গুয়াতেমালায় নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, 'বাংলাদেশ গুয়াতেমালার সঙ্গে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিনিময়, উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী।' তিনি আরো বলেন, 'দুটি দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিকাশের পথে ভৌগলিক অবস্থান বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো উচিত নয়।'
শুক্রবার জাতিসংঘে নিয়োজিত বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি মোমেন গুয়াতেমালা সিটিতে গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট জিমি মোরালেসের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশকালে এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে গুয়াতেমালার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লস মোরালেস উপস্থিত ছিলেন। পরিচয়পত্র প্রদানের পর তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।
এ সময় গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট মোমেনের পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন এবং তাকে অভিনন্দন জানান। মোমেন গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্টের কাছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। এ সময় মোমেন গুয়াতেমারার আর্থসামাজিক উন্নয়নে যে অগ্রগতি হয়েছে, সেজন্য প্রেসিডেন্ট মোরালেসকে অভিবাদন জানান।
অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ ও গুয়াতেমালা দূতাবাস বিভিন্ন নির্বাচনে পরস্পরের প্রার্থীদের সমর্থনদানসহ অনেক অভিন্ন বিষয়ে সমর্থনের মাধ্যমে এক সঙ্গে কাজ করতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের যে অগ্রগতি হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেন। এরআগে বৃহস্পতিবার, রাষ্ট্রদূত মোমেন গুয়াতেমালার পররাষ্ট্র বিষয়ক ভাইস-মিনিস্টার আনা মারিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে দুটি দেশের মাঝে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা স্থাপনে আগ্রহসহ শান্তি ও অভিবাসন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। খবর- বাসস।


No comments:
Post a Comment