এরপর ধর্ষিতাকে জোর করে মিমাংসাপত্রে সই নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওঘাহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘরের ভেতরে স্ত্রী-সন্তানকে রেখে বাইরে থেকে দরজায় শিকল লাগিয়ে মাছ ধরতে যায় স্বামী।
এ সুযোগে একই গ্রামের আব্দুল মজিদের বখাটে ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম সহিদ দরজা খুলে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এসময় গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে ধর্ষককে গণধোলাই দেয়।
পরে স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি মিমাংসা করে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে ধর্ষককে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ধর্ষকের চাচা মো. আব্দুল করিমসহ স্থানীয় মাতব্বররা এক সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে।
এ সালিশে ধর্ষক শহিদুলের কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করলেও জরিমানার কানাকড়িও ধর্ষিতার পরিবারকে দেয়া হয়নি। সমস্ত টাকা সালিশকারী মাতব্বররা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করেছে।
ধর্ষক শহিদুল জানায়, 'অপরাধ করেছি। মাতব্বররা জরিমানা নিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করে দিয়েছে। জরিমানার টাকাও পরিশোধ করে দিয়েছি। টাকা কে পেল আর পেল না এটা আমার দেখার বিষয় নয়।'
সালিশকারী মাতব্বর আব্দুল করিম বলেন, 'ঘটনাটি সালিশি বৈঠকে মিটমাট করে দিয়েছি। জরিমানার টাকাও ধর্ষিতাকে প্রদান করেছি। জরিমানার টাকা পেয়েও এখন সে মিথ্যা কথা বলছে।'
ধামরাই থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ রিজাউল হক দীপু বলেন, এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।


No comments:
Post a Comment