ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বললেই আমাদের চোখে ভাসে ফুটবল। তবে অন্য খেলাতেও যখনই মুখোমুখি হয় দু দল, বাতাসে ঠিকই ফুলকি ছোটে।
শুধু চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বললে দুই লাতিন আমেরিকান দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজটা পুরোপুরি বোঝানো যায় না। বরং বলুন ‘চিরশত্রু’। খেলাধুলায় শব্দটা আপত্তিকর, কিন্তু খেলার মাঠে দুই দেশের বৈরিতাটা ফুটিয়ে তোলার জন্য এটাই আসলে সবচেয়ে উপযুক্ত।
আর্জেন্টিনা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেওয়ায় অলিম্পিক ফুটবলে বহুপ্রার্থিত সেই দ্বৈরথ দেখার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। সেটি পুষিয়ে দিতেই কিনা আজ বাস্কেটবলে অবিস্মরণীয় এক ম্যাচ খেলল দুই দল। তাতে জিততে জিততে যেভাবে হেরে গেল ব্রাজিল, সেই দুঃখের কোনো সান্ত্বনা হয় না। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে ব্রাজিলিয়ানরা কাঁদল। কাঁদারই কথা। অন্য কোনো দলের বিপক্ষে এভাবে হারলেও সেটি মেনে নেওয়া কঠিন হতো। আর এখানে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবং এমন জয়ের দুয়ারে গিয়ে পরাজয়—এই দুঃখ অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে ব্রাজিলিয়ানদের।
চতুর্থ কোয়ার্টার ও প্রথম ওভারটাইমেও কয়েক সেকেন্ড বাকি থাকতে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল ব্রাজিল। চতুর্থ কোয়ার্টারের তিন সেকেন্ড বাকি থাকতে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা ৮৫-৮৫ সমতা নিয়ে এল। প্রথম ওভারটাইমের শেষ দিকেও ব্রাজিল এগিয়ে ৯৪-৮৮ পয়েন্টে। ব্রাজিল জিতে যাচ্ছে, গ্যালারিতে আনন্দবন্যা। সেটির একটি অংশ থমথমে, যেখানে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের দল। একটু পরেই বদলে গেল চিত্রটা। সেখান থেকে যে ৯৫-৯৫ সমতা এনে ফেলল আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও কয়েক সেকেন্ড বাকি থাকতে কে জেতে কে হারে বোঝা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা জিতে গেল ১১১-১০৭ পয়েন্টে।
শুধু ফুটবল নয়, বাস্কেটবলেও যে এই দুই দলের ম্যাচ এমন ক্ল্যাসিক উচ্চতায় উঠতে পারে, সেটি অনুমান করা একটু কঠিনই ছিল। বাস্কেটবলে আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক পরাশক্তি। ২০০৪ অলিম্পিকে সোনা জিতেছে, ২০০৮ সালে ব্রোঞ্জ। এই মুহূর্তে র্যাঙ্কিংয়ে আছে ৪ নম্বরে। ব্রাজিল যেখানে ৯ নম্বর। অলিম্পিকে সর্বোচ্চ সাফল্য ব্রোঞ্জ। সেটি জিতেছে তিনবার, তবে সর্বশেষ সেই ১৯৬৪ সালে।
তারপরও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বলে কথা। এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল বেশ কদিন আগে থেকেই। অলিম্পিক দেখতে আর্জেন্টিনা থেকে অনেক সমর্থক এসেছেন ব্রাজিলে। রাস্তায়, ট্রেনে ‘ওলে-ওলে’ কোরাস শোনা যাচ্ছে নিয়মিতই। ব্রাজিলিয়ানদের খোঁচানোর প্রিয় কাজটাও নিয়মিতই হচ্ছে। এই ম্যাচের আগে ব্রাজিলের কোচ রুবেন ম্যাগনানোকে তাই শান্তির ডাক দিতে হয়েছে। এটা যে শুধুই একটা ম্যাচ, শুধুই একটা খেলা, আনন্দটাই এখানে মুখ্য—এসব বলে-টলে ম্যাচটা যেন ‘বাস্কেটবল উৎসব’ হয়, জানিয়েছিলেন এই কামনা।
তবে এই ম্যাচ অলিম্পিক বাস্কেটবল ইতিহাসেই অন্যতম ‘ক্ল্যাসিক’-এর মর্যাদা পেয়ে যাবে, এতটা বোধ হয় ম্যাগনানোও ভাবেননি। ম্যাচ শেষে থমথমে মুখে বেরিয়ে গেলেন। দেশ জিতেছে, তাতে কী! নিজের দল তো হেরে গেছে। ও হ্যাঁ, বলাই হয়নি। ব্রাজিল বাস্কেটবল দলের কোচ রুবেন ম্যাগনানো কিন্তু আর্জেন্টাইন!
আর্জেন্টিনা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেওয়ায় অলিম্পিক ফুটবলে বহুপ্রার্থিত সেই দ্বৈরথ দেখার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। সেটি পুষিয়ে দিতেই কিনা আজ বাস্কেটবলে অবিস্মরণীয় এক ম্যাচ খেলল দুই দল। তাতে জিততে জিততে যেভাবে হেরে গেল ব্রাজিল, সেই দুঃখের কোনো সান্ত্বনা হয় না। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে ব্রাজিলিয়ানরা কাঁদল। কাঁদারই কথা। অন্য কোনো দলের বিপক্ষে এভাবে হারলেও সেটি মেনে নেওয়া কঠিন হতো। আর এখানে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবং এমন জয়ের দুয়ারে গিয়ে পরাজয়—এই দুঃখ অনেক দিন তাড়িয়ে বেড়াবে ব্রাজিলিয়ানদের।
শুধু ফুটবল নয়, বাস্কেটবলেও যে এই দুই দলের ম্যাচ এমন ক্ল্যাসিক উচ্চতায় উঠতে পারে, সেটি অনুমান করা একটু কঠিনই ছিল। বাস্কেটবলে আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক পরাশক্তি। ২০০৪ অলিম্পিকে সোনা জিতেছে, ২০০৮ সালে ব্রোঞ্জ। এই মুহূর্তে র্যাঙ্কিংয়ে আছে ৪ নম্বরে। ব্রাজিল যেখানে ৯ নম্বর। অলিম্পিকে সর্বোচ্চ সাফল্য ব্রোঞ্জ। সেটি জিতেছে তিনবার, তবে সর্বশেষ সেই ১৯৬৪ সালে।
তারপরও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা বলে কথা। এই ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল বেশ কদিন আগে থেকেই। অলিম্পিক দেখতে আর্জেন্টিনা থেকে অনেক সমর্থক এসেছেন ব্রাজিলে। রাস্তায়, ট্রেনে ‘ওলে-ওলে’ কোরাস শোনা যাচ্ছে নিয়মিতই। ব্রাজিলিয়ানদের খোঁচানোর প্রিয় কাজটাও নিয়মিতই হচ্ছে। এই ম্যাচের আগে ব্রাজিলের কোচ রুবেন ম্যাগনানোকে তাই শান্তির ডাক দিতে হয়েছে। এটা যে শুধুই একটা ম্যাচ, শুধুই একটা খেলা, আনন্দটাই এখানে মুখ্য—এসব বলে-টলে ম্যাচটা যেন ‘বাস্কেটবল উৎসব’ হয়, জানিয়েছিলেন এই কামনা।
তবে এই ম্যাচ অলিম্পিক বাস্কেটবল ইতিহাসেই অন্যতম ‘ক্ল্যাসিক’-এর মর্যাদা পেয়ে যাবে, এতটা বোধ হয় ম্যাগনানোও ভাবেননি। ম্যাচ শেষে থমথমে মুখে বেরিয়ে গেলেন। দেশ জিতেছে, তাতে কী! নিজের দল তো হেরে গেছে। ও হ্যাঁ, বলাই হয়নি। ব্রাজিল বাস্কেটবল দলের কোচ রুবেন ম্যাগনানো কিন্তু আর্জেন্টাইন!


No comments:
Post a Comment