Social Icons

Saturday, October 1, 2016

জ্যামাইকার দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ম্যাথিউ

ক্যারিবিয়ান সাগরে দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে হারিকেন ম্যাথিউ। এটি এখন ৪ ক্যাটাগরির ঝড়ে পরিণত হচ্ছে এবং জ্যামাইকা থেকে কিছুটা দক্ষিণে ক্যারিবিয়ান সাগর অতিক্রম করছে।
 
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় হারিকেন কেন্দ্র একে ‘খুবই বিপজ্জনক’ উল্লেখ করে বলেছে, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ২৪০কিলোমিটার।  ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত করার জন্য এই গতিবেগই যথেষ্ট। দুর্যোগের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি অধিবেশন ডেকেছে জ্যামাইকার পার্লামেন্ট।  ধারনা করা হচ্ছে আগামী সোমবার স্থলভাগে আঘাত করবে ম্যাথিউ।
 
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়, ম্যাথিউয়ের শক্তিমত্তায় তারতম্য হতে পারে। তবে রবিবারের মধ্যে এটি শক্তিশালী হারিকেনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাজধানী কিংস্টোন যে এলাকায় অবস্থিত হারিকেনটি প্রথমকে ওই এলাকাতে আঘাত করবে। দেশটির একমাত্র তেল শোধনাগার ওই একই এলাকায়। সূত্র: এএফপি, বিবিসি

লাইন অফ কন্ট্রোলে ভারত-পাকিস্তান গুলি বিনিময়

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের লাইন অফ কন্ট্রোল এলওসিতে গুলি বিনিময় করেছে দুই দেশ। শনিবার সকালে  এই গুলি বিনিময় চলে বলে দাবি করেছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী।
 
দেশটির আইএসপিআর থেকে দাবি করা হয়, ভারতের গুলির জবাবে তারা গুলি চালায়। ভোর চারটায় শুরু হওয়া এই অবস্থা চলে সকাল আটটা পর্যন্ত।
 
এর আগে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান সীমান্তে হামলা চালিয়েছিলো ভারত। হামলায় দুই পাকিস্তানি সেনাসহ ৪০ জন নিহত হয়েছিলেন। তবে এই দাবি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। এদিন আরো একবরা বলা হয়, ভারতের পক্ষ থেকে কোনো রকম সার্জিক্যাল হামলা চালানো হয়নি।
 
এর কিছুক্ষণ পরে পাকিস্তান থেকে দাবি করা হয় তারা ভারতীয় সেনাদের উপর হামলা চালিয়েছে। এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বর্তমানে দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাদের সংযত আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।  জিও টিভি

ইসরাইল থেকে গ্যাস আমদানির বিরোধিতায় জর্ডানে বিক্ষোভ

ইসরাইল থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি চুক্তির বিরোধিতা করে জর্ডানের রাজধানী আম্মানে হাজার হাজার মানুষ সমাবেশ করেছে। ব্যানারফেস্টুন নিয়ে শ্লোগান দিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রর্দশন করে লোকজন।
 
দেশটির ট্রেড ইউনিয়ন ও রাজনৈতিক দলগুলোর আহ্বানে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিক্ষুব্ধ লোকজন রাস্তায় বিভিন্ন ব্যানার বহন করে। যাতে লেখা ছিল জর্ডানের নাগরিকের পকেট থেকে ইহুদিবাদীদের অর্থায়ন করা যাবে না। ইহুদি শত্রুদের থেকে কোনো গ্যাস আমদানি করা যাবে না।এসময় তারা চিত্কার করে বলেনইহুদিদের কাছ থেকে গ্যাস আনা অপমানজনক
 
এদিকে দেশটির সরকার ইতোমধ্যেই নিরাপত্তাসহ অসংখ্য ইস্যুতে চাপের মুখে রয়েছে। তার মধ্যে এ বিক্ষোভ তাদেরকে আরো সঙ্কটের মধ্যে ফেলবে। 
 
১৯৯৪ সালে ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে শান্তি চুক্তিরও বিরোধিতা করে জর্ডানি রাজনৈতিক দলগুলো। দেশটির অর্ধেক জনসংখ্যা ফিলিস্তিন থেকে এসেছেন। ইসরাইলের অফশোর গ্যাস মজুদ উন্নয়নে মার্কিন পরিচালিত কনসোরটিয়াম ও ন্যাচারাল ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির (নেপকো)সাথে গত সোমবার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী এ বিশাল ভূখণ্ড থেকে প্রতিদিন ৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাস জর্ডানে আনা হবে। ১৫ বছরের জন্য চুক্তিটি করেছে জর্ডান ও ইসরাইল।

তুরস্কে কারাগারের দেড় হাজার কর্মী বরখাস্ত

তুর্কি ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগে কারাগারের দেড় হাজার কর্মকর্তাকর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেইসাথে আরো অনেককে আটক করেছে এরদোয়ান সরকার। গত শুক্রবার রাজধানী আঙ্কারায় এক বিবৃতিতে দেশটির বিচারমন্ত্রী বেকির বোজদাগ  এই তথ্য জানিয়েছেন।
 
গত জুলাইয়ে তুরস্কে সরকার উত্খাতের ব্যর্থ ষড়যন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনের জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। ব্যর্থ অভুত্থানের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে দেশটিতে হাজারো সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম কারাগার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হল।
 
বক্তৃতায় বিচারমন্ত্রী বোজদাগ বলেছেনএক হাজারের বেশি কর্মকর্তা ও প্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হবে। গুলেনের নেটওয়ার্কের সাথে প্রত্যেক ব্যক্তির যোগাযোগ নিরসনে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিচারিক ও কারাগারের অসংখ্য কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সূত্র: আল 

প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন আজ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রবিবার বিকাল ৪টায় গণভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। সম্প্রতি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে এই সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৭১তম অধিবেশন এবং মন্ট্রিয়েলে জিএফ সম্মেলনে যোগদানসহ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফর শেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ কর্তৃক ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কার পেয়েছেন। এ অ্যাওর্য়াড প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ হিসাবে জাতিসংঘ উইমেন স্বীকৃতি পেলেন।
 
প্রধানমন্ত্রী কানাডার উদ্দেশে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা ত্যাগ করেন। লন্ডনে একদিন অবস্থানের পর তিনি মন্ট্রিয়েলে ‘ফিফথ রিপ্লেসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্য গ্লোবালফান্ড (জিএফ) এ যোগ দেন। ১৬ সেপ্টেম্বর মন্ট্রিয়েলের হায়াত রিজেন্সিতে এ সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন। সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনের পর কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি।
 
কানাডা সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইটে নিউইয়র্ক পৌছান। ১৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদরদপ্তরে উদ্বাস্তু ও অভিবাসনের উপর সাধারণ পরিষদের উচ্চ পর্যায়ের প্ল্যানারি বৈঠকে ভাষণ দেন তিনি। সেদিন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চির সঙ্গে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। শেখ হাসিনা জাতিসংঘে ‘গ্লোবাল কমপেক্ট ফর সেফ’, ‘রেগুলার অ্যান্ড অর্ডালি মাইগ্রেশন: টুওয়ার্ডস রিয়ালাইজিং দ্য ২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাচিভিং ফুল রেসপেক্ট ফর দ্য হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড মাইগ্র্যান্টস’ শীর্ষক গোলটেবিলে কো-চেয়ারের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনের সাধারণ আলোচনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আয়োজিত কাউন্টার টেররিজমের উপর এশিয়ান লিডার্স ফোরামের বৈঠকে অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আয়োজিত উদ্বাস্তু বিষয়ক একটি বৈঠকেও যোগ দেন শেখ হাসিনা।
 
প্রধানমন্ত্রীর ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় বক্তব্য রাখেন। পরে নিউইয়র্কে হোটেল গ্র্যান্ড হায়াতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। শেখ হাসিনা ২২ সেপ্টেম্বর ভার্জিনিয়ার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছাড়েন। সফরের সর্বশেষ কর্মসূচিতে বুধবার সেখানে বাংলাদেশিদের দেওয়া একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি যোগ দেন। ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফেরার কথা থাকলেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কিছু সময় কাটানোর জন্য তা পিছিয়ে যায়।

ওয়ানডের শততম জয় তুলে নিল বাংলাদেশ

আফগানিস্তানকে ১৪১ রানে হারিয়ে শততম ওয়ানডে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার তৃতীয় ওয়ানডেতে টাইগারদের ২৭৯ রানের জবাবে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায় আফগানরা। 
 
তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ জিতে নিল বাংলাদেশ। এটি ওয়ানডেতে বাংলাদেশের শততম জয়।
 
মিরপুর শের ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তামিম ইকবালের সপ্তম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রান করে বাংলাদেশ। বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে আফগানিস্তান। আফগানিস্তানের প্রথম উইকেট তুলে নেন অধিনায়ক মাশরাফি। ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে মোহাম্মদ শেহজাদকে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি।  ১৪তম ওভারে আফগানিস্তানের দুই উইকেট তুলে নেন দীর্ঘদিন পরে দলে ফেরা মোশাররফ। ১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে নওরোজ মাঙ্গালকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। একই ওভারের শেষ বলে হাশমতউল্লাহ শাহিদিকে তামিম ইকবালের ক্যাচে পরিণত করেন। 
 
এরপর সাকিব আল হাসানের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরে গেছেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক আসগর স্টানিকজাই। ২৪ ও ২৬তম ওভারে সামিউল্লাহ শেনওয়ারির ও রহমত শাহকেও তুলে নেন তাসকিন আহমেদ।  ৩৬ রান করা রহমত শাহকে নাসির হোসেনের ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন। এর আগের ওভারে শেনওয়ারিকে ফিরিয়ে ছিলেন তিনি। ২৬তম ওভারটি করতে এসে মোশাররফ নিজের তৃতীয় শিকার মোহাম্মদ নবীকে তুলে নেন।
 
৮৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলার পরে রশিদ খান ও নজিব উল্লাহ জাদরানের ব্যাটে ১০০ রান পেরোয় আফগানিস্তান। নজিব ৪টি ছক্কায় ১৯ বলে ২৬ রান করে মোসাদ্দেকের শিকারে পরিণত হন। আর রশিদ ১৭ রান করে মাহমুদুল্লাহর সরাসরি থ্রোতে আউট হন। শফিউলের করা ৩৪তম ওভারের পঞ্চম বলে আফগানিস্তানের দলীয় ১৩৮ রানে শেষ উইকেট হিসেবে আউট হন দাওলাত জাদরান। তখনো বাংলাদেশের ছুড়ে দেয়া লক্ষ্য থেকে ১৪১ রান ও ইনিংসের ১০৩ বল বাকি ছিল। 
 
মোশাররফ ৩টি ও তাসকিন ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন সপ্তম সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবাল। ১১৮ বলে ১১৮ রানের ইনিংসের পথে ১১টি চার ও ‍২টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। তামিম ছাড়া সাব্বিরও ৬৫ রান করেছিলেন। 

সরকার চাইলে ৬০/৮০ হাজার টাকায় ব্রাজিলে শ্রমিক পাঠানো সম্ভব

পৃথিবীর যে কোনো দেশে যেতে চাইলে শ্রমিকদের ২০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার বেশি লাগবে না। যদি বিমান ভাড়া না লাগে তা হলে ২০ হাজার টাকাতেই হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বর্তমান সময়ের এক মন্ত্রী।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে মোট প্রবাসী-আয় এসেছে ১ হাজার ২২৫ কোটি ডলার। গত বছর একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ২৫৫ কোটি ডলার। 
১১৯ কোটি ডলার এসেছে, যা আগের মাসের তুলনায় ৯ কোটি ডলার কম।

গত এপ্রিল মাসে  সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম  বলেন, প্রবাসী-আয় বেসরকারি খাতের ভোগ বাড়াতে যথেষ্ট মাত্রায় সহায়তা করে। জিডিপি গণনায় একটি বড় অংশই আসে বেসরকারি খাতের ভোগ থেকে। তাই প্রবাসী-আয় নেতিবাচক হলে বছর শেষে জিডিপিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মির্জ্জা আজিজ আরও বলেন, ‘সাধারণত দারিদ্র্যসীমার একটু ওপরের মানুষই প্রবাসী-আয় বেশি পান। এখন যদি প্রবাসী-প্রবাহ কমে যায়, তবে ওই শ্রেণির মানুষের আবার দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবাসী-আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১০ কোটি ডলার কম এসেছে। এরপর গত ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী-আয় কখনো নেতিবাচক, কখনো ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে ছিল। মূলত ওই সময়ে দুটি ঈদ উৎসব ছিল, তাই রেমিট্যান্স কিছুটা বেশি এসেছে। কিন্তু গত জানুয়ারি মাস থেকে সেই ধারাবাহিকতা আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। গত চার মাসের (জানুয়ারি-এপ্রিল) প্রতি মাসেই আগের বছরের তুলনায় কম অর্থ এসেছে।

গত এপ্রিলে সরকারি খাতের সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী-আয় এসেছে ৩৬ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। বেসরকারি খাতের ৩৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৮০ কোটি ৭১ লাখ ডলার। বিদেশি খাতের ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। একক ব্যাংক হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে—৩০ কোটি ৪২ লাখ ডলার।
প্রবাসীরা ঠকছেন: ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশে টাকার মান দীর্ঘদিন ধরেই শক্ত অবস্থানে আছে। টাকার মান বেড়েছে। এর মানে হলো, প্রবাসীরা ডলার পাঠিয়ে আগের চেয়ে কম টাকা পান। দুই বছর আগে প্রবাসীরা এক ডলার পাঠালে ৮০ টাকা পেতেন। এখন পান ৭৮ টাকা।
সেই হিসাবে, এ বছরের প্রথম ১০ মাসে ১ হাজার ২২৫ কোটি ডলার পাঠিয়ে প্রবাসীরা কমবেশি ৯৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা পেয়েছেন। দুই বছর আগে একই পরিমাণ ডলার পাঠিয়ে ৯৮ হাজার কোটি টাকা পেতেন তাঁরা। এর মানে হলো, শুধু মুদ্রা বিনিময়ের হারের কারণেই দুই বছরের ব্যবধানে আড়াই হাজার কোটি টাকা কম পেয়েছেন প্রবাসীরা।

অন্য দিকে নতুন কোন দেশে সরকার শ্রমিক পাঠাতে পারছে না।  যেহেতু বাংলাদেশে বেকারত্ব বেশি  সেই ক্ষেত্রে শ্রম বাজার বৃদ্ধিতে বৈদেশিক শ্রম বিনিয়োগ করে দেশীও আয় অর্জন করতে পারে ।
এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে দালালরা সহজ সরল বিদেশগামীদের নানাভাবে প্রলোভনে মাধ্যমে প্রভাবিত করে।
সরকার টু সরকারের মধ্যকার চুক্তির মধ্য দিয়ে যদি ব্রাজিলে শ্রমিক পাঠানো যায় তাহলে ৬০/৮০ হাজার টাকায় এক জন শ্রমিক ব্রাজিল আসতে পারবেন । বর্তমানে ব্রাজিলে প্রবাসীদের যথেষ্ট চাকুরি ও ব্যবসার সুযোগ রয়েছে । প্রবাসী-আয় বা রেমিট্যান্স বাড়াতে বাংলাদেশের সরকারের এই মুহূর্তে ব্রাজিলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও ভাল করা দরকার ।










 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates