গত ৩ দিনে ব্রাজিলের বিভিন্ন পুলিশিয়া ফেডারেলে রিও অলিম্পিক দেখতে যাওয়া হাজার হাজার নারী পুরুষ - শরণার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন । এতে বেশ কয়েক জন বাংলাদেশীও রয়েছেন ।

ব্রাজিলে রাজনৈতিক আশ্রয় সম্পূর্ণ মানবিক কারণে গৃহীত হয় ।
রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) কাকে বলে ?
রাজনৈতিক আশ্রয় আন্তর্জাতিক আইনের একটি স্বীকৃত অধিকার। কোন ব্যক্তি যদি তার নিজ রাষ্ট্র থেকে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ধর্মিয় কর্মকান্ডের জন্য বিতাড়িত হয় তাহলে ঐ ব্যক্তি মানবিক কারণে অন্য রাষ্ট্রে প্রবেশ ও বসবাসের জন্য অনুমতি লাভ করতে পারে। সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ১৯৪৮ এর অনুচ্ছেদ ১৪(ক) তে বর্ণিত হয়েছে যে, নিজ রাষ্ট্রে রাজনৈতিক বা আদর্শগত কারণে নিপীড়ন বা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির অন্য রাষ্ট্রে আশ্রয় প্রার্থনা করার অধিকার রয়েছে।
কোন ব্যক্তি আশ্রয় প্রার্থনা করলেই তাকে আশ্রয় প্রদান করতে হবে অথবা কোন ব্যক্তি অধিকার হিসাবে এই আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারবে সে সম্পর্কে আন্তর্জাতিক আইনে কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই। এই প্রকারের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইন হিসাবে স্বীকৃত। আবার কোন কোন রাষ্ট্র যেমন জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি তাদের সংবিধানে রাজনৈতিক আশ্রয়কে অধিকার হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। কোন ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করা রাষ্ট্রের বিবেচনার উপর নির্ভর করে এবং আশ্রয় প্রদান করলে ব্যক্তির নিরাপত্তার প্রতি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রকে সচেতন হতে হয়। আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিকে শুধুমাত্র থাকার অনুমতি দেয়াই যথেষ্ট নয় বরং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তির আবাসন ও ভরণপোষণে সহায়তা প্রদান করাও সেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
কোন ব্যক্তি আশ্রয় প্রার্থনা করলেই তাকে আশ্রয় প্রদান করতে হবে অথবা কোন ব্যক্তি অধিকার হিসাবে এই আশ্রয় প্রার্থনা করতে পারবে সে সম্পর্কে আন্তর্জাতিক আইনে কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই। এই প্রকারের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রদান প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইন হিসাবে স্বীকৃত। আবার কোন কোন রাষ্ট্র যেমন জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি তাদের সংবিধানে রাজনৈতিক আশ্রয়কে অধিকার হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। কোন ব্যক্তিকে আশ্রয় প্রদান করা রাষ্ট্রের বিবেচনার উপর নির্ভর করে এবং আশ্রয় প্রদান করলে ব্যক্তির নিরাপত্তার প্রতি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রকে সচেতন হতে হয়। আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিকে শুধুমাত্র থাকার অনুমতি দেয়াই যথেষ্ট নয় বরং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তির আবাসন ও ভরণপোষণে সহায়তা প্রদান করাও সেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
ব্রাজিল অনন্য দেশ থেকে আলাদা একটি দেশ। সম্প্রতি ব্রাজিলে বাংলাদেশী, ইন্ডিয়ান ,পাকিস্থানি,আফ্রিকান,হাইতি সহ নানাদেশের লোক ব্রাজিলে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন।
রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়া বেশীর ভাগ লোক এখন ব্রাজিলে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করছেন ।আর কিছু সংখ্যক লোক চাকুরি করছেন। কিন্তু ২০১২ সালের পর এবার রিও তে
খেলা দেখতে আসা প্রায় ১২০০০ লোক ব্রাজিলে শরণার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন ।


No comments:
Post a Comment