ব্রাজিলে অভিবাসনের প্রত্যাশায় বাংলাদেশ,ভারত, পাকিস্তান থেকে প্রতিনিয়ত পাড়ি জমাচ্ছেন অনেকে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়া বাংলাদেশী পাসপোর্ট ধারীদের ভিসা প্রয়োজন হয় না তাই সহজেই ঢাকা এয়ারপোর্ট এ টাকা দিয়ে ইমিগ্রেশন পার হয়ে যাচ্ছেন সে সকল ব্রাজিল অভিবাসন প্রত্যাশীরা ।
বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে দুবাই, ইস্তাম্বুল, কাতার অথবা তেহরানে। সেখান থেকে তাদের নেয়া হয় ভেনিজুয়েলা,বলিভিয়া, পেরু,একুয়েডর, কলম্বিয়া অথবা গায়ানায়। এর পর শুরু হয় বাস যাত্রা,সীমান্ত পারি দিয়ে প্রবেশ করেন স্বপ্নের দেশ ব্রাজিলে।
সম্প্রতি বলিভিয়া দালাল চক্রের ঝামেলার কারনে সেদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় দেশটিতে বাংলাদেশীদের প্রবেশে বিধি নিষেধ জারী করেন। ২০১০ সাল থেকে বলিভিয়া এক শ্রেণীর দালাল চক্র বাংলাদেশি দালালদের পাঠানো আদম দের রিসিভ এর নামে কোটি কোটি ডলার ইনকাম করেন। এর পর সেই সকল আদমদের সীমান্ত পার করে ব্রাজিল বা আমেরিকা পাঠান । তবে ব্রাজিল আসতে খুব একটা কষ্ট না হলেও আমেরিকা পারি দিতে প্রায় সাতটি দেশ পার হয়ে যেতে হয় ।
ব্রাজিল-কলম্বিয়া-পানামা-কোস্টারিকা-নিকারাগুয়া-এল সালভাদর-গুয়াতেমালা হয়ে তাদের পৌঁছে দেয়া হয় মেক্সিকোয়। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে মেক্সিকো সীমান্ত অতিক্রম করে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছার প্রয়াস নেন অভিবাসন প্রত্যাশীরা। গোটা পথ প্রদর্শকের দায়িত্বে থাকে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। খরচ হিসেবে জনপ্রতি আদায় করা হয় ২৫-৩০ হাজার ডলার।
অনেক দিন পর আবার নতুন করে শুরু হয়েছে বলিভিয়া হয়ে ব্রাজিলে মানব পাচার । তবে এবারো ট্রানজিট হিসেবে পাচ্ছে ব্রাজিলের সাও পাওল এয়ারপোর্ট । যদিও ব্রাজিলের এয়ারপোর্ট গুলোতে চলছে করাকরি নজরধারি । তারপরও আসছে ব্রাজিলে অভিবাসনের প্রত্যাশীরা । তবে অনেকেই ব্রাজিলে আইনজীবী ধরে এয়ারপোর্ট এ পুলিশিয়া ফেডারেল এ সেলেন্ডার করে আইনের সুযোগে রিফুজি নিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে ।




No comments:
Post a Comment