ফুটবলের সবচেয়ে বড় এবং মর্যাদার আসর বিশ্বকাপে সফলতম দল ব্রাজিল। এ পর্যন্ত সেলেকাওদের ঘরে উঠেছে বিশ্বকাপের পাঁচটি শিরোপা। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪, ২০০২ সালে শিরোপা জিতেছে তারা। বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠা মানেই শিরোপা ব্রাজিলের! সর্বোচ্চ সাত বার ফাইনালে উঠেছে যার মধ্যে পাঁচ বারই শিরোপা জিতেছে তারা।
ব্রাজিলই একমাত্র দল যারা পরপর ৩বার ফাইনালে উঠেছে। ১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২ সালে। এরমধ্যে দুই বারই শিরোপা জিতেছে।
১৯৩০ সালের পর বিশ্বকাপের আসর থেকে কখনোই বাদ পড়েনি ব্রাজিল। যে কীর্তি নেই আর কারো। ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকেটও দাপটের সঙ্গেই হাসিল করে নিয়েছে নেইমার কৌতিনহোরা।
১৯৯৭ সালের পর কনফেডারেশন কাপের ৭টি আসরে অংশ নিয়েছে ব্রাজিল যার মধ্যে রেকর্ড চারটি জিতেছে নেইমারের দেশ। নিজেদের প্রথম আসরে শিরোপা জেতার পর ২০০৫, ২০০৯ এবং ২০১৩ সালে হ্যাট্রিক শিরোপা জেতে দলটি।
২০০০ এর বেশি আন্তর্জাতিক গোল করা একমাত্র দল ব্রাজিল! ম্যাচ জেতার দিক দিয়েও তারাই সেরা। সেলেকাওদের জেতা ম্যাচের সংখ্যা ছয়শরও বেশি।
একমাত্র ব্রাজিলেই আছে পেশাদার ক্যারিয়ারে ১ হাজারের বেশি গোলকরা দুইজন কিংবদন্তি-পেলে এবং রোমারিও। কালোমানিক খ্যাত পেলের ১২৮১ গোলের রেকর্ডটি ফিফার অফিসিয়াল রেকর্ডের শীর্ষস্থান দখল করে আছে। তিনিই ফুটবল ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন। বিশ্বকাপ জেতা সর্বকনিষ্ঠ প্লেয়ারও পেলে।
‘গোল এলাকার জিনিয়াস’ হিসেবে বর্ণনা করা যায় রোমারিওকে। ক্লাব পর্যায়ে তাকে এখনো সেরা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ব্যক্তিগতভাবে ১৯৯৪ সালে তিনি ফিফা বিশ্বকাপের শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং ২০০০ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার লাভ করেন।
এছাড়া প্যানামেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ বার অংশ নিয়ে দুইবার শিরোপা জিতেছে ব্রাজিল।


No comments:
Post a Comment