ব্রাজিলের অনন্য এক শহর কুরিচিবা। একই সঙ্গে এটি শিল্পনগরী ও সাংস্কৃতিক শহর। কুরিচিবার একদিকে যেমন বড় বড় কারখানা আছে, অন্য দিকে আছে অপেরা হাউজ আর থিয়েটার হল। সবুজে ঘেরা এই শহরটির ফুটবল ঐতিহ্যও দারুণ।
কিন্তু স্টেডিয়ামটি তৈরির আগে থেকেই মানুষের মুখে অন্য নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য গুইমারেস ১৯১২ সালে জমি কিনেছিলেন কুরিচিবার অপেক্ষাকৃত নিচু জায়গায়। জলাবদ্ধ নিচু ভূমিকে পর্তুগিজ ভাষায় বলা হয় 'বাইশাদা দা আগুয়া ভার্দে'। এটাই সংক্ষেপিত হতে হতে স্টেডিয়ামটির নাম হয়ে যায় বাইশাদা।
গুমারেসের ক্লাবের নামও এখন বদলে হয়ে গেছে ক্লাব আতলেতিকো পারানাইনসি। পরবর্তীতে স্টেডিয়ামের নাম বদলে হয়ে গেছে আরেনা দা বাইশাদা।
নাম বদলের সঙ্গে বদলেছে স্টেডিয়ামের আদলও। পুরো ভেঙে ফেলে স্টেডিয়ামটি নতুন করে তৈরি করা হয় ১৯৯৯ সালে। সেই থেকেই এটি ব্রাজিলের অন্যতম আধুনিক স্টেডিয়ামে রূপ নেয়।
এর পর বিশ্বকাপের জন্য আবার সংস্কার করা হয় বাইশাদার। সবশেষ সংস্কারের পর এর আসন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৪৫৬।

কুরিচিবার ঐতিহাসিক এই স্টেডিয়ামে এবারের বিশ্বকাপের ৪টি ম্যাচ হয়েছে। ৪টি ম্যাচই গ্রুপ পর্বের। এর মধ্যে একটি ম্যাচ অবশ্য স্পেনের।
এক নজরে:
ধারণক্ষমতা : ৪১ হাজার ৪৫৬
নির্মাণ: ১৯১৪ (কয়েক দফা সংস্কারের পর ২০১৪ সালে আবার উদ্বোধন করা হয়)
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা: ৯২০ মিটার (৩ হাজার ১৮ ফুট)
জলবায়ু: খেলার জন্য কুরিচিবার আবহাওয়া আদর্শই ছিল।
অবস্থান: সাও পাওলোর দক্ষিণে। ব্রাজিলের অন্যতম ঠাণ্ডা শহর। এ বছর এখানে তুষারপাতও হয়েছিল।



No comments:
Post a Comment