Social Icons

Monday, June 13, 2016

‘এই হামলার সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই

যুক্তরাষ্ট্রের অর‍ল্যান্ডো শহরের 'পালস' নামের সমকামী নাইটক্লাবটিতে বন্দুকধারীর হামলায় ৫০ জন নিহত হয়ওয়ার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন হামলাকারী ওমর মতিনের বাবা। তিনি আরো বলেছেন, এই হামলার কারণ তার ছেলের সমকামী-বিরোধী মনোভাব, ধর্ম নয়। ২৯ বছরের ওমর মতিন একজন মার্কিন নাগরিক। তার পিতা মীর সেদ্দিক বলেন, তিনি মনে করেন ওমর মতিনের সমকামী-বিরোধী মনোভাবই এ হামলায় তাকে উদ্বুদ্ধ করে থাকতে পারে। তিনি সংবাদ মাধ্যম এনবিসিকে বলেন, ‘এই হামলার সঙ্গে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। সম্প্রতি মিয়ামিতে একটি সমকামী যুগলকে চুম্বনরত অবস্থায় দেখার পর সে ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছিল।’ ওমর মতিনের বাবা আরো বলেন, এই হামলায় গোটা দেশের মতোই তিনিও স্তম্ভিত। তিনি এ হামলার ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে দু:খ প্রকাশ করেছেন। রোববার পালস নাইটক্লাবে বন্দুক হামলায় নিহতের সংখ্যা এখন ৫০য়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। অরল্যান্ডো শহরের মেয়র বাড্ডি ডায়ার নিহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করে বলেছেন, এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো অন্তত ৫৩ জন। এদের বেশিরভাগই এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের দেহে অস্ত্রোপচারের জন্য অরল্যান্ডো ছুটে গেছেন ছয় অতিরিক্ত সার্জন। টিভি চ্যানেলগুলোতে রক্তের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজন এতে ব্যাপক সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকাটি। তবে এটি সন্ত্রাসী হামলা কিনা এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিবিসি ও মার্কিন সংবাদ চ্যানেলগুলো বলছে, ওমর মতিনের নাম এর আগে কোন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীর তালিকায় ছিল না। তবে অন্য একটি অপরাধমূলক ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে নাইটক্লাবে হামলার কোনো সম্পর্ক নেই। সিবিএস নিউজ জানাচ্ছে, ওমর মতিনের বাড়ি ফ্লোরিডার পোর্ট সেন্ট লুসিতে। সে একজন মার্কিন নাগরিক, এবং তার বাবা-মা আফগান। পুলিশ অবশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সনাক্ত করে নি। প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশের বর্ণনা থেকে জানা যায়, পালস নামের নাইটক্লাবটি শহরের সমকামীদের একটি প্রধান কেন্দ্র। এখানেই স্থানীয় সময় রাত দু'টোর দিকে আক্রমণ চালায় বন্দুকধারী। তার হাতে ছিল দুটি আগ্নেয়াস্ত্র। একটি ছিল এ্যাসল্ট রাইফেল আর অপরটি ছিল হ্যান্ডগান। এছাড়া তার গায়ের সাথে কোন একটা 'বিস্ফোরক জাতীয় কিছু' বাঁধা ছিল। এর আগে যে বর্ণনা পাওয়া যায় তাতে বলা হয়েছিল, আক্রমণকারী সুইসাইড ভেস্ট বা আত্মঘাতী হামলাকারীরা যে ধরণের বিস্ফোরকভর্তি পোশাক পরে - তা পরা ছিলো। বন্দুকধারী নাইটক্লাবের অভ্যন্তরে চারদিকে নির্বিচারে গুলি করতে থাকে এবং কিছু লোককে জিম্মি করে। প্রথম গুলিবর্ষণের প্রায় তিন ঘন্টা পর পুলিশ জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নাইটক্লাবের ভেতরে ঢোকার সিদ্ধান্ত নেয়। ভেতরে ঢোকার পর বন্দুকধারীর সাথে পুলিশের গুলিবিনিময় হয়, এবং এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে বন্দুকধারী নিহত হয়। এর পর পুলিশ আক্রমণকারীর গায়ে বাঁধা বস্তুটির একটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটায়।

No comments:

Post a Comment

 

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

সম্পাদকীয় কার্যলয়

Rua padre germano mayar, cristo rio -80040-170 Curitiba, Brazil. Contact: +55 41 30583822 email: worldnewsbbr@gmail.com Website: http://worldnewsbbr.blogspot.com.br

সম্পাদক ও প্রকাশক

Jahangir Alom
Email- worldnewsbb2@gmail.com
worldnewsbbbrazil@gmail.com
 
Blogger Templates