সৌদি আরব বালাদেশের হজ্জযাত্রীর কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন সৌদি আরব-বাংলাদেশ হ্জ্জ চুক্তি সম্পূর্ন হয়েছে । এর মধ্য সরকারী ভাবে ৭ হাজার এবং বেসরকারী ভাবে ১ লক্ষ ২০ হাজার ১ শত ৯৮ জন হ্বজ পালন করতে পারবেন । হজ্জযাএীর ৫০ ভাগ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লি: সৌদি এয়ারলাইন্স ৫০ ভাগ বহন করবেন ।
এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকার সকল প্রকার সেবার ক্ষেএে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আরোপ করেছে, যা ১লা জানুয়ারী ২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে । আবাসন, খাদ্য ও পরিবহনের উপর এর প্রভাব পড়বে তবে রাজকীয় সৌদি সরকার কর্তৃক আরোপিত ভ্যাটের প্রভাব যাতে হজ্জযাত্রীদের উপর আর্থিক সৃষ্টি হজ্জ না করে সে বিষয় বাংলাদেশের সচেষ্ট থাকবে ।
হ্জ্জ মন্ত্রী ড.সালে আল বাতেন নিয়ে আলোচনা করতে ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের টিম বর্তমানে সৌদি আরব অবস্থান করছেন এই টিমে আছেন সৌদি আরবে বাংলাদেশ রাষ্টদুত জনাব গোলাম মোচি ও হজ্জ কাউনচেল মাকচুদউর রহমান এবং বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম গোলাম ফারুক, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আনিছুর রহমান এবং সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নাইম হাসান। ধর্মমন্ত্রী বলেন
জন্য ১০% কোটা বৃদ্ধির সম্ভাবনার বিষয়টি জানিয়েছেন। সৌদি সরকার হজ্জযাত্রীর কোটা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মূলত কোটা নিয়ে আলোচনা করতেই ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান সৌদি আরব আসছেন সেখানে সৌদি হজ্জমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ- আলোচনা করে বিষয়টি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত দুই লাখ ১৩ হাজার ৭৮ জনের প্রাক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়।
কোটার অতিরিক্ত হজ্জযাত্রীরা পরবর্তী বছরের জন্য অগ্রাধিকার তালিকায় থাকবেন। বর্তমান তালিকায় গত বছরের হজ্জের আগে প্রাক নিবন্ধিত হজযাত্রীরা অগ্রাধিকার পেয়েছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকবে। প্রাক নিবন্ধনও সারাবছর চালু থাকবে। এদিকে সৌদি আরবে হজ্জযাত্রীদের ইমিগ্রেশন ভোগান্তি কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দেশটি চিন্তা করছে দুই দেশে মন্ত্রণালয়ের এটা সম্ভব হলে হজযাত্রীদের জেদ্দা বিমানবন্দরে আর ৫-৭ ঘণ্টা বসে থাকতে হবে না। সৌদি আরব থেকে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসে এটা সম্ভব কিনা তার নানা কারিগরি দিক খতিয়ে দেখবে।


No comments:
Post a Comment