Social Icons

Saturday, March 5, 2016

সমালোচনার মুখে ট্রাম্পের সুর বদল

তীব্র সমালোচনার মুখে একদিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে সুর বদলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের জন্য সামরিক বাহিনীকে তিনি আন্তর্জাতিক আইন লংঘনের নির্দেশ দেবেন না। বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের টেলিভিশন বিতর্কে সন্ত্রাসীদের পরিবারকে হত্যা এবং নির্যাতনের পদ্ধতি হিসেবে পানিতে চোবানো ও তার থেকে কঠোরতার পক্ষে বলেন ট্রাম্প।
 
তার ওই বক্তব্যের সমালোচনায় সরব হন সাবেক মন্ত্রী, আইন প্রণেতা এবং গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা। ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দপ্তরের জন্য ‘অনুপযুক্ত’ বলেও মন্তব্য করেন কেউ কেউ। কেউ কেউ বলেন, সামরিক বাহিনী নিজস্ব ক্ষমতাবলে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করতে পারবে।
 
নিজ দলেও সমালোচনার মধ্যে থাকা ট্রাম্প এ প্রেক্ষাপটে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আইন ও চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য এ বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরেছেন এবং সামরিক বা অন্য কোনো কর্মকর্তাকে এসব আইন লংঘনের নির্দেশ দিবেন না। এসব বিষয়ে তাদের পরামর্শ নেবেন। আমি কোনো সামরিক কর্মকর্তাকে আইন অমান্য করতে নির্দেশ দেব না। এটা স্পষ্ট যে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমিও অন্য সব আমেরিকানের মতো আইন মেনে চলতে বাধ্য থাকব এবং আমি ওই সব দায়িত্ব পালনে সচেষ্টা থাকব।
 
ক্যাটরিনা পিয়ারসন নামে ট্রাম্পের এক মুখপাত্র বলেছেন, ট্রাম্প ওইভাবে বিষয়টি বলতে চাননি। তাকে ভুল বোঝা হয়েছে। সিএনএন ওলফ ব্লিজারকে তিনি বলেন, “তিনি (ট্রাম্প) বুঝতে পেরেছেন, তারা তাকে আক্ষরিকভাবে নিয়েছেন। এজন্য তিনি ওই বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। তিনি যা বলতে চেয়েছেন তা হলো-আমাদের সামর্থ্যের পুরোটা নিয়ে তিনি তাদের ধরতে চান। তবে তার এই ব্যাখা বা ট্রাম্পের বিবৃতি কোনো কিছুতেই ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান-উভয় দলের সমালোচনার ঝড় থামছে না।
 
হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ইন্টেলিজেন্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্রেট প্রতিনিধি অ্যাডাম স্কিফ বলেন, ট্রাম্প এখন বলছেন, তিনি আইন মেনে চলবেন। কিন্তু শত্রুদের পরিবারকে নির্যাতন বা হত্যা করবেন না- একথা এখনও তিনি স্পষ্ট করে বলেননি। এ বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার। এগুলো যুদ্ধাপরাধ- কে নির্দেশ দিল বা কে বাস্তবায়ন করল তা কোনো বিষয় নয়। রিপাবলিকান নেতা ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী উইলিয়াম কোহেন বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, সন্ত্রাসীদের পরিবারকে হামলা ও হত্যা করব-এই ভাবনা বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের যে অবস্থান তার সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত।
 
সামরিক বাহিনী এসব নির্দেশনা মেনে কাজ করলে তাদের ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সিআইএর সাবেক পরিচালক জেনারেল মাইকেল হেইডেন বলেন, এ ধরনের আদেশ দেওয়া হলে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনী তা উপেক্ষা করতে পারে। কোনো আইনবিরুদ্ধ আদেশ মেনে চলতে আপনি বাধ্য নন। এটা সশস্ত্র লড়াইয়ের সব আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন হবে। ট্রাম্পের অবস্থানের বিষয়ে জয়েন্ট চিফস অব স্টাসের চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ডের ভাবনা জানতে চেয়ে শুক্রবার তাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। বিবিসি।

No comments:

Post a Comment

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates