঘাত পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত এই টোনা-টুনির বিয়েটা হয়েই যায়! হানিমুন শেষে সোজা নিজেদের ফ্ল্যাটে নিজেদের মত সংসার গুছিয়ে নেয়া। তারিকুল সাহেব কেমন মানুষ এই প্রশ্নের জবাবে শাফিয়া হেসে বলেন," ওকে যতোই আবিষ্কার করি, ততোই অবাক হই! অফিসের সময় টুকুন বাদ দিলে এক পা ও নড়েনা আমাকে ছাড়া। অগত্যা কোত্থাও গেলে আমাকেও সাথে যেতে হয়। আমি গাড়িতে বসে থাকি, সে আড্ডা দেয়। আমার পরীক্ষার সময় আমি পড়তে বসলে সে বেনী ধরে টানতো, বলতো তার একা একা ভাল্লাগে না...
 
অনেক বলে কয়ে তাকে সন্ধ্যায় বাসার বাইরে পাঠাতাম আড্ডা দেয়ার জন্য যাতে আমি একটু পড়তে পারি! সকালে আমি আলসেমি করি বলে ব্রেকফাস্টটা সে নিজেই রেডি করে আমাকে টেবিলে ডাকে। আমি মাছ খাইনা, কিন্তু ওর মাছ খুব প্রিয়। শাশুড়ির আর ওর কাছ থেকে মাছ রান্না শিখেছি। আমার হাতের মাছ রান্না ওর খুব প্রিয়। এখন তো শুঁটকিও রাঁধি মাঝে মাঝেই! দুপুরে রোজ সে খেতে আসে। বলে তোমার হাতের রান্না মজার, আমার কি দোষ। আসলে আমি বিয়ের আগে একবার বলে ফেলছিলাম যে আমার একা একা খেতে ভালোলাগেনা, তাই রোজ কষ্ট করে টাইম বের করে সে আমার সাথে লাঞ্চ করতে আসে.... মানুষটা তার ভালোবাসা দিয়ে আমার মন জয় করেছে। ওকে দেখেই বুঝেছি, দুনিয়ায় ওর মতোন ভালো মানুষ আছে বলেই দুনিয়াটা টিকে আছে... অফিসে সে বস এর মদমেজাজী ভাব ধরে রাখলেও বাসায় সে লক্ষ্মী স্বামী যে বৌয়ের সব কাজে হেল্প করে! সবসময় চেষ্টা করে আমাকে রাগিয়ে দেয়ার, আমি রেগে গেলে সে খুব মজা পায়.... আমিও মিথ্যা মিথ্যা দেখাই যে আমি রেগে গেছি..."
 
এইরকম খুনসুটি করেই কাটছে শাফিয়া-তারিকুলের টোনাটুনির সংসার।

ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করে থাকেন মেয়েরা

চারপাশের সকলের সাথে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যকের আলাদা কিছু গুণ রয়েছে। সাধারণত আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে আমাদের আচরণ নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেখানে আমরা সকলেই আলাদা স্বভাব এবং চরিত্রের অধিকারী সেখানে কেউ হয়ে থাকি খুব চুপচাপ, আবার কেউ কথা কথা বলতে খুব ভালোবাসি! কেউ হয়তো ঘুরতে ভালোবাসি, অথবা কেউ ভালোবাসি ঘরে বসে বই পড়তে। তবে এতো বৈচিত্র্যের ভেতরে কিছু সাধারণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকে সকলের মাঝে যা কিনা অনেক সময় নিজেদের ভালোবাসার সম্পর্কগুলোর প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
একটা ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে চাওয়া-পাওয়া এবং প্রত্যাশা থাকে দু’দিক থেকেই অনেক বেশী। প্রতিটা সময়ে সকলে আশা করে থাকেন অপরপক্ষ থেকে যেন নিজের মনের মতো করে সবটুকু পাওয়া যায়। কিন্তু সকলের মাথায় এই চিন্তাটাও থাকা দরকার- আমরা নিজেরা অপরপক্ষকে ঠিকভাবে বুঝতে পারছি তো? সে কী চাচ্ছেন অথবা কী অপছন্দ করছেন সেটা আমরা জানতে পারছি তো?
একটা ভালোবাসার সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ থেকেই ভুল হতে পারে। তবে মেয়েদের দিক থেকে কিছু সাধারণ ভুল হয়ে থাকে বলে অনেক ক্ষেত্রেই ভালোবাসার সম্পর্কে নানান ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়। তেমনই কিছু ভুল তুলে ধরা হলো।
১/ মেয়েরা নিজের মূল্য বুঝতে চান না
বেশীরভাগ মেয়েরাই খারাপ ছেলেদের প্রতি বেশী আকৃষ্ট হয়ে থাকেন। এমনকি অনেকেই আরেকটি ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িত ছেলেদেরকে পছন্দ করে থাকেন। কিন্তু তারা নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করতে ভুলে যান, তারা আসলে কি চান! তারা নিজেদের মূল্য দিতে ভুলে যান এবং নিজেদের তারা খুব ছোট ভেবে থাকেন। বেশীরভাগ সময়ে মেয়েরা আতংকে থাকেন এই ভুল ধারণা ভেবে যে, তাদেরকে কখনোই কেউ ভালোবাসবে না!
২/ অনেক মেয়েই সঙ্গীর ব্যক্তিগত ব্যাপারকে সম্মান করেন না
পুরুষরা সাধারণত তাদের কঠিন এবং খারাপ সময়ে খুব চুপচাপ হয়ে যান এবং সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে অপছন্দ করেন এবং চুপচাপ থেকে সেই সমস্যা নিয়ে কাজ করে সমাধান করতে পছন্দ করেন। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে সেই ব্যপার একদম ভিন্ন। তারা তাদের চান তাদের সঙ্গীরা যেন তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন, তাকে জানান। অনেক ভুল বোঝাবুঝি এখান থেকেই শুরু হয়।
৩/ সঙ্গীকে বদলানোর চেষ্টা করেন মেয়েরা
আপনার পছন্দের মানুষটার সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে যেতে চাইলে, তিনি যেমন তেমনভাবেই তাকে গ্রহণ করা উচিৎ। তার ছোটখাটো কোন অভ্যাস বদলাতে চাইলে প্রথমে আপনি তাকে যত্ন সহকারে বোঝাতে পারেন। অতিরিক্ত সমালোচনা করলে তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে। বরং তাকে বুঝিয়ে এবং তাকে অনুপ্রাণিত করে তার বাজে অভ্যাস বদলাতে সাহায্য করতে পারেন আপনি।
৪/ সম্পর্কে খুব দ্রুত এগোতে চান অনেকেই
যে কোন সম্পর্কেই সকলের উচিৎ ধীরে সুস্থে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। ভালোবাসার ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য তো বটেই বরং এক্ষেত্রে মেয়েদের উচিৎ আরো বেশী সময় নিয়ে তাদের সঙ্গীকে বোঝা। বেশীরভাগ সময়ে মেয়েরা যে ভুলটা করেন, খুব অল্প সময়ের মাঝেই তারা ভালোবাসার মানুষটার প্রতি মানসিকভাবে সম্পূর্নভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। কিন্তু অত অল্প সময়ে তিনি হয়তো জানতেও পারলেন না, যার সাথে মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়ছেন, তিনি তার জন্যে সঠিক মানুষ কি না!
৫/ অনেক বেশী আশা করেন
বেশীরভাগ নারীরা সম্পর্কে থাকা অবস্থায় অনেক বেশী আশা এবং প্রত্যাশা করে থাকেন তাদের সঙ্গীদের কাছ থেকে। তবে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন দেখা যায় যে, তাদের বেশীরভাগ প্রত্যাশা খুব কাল্পনিক ধাঁচের হয় অথবা সিনেমার মতো হয়। তারা বুঝতে চেষ্টা করেন না যে, তাদের সঙ্গী বাস্তবতার সাথে লড়াই করে চলা একজন মানুষ।
ভালোবাসার সম্পর্ক হয়ে থাকে অনেক বেশী প্রতিকূল অবস্থা পাড়ি দেওয়ার সময় একে অন্যের সহযাত্রী হওয়ার জন্য। একে অন্যের উপর অকারণে প্রত্যাশার চাপ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যে নয়।  
৬/ অন্যের সম্পর্কের সাথে  তুলনা
আপনার জীবন এবং আপনার সম্পর্ককে অন্যের সম্পর্কের সাথে তুলনা করবেন না কখনোই। কারণ সকলের জীবন ধারা এবং সম্পর্কের ধরন ভিন্ন।
৭/ নিজের খেয়াল রাখতে ভুলে যান
সম্পর্কে থাকাকালে অনেক সময় মেয়েরা তাদের নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা, নিজের প্রতি খেয়াল রাখার কথা ভুলে যান। অথচ, প্রত্যেক মানুষের উচিৎ নিজের প্রতি সবসময় যত্নশীল থাকা। 

নিউজিল্যান্ড- বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে প্রয়োজন দূতাবাস প্রতিষ্ঠা


ইউরোপের দেশ পর্তুগালের সমসংখ্যক প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশির বসবাস নিউজিল্যান্ডে। নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বছরে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারের ওপরে। কিন্তু সমস্যা হলো পর্তুগালে বাংলাদেশ দূতাবাস থাকলেও নিউজিল্যান্ডে আজো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বাংলাদেশ দূতাবাস। তাসমান সাগরের ওপারে সুদূর অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী তথা ছোট্ট শহর ক্যানবেরায় অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে ফিজির পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের সব কাজ কর্ম করা হয়।
নিউজিল্যান্ড প্রবাসী মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন ও  উত্তরাঞ্চলীয় শহর অকল্যান্ডে ১ জন করে দু’জন অবৈতনিক কনসাল জেনারেল নিয়োগ করা আছে। যারা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস না থাকায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক খুব একটা ভালো নেই। তাই ব্যবসা বাণিজ্যকে আর উন্নত করার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি হাইকমিশন প্রতিষ্ঠা। মীর সাজ্জাদ বলেন, নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশিদের এখন এই একটাই চাওয়া। যার দিকে বাংলাদেশ সরকারের নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন মীর সাজ্জাদ হোসেন।
বৈদেশিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র দূতাবাস না থাকার কারণেই নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য থমকে আছে ২শ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারে। তারা আরও বলেন, বিশাল দেশ অস্ট্রেলিয়া ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেই হিমশিম খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন। সেখানে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের নিউজিল্যান্ডকে নিয়ন্ত্রণ কোন সুযোগই নেই ।
মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নিউজিল্যান্ড ভারতের সাথে মুক্ত বাণিজ্যিক চুক্তি করতে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশেরও এ সুযোগ গ্রহণ করা উচিত। আর এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে নিউজিল্যান্ডের হাইকমিশন প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। মীর সাজ্জাদ বলেন নিউজিল্যান্ডে হাইকমিশন খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারলে একই সাথে ঢাকায়ও নিউজিল্যান্ড হাইকমিশন খোলার পথ তৈরি হবে। এর ফলে দেশের নতুন বাণিজ্য সম্ভাবণা তৈরি হবে।
অর্থনৈতিক সংকটমুক্ত ধনী দেশ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য যেমন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে একই সাথে সেখানে বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-শিক্ষক-কৃষিবিদ তথা প্রফেশনাল লোকজনের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য মেধাবী বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়ার পরিমানও বহুগুণে বাড়বে মনে করে মীর সাজ্জাদ সহ অনেক নিউজিল্যান্ড প্রবাসী বাংলাদেশি।
মীর সাজ্জাদ হোসেন আরও বলেন, শুধু নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশিরাই নয় পূর্ণাঙ্গ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার যৌক্তিক দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন সম্প্রতি নিউজিল্যান্ড সফরে আসা অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন আয়েবার সেক্রেটারি জেনারেল ও ফ্রান্স-বাংলাদেশ ইকোনমিক চেম্বার সিইএফবি’র প্রেসিডেন্ট কাজী এনায়েত উল্লাহ। ইউরোপের সাথে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বাংলাদেশী কমিউনিটি পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এক সম্মেলনে এসে তিনি এ একাত্মতা প্রকাশ করেন।
মীর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দূতাবাসের মাধ্যমে শুধুমাত্র বাণিজ্য উন্নয়ন হবে তা নয়, পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডে নতুনভাবে বৈধ বাংলাদেশিদের জায়গা তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন নিউজিল্যান্ডের কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। নতুন ভাবে আরও বাংলাদেশিদের প্রবেশের সুযোগ পেলে নিউজিল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের সর্ম্পক আরও উন্নত হবে। তাই অতিদ্রুত নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি দূতাবাস প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানান মীর সাজ্জাদ হোসেন।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates