জাপানের আগাম পার্লামেন্ট নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবের দল। এর মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনে আর কোনো বাধা থাকলো না অ্যাবের কোয়ালিশন দলের। খবর এবিসি নিউজ ও সিএনএনের
জাপানের গণমাধ্যম গতকাল সোমবার জানিয়েছে, শিনজো অ্যাবের লেবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) এবং ছোট অংশিদার মিলে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৪৬৫ আসনের মধ্যে ৩১২টি আসনে জয় পেয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ৩১০টি আসন। চারটি আসনের ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ নিয়ে তৃতীয় মেয়াদে অ্যাবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন। নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী অ্যাবে উত্তর কোরিয়ার হুমকি মোকাবেলার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি রবিবারই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তিনি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কঠোর নীতি গ্রহণ করবেন। সামরিক বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করা হবে।
Monday, October 23, 2017
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম. কে. আনোয়ার ইন্তেকাল করেছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম. কে. আনোয়ার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়।
সোমবার দিবাগত রাত ১টা ২০ মিনিটে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের নিজ বাসায় বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়।
এম. কে. আনোয়ারের পুরো নাম মোহাম্মদ খোরশেদ আনোয়ার। তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উচ্চ-পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সরকারি চাকরি হতে অবসর গ্রহণের পর রাজনীতিতে জড়িয়ে তিনি। পরবর্তীতে ৫ বার জাতীয় সংসদ সদস্য এবং দুইবার মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের স্থায়ী কমিটির এ সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
Sunday, October 22, 2017
সত্যায়ন ছাড়া বহির্গমন নয়; কমতে পারে জনশক্তি রপ্তানি
সম্প্রতি সৌদি আরব গমনেচ্ছু অভিবাসী কর্মীদের ভিসা সত্যায়ন বাধ্যতামূলক সম্পর্কিত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এতে বিদেশ গমনেচ্ছু একক ভিসার কর্মীদেরও ছাড়পত্র ইস্যুও বন্ধ করা হয়েছে। এ ধরণের সিদ্ধান্ত যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে জনশক্তি রপ্তানিতে বিরুপ প্রভাব পড়ার আশংকা তৈরি হবে বলে মনে করছেন জনশক্তি রপ্তানির সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে মিশনগুলোর সত্যায়ন বিহীন একক ভিসার ক্ষেত্রে বিএমইটি’র সার্ভার বন্ধ করে দেয়ায় শতাধিক বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি’র কর্মীদের ছাড়পত্রের অনুমতি মিলছে না। বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যু নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হওয়ায় আটকেপড়া এসব কর্মীদের নিয়ে বিপাকে পড়েছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। বহু কষ্টে যোগাড় করা এসব একক ভিসার অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে জনশক্তি রফতানি ধীর গতিতে নেমে যাচ্ছে।
নির্ধারিত কোন সময় বেঁধে না দিয়ে হঠাৎ বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যুর উপর সার্কুলার জারি হওয়ায় বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মাঝে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বায়রার একাধিক সূত্র জানিয়েছে বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যু নিয়ে নতুন নতুন সার্কুলার জারি করায় জনশক্তি রপ্তানিতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।
বায়রার নেতৃবৃন্দ বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছু একক ভিসার কর্মীদের কোনো সত্যায়ন ছাড়াই বর্হিগমন ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে যাচ্ছে শ্রমিকরা। সত্যায়ন ব্যতীত একক ভিসার বিদেশে গিয়ে এখনও কোন কর্মী বড় ধরণের কোন অসুবিধায় পড়ে নি। বরং তারা একক ভিসা নিয়ে বিদেশ গিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকার রেমিটেন্স দেশে পাঠাচ্ছে। এসব রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। বায়রা নেতৃবৃন্দ বলেন, সত্যায়নের দোহাই দিয়ে কর্মী প্রেরণে পদে পদে বাধার সৃষ্টি করলে অভিবাসন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। তারা শ্রমবাজার সম্প্রসারণের স্বার্থে অনতিবিলম্বে একক ভিসার সত্যায়ন ছাড়াই পূর্বের ন্যায় বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যুর জোর দাবী জানান।
আগে থেকে কোম্পানী ভিসা ও গ্রুপ ভিসায় মিশনগুলোর শ্রম সচিবদের সত্যায়নের মাধ্যমেই বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যু করেছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বরের সার্কুলারের সৌদি আরবে বিদেশি নাগরিকদের সত্যায়ন বিহীন একক ভিসার বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যূ বন্ধ হয়ে যায়। যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন দেশের একক ভিসার কোনো সত্যায়নের প্রয়োজন হতো না। বিএমইটি’র সূত্র জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ২৭ হাজার ৫শ’ ৭৫জন কর্মী চাকুরি নিয়ে গেছে। গত জুলাই মাসে বিভিন্ন দেশে ৭৬ হাজার ২শ’১৫জন এবং আগষ্ট মাসে ৯৩ হাজার ৩শ’ ৪১জন কর্মী বিদেশে গেছে। এসময়ে কোনো একক ভিসায় সত্যায়ন প্রয়োজন হতো না। গত জানুয়ারী থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিদেশে কর্মসংস্থান লাভ করেছে ৭ লাখ ১৭ হাজার ৬শ’২১জন। দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়া হচ্ছে। ২০১৬ সালে বিভিন্ন দেশে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৭শ’ ৩১জন কর্মী চাকুরি নিয়ে গেছে।
এদিকে, বায়রার সভাপতি বেনজির আহমেদও বর্হিগমন ছাড়পত্রের উপর জারিকৃত নিষেধাজ্ঞায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে আমরা অনুরোধ করেছি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য। তিনি বলেন, আশা করছি বর্হিগমন ছাড়পত্র নিয়ে সৃষ্ট সংকট দুই এক দিনের মধ্যেই নিরসন হবে। জনশক্তি রপ্তানিকারক ও বায়রার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল হাই এ ধরণের সার্কুলার নিয়ে ভয়েস বাংলাকে বলেন ,‘ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির স্বার্থে বর্হিগমন ছাড়পত্র ইস্যুতে যে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে তা দ্রুতই কেটে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কথা হচ্ছে এ সমস্যা থাকবে না। দু- একদিনের মধ্যে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
Labels:
আন্তর্জাতিক
Wednesday, October 18, 2017
রোহিঙ্গা ৫ শিশুর শরীরেও এইডস ভাইরাস, ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে রোগী
উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে এবার এইচআইভি পজেটিভ শিশুর সন্ধান মিলেছে। আর বেড়েছে রোগীর সংখ্যাও। বুধবার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত এইডস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৩ জনে দাঁড়িয়েছে। শনাক্তদের মাঝে ১৮ জন নারী, ১০ পুরুষ এবং ৫ জন শিশু। এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হলেও বাকিরা চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা আশা’র আলো সংস্থার দায়িত্বরত কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. মো. শাহীন আবদুর রহমান।
বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত রোগীদের পুনরায় পরীক্ষা করে এইচআইভি পজেটিভ নিশ্চিত করে সরকারি ভাবে ফ্রিতে চিকিৎসা সেবা এবং কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ৩৩ জনে ২২ জন মিয়ানমারে থাকাকালীন শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত করে আসেন। আর বাংলাদেশে এসে মঙ্গলবার পর্যন্ত ২ জনের মাঝে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এদের মাঝে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার বাকীদের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। সবাইকে বিশেষ ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, রোগীর আধিক্য বাড়তে থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এইচআইভি শনাক্ত করার জন্য উখিয়া এবং টেকনাফে দুটি ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে।
শিশুদের এইচআইভি পজেটিভ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে আরএমও বলেন, নানা কারণে এটি হয়ে থাকে। তবে এইডস আক্রান্ত বাবা মায়ের সন্তানেরাই স্বাভাবিকভাবে এইচআইভি পজেটিভ হয় বেশি। এসব শিশুদের পিতা-মাতার কেউ এইচআইভি পজেটিভ ছিল।
কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম বলেন, এভাবে এইডস রোগী পাওয়া আমাদের জন্য অতি উদ্বেগের বিষয়। তবে একসাথে খাবার খাওয়া, ঘুমানো বা স্বাভাবিক মেলামেশায় এইডস ভাইরাস ছড়ায় না। শুধুমাত্র শারিরীক মিলন ও আক্রান্ত রোগীর রক্ত অন্যের শরীরে ব্যবহারের মাধ্যমে রোগটি ছড়ায়। তাই রোহিঙ্গা নারীদের ব্যবহারে সতর্ক হতে অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে শঙ্কা অনেকাংশে কমে যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার গর্ভবতী নারীকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। জন্ম নিয়েছে ৬৫৩ জন শিশু। পাওয়া গেছে ৮ জন ম্যালেরিয়া রোগী। ৬ লাখ ৭৯ হাজার লোককে কলেরার ভেকসিন খাওয়ানো হয়েছে। ১৬ হাজার ৮৩৩ জন এতিম শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে।
উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও রোগ প্রতিষেধক টিকা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী ডা. মিসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এইডসসহ মারাত্মক সব সংক্রামক রোগ নিয়ে আসছে। যেসব রোগ আমাদের দেশ থেকে একপ্রকার বিদায় করা গেছে এখন সেসব রোগও আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কারণে আবার দেখা দিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
অপুষ্টিজনিত কারণে রোহিঙ্গারা সহজেই নানা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এরমাঝে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপটা বেশি। হাম-রোবেলা, ভিটামিন-এ ক্যাপ্সুলসহ অনেক রোগের টিকা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ চলেছে কলেরা টিকার প্রথম রাউন্ড।
বুধবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত রোগীদের পুনরায় পরীক্ষা করে এইচআইভি পজেটিভ নিশ্চিত করে সরকারি ভাবে ফ্রিতে চিকিৎসা সেবা এবং কাউন্সিলিং করা হচ্ছে। ৩৩ জনে ২২ জন মিয়ানমারে থাকাকালীন শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত করে আসেন। আর বাংলাদেশে এসে মঙ্গলবার পর্যন্ত ২ জনের মাঝে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এদের মাঝে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বুধবার বাকীদের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। সবাইকে বিশেষ ভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, রোগীর আধিক্য বাড়তে থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এইচআইভি শনাক্ত করার জন্য উখিয়া এবং টেকনাফে দুটি ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে।
শিশুদের এইচআইভি পজেটিভ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে আরএমও বলেন, নানা কারণে এটি হয়ে থাকে। তবে এইডস আক্রান্ত বাবা মায়ের সন্তানেরাই স্বাভাবিকভাবে এইচআইভি পজেটিভ হয় বেশি। এসব শিশুদের পিতা-মাতার কেউ এইচআইভি পজেটিভ ছিল।
কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুস সালাম বলেন, এভাবে এইডস রোগী পাওয়া আমাদের জন্য অতি উদ্বেগের বিষয়। তবে একসাথে খাবার খাওয়া, ঘুমানো বা স্বাভাবিক মেলামেশায় এইডস ভাইরাস ছড়ায় না। শুধুমাত্র শারিরীক মিলন ও আক্রান্ত রোগীর রক্ত অন্যের শরীরে ব্যবহারের মাধ্যমে রোগটি ছড়ায়। তাই রোহিঙ্গা নারীদের ব্যবহারে সতর্ক হতে অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে শঙ্কা অনেকাংশে কমে যায় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, আশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের মাঝে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার গর্ভবতী নারীকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে। জন্ম নিয়েছে ৬৫৩ জন শিশু। পাওয়া গেছে ৮ জন ম্যালেরিয়া রোগী। ৬ লাখ ৭৯ হাজার লোককে কলেরার ভেকসিন খাওয়ানো হয়েছে। ১৬ হাজার ৮৩৩ জন এতিম শিশুর সন্ধান পাওয়া গেছে।
উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও রোগ প্রতিষেধক টিকা কার্যক্রমের সমন্বয়কারী ডা. মিসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এইডসসহ মারাত্মক সব সংক্রামক রোগ নিয়ে আসছে। যেসব রোগ আমাদের দেশ থেকে একপ্রকার বিদায় করা গেছে এখন সেসব রোগও আশ্রিত রোহিঙ্গাদের কারণে আবার দেখা দিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
অপুষ্টিজনিত কারণে রোহিঙ্গারা সহজেই নানা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এরমাঝে ডায়রিয়া রোগের প্রকোপটা বেশি। হাম-রোবেলা, ভিটামিন-এ ক্যাপ্সুলসহ অনেক রোগের টিকা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ চলেছে কলেরা টিকার প্রথম রাউন্ড।
Labels:
বাংলাদেশ
ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা, ভাল নেই ওমানে বাংলাদেশিরা
ফ্রি ভিসায় গিয়ে ভালো কাজ পাওয়া যাবে, কোম্পানি পরিবর্তনে কোন অসুবিধা নেই, ভালো উপার্জন করা যায়’। এমন অনেক স্বপ্ন আর প্রতিশ্রুতি দেখিয়ে ওমানে নিয়ে যাওয়া হয় গাজীপুরের আওলাদ হোসাইনকে। পরিবারের দূরাবস্থা আর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওমানে যান তিনি।দেশ থেকে ঋণ করে এবং পরিবারের মাধ্যমে টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে এ পথে পা বাড়ান আওলাদ। উচ্চ শিক্ষিত ছিল বলে অন্য শ্রমিকদের মতো নিজের জায়গাটা অতোটা কঠিন হবে না আশা ছিল তার। কিন্তু ওমানে গিয়ে জানতে পারেন আসল ঘটনা। যেসব প্রতিশ্রুতি তাকে দেওয়া হয়েছিল। ওমানে গিয়ে বাস্তবে তার কোনটাই তিনি দেখতে পাননি।
আওলাদ হোসাইন জানান, ‘ওমানে আসতে ভিসা ও টিকেট বাবদ প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়। এখানে এসে দেখি ফ্রি ভিসা কোন কোম্পানির ভিসা নয়। আর ওমানে ফ্রি ভিসায় অনেক সমস্যা। যারা আসে শুধু তারাই জানে। আসল কারণ এখানে ফ্রি ভিসায় আপনি বাইরে কাজ করতে পারবেন না। পুলিশের হাতে ধরা পড়লে জেল, দেশে পাঠিয়ে দেবে। আসার তিন মাস পর কাজ দেবে বললেও আমি কাজ পাইনি’। দেশিয় এক পরিচিত এজেন্টের সাথে যোগাযোগ করে ওমান যান তিনি।
তার ভাষায় ওই এজেন্টের কাজ হচ্ছে এটাই, দেশ থেকে নানা মিথ্যা কথা বলে মানুষ ওমানে নিয়ে যাওয়া। আর এখানে আসারপর সব উল্টা-পাল্টা কথা বলে অমানবিক পরিশ্রম করিয়ে নেওয়া।ওমানে আসার পর আমি তিনটা মাস কাজ ছাড়া বসেছিলাম, ঠিকমতো খাবার দিত না সে আমাদের। তারপর একদিন এক সাপ্লাই কোম্পানিতে নিয়ে কাজ দিলো। বলেছিলো দুই মাস পর বেতন দেবে। কাজ শুরু করার দু-মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও যখন বেতন দেয় না তখন তার সাথে যোগাযোগ করি কিন্তু সে কিছুই বলে না।
কিন্তু কাজ চালিয়ে যেতে থাকি পরিবারের কথা চিন্তা করে।ভেবেছিলাম সব টাকা একসাথে পাবো তাই কিছু বলিনি। এভাবে দুই মাস চলে গেলো। বাংলাদেশ থেকে আসার সময় হাত খরচের জন্য পাঁচ রিয়াল দিয়েছিলো, তা কোনরকম এক মাস চলে গিয়েছিলো। দুই মাস পর ফোন দিলাম বেতনের জন্য।তখনও কোন সাড়া নেই। এভাবে ছয় মাস চলে গেলো, আমাকে একটা টাকাও দিলো না। তারপর যখন কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালাম তখন সে এক মাসের বেতন দিল।বাকী ছয় মাসের টাকার কোন খবরই নেই। তখন কোম্পানির কাজ ফেলে চলে আসি।
আওলাদ জানান, এখানে শুধু আমি একা নই, এখানে আমার সঙ্গে আরও অনেক বাংলাদেশি লোক আছে যাদের একই অবস্থা। আওলাদের মতো হাজার হাজার শ্রমিক রয়েছে যাদের অনেকের অবস্থা এরকম। দালাল মাধ্যমে ফ্রি ভিসায় গিয়ে নাম মাত্র কোম্পানিতে কাজ দিয়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করিয়ে নিচ্ছে কতিপয় কিছু ব্যাক্তি। ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাজ করছে এসব শ্রমিকেরা। যাদের বেতনের সাথে সম্পর্কিত থাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া ওসব এজেন্ট বা দালালদের।দেশ থেকে ঋণ নিয়ে এবং দীর্ঘদিন পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে না পেরে অনেক অসহায় এবং কষ্টের মধ্যে দিন যাপন করছেন এসব শ্রমিকেরা।
তাদের দাবি, সরকার এবং দূতাবাস যদি এগিয়ে আসে তাহলে বৈধ কাগজপত্র করে অন্তত ওমানে কাজ করতে পারবে।কাজের চাপ এবং পরিশ্রম বেশি হলেও নিরাপদে এবং কোম্পানিগুলোকে এক ধরণের চাপের ভিতর রাখলে নিজেরা মানষিকভাবে এবং কর্মপরিবেশে নিরাপদ থাকবো’। ওমানে বাংলাদেশিদেরে এই অবস্থা নতুন কিছু নয়।
মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে প্রবাসীদের তালিকায় বাংলাদেশিরা সর্বোচ্চ। প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশি রয়েছে দেশটিতে।পুরুষের তুলনায় মহিলার সংখ্যা শতকরা ৯০ ভাগ। আর এসব নারী শ্রমিকেরা দেশটিতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছে।নির্মান এবং আবাসন খ্যাতে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশিদের বেশ সুনাম আছে। তাই বৈধ পথে এবং কোন ধরণের প্রতারণা ছাড়া্ই যদি শ্রমিকরা দেশটিতে যেতে পারে। তাহলে আগামীতেও ওমানে বাংলাদেশি শ্রমিক রপ্তানির প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করেন ওমান প্রবাসীরা।
Labels:
আন্তর্জাতিক
নারীদের জন্য ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ শহর মিশরের কায়রো!
বিশ্বে নারীদের নিরাপত্তার জন্য মিশরের রাজধানী কায়রোকে বলা হচ্ছে ‘সবচেয়ে বিপজ্জনক’ শহর। আর নারীদের জন্য খারাপ মহানগরীর মধ্যে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা রয়েছে সপ্তম স্থানে, তবে যৌন সহিংসতার দিক থেকে ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।মেগাসিটি বা বড় শহরগুলোর ওপর থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক জরিপে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
বিশ্বজুড়ে ১৯টি মেগাসিটিতে পরিচালিত এই জরিপে নারী ইস্যুতে বিশেষজ্ঞদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিলো যে যৌন সহিংসতা থেকে নারীরা ঠিক কতোটা সুরক্ষিত। জরিপে দেখায় বড় শহরের মধ্যে লন্ডন সবচেয়ে বেশি নারী বান্ধব, এরপরেই রয়েছে টোকিও ও প্যারিস। আর কায়রোর নারী অধিকার কর্মীরা বলছেন, দেশটির পুরনো প্রচলিত প্রথা গুলোই নারীদের প্রতি বৈষম্যের জন্য বেশি দায়ী এবং নারীদের জন্য প্রগতিশীল কোনো পদক্ষেপ নেয়াও সেখানে কঠিন। তাদের মতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা, অর্থ ও শিক্ষার মতো বিষয়গুলোতেও নারীর জন্য সুযোগ কম।
মিশরের সুপরিচিত সাংবাদিক শাহিরা আমিন বলছেন, শহরের সবকিছুই নারীর জন্য কঠিন এমনকি রাস্তায় হাঁটতে গেলেও বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতে পারে একজন নারী। নারীদের জন্য বিপজ্জনক মেগাসিটির তালিকায় কায়রোর পরেই আছে পাকিস্তানের করাচী এবং কঙ্গোর কিনসাসা। আর যৌন হয়রানি বা ধর্ষণের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহর হলো ভারতের দিল্লী ও এরপরেই আছে ব্রাজিলের সাও পাওলো।
বিবিসি।
Labels:
আন্তর্জাতিক
জার্মানি-রাশিয়ার সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল
হার দিয়ে শুরু করলেও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দুর্দান্ত সমাপনী টেনেছে ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবার আগে নিশ্চিত করে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট। সেই বিশ্বকাপের চূড়ান্তপর্বে মাঠে নামার আগেই প্রস্তুতিটা সেভাবেই নিতে চায় দলটি। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বকাপের প্রাক্কালে বিশ্বকাপের স্বাগতিক রাশিয়া ও জার্মানির বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। আগামী বছরের মার্চে হবে এই দুটি ম্যাচ।
মস্কোয় রাশিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ হবে ২৩ মার্চ। তবে ম্যাচের ভেন্যু এখনো নির্ধারিত হয়নি। এরপর ২৭ মার্চ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। এটি হবে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে।
এছাড়াও নভেম্বরে ফ্রান্সের মাটিতে জাপানের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এরপর ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে লন্ডন সফরে যাবেন নেইমার-কুটিনহোরা।
Labels:
খেলাধুলা
Subscribe to:
Posts (Atom)







