Social Icons

Saturday, July 1, 2017

ব্রাজিলের নেইমারের দাম এখন দুই হাজার কোটি টাকা ।

নেইমারকে দলে পেতে চান? ব্রাজিলিয়ান এই জাদুকরকে দেখতে চান প্রিয় দলের জার্সিতে? খুব বেশি কিছু করতে হবে না। শুধু পকেট থেকে খসাতে হবে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ। অঙ্কটা তাঁর ক্লাব বার্সেলোনাই জানিয়ে দিয়েছে, ২২২ মিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় যেটি ‘মাত্র’ দুই হাজার ৩৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।
২০১৩-১৪ মৌসুমে বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছিলেন নেইমার। তাঁকে দলে টানতে চেষ্টা চালিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদও। কদিন আগেই রিয়াল সভাপতি বলেছেন, তাঁদের সঙ্গে মেডিকেল পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছিল নেইমারের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বার্সায় নাম লেখান সান্তোসে ক্যারিয়ার শুরু করা ফরোয়ার্ড।
বার্সেলোনা কিন্তু এখনো নিশ্চিন্ত নয় নেইমারকে নিয়ে। বাজারে গুঞ্জন, রিয়াল এখনো পেতে চায় তাঁকে। প্যারিস সেন্ট জার্মেইও (পিএসজি) থলেভর্তি টাকা নিয়ে প্রস্তুত তাঁকে দলে টানতে।
বার্সেলোনা সে কারণেই নেইমারের ‘রিলিজ ক্লজ’ দিন দিন বাড়িয়েই যাচ্ছে। গত বছর নেইমারের রিলিজ ক্লজ ছিল ১৯০ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ রিয়াল কিংবা পিএসজি যদি নেইমারকে দলে আনতে রাজি করতে পারে, তবে বার্সার অনুমতি ছাড়া তাঁকে কিনতে এই পরিমাণ অর্থ দিতে হবে সম্ভাব্য ক্লাবগুলোকে। লুইস ফিগোকে দলে টানতে এ চালই চেলেছিলেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। ফিগোর তুলনায় নেইমারের ক্লজ পাঁচ গুণ বেশি হওয়ার পরও স্বস্তি পাচ্ছিল না বার্সেলোনা। কারণ, নেইমারকে নিতে এমন অর্থ দিতেও নাকি রাজি পিএসজি!
তাই নতুন চুক্তিতে গত অক্টোবরে সেটা বাড়িয়ে ২০০ মিলিয়ন ইউরো করা হয়েছিল। চুক্তিতে আরও বলা হয়েছিল, সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে থাকবে। সে শর্ত অনুযায়ীই, আজ ১ জুলাই নেইমারের রিলিজ ক্লজ ২২২ মিলিয়ন ইউরো হয়েছে। সেটি এক বছর পরই হয়ে যাবে ২৫০ মিলিয়ন ইউরো! মেসিকে কিনতে হলেও এ অর্থ দিতে হবে অন্য ক্লাবগুলোকে। এ অঙ্ক আসলে কতটা বড়, সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছে দলবদলের বাজারের বর্তমান বিশ্ব রেকর্ড। পল পগবাকে দলে টানতে গত বছর ইউনাইটেড খরচ করেছিল ১০৫ মিলিয়ন ইউরো। নেইমারের বর্তমান ক্লজ এর দ্বিগুণেরও বেশি।
তবে রিলিজ ক্লজের দিক থেকে সবার শীর্ষে যিনি আছেন, তাঁকে ছুঁতে অনেক দূর যেতে হবে নেইমারকে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য এক বিলিয়ন ইউরোর ক্লজ দিয়ে রেখেছে রিয়াল!

পিএসজিতে চুক্তি বাড়ালেন ব্রাজিলের মার্কিনিয়োস

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে উপচে পড়া ভীড়



মালয়েশিয়ায় ই-কার্ড নিবন্ধনের শেষ সময়ে অবৈধ শ্রমিকদের উপচে পড়া ভীড় । বৃহস্পতিবার দেশটির পুত্রযায়া ইমিগ্রেশন অফিসের সামনে সকাল থেকে শতাধিক অবৈধ অভিবাসীর এ সমাগম দেখা যায়।

অবৈধ শ্রমিকদের বৈধভাবে কাজ করতে ইতিপূর্বে ই-কার্ড প্রোগ্রামের জন্য সময় বেধে দেয় হয়। কিন্তু অনেকে সময়মত ই-কার্ড প্রোগ্রামে নিবন্ধন করেনি। এতে শেষ সময়ে প্রত্যেকটি প্রদেশের ইমিগ্রেশন অফিসের সামনে অবৈধ অভিবাসীদের চাপ বেড়েছে।

ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, দেশটিতে অবস্থানরত ৫ থেকে ৬ লাখ অবৈধ শ্রমিকের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪ হাজার ৫৪১জন নিয়োগকারীর মাধ্যমে ২ লাখ ৪০ হাজার ৮৯১জন নিবন্ধন করেছে। নিবন্ধিত শ্রমিকদের মধ্যে বেশির ভাগই কনস্ট্রাকশন এবং সার্ভিস সেক্টরে কাজ করে।

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক সেরি মুস্তাফার আলী বলেন, চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই ই-কার্ড নিবন্ধন শেষ হচ্ছে শুক্রবার। ১ জুলাইয়ের পর কোনো কোম্পানিতে অবৈধ শ্রমিক ধরা পড়লে জন প্রতি ১০ হাজার রিংগিত জরিমানা করা হবে। আর কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তাদের আদালতে উঠানো হবে। অবৈধ শ্রমিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

তিনি আরো বলেন, শেষ মুহূর্তে অবৈধ শ্রমিকদের সুবিধার্থে সারাদেশে ইমিগ্রেশন বিভাগ  ২৮ জুন  থেকে ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ই-কার্ড নিবন্ধনের কাজ করবে।

কানাডার সার্ধশত জন্মবার্ষিকী

১ জুলাই হলো 'কানাডা ডে'। সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহাআনন্দে মেতে উঠেছে কানাডার দশটি প্রদেশ এবং তিনটি টেরিটোরিসহ পুরো দেশ।
 
জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বাণীতে সকল নাগরিককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কানাডার এই ১৫০তম জন্ম বার্ষিকী রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে প্রতি সংগঠনের উদ্যোগে প্রত্যেক এলাকায় চলছে হাজার রকমের আয়োজন। যেন বিয়ে বাড়ির মতো সাজানো উৎসবে মাতোয়ারা তিন কোটি ঊনষাট লাখ কানাডিয়ান। সর্বত্রই প্রস্তুতি চলছে- আকর্ষণীয় আতশবাজি, মনোমুগ্ধকর শোভাযাত্রা, চোখ ঝলসানো প্যারেড, আনন্দের নাচ-গান, হ্যাপি বার্থ ডে'র কেক কাটা, সৌহার্দ্যের বারবিউকিউ পার্টির ব্যাপক আয়োজন। অপর দিকে, মন্ট্রিয়লের চলছে ১৭৫ তম জন্ম বার্ষিকী!
 
উল্লেখ্য, এক সময় বলা হতো- ব্রিটিশ রাজত্বের সূর্যাস্ত নেই, ব্রিটিশের পূর্ব-পশ্চিম একাকার। সেই সূত্রে ব্রিটিশদের উপনিবেশিকতা ছিল কানাডাতেও। নিরীহ কানাডিয়ানদের প্রথমে ফ্রান্স পরে ব্রিটেন শাসন করেছে দীর্ঘ সময়। কানাডার ইতিহাসে অনেক রক্তাক্ত যুদ্ধ আছে, যুদ্ধের স্মৃতি আছে। কানাডা ১৮৬৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটিশ কলোনি থেকে মুক্তি অর্জন করে। ১৮৬৮ সালে কনফেডারেশনভুক্ত হয় এবং কানাডা নামে এই কনফেডারেশনটির যাত্রা শুরু হয় ১ জুলাই।
 
কানাডা মুক্ত হলেও ব্রিটেনের সাথে ভিন্ন বন্ধন রয়েছে। অর্থাৎ এখনো প্রথাগত বিধি মোতাবেক এ রাষ্ট্রের প্রধান হচ্ছেন- ব্রিটেনের রাণী এলিজাবেথ। তার অনুকূলে প্রতিনিধিত্ব করেন নির্বাচিত গভর্নর জেনারেল। যদিও রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে রাণীর কোন নির্বাহী ক্ষমতা নেই। দক্ষিণ মহাসাগর, অ্যাটলান্টিক এবং প্যাসিফিক এই তিন মহাসমুদ্রে পরিবেষ্টিত কানাডা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। অর্থাৎ ৯৯,৭৬,১৮৬ বর্গকিলো মিটার। যার রাষ্ট্রীয় নাম- ডোমিনিয়ন অব কানাডা। কানাডায় ১০টি প্রভিন্স বা প্রদেশ এবং ৩টি টেরিটোরিস রয়েছে। আর জনসংখ্যা মাত্র ৩.৬৬ কোটি মাত্র।
 
এক সময় কাশ্মীরকে ভূস্বর্গ বলা হতো, এখন বলা হয় ভ্যান্কুভারকে। শুধু তাই নয়, কানাডা শরণার্থী এবং ইমিগ্রান্টদের জন্যও স্বর্গরাজ্য। বর্তমানে অভিবাসীর সংখ্যা প্রতি পাঁচজন কানাডিয়ানদের মধ্যে একজন। কানাডার সরকারি ভাষা ইংরেজি এবং ফ্রান্স হলেও এখানে শতাধিক ভাষায় কথা বলে কানাডিয়ানরা। কারণ কানাডা মাল্টি কালচারাল অর্থাৎ বহুজাতির সংস্কৃতির দেশ।  শীতপ্রধান ম্যাপলিপের এই দেশে প্রত্যেকেই ভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। 'কানাডা' সেন্ট লরেন্স ইরোকোয়াইয়ান একটি শব্দ 'কানাটা' (kanata) থেকে এর ব্যুৎপত্তি। যার অর্থ 'জেলেদের ক্ষুদ্র গ্রাম' অথবা 'বসতি'। এখন সেই বিশাল গ্রামে বসত করে তিন কোটি ছেষট্টি লাখ মানুষ!

সংকট নিরসনে কাতারের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান তুরস্কের

উপসাগরীয় সংকট নিরসনে কাতারের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছে তুরস্ক। শুক্রবার আঙ্কারায় কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদ বিন মোহাম্মদ আল আতিয়াহ’র সঙ্গে বৈঠককালে তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, চলমান এ সংকট কেবল হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা ও দেশটির ন্যায্য অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানোর মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। 
 
তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফিকরি ইসিক বলেন, কাতারের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে বৈরিতার সৃষ্টি হয়েছে তা প্রকারান্তরে উপসাগরীয় অঞ্চলের সকলের প্রতিই নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংলাপের মাধ্যমে এর সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই দেশসমূহকে কাতারের প্রতি সকলের সম্মান দেখানোর মানসিকতা রাখতে হবে। 
 
এর আগে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানও বলেছিলেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি অনুযায়ী কাতারে তাদের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে দেশটির ওপর চরম অশ্রদ্ধা প্রকাশ করা। আর সেটা কখনোই শোভনীয় হবে না। তুরষ্কের সঙ্গে কাতারের বৈঠক এমন এক সময়ে হলো যখন কাতারকে নিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সৌদি জোট চাপ দিচ্ছে কাতার থেকে যেন তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি সরিয়ে কিংবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। 
 
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আল আতিয়াহ বলেন, তার সফরের এ উদ্দেশ্য হচ্ছে সেখানে থাকা তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি নিয়ে কথা বলা। তিনি বলেন, কাতার  এবং তুরস্ক এক ঐতিহাসিক সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ। আর আমার সফরের উদ্দেশ্য হল সেই বন্ধনকে আরো সুসংহত ও দৃঢ় করা।  কেননা দুইদেশের মধ্যে বহু বছর ধরেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। গত সপ্তাহে রিয়াদ এবং তার মিত্ররা কাতার সংকট সমাধানে দেশটির কাছে ১৩ শর্ত জুড়ে দেয়। আর তার মধ্যে একটি হচ্ছে তুর্কি সামরিক ঘাঁটি এবং দোহা ভিত্তিক সম্প্রচার সংস্থা আল জাজিরা বন্ধ করে দেওয়া। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান তখন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের এ দাবিকে আন্তর্জাতিক আইনকে লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।
 
এদিকে দোহার ওপর অবরোধ আরোপের জন্য সৌদি ও তার মিত্র তিন দেশের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছে কাতারের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কাতারি মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান আলী বিন স্মাইক আল-মারি এ ঘোষণা দেন।  তিনি বলেছেন, এসব দেশের বিরুদ্ধে মামলার জন্য সুইজারল্যান্ড থেকে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে । এর মধ্যে কয়েকটি মামলা দায়ের করা হবে ওই সব দেশের আদালতে আর কয়েকটি মামলা দায়ের করা হবে আন্তর্জাতিক আদালতে। আল জাজিরা।

আফগানিস্তানে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩ জঙ্গি নিহত

আফগানিস্তানে বিভিন্ন জঙ্গি আস্তানায় দেশটির সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে ১৩ জঙ্গি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছিল। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা বলা হয়েছে। 
 
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করে আফগান বিমান বাহিনী ওই সময়ে হামলা চালায়। এতে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের ৫ সদস্যসহ ১৩ সশস্ত্র জঙ্গি নিহত হয়। খোয়াজা খিল গ্রাম,পাকতিকার বারমাল জেলা, কোরা কোল গ্রাম, সাল-ই-পুল জেলার সাইয়াদ ও আকসাই গ্রাম এবং জোজান প্রদেশের কোশ টিপা জেলায় এ অভিযানগুলো পরিচালিত হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অভিযানকালে জঙ্গিদের অস্ত্র ও গাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। 
 
জোজান প্রদেশের পুলিশ প্রধান আব্দুল হাফিজ খোশি বলেন, বিমান থেকে জঙ্গিদের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে  হামলা চালানো হয়।  গাড়িতে বোমা হামলার পরপরই তাতে আগুন ধরে যায়। এতে ঘটনাস্থলে ওই পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী সেদেশে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ক্রমাগত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। তারা এসব সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড চিরতরে বন্ধ করতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়।  
 
উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশের ফারিয়াব এলাকা পুলিশ জানায়, তালেবান জঙ্গি তাদের টার্গেট করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পায়। আর সেই সূত্র ধরেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাদেশিক পুলিশের মুখপাত্র করিম ইউরিশ জানান, দুইজন তালেবান জঙ্গি রয়েছে। এছাড়া আরো কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে তালেবান বা আইএসের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে এখনো কোন বিবৃতি দেওয়া হয়নি। সিনহুয়া।

রোনালদিনহোর পায়ের কারুকাজে মন্ত্রমুগ্ধ ক্যাম্প ন্যু

সময়টা ১৯৯৯ সাল। বার্সেলোনার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে 'ডি' গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে মুখোমুখি বার্সেলোনা-ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরের রাউন্ডে যেতে জিততেই হবে বার্সাকে। কিন্তু ড্র করে (৩-৩) চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে যায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
 
দেড় দশক পর সাবেকদের ম্যাচে ক্যাম্প ন্যুতে সেই স্মৃতি যেন ফিরিয়ে আনলেন রিভালদো- ডেয়াইট ইয়র্করা। তবে ফলাফলটা পাল্টে দিলেন তারা। শুক্রবার ক্যাম্প ন্যুতে বার্সার লিজেন্ডদেরকে ৩-১ হারিয়ে দিল রেড ডেভিল লিজেন্ডরা। এর মধ্যেই রোনালদিনহো প্রমাণ করে দিলেন ‘ফর্ম ইজ টেম্পরারি, বাট ক্লাস ইজ পারমান্যান্ট।’
 
 
ক্যাম্প ন্যুতে কে ছিলেন না এদিন! সাবেক ফিফা বর্ষসেরা রিভালদো থেকে শুরু করে প্যাট্রিক ক্লুইভার্ট,এডগার ডাভিডস,ডোয়াইট ইয়র্ক,কারেল পোবরস্কি মতো সাবেক তারকারা। এছাড়া যার নাম না বললে এই তালিকা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে,সেই রোনালদিনহোও ছিলেন।
 
 
রোনালদিনহো খেলা ছেড়ে দিয়েছেন বছর দুয়েক হয়ে গেল। কিন্তু বল পায়ে এখনও পুরনো রোনালদিনহোকে মনে করালেন তিনি। তার ড্রিবলিং এদিন দর্শকদের আবার মনে করিয়ে দিল পুরনো দিনের কথা। ম্যান ইউ ম্যাচ জিতলেও বার্সা দর্শকদের হৃদয় আবার জিতে নিলেন ২ বারের বর্ষসেরা ফুটবলার। তাই ম্যাচ শেষে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের ট্রফিটা সেই রোনালদিনহো গাউচোর হাতেই উঠল। দ্যা সান।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates