Social Icons

Thursday, August 31, 2017

জাপানে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু; শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন কারণে শ্রমবাজার ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সৌদি-কাতার দ্বন্দ্ব, সৌদি আরবের শ্রমবাজার সৌদিকরণসহ অন্যান্য কারণে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও অন্য দেশগুলোর শ্রমবাজারে দৃষ্টি দেয়া এখন অনেকটাই সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সূত্র ধরেই জাপানের শ্রমবাজারের দিকে দৃষ্টি দিয়েছে বাংলাদেশ। এরইমধ্যে, জাপান বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেয়া শুরু করেছে। তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি ১৭ জনের প্রথম ব্যাচটি ৩০ আগস্ট জাপান গিয়েছে।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) জানিয়েছে, বিদেশে চাকরি পাওয়ার লক্ষ্যে বিএমইটির ডাটাবেজে নিবন্ধনকৃতদের মধ্যে থেকে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রাথমিক অবস্থায় ৫০ জনকে নির্বাচিত করা হয়। পরে গণিত ও জাপানি বর্ণমালা পরীক্ষা এবং শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে আইএম জাপানের প্রতিনিধিরা প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিংয়ের জন্য চূড়ান্তভাবে ১৭ জন টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নির্বাচিত করেন। প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিং সম্পন্নকারী ১৭ জনের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১০ জন ৩০ আগস্ট জাপানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন হিসেবে ৩ বছরের চুক্তিতে গেছেন। বাকি ৭ জন আগামি অক্টোবরে জাপান যাবেন। টেকনিক্যাল ইন্টার্নদের কর্মক্ষেত্রে সফলতা ও কোম্পানির চাহিদার ভিত্তিতে এ চুক্তি আরও ২ বছরের জন্য নবায়ন হতে পারে। জাপানের কোম্পানিগুলোর চাহিদার ভিত্তিতে ২য় ব্যাচে আরও ৩০ জন টেকনিক্যাল ইন্টার্ন পাঠানোর লক্ষ্যে এরইমধ্যে প্রাথমিক বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের প্রি-ডিপার্চার ট্রেনিং অক্টোবরে শুরু হবে। জাপানে টেকনিক্যাল ইন্টার্ন প্রেরণ সংক্রান্ত এ প্রক্রিয়া জাপানের কোম্পানিসমূহের চাহিদার ভিত্তিতে অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে। জাপানে কোম্পানি ভেদে টেকনিক্যাল ইন্টার্নরা মাসিক ৬৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এর বাইরে অতিরিক্ত কাজের জন্য তারা আলাদাভাবে ভাতা পাবেন। ৩ বছর শিক্ষানবিশি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সমাপ্তির পর টেকনিক্যাল ইন্টার্নদেরকে দেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থানসহ নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট জাপানের কোম্পানি ৪ লাখ টাকা করে দেবে। আর ৫ বছর শিক্ষানবিশি প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারীদের কোম্পানি ৬ লাখ করে টাকা দেবে। তবে এজন্য কিছু শর্ত রয়েছে।
টেকনিক্যাল ইন্টার্নরা নিয়োগ দেয়া কোম্পানি থেকে পালিয়ে অন্য কোন কোম্পানিতে যোগ দিতে পারবে না এবং সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়া যাবে না। টেকনিক্যাল ইন্টার্নরা জাপানের আইন যথাযথভাবে মেনে প্রশিক্ষণ শেষ করে দেশে ফিরলে তাদের জন্য আইএম জাপান দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ফলে এই প্রথম ব্যাচের ওপর অনেকটাই নির্ভর করছে, জাপান আরও কত সংখ্যক টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নেবে। তবে বিশেষজ্ঞরা এখনই জাপানের শ্রমবাজারের ব্যাপারে অতিরিক্ত আশা না করার পরামর্শ দিয়েছেন। গত ১০ বছরে মাত্র ৩০০ টেকনিক্যাল ইন্টার্ন নিয়েছে জাপান। সম্প্রতি বিদেশি কর্মী নেয়ার ক্ষেত্রে নতুন আইন করায় এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশটিতে শ্রমবাজার খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ সরকার। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বৃহৎ শ্রমবাজারগুলো বন্ধ থাকা এবং বাকিগুলোতে শ্রমিক যাওয়ার হার কমে আসায় নতুন স্বপ্ন দেখা শুরু হয় জাপানের বাজার নিয়ে। ২০২০ সালে জাপানের টোকিও-তে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অলিম্পিক গেমসের আসর। এ আসর উপলক্ষে দেশটিতে প্রচুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এসময় দক্ষকর্মী পাঠিয়ে এ দেশের বাজার ধরতে চায় বাংলাদেশ। কিন্তু জাপানের শ্রমবাজারে প্রবেশ করা বাংলাদেশের জন্য কষ্টসাধ্য। সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশ যাওয়া বাংলাদেশি কর্মীদের বেশির ভাগই অদক্ষ। জাপানে এ ধরনের কর্মীর কোনো দরকার নেই। তবে বছরে যে অল্প সংখ্যক টেকনিক্যাল ইন্টার্ন দেশটি বাংলাদেশ থেকে নিয়ে থাকে, সেই সংখ্যা কিছুটা বাড়াবে দেশটি। তবে এখানেও আশার কিছু নেই। সেই সংখ্যা খুবই সামান্য।
তবে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তিতে অসামান্য উন্নতি করায় বাংলাদেশ থেকে জাপানে দক্ষ প্রযুক্তিবিদ নেয়া সম্ভব বলে মনে করছেন অনেকে। গত ২২ আগস্ট জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটরো) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের জনসম্পদ শীর্ষক সেমিনারেও একই রকম আশা প্রকাশ করেছেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। সেমিনারে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মেধাবী ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ অনেক জনবল রয়েছে। তাদের জাপানি কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে জাপানে নিয়োগ নিশ্চিত করতে পারলে, তা দুই দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে।

ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের ডেরা থেকে ১৮ নাবালিকা ও বিপুল পরিমাণ কনডম উদ্ধার


নারী ধর্ষণের মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতীয় স্বঘোষিত ধর্মগুরু রাম রহিম সিংয়ের বৈচিত্র্যপূর্ণ নানা কর্মকাণ্ড সামনে আসতে শুরু করে ২৫ আগস্ট শুক্রবার ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণার পর থেকে। তবে এবার বেরিয়ে এসেছে গুরুর আস্তানার ভেতরের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও সেখানে কীভাবে তিনি অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালাতেন তার বর্ণনা।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য সামনে এনেছেন ওই মামলার প্রধান তদন্তকারী সিবিআইয়ের অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি এম নারায়ণন। ধর্ষণ মামলায় গুরমিতের জেল হওয়ার পর তল্লাশি চালানো হয় তার ডেরায়। সেখান থেকে ১৮ জন নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের ওপরেও যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে কি না, তা জানার জন্য ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গেছে।

নারায়ণন জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০২ সালের মধ্যে শুধুমাত্র যৌন নির্যাতনের কারণেই ডেরা ছেড়ে গিয়েছিলেন দুই শতাধিক নারী। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ১০ জনকে খুঁজে পেয়েছে সিবিআই। তাদের মধ্যেও মাত্র দু’জন আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। বাকিরা মুখ খুলতে চাননি।
তিনি জানান, রাম রহিমের ভাণ্ডারে লেক্সাস, রেঞ্জ রোভারের মতো বিলাসবহুল গাড়ির সংখ্যা একাধিক। বিশাল বিশাল ঘরের অধিকাংশ জায়গাই খাঁটি সোনায় মোড়া। এখান থেকেই রাজকীয় হালে নিজের সাম্রাজ্য পরিচালনা করতেন ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত গুরমিত রাম রহিম সিং। গুরমিতের গোপন গুহা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণ কনডম, গর্ভনিরোধক বড়ি, অশ্লীল সিডি, ভিডিও এমনকি সেক্স টনিকও।

একেবারে মনের মতো করে ডেরায় পরিবেশ সাজিয়েছিলেন রাম রহিম। তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণন আরও জানান, নিজের গোপন গুহায় সুন্দরী অল্পবয়সী সাধ্বীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকতেন বাবা। তার ব্যক্তিগত পরিচর্যার দায়িত্বে থাকতেন এই সাধ্বীরাই। কিন্তু অনেক সময় তাতেও মন ভরত না বাবার। ঠিক রাত ১০টার সময় ফোন যেত প্রধান সাধ্বীর কাছে। ‘আবদার’ থাকত নতুন তরুণী সাধ্বী পাঠানোর।
তিনি বলেন, ডেরার সকলেই জানত এ বিষয়ে। কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতেন না কেউ। সামাজিক কাজকর্মের আড়ালে স্বেচ্ছাচার চালাতেন ভণ্ড বাবা। নারায়ণনের ভাষ্য, ‘ও মানসিক রোগগ্রস্ত। জন্তু ছাড়া আর কিচ্ছু নয়।’

শুধু ধর্ষণ মামলাই নয়, রাম রহিমের মাথার ওপর ঝুলছে দু’টি খুনের মামলাও। ২০০২ সালে ধর্ষণের কথা জানিয়ে দুই সাধ্বী চিঠি পাঠিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটোলবিহারী বাজপেয়ীকে। ওই দুই সাধ্বীর মধ্যে একজন ছিলেন ডেরা ম্যানেজার রঞ্জিত সিংহের বোন। ‘দেশ সেবক’ নামের একটি পত্রিকায় এই চিঠি প্রকাশ করেন সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতি। অভিযোগ, এরপরেই রঞ্জিত সিংহ এবং ছত্রপতিকে খুন করান রাম রহিম। আগামী মাসেই শুরু হবে সেই মামলার শুনানি।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

যেভাবে পর্নোগ্রাফি দিয়ে খুব সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে জীবন

অনলাইনে পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতার ফলে পুরো পৃথিবী জুড়ে বহু মানুষের বিনোদনের খোরাক এখন পর্নোগ্রাফি। পর্ন সিনেমার অভিনেত্রীরা মেকআপ, লাইট ও ক্যামেরার সাহায্যে কৃত্রিম আচরণ ও সৌন্দর্য দিয়ে পূর্ণ করছেন মানুষের যৌন আকাঙ্ক্ষা। তবে এই পর্নোগ্রাফি দিয়ে খুব সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে একটি জীবন। পর্ন সিনেমার যৌন আচরণ আর বাস্তব জীবনের যৌন মিলনের মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। কিন্তু পর্নোগ্রাফির কৃত্রিম আচরণ, অনুকরণ করে যখন কেউ তা নিজের বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার চেষ্টা করেন ঠিক তখনি তাকে অসুখী হয়ে পড়তে হয় এবং ব্যর্থতার গ্লানি চলে আসে নিজের জীবনে, যার প্রভাব পড়ে মানুষটির ব্যক্তিগত যৌন জীবনে।
এ সম্পর্কে পর্ন স্টার লুসি বেই বলেন- ‘পর্নোগ্রাফিতে নিখুঁত যৌন মিলন দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে সেই নিখুঁত যৌন মিলন খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। পর্নোগ্রাফির যৌনতা শুধুমাত্র কিছুক্ষণ দর্শকদের আনন্দ দেওয়া।’
এ দিকে পর্নোগ্রাফির অনুকরণ নিয়ে আরেক পর্ন তারকা রয়ান জেমস বলেন- ‘পর্দায় ভালো লাগার জন্যই পর্নোগ্রাফির যৌন আচরণগুলো নিখুঁত ভাবে দেখানো হয়। তবে এটা কখনই ব্যক্তিগত মিলনে সুখ এনে দেবে না। ব্যক্তিগত মিলনে সুখের জন্য প্রয়োজন সঙ্গী ও নিজের ভালোলাগাকে প্রাধান্য দেওয়া।’

 সূত্র: ডেকান ক্রনিকল।

খালুকে আসামী করে ধর্ষণের মামলা দায়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারই খালুর বিরুদ্ধে। ৩০ আগস্ট বুধবার রাতে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বাদী হয়ে খালুর বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে করেছে। মামলাটি আমলে নিয়ে ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, দুই মাস আগে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নির্জন বনে নিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করে ওই ছাত্রীর খালু। বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। পরে গত ৭ জুলাই ওই ছাত্রী বাড়িতে একা থাকাকালীন খালু কর্তৃক আবারও ধর্ষণের শিকার হয় ওই ছাত্রী। পরে মেয়েটি তার মা-বাবাকে ঘটনাটি খুলে বলে। তার মা-বাবা বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুর রউফ তালুকদারকে জানালে ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু অভিযু্ক্ত ব্যক্তি তাতে সাড়া দেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
ছাত্রীর মা বলেন, বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ধর্ষণের শিকার হলে মেয়ে আর বিদ্যালয়ে যেতে চায়নি। ইউপির সদস্য আবদুর রউফ তালুকদার জানান, যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে, সে এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত, দাদনের ব্যবসাও রয়েছে তার। অভিযোগ পেয়ে তাকে কয়েকবার ডাকলেও সে আসেনি।
অভিযোগের অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রী বলেন, ঘটনাটি শুনছি। এটা খুবই লজ্জার। ঘটনাটি সত্য না মিথ্যা, তা বুঝতে পারছি না। তবে আমার স্বামী অপরাধ করলে আমি তার বিচার চাই।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সখীপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তারকা হোটেলে মানুষের মাংসের রেসিপি – ফাঁস হল রহস্য


খেতে গিয়েছেন ঝাঁ চকচকে তারকা ক্যাটেগরির রোস্তোরাঁয়। মনের আনন্দে খুলেছেন মেনু। পাতা ওল্টাতেই চোখ উঠলো কপালে। একটি খাবারের নাম ‘মৃত পল’। আঁতকে উঠে টেবিল ছেড়ে পালাবেন, নাকি পলের মৃতদেহের উপরে কাঁটা-চামচ চালাবেন, সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষেরই এমন মেনুর-বর্ণনায় আত্মা খাঁচাছাড়া হয়ে যাওয়ার কথা।
এমনটাই ঘটেছে ইরাকের কুর্দিস্তানের এক মহার্ঘ্য রোস্তোরাঁয়। সেখানকার রাজধানী এরবিলের বিখ্যাত হোটেল এরবিল ইন্টারন্যাশনাল-এর মেনুতে এই চমকে যাওয়া রেসিপি’র নাম জ্বলজ্বল করছে বলে জানিয়েছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। খবর মোতাবেক, এই হোটেলের রেস্তোরাঁয় ‘পল ইজ ডেড’ নামে একটি খাবার পাওয়া যাচ্ছে, যাকে নিয়েই এই বিভ্রান্তি।
কিন্তু কী এই খাবার? সত্যিই কি পল নামের কোনও ব্যক্তির মৃতদেহের সঙ্গে এই খাবার সংশ্লিষ্ট? এমন হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তত্ত্ব-তালাশ করে জানা গিয়েছে, এই ভয়ানক নামের খাবারটি আর কিছুই নয়, নেহাতই নিরীহ মিটবলস বা সাদা বাংলায় মাংসের বড়া। আর অবশ্যই সেই মাংস চিকেন, মটন কিংবা দুম্বার। নর মাংসের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্কই নেই।
তা হলে কেন এমন নাম? খোঁজখবর নিয়ে জানা গিয়েছে, মেনুকর্তারা মেনু লেখার সময়ে ‘মিটবল’ শব্দটির আরবি প্রতিশব্দ খুঁজছিলেন। ট্রানশ্লেটরে শব্দটি ফেলতেই অনুবাদে যা ভেসে আসে, তা হলো, ‘মাইত বাউল’। আরবি ভাষায় এই শব্দবন্ধের অর্থ— ‘মৃত পল’। আর সেই নামেই এই জনপ্রিয় খানাটিকে মেনুতে তুলে দেন রেস্তোরাঁর কর্তারা। হেন্ড অ্যামরি নামের জনৈকা টুইট করে বিষয়টা সবার নজরে আনেন। ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর টুইট।
‘মৃতের মানুষের মাংসের বড়া ভাজা’ নিয়ে ভয়ানক সব ফচকেমি শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জানেন কি যেসব কারণে কোরবানি দিলেও কোরবানি হবে না


কোরবানি শব্দের অর্থ ত্যাগ আর ঈদ শব্দের অর্থ খুশি। অতএব ঈদুল আযহা অর্থ কোরবানির খুশি। এই কোরবানির দিনে আল্লাহর উদ্দেশ্যে জানোয়ার (পশু) জবাই করা হয়। এর দ্বারা মালের ত্যাগ স্বীকার করা হয়। এই মালের কোরবানি দিতে পারার মধ্যে মুমিনের একটা আনন্দবোধ থাকে। এজন্যই একে কোরবানির ঈদ বলা হয়।
ইসলামে অনেক ধরণের কোরবানির বিধান রয়েছে। এক ধরণের কোরবানি হল জানের কোরবানি। যেমন, নামায, রোজা, হজ্ব, জিহাদ ইত্যাদির বিধান। আর এক ধরণের কোরবানি হলো মালের কোরবানি। যেমন, যাকাত, ফিতরা, কোরবানি, দান, সদকা ইত্যাদির বিধান। এসব বিধান পালনের মাধ্যমে মালের কোরবানি দেওয়া হয়।
কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব। অধিকাংশ মুসলমান ব্যক্তি এই ঈবাদত পালন করতে চান। এ কারণে আনন্দের সঙ্গেই সাধ্যমত কোরবানি দিয়ে থাকেন। কিন্তু ইসলাম বা কোরবানি সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান না থাকায় মনের অজান্তেও এই ঈবাদত যথাযথ ভাবে হয় না। তাই কোরবানি দিলেও বেশ কিছু কারণে না হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
বেশ কিছু কারণ নিম্নে তুলে ধরা হল:
১) জানোয়ার (পশু) জবাই করার মাধ্যমে মালের কোরবানি হবে সেই সাথে মনেরও কোরবানি হবে। এই কোরবানি জন্তু জবাই করতে বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় হয়। এই অর্থের প্রতি মনের যে মায়া সেই মায়াকে ত্যাগ করে কোরবানি করতে হবে। তাহলেই কোরবানি সহিহ হবে।
২) কোরবানি করতে গেলে মনের মধ্যে যদি গোশত খাওয়ার চিন্তা চেতনা আসে তাহলে ওই ব্যক্তির কোরবানি সহিহ হবে না।
৩) সুদ, ঘুষ এবং অসৎ টাকায় কোরবানি দিলে কোরবানি সহিহ হবে না।
৪) কোরবানির জন্তু ভাগে ক্রয় করলে অংশিদারদের মনের ভিতর কোন প্রকার গোশত খাওয়া বা অন্য কোন গলদ ধারণা থাকলে কোরবানি সহিহ হবে না।

- হাফেজ মাওলানা শিহাব উদ্দিন

রামপুরায় কিশোরী গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ


রাজধানীর রামপুরায় এক কিশোরী গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  বুধবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কিশোরীর স্বামী। রাতে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নয়। রামপুরা থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা বলেন, ঘটনা সম্পর্কে দুই ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে। প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
 
গৃহবধূর স্বামী হাসপাতালে জানান, রামপুরার ওয়াপদা রোডের জাহাজ বিল্ডিং এলাকার একটি বাসায় তিনি স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন। ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। এ সুযোগে বিকাল ৫টার দিকে স্থানীয় বখাটে দীন ইসলামসহ চার-পাঁচজন বাসায় ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণের পর পালিয়ে যায়। পরে তিনি বাসায় ফিরলে ঘটনাটি জানায় স্ত্রী। রাতে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য প্রথমে গাইনি বিভাগে পাঠানো হয়। পরে তাকে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।
 
এদিকে রামপুরা থানা পুলিশ বলছে, ওই গৃহবধূর পুরনো প্রেমিককে নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য রয়েছে। গতকালও এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে কিশোরী অভিমান করে ঘুমের ওষুধ খান বলে জানা গেছে। তার প্রেমিকের ওই বাসায় যাওয়া নিয়েও কিছু ঝামেলার কথা শোনা যাচ্ছে। ঘুমের ওষুধের প্রভাবে রাতেও তিনি ভালোভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। তবে তার স্বামীর অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্ত চলছে।
 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates