Social Icons

Monday, May 28, 2018

পিরিয়ড প্রকৃতির নিয়ম, এতে লজ্জার কী আছে ?

পিরিয়ড প্রকৃতির নিয়ম, এতে লজ্জার কী আছে? এমনি মন্তব্য করেছেন ভারতীয় বাংলা সিরিয়ালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।
আজ মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন দিবস। এই দিবসে গণমাধ্যমের সঙ্গে পিরিয়ডের বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করেছেন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা।
অপরাজিতা আঢ্য বলেন, আমি নিজে ২০০ শতাংশ হাইজিন মেনে চলি। আমি চাই, সব মেয়েরাই এটুকু মেনে চলুক। কিন্তু এখনও আমাদের অনেকের মধ্যেই সচেতনতার অভাব রয়েছে।
জনপ্রিয় অভিনেত্রী বলেন, যখন ছোট ছিলাম, মায়েরা যে পদ্ধতি বলে দিতেন আমরা সেটা মেনে চলতাম। ভাবতাম, এটা একটা লজ্জার বিষয়। ঘরের কাপড়ই ধুয়ে ব্যবহার করতাম।
সেটা আবার এমন জায়গায় রাখতে হত যাতে পুরুষদের চোখে না পড়ে। কিন্তু এটা তো প্রকৃতির নিয়ম। এতে লজ্জার কী আছে?
তিনি বলেন, যখন থেকে বুঝেছি পিরিয়ডে কাপড় ব্যবহার করলে ইনফেকশন হতে পারে, নানা রকম রোগ হতে পারে, তখন থেকে সচেতন হয়েছি।
ন্যাপকিন ব্যবহার করেছি। কিন্তু এখনও অনেকে দোকানে গিয়ে ন্যাপকিন চাইতে লজ্জা পান। গ্রামে তো বটেই, শহরেও কিন্তু এই সংখ্যাটা খুব একটা কম নয়। এর ফলেই বহু রোগ হচ্ছে মেয়েদের। আমার কথা হল, এই রোগ হওয়ার পরিস্থিতিতে বিষয়টা যাবে কেন?
তিনি আরো বলেন, অনেক মেয়েই অনেকক্ষণ ধরে একটাই ন্যাপকিন ব্যবহার করেন। ধরুন, আমাদের প্রফেশনে যারা আছেন, তাদের হয়তো শট চলছে, টয়লেটে যেতে পারবেন না।
আবার স্কুল পড়ুয়ারাও হয়তো বাধ্য হয়ে এটা করছে। বা অনেক মহিলাকে পেশার তাগিদে সারাদিন হয়তো রাস্তায় ঘুরতে হয়।
তাদেরও এই সমস্যা হয়। আমাকে চিকিত্সক বলেছিলেন, এটা খুব খারাপ। একেবারেই করা উচিত নয়। যে পরিস্থিতিই হোক না কেন, নির্দিষ্ট সময় অন্তর ন্যাপকিন চেঞ্জ করাটা জরুরি।

ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারক অর্থ পাচারের আশঙ্কা

অস্বাভাবিক আমদানিতে বাড়ছে ডলারের চাহিদা, যা রহস্যজনকও বটে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাস্তবে এর অনেক কিছুই আদৌ আমদানি হচ্ছে না। আমদানির আড়ালে টাকা পাচার হচ্ছে। তবে এর খেসারত দিতে হচ্ছে সবাইকে।
হু-হু করে দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে ডলারের দাম। এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যাংকও অতি মুনাফার লোভে বাড়িয়ে দিয়েছে বৈদেশিক এই মুদ্রার মূল্য। এ কারণেই আমদানিতে পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। এতে আমদানিকারক এবং ভোক্তা উভয় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অন্যদিকে যে হারে আমদানি বাড়ছে সে হারে রফতানি ও রেমিটেন্স না বাড়ায় বড় ধরনের অর্থ পাচারের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আমদানি সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য মোট ৫৫ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। এই নয় মাসে এলসি নিষ্পত্তি (সেটেলমেন্ট) হয়েছে ৩৮ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের।
গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৩৫ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। আর নিষ্পত্তি হয়েছিল ৩৩ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ২০ দশমিক ২৮ শতাংশ। আর নিষ্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, জুলাই-মার্চ সময়ে খাদ্যপণ্য (চাল ও গম) আমদানির এলসি বেড়েছে ২১৮ শতাংশ। জ্বালানি তেল আমদানিতে ৩৭ শতাংশ, মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানিতে ৩৩ শতাংশ এবং শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি বেড়েছে ১৪ শতাংশ।
অপরদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) রফতানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আর দশ মাসে অর্থাৎ জুলাই-এপ্রিল সময়ে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়েছে ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। তবে রফতানি এবং রেমিটেন্স কিছুটা বাড়লেও তা আমদানির তুলনায় অনেক কম।
এমন পরিস্থিতির বিশ্লেষণ জানতে চাইলে অর্থনীতির গবেষক ড. আহসান এইচ মনসুর যুগান্তরকে বলেন, ‘টেনশন আছে (দুশ্চিন্তা)। কারণ রফতানি বাড়ছে না। অর্থ সরানোর বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়া যায় না। নানা কারণে আমদানির চাপ আছে, তবে নির্বাচনী বছরে ম্যানেজ করার চেষ্টা করবে সরকার।’
এদিকে ক্রমাগতভাবে আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাজারে ডলারের চাহিদা এবং দর বাড়তির দিকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে ৮৩ টাকা ৭০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ৩ টাকা ১৬ পয়সা বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, সর্বশেষ গত এক মাসে ডলারের দাম ৭২ পয়সা বেড়েছে।
তবে বাজারের বাস্তবতা খানিকটা ভিন্ন। বেশ কিছু ব্যাংক ডলার সংকটের কারণে পণ্য আমদানির ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। কিছু ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হারের চেয়ে বাড়তি মূল্য আদায় করছে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। আর সাধারণ মানুষকে ডলার কিনতে হচ্ছে ৮৬ টাকা দরে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১০ মাসে ১৯৪ কোটি ৩০ লাখ (১.৯৪ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও ডলার ছাড়তে হবে। ব্যবসা পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছি। তা না হলে ডলারের সংকট প্রকট হবে।’
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক যে দামে ডলার বিক্রি করে বা কেনে তাকে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বলে। ব্যাংকগুলো এর চেয়ে কিছু বেশি দামে ডলার কেনাবেচা করে। সর্বশেষ সোমবার আমদানি পর্যায়ে ৮৩ টাকা ৭০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে ব্যাংকগুলো। খুচরা পর্যায়ে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৮৬ টাকা পর্যন্ত। অথচ কিছুদিন আগেও ডলারের দাম ছিল ৭৮ থেকে ৮০ টাকা।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেডা) চেয়ারম্যান এবং সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ যুগান্তরকে বলেন, প্রায় ১০টি ব্যাংক ডলারের দামে বাংলাদেশ ব্যাংকের সীমা লঙ্ঘন করছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।
ওদিকে আমদানি লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় চাপের মুখে পড়েছে দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ। বাজার স্বাভাবিক রাখতে ডলার বিক্রি করেই চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল এবার ১৪০ কোটি ডলারে উঠেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গত জানুয়ারি-ফেব্র“য়ারি মেয়াদে আকুর বিল ১৫৬ কোটি ৩০ লাখ ডলারে উঠেছিল।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহের শেষদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে তিন হাজার ৩১২ কোটি (৩৩.১২ বিলিয়ন) ডলার ছিল। দ্বিতীয় সপ্তাহে আকুর মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের ১৪০ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর তা ৩২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে আসে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ- এই ৯টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য।
এই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে তার বিল দুই মাস পরপর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়। গত বছরের জুলাই-আগস্ট মেয়াদে ১১৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার আকুর বিল পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদে শোধ করা হয় ১১৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে আকুর বিল ছিল ১৩৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

Sunday, May 27, 2018

পাঁচ মাসে মালয়েশিয়ায় আটক সাড়ে ৩ হাজার বাংলাদেশি


চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত ৩ হাজার ৪শ’ ৩ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৭ হাজার ৮শ’ ৬৯ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়া পুলিশ। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
গত ২৬ মে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মোস্তাফার আলী সাংবাদিকদের বলেন, গত পাঁচ মাসে মালয়েশিয়ান পুলিশ ইন্দোনেশিয়ার ছয় হাজার ৩শ’ ১৫ জন, বাংলাদেশের তিন হাজার ৪শ’ ৩ জন, ফিলিপাইনের এক হাজার ৯শ’ ৫৬ জন, মিয়ানমারের এক হাজার ৭শ’ ৪৮ জন এবং অন্যান্য দেশের অবৈধ শ্রমিকদের আটক করেছে। অভিবাসন কর্মকর্তারা অবৈধ শ্রমিকদের ধরতে এখনও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং অভিবাসন বিভাগ গ্রেপ্তারকৃত শ্রমিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে বলেও জানান তিনি।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ প্রবাসীদের আটক অভিযানে শুধু শ্রমিক নয়, অবৈধ অভিবাসীদের কাজ দেয়ার জন্য ৪শ’ ৫৫ নিয়োগকর্তাকেও আটক করেছেন তারা। এছাড়াও নতুন করে প্রায় ৭৪ হাজার শ্রমিকের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মোস্তাফার আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসী বিরোধী মোট ৬ হাজার ১৯টি অভিযান পরিচালনা করেছে বিভাগটি।
অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় সবেচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন বাংলাদেশিরা। এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮২ হাজার ৫শ’ ৩৫ জন বাংলাদেশি বৈধ হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এছাড়াও এই একই সময়ে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ বা থ্রি প্লাস ওয়ান প্রকল্পের অধীনে ৯২ হাজার ২৮০ জন নিবন্ধন করেছেন এবং গত ৫ মাসে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, দেশটিতে আটক হওয়া মোট অভিবাসীর সংখ্যা ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৯শ’ ৪২ জন। এদের জামিন নিতে ৮৩ হাজার ৯শ’ ১৯ জন নিয়োগকর্তা আবেদন করেছেন।

ঘূর্ণিঝড় মেকুনু’র আঘাতে ওমান ও ইয়ামেনে নিহত ১০: নিখোঁজ ৪০


ওমান ও ইয়েমেনে ঘূর্ণিঝড় মেকুনু’র আঘাতে ১০ জন নিহত ও ৪০ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২৬ মে ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড়ে দেশ দু’টিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। সরকারি হিসেবে, সাগরে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রয়্যাল ওমান পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন তারেক আল সানফারি বলেন,ওমানের পূর্ব ও ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় মেকুনুর আঘাতে ১২ বছরের এক মেয়েসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছে। ইয়েমেনের সুকাত্রা দ্বীপ থেকে কমপক্ষে ৪০ জন নিখোঁজ হওয়ার খবর এসেছে। নিখোঁজদের মধ্যে ইয়েমেন, ভারত ও সুদানের নাগরিক রয়েছে।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের আল মাহরা প্রদেশের গভর্নর রাঘেহ বাকরিত ২৫ মে গভীর রাতে তাঁর অফিশিয়াল এক টুইট বার্তায় বলেছেন, দেশটির পূর্ব এবং সীমান্ত এলাকায় শক্তিশালী বাতাসে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং পানির লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় দুই লক্ষ মানুষ গৃহহীন ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে। পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় মেকুন’র প্রভাবে ইয়েমেন ও ওমানজুড়ে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ব্রাজিলে ট্রাকচালকদের ধর্মঘট অব্যাহত

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্রাজিলে ট্রাক-লরিচালকদের ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। চালকদের ধর্মঘটের কারণে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটিতে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। সড়ক থেকে ব্যারিকেড সরিয়ে নিতে সরকার এরই মধ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। খবর এএফপি ও রয়টার্স।
ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকা ধর্মঘটে দেশটিতে ব্যাপক মাত্রায় জ্বালানি ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে শহরের পরিবহন ব্যবস্থা। শিল্প খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে এবং খাদ্য ও জ্বালানি মূল্য বাড়তে শুরু করেছে।
প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা-বিষয়ক মন্ত্রী সার্জিও ইেচগোয়েন জানান, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দ্রুত পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে না। এর আগে শুক্রবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমার সড়ক অবরোধ সরিয়ে নিতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, জনগণ প্রয়োজনীয় পণ্য পাচ্ছে না, হাসপাতালগুলোতে জীবন বাঁচানোর মতো ওষুধ নেই— বিষয়টি আমরা মেনে নিতে পারি না।
শনিবার এক বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব কার্লোস মারুন জানান, যেসব পরিবহন কোম্পানি কর্মী ছাঁটাই করেছে, তাদের গ্রেফতারে ওয়ারেন্ট ইস্যু করবে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার রিও ডি জেনিরোর কাছাকাছি সেনাবাহিনীর পাহারায় শোধনাগারগুলোতে জ্বালানিবাহী ট্রাক যেতে দেখা গেছে। সারা দেশের ৫১৯টি ব্যারিকেডের মধ্যে ১৩২টি সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে স্টেশনগুলোতে তেল শেষ হয়ে গেছে এবং দোকানগুলোর সরবরাহ ব্যাপক মাত্রায় কমতে শুরু করেছে।

স্প্যানিশ ফিস প্রয়োজনীয় উপকরণ


প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১ কেজি মাছের ফিলেট, ৫০ গ্রাম ময়দায় লবণ ও গোলমরিচ মেশানো, ৬ টেবিল চামচ তেল, ৫০০ গ্রাম টমেটো, ২টি ক্যাপসিকাম বীজ ছাড়িয়ে কুচি করে রাখা, ২টি কাঁচা মরিচ কুচি, ৪ কোয়া রসুন থেঁতো করা, ২ টেবিল চামচ টমেটো প্যিউরি৷

প্রস্তুত প্রণালী:
মাছের ফিলেটকে টুকরো করে কেটে ময়দা মাখিয়ে নিন৷ এবার একটি বড় কড়ায় তেল গরম করুন৷ এবার মাছের টুকরোগুলো দিয়ে ভেজে নিন৷ বাদামী রঙ ধরে তুলে আলাদা করে রেখে দিন৷ এবার টমেটো কুচি করে রস সমেত কড়ায় দিয়ে দিয়ে তাতে মরিচ, ক্যাপসিকাম, রসুন, লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে দিন৷ এবার এটিকে বেশ খানিকক্ষণ কষিয়ে নিন যাতে সেদ্ধ হয়ে যায়৷ এবার ভেজে রাখ মাছের টুকরো দিয়ে দিন৷ ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন৷ এবার এতে টমেটো প্যিউরি ঢেলে আরও পাঁচ মিনিট নাড়িয়ে নিন৷ স্প্যানিশ ফিশ তৈরি৷ ইচ্ছেমতো গার্নিশ করে গরম গরম পরিবেশন করুন৷

সুইডেনের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া


জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সুইডিশ জাতি বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আর এ কারনে সারা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে আজ সুইডেনে পাড়ি জমাচ্ছে। কিছু সংখ্যক যাচ্ছে পড়াশুনা অথবা ব্যবসায়িক কাজে আর কিছু সংখ্যক মানুষ যাচ্ছে কেবলমাত্র প্রযুক্তির শিখরে অবস্থানকারী দেশটিকে ঘুরে দেখতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লোক সুইডেনের ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন।

সুইডেনের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া
  • ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্সের কাজে, স্বল্পকালীন ভ্রমনে অথবা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। সুইডেন ইউরোপের সেনজেন এলাকা ভুক্ত দেশ হওয়ায়, ৯০ দিন বা এর চেয়ে কম সময়ের জন্য সুইডেন যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাসের মাধ্যমে সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

ভিসার ক্যাটাগরী
  • ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)
  • ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)
  • আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)

ব্যবসায়িক এবং কনফারেন্স ভিসা (Business and Conference Visa)
ব্যবসায়িক কাজে সুইডেন যেতে চাইলে বিজনেস ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের বিজনেস ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                                                 **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • সুইডেনে অবস্থিত যে কোম্পানির কাছে ব্যবসায়িক কাজে যেতে হবে, সেই কোম্পানির আমন্ত্রণপত্র ভিসার আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে।
  • আবেদনকারীর নিজস্ব তথ্য
  • সুইডেনে যাওয়ার তারিখ ও সুইডেন থেকে ফিরে আসার তারিখ
  • ব্যবসায়িক কাজের ধরণ
  • সুইডেনে থাকাকালীন যে ব্যক্তি আপনাকে সাহায্য করবে (ব্যবসায়িক অংশীদার অথবা সুইডেনে অবস্থানরত আক্তিয়)
  • ‘ভিসা আবেদনকারীদের জন্য প্রশ্নাবলী’  (Questionnaire for visa applicants) ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করে আবেদন ফর্মটির সাথে জমা দিতে হবে।  
  • পাসপোর্ট, ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং এগুলোর ফটোকপি
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
  • যে কোম্পানি থেকে যাবেন তার কভার লেটার

বিজনেস ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                           * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                     * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)
ভ্রমণের জন্য সুইডেন যেতে চাইলে ভ্রমণ বা  ট্যুরিস্ট ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভ্রমণ ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                    **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • কি উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করতে চান তার কাগজপত্র, হোটেল বুকিং এর কাগজ অথবা কোন এজেন্সির মাধ্যমে গেলে তার কাগজপত্র
  • আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা।
  • ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট

ট্যুরিস্ট ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৪০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৪০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৭৫০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                            * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                      * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা (Visiting Family and Friends Visa)
আত্মীয় বা বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য সুইডেন যেতে চাইলে আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা অথবা সেনজেন ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এই ভিসার মেয়াদ ৩ মাস। যদি ৩ মাসের বেশি সময় প্রয়োজন হয় তবে দূতাবাসে কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত ফর্মের মাধ্যমে ‘বসবাসের অনুমোদনপত্র (residence permit) অথবা ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’র (visa for longer stays) আবেদন করতে হবে। ‘দীর্ঘ সময়ের জন্য ভিসা’ কে ‘ডি’ টাইপ ভিসা বলা হয়।
সুইডেনের আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসার আবেদনের নিয়ম:
  • পাসপোর্ট (পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের বেশি থাকতে হবে)
  • সেনজেন ভিসা ফর্মটি সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটি সুইডেন দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা সুইডেন দূতাবাসের ওয়েবসাইটথেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন।  সুইডেন ভিসার জন্য আবেদন ফর্মটির ডিরেক্ট ডাউনলোড লিংকটি নিচে দেয়া হল –                                                                          **  সুইডেনের সেনজেন ভিসা ফর্ম
  • পাসপোর্ট ও ভ্রমণের অন্যান্য কাগজপত্র এবং তার ফটোকপি
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • আবেদনকারীর ছবি:
      - সদ্য তোলা ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (৩৫ মি.মি. x ৪৫ মি.মি.)
      - ছবি অবশ্যই রঙ্গিন হতে হবে
      - ছবিতে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে
      - মাথায় কোন প্রকার টুপি অথবা মাথায় বাঁধার ফিতা অথবা পাগড়ি অথবা কাপড় থাকা যাবেনা। শুধু মাত্র ধর্মীয় ক্ষেত্রে রাখা যেতে পারে কিন্তু সম্পূর্ণ মুখ স্পষ্ট বোঝা যেতে হবে। 
  • সুইডেনে বেড়াতে যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। কোন তারিখে বেড়াতে যেতে চান এবং কোন তারিখে সুইডেন থেকে ফিরবেন তা ‘আমন্ত্রণ ও প্রশ্নাবলী’ (Invitation and Questionnaire) ফর্মে সঠিক ভাবে উল্লেখ করতে হবে
  • ভ্রমণকারীর পরিবারের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। এজন্য ‘পরিবার সম্পর্কীয় বিবরণ ফর্ম’ (Family Appendix for Applicants) সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।
  • ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স থাকতে হবে, যা জরুরী ডাক্তারি সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা সহ অন্যান্য সেবার খরচ বহন করতে পারবে।  ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্স কমপক্ষে ৩০০০০ ইউরো (২৫,১৭,৫৬৫ টাকা) এর হতে হবে। ট্র্যাভেল ইন্সুরেন্সের পরিমাণ সময় সাপেক্ষে পরিবর্তনশীল। আবেদনের সময় সুইডেন দূতাবাস থেকে জেনে নিতে পারেন।  
  • সুইডেনে যাওয়ার ফ্লাইট বুকিং ডকুমেন্ট
  • আবেদনকারী যে আত্মীয় বা বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাবেন, সেই আত্মীয় বা বন্ধু যদি সুইডেনে বসবাসরত হন তবে তার সুইডেনে বসবাসের প্রমাণপত্র যেমন- স্থানীয় আয়কর অফিস (Local Tax Office) অথবা সুইডিশ ন্যাশনাল ট্যাক্স বোর্ড (Swedish National Tax Board) এর ওয়েবসাইট থেকে প্রমাণপত্র সংগ্রহ করে আবেদনকারীর ভিসা আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
  • আবেদনকারী কি কাজ করেন তার প্রমাণপত্র। যেমন – আবেদনকারী চাকরি করেন নাকি পড়াশুনা। চাকরি করলে চাকরির প্রমাণপত্র, বেতনের পরিমাণ, ব্যাংক বই এর কপি আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে
  • ভ্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে কিনা তার প্রমাণপত্র (ব্যাংক স্টেটমেন্ট)

আত্মীয় ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার ভিসা ফী:
ভিসার জন্য আবেদন প্রার্থীভিসা ফী
সেনজেন ভিসা৬৫০০ টাকা
দীর্ঘ সময়ের জাতীয় ভিসা (‘ডি’ টাইপ ভিসা)৬৫০০ টাকা
৬-১২ বছরের শিশু৩৮০০ টাকা
০-৬ বছরের শিশু (৬ বছরের চেয়ে কম বয়স)ফ্রী
                                                                                                          * ভিসার ফী সময় সাপেক্ষে পরিবর্তন হতে পারে
                                                                                                                                                   * ভিসার ফী অফেরত যোগ্য  

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates